বৃহস্পতিবার, মে ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 759

ঝিনাইদহে বাল্যবