মেসি ম্যাজিকে বার্সেলোনা পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষ স্থান টি মজবুত করলো। মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে বার্সেলোনা ২-০ গোলে লেগানেস কে পরাজিত করেছে।
বার্সার হয়ে এ. ফাতি ৪২ মিনিটে গোল করেন এবং ৬৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ম্যাচের শেষ গোলটি করেন লিওনেল মেসি।
অন্য একটি খেলায় এস্পানিওল ও গেটাফের ম্যাচটি গোল শূন্য ড্র হয়েছে। ম্যাচের ১৬ মিনিটের মাথায় লাল র্কাড দেখেন এস্পানিওলের খেলোয়াড় বার্নারডো।
ভিলারিয়াল ১-০ গোলে পরাজিত করেছে মায়ার্কোকে। ভিলারিয়ালের হয়ে ১৬ মিনিটের মাথায় গোল করে জয় নিশ্চিত করেন সি. বাকা।
বর্ষা ঋতুর শুরতেই উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে গভীর সঞ্চালণশীল মেঘমালা। এর প্রভাবে চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানান আবহওয়া অধিদপতর।
সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া অব্দি উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নে সাপের কামড়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। মৃত ছিতারন নেছা আমঝুপি ইউনিয়নের মল্লিকপাড়ার নুর ইসলামের স্ত্রী।
মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়রা বলেন, মঙ্গলবার রাতে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন ছিতারন। আনুমানিক রাত ১টার দিকে তাকে সাপে কামড় দিলে, তিনি অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এসময় পরিবারের লোকজন স্থানীয়দের সাহায্যে তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিলে, কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বলিউডে বহুদিন ধরে স্বজনপোষণের অভিযোগ চলেছে। এমনকি শোনা যায়, এই স্বজনপোষণের কারণে বাইরে থেকে বলিউড জগতে আসা বহু অভিনেতা-অভিনেত্রী সঠিক মূল্যায়ন পাননি।
আবার কেউ কেউ অভিযোগ তুলেছেন, একমাত্র নিজের স্বার্থের জন্য বলিউডের স্টার বা প্রযোজকরা অন্য কারো ক্যরিয়ার ধ্বংস করতেও ভেবে দেখেন না দ্বিতীয় বার। অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তারই জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ।
বলিউডের জনপ্রিয় দাবাং ছবির পরিচালক অভিনব সিং কাশ্যপ বলেন, সালমন খান ও তাঁর পরিবার সুশান্ত রাজপুতের ক্যরিয়ার শেষ করার পিছনে দায়ী। ২০১০ সালে ব্লকবাস্টার ছবি ‘দাবাং’এর অভিনয়ে সালমান খানের সঙ্গে অভিনব কাজ করেছেন। তবে ছবির সিক্যুয়েলে তিনি কাজ করতে পারেননি।
পরিচালক আরও অভিযোগ তুলে বলেন, সালমানের ভাই আরবাজ খান ও সোহেল খান সুশান্ত রাজপুতকে ধমক ও বিভিন্ন হুমকি দিয়ে তার ক্যারিয়ারের নিয়ন্ত্রণ নিতে চেষ্টা করেছিলেন। তাঁকে ক্রমাগত বুলিং করা হয়েছিল। তাঁর ক্যারিয়ারও ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা। এবার এমনই অভিযোগের তীক্ষ্ন তীর ছুড়ে দিলেন দাবাং পরিচালক।
বাংলা সংগীত প্রাচীনকাল থেকেই সমৃদ্ধ। কিন্তু তখনকার গান আর আজকের গানের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ। এর প্রধান কারণ উচ্চারণ। দুই যুগের মধ্যে এই সেতুবন্ধনীর কাজই করেছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। এমন কথাই বললেন কবীর সুমন।
একশো বছর আগে ঠিক আজকের দিনে কলকাতার উপকণ্ঠে জন্মেছিলেন এমন এক ব্যক্তি, যিনি বাংলা গানের জগতে এক বিপ্লব এনে দিয়েছিলেন। বাংলা আধুনিক গানের কথা বলতে তাঁর কথাই প্রথম মনে পড়ে সংগীতপ্রেমীদের।
তিনি হেমন্ত মুখোপাধ্যায় আজ তাঁর জন্মশতবার্ষিকীতে প্রবাদপ্রতীম সেই গায়ককে স্মরণ করলেন কবীর সুমন।
হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে অনেক কাছ থেকে দেখেছিলেন তিনি। হেমন্তবাবু ছিলেন তাঁর ‘গায়ক।’ কথাপ্রসঙ্গেই কবীর সুমন বলেন, “তাঁর উচ্চারণ শুনে মনে হত তিনি আমার গায়ক। আমার বাবা আমার গানের প্রথম শিক্ষক। কিন্তু আমার গায়ক তিনি হয়ে উঠতে পারেননি কোনওদিন। যা হেমন্তবাবু হয়েছিলেন।”
মানুষ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় কেমন ছিলেন? অতীতে ডুব দিলেন কবীর সুমন। উঠে এল এক অন্য হেমন্তের কথা।
যিনি কৃতজ্ঞ, যিনি উদার, যিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আগে দু’বার ভাবেন না। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের জীবনের যাঁরা শিকড় ছিলেন, তাঁর সংগীত জগতে আসা যাঁরা সম্ভব করে তুলেছিলেন, তিনি শেষদিন পর্যন্ত তাঁদের মাসে মাসে টাকা পাঠাতেন। সেই টাকা দিয়ে আসতেন তাঁর গাড়ির চালক সনৎদা। .
হেমন্তবাবু যখন রাতবিরেতে ফাংশান সেরে বাড়ি ফিরতেন, তখন এই সনৎদাই তাঁকে অমলেট ভেজে খাওয়াতেন। সেই সময় যাঁদের রোজগার প্রায় ছিলই না, তাঁদের কাছে যেন ছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। প্রত্যেককে সাহায্য করতেন তিনি।
এতটাই ‘ডাউন টু আর্থ’ ছিলেন। এই প্রসঙ্গেই নিজের জীবনের একটি গল্পও শোনালেন কবীর সুমন। একবার তাঁর বউদি তাঁদের বাড়ি ঘুরতে এসেছিলেন। তিনি ছিলেন শ্যামল মিত্রের অনুরাগী। কলকাতায় বেড়াতে এসে বায়না ধরেন শ্যামল মিত্রের গান শুনবেন সামনে থেকে।
সুধীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় শ্যামল মিত্রকে অনুরোধ করলেন যদি তিনি বাড়িতে এসে একটি গান শোনান। কিন্তু তখন যন্ত্র ছাড়া কাজ করতেন না শ্যামল মিত্র। সেদিনের সেই কথা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কানে পৌঁছেছিল। এরপর এক রবিবার হঠাৎ তিনি কবীর সুমনের বাড়িতে হাজির।
সুধীন্দ্রনাথবাবুকে বললেন, “আপনার বউমা কই? ‘অনিন্দিতা’র শুটিংয়ে যাচ্ছিলাম। ভাবলাম আপনার বউমাকে দু’টো গান শুনিয়ে যাই।” এমনই ছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। জন্মশতবর্ষে তাঁর জন্য রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।
লড়াই করে মাত্র দশ দিনের মাথায় করোনাকে হার মানালেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন।
তৃতীয় দফায় মঙ্গলবার নমুনা পরীক্ষায় তাঁর করোনা নেগেটিভ এসেছে। জেলা প্রশাসক বর্তমানে শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন এ এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের করোনা মুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গত কয়েক দিন জেলা প্রশাসকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল। এ কারণে তৃতীয় দফায় মঙ্গলবার তাঁর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বিকালে তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ তাপস কুমার সরকার বলেন, গত ৬ জুন জেলা প্রশাসকের করোনা শনাক্ত হয়। শুরুতে তাঁর জ¦র এবং সর্দি ছিল। পরে কাশি দেখা দেয়। জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়াতে তাঁর সরকারি বাংলোতে অবস্থান করে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ মুসা কবির এবং মেডিকেল অফিসার ডাঃ ইফতেখার হোসেন খান নিয়মিত তাঁর শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আসছিলেন।
ডাঃ তাপস কুমার সরকার আরও জানান, জেলা প্রশাসক বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন। করোনা নেগেটিভ আসলেও জেলা প্রশাসক আরও কয়েকটা দিন বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নেবেন। গত ৬ জুন জেলা প্রশাসকের করোনা শনাক্ত হয়। এর কয়েক দিন পর পুনরায় পরীক্ষা করা হলে আবারও করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের প্রদত্ত তথ্য মতে, কুষ্টিয়া জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ২৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় নতুন করে আরো ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ৭ জন এবং ভেড়ামারা উপজেলায় ৫ জন। জেলায় আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ১৯৪ এবং নারী রোগীর সংখ্যা ৬১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪৮ জন। বর্তমানে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৮৮ জন। কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ জন এবং ৩ জন খুলনায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জেলায় এখনো পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা হোসেনাবাদ-মথুরাপুর সড়ক। ১ দশমিক ৭ কিলোমিটার এই রাস্তার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯ লাখ ২৭ হাজার ২৭৬ টাকা।
সিডিউল অনুসারে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর কাজটি শুরু হয়ে চলতি বছরের ১২ মার্চ সম্পন্ন হওয়ার কথা। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এখনো রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারেনি।
কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, হাত দিয়ে টান দিলেই উঠে আসছে সদ্য নির্মিত রাস্তার কার্পেটিং। বহুল কাংঙ্খিত রাস্তার কাজের মান নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। তবে রাস্তার নির্মাণ কাজের প্রতিবাদ করতে গিয়ে উল্টো ঠিকাদারের লোকজনের হুমকির মুখে পড়ছেন স্থানীয়রা।
এভাবে উঠে যাচ্ছে রাস্তার কার্পেটিং
সরেজমিনে রাস্তার কাজ পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়ম দেখতে পেয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ইফতেখার উদ্দিন জোয়ার্দার কাজটি আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
জানা যায়, দৌলতপুর উপজেলায় বেশ কয়েকটি রাস্তার কাজ চলছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে। এর মধ্যের একটি হোসেনাবাদ স’মিল পাড়া থেকে মথুরাপুর গোহাট পর্যন্ত।
সিডিউল অনুসারে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর কাজটি শুরু হয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের ১২ মার্চ। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো সেই কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ১.৭ কিলোমিটার মিটার এই রাস্তার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯ লাখ ২৭ হাজার ২৭৬ টাকা।
নিম্নমানের ইট, খোয়া, পাথর এবং বিটুমিন দিয়ে রাস্তার নির্মাণ করায় রাস্তা টেকসই হবেনা জেনে এর প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসী এলজিইডির নির্বাহী প্রকোশলীর (কুষ্টিয়া) কাছে অভিযোগ করেন।
এ অভিযোগের ভিত্তিতে দৌলতপুর উপজেলা প্রকৌশলী ইফতেখার উদ্দিন জোয়ার্দার সোমবার সংশ্লিষ্ট রাস্তার কাজ পরিদশর্নে যান। এ সময় প্রকৌশলীর সঙ্গে থাকা ঠিকাদারের লোকজন প্রতিবাদকারীদের হুমকি দেন বলে তারা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন।
স্থানীয়রা বলেন, রাস্তার কাজ এতই নিন্ম মানের হয়েছে যে, হাত দিয়ে টান দিলেই কার্পেটিং উঠে আসছে। তাদের অভিযোগ দ্রুত কাজ শেষ করতে ঠিকাদার বৃষ্টি বাদল কিছু মানছেন না। বৃষ্টির মধ্যেও চলে কার্পেটিংয়ের কাজ। এখনও রাস্তার কাজ শেষই হয়নি, এর মধ্যেই যদি কার্পেটিং উঠে যায় তাহলে অল্প দিনেই রাস্তা আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।
এলাকাবাসী আরও জানান, টিটু এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রভাবশালী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেন্ডারের মাধ্যমে এ রাস্তার কাজ পায়। তবে ওই প্রতিষ্ঠান পরে নাসির উদ্দিন নামে এক ঠিকাদারকে কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোতাছিম বিল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, রাস্তার কাজে অনিয়ম হচ্ছে এটি বেশ কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছে। এলাকাবাসী বাধা দিতে গেলে তাদের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দেয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
জানতে চাওয়া হলে ঠিকাদার নাসির উদ্দিন বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টিটু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী টিুটু তার চাচা হন। তারা যৌথভাবেই এ সড়ক নির্মাণের কাজ করছেন। তিনি দাবি করেন দৌলতপুর উপজেলা প্রকৗশলী নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ দেখছেন। তাই এখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নাই।
তবে দৌলতপুর উপজেলা প্রকৌশলী ইফতেখার উদ্দিন জোয়ার্দার বলেন, রাস্তার কাজে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে এমন অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি নিজে এলাকায় গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে জেলা অফিসে পাঠানো হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মহামারী করোনায় জীবন রক্ষাকারী ওষুধের সন্ধান পাওয়া গেছে। এটি একটি সস্তা এবং ব্যাপক সহজলভ্য ওষুধ। ডেক্সামেথাসোন নামের ওষুধটি করোনা ভাইরাসে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করে। ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞরা করোনার চিকিৎসায় এই ওষুধটি বড় ধরনের সাফল্য দেখিয়েছে বলে দাবি করেছেন।
তারা বলছেনে, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কম ডোজের স্টেরয়েড এই চিকিৎসা একটি বড় ধরনের অগ্রগতি। ভেন্টিলেটরে থাকা করোনা রোগীদের মৃত্যুর হার এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনে ওষুধটি। এছাড়া যারা অক্সিজিন সার্পোটে আছেন; তাদের মৃত্যুর হার এক-পঞ্চমাংশ কমিয়ে আনে।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর এই ওষুধটি সেবন করেছেন এমন প্রত্যেক ২০ জনের মধ্যে ১৯ জনই হাসপাতালে না গিয়েই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এছাড়া যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন- তাদের বেশি ভাগই সুস্থ হয়েছেন। তবে কারও কারও জন্য অক্সিজেন এবং ভেন্টিলেশনের দরকার হয়েছিল।
শরীরের প্রদাহ কমিয়ে আনতে এই ওষুধটি ব্যবহার করা হয়। ব্রিটিশ গবেষকরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যখন হাঁপিয়ে ওঠে তখন এর কিছু ক্ষতি ঠেকাতে সহায়তা করে ডেক্সামেথাসোন ।
বিশে^ বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থা করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় কাজ করে কি না- তা জানতে এই ওষুধটি নিয়েও বিশ্বজুড়ে বৃহৎ পরিসরে পরীক্ষা চালানো হয়।
গবেষকদের ধারণা, ব্রিটেনে করোনা ভাইরাস মহামারির শুরুর দিকে যদি ওষুধটি পাওয়া যেত, তাহলে দেশটিতে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের জীবন বাঁচানো যতে। কারণ এটা অনেক স্বস্তা। কোভিড-১৯ এর প্রচুর রোগী নিয়ে লড়াইরত বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্যও বিশাল উপকারে আসতে পারতো ওষুধটি।
কুষ্টিয়া পৌরসভার ৮ টি ওয়ার্ড, সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন, ভেড়ামারা পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডসহ বাহিরচর ও চাঁদগ্রাম ইউনিয়নকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ জেলাকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হচ্ছে লক ডাউন।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক মৃণাল কান্তি দে এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও সিভিল সার্জন এ এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী রবিউল ইসলাম, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আজাদ রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয় গত ১৪ দিনে করোনা রোগী শনাক্তের ভিত্তিতে ওয়ার্ড গুলোকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। কুষ্টিয়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ড (থানাপাড়া-কমলাপুর), ২ নম্বর ওয়ার্ড (কুঠিপাড়া), ৫ নম্বর ওয়ার্ড (চৌড়হাস-ফুলতলা), ৬ নম্বর ওয়ার্ড (হাউজিং), ৭ নম্বর ওয়ার্ড (কালিশংকরপুর), ১৬ নম্বর ওয়ার্ড (বাড়াদী-মঙ্গলবাড়ী), ১৮ নম্বর ওয়ার্ড (মজমপুর-উদিবাড়ী) এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ড (কুমারগাড়া-চেঁচুয়া) সেই সঙ্গে সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন এবং ভেড়ামারা পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডসহ বাহিরচর ও চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন কে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে। রেড জোন এলাকাগুলো ২১ দিন লকডাউন থাকবে।
সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালক মৃণাল কান্তি দে বলেন, অনেক শিথিলতা দেখানো হয়েছে। কিন্তু দিনকে দিন পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আর কোন ছাড় নয়। আমরা জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছি। বৃহস্পতিবার থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকা গুলোতে কঠোর লক ডাউন চলবে।
সভায় লক ডাউনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট পৌরসভার কমিশনার এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে প্রজ্ঞাপন আকারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নির্দেশনা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়।
সর্বশেষ তথ্য মতে, কুষ্টিয়া জেলায় করোনা সনাক্তের সংখ্যা ২৪৩ জনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মোট সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪২ জন। একই সাথে বর্তমানে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৯৩ জন। এছাড়াও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫ জন এবং ২ জনকে খুলনায় পাঠানো হয়েছে।
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ৭ দিন ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১৪...
ষ্টাফ রিপোর্টার
রাতের আঁধারে সরকারী খাল খনন প্রকল্পের মাটিকাটার কাজের সময় দুটি এক্সকাভেটার মেশিন পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে স্বশস্ত্র দুর্বৃত্তরা। একই সাথে একটি মোটরসাইকেল, দুটি...
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফরম টিকটকে ভিডিও দেখে ফেসবুকে তরুণীর সাথে পরিচয়। পরিচয় থেকে গড়ে ওঠে প্রেম। প্রেমের পরিণতি দিতে বিয়ে করতে বগুড়া থেকে কুষ্টিয়ায়...
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সীমান্ত মানব কল্যাণ সংস্থা’র যাত্রা শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে ঝিনাইদহ সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে সংগঠনটিকে সরকারি নিবন্ধন সনদ...
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় একটি মাজারের মেলা দেখতে এসে এক গৃহবধূ (২১) ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত নিশান (২২) নামের...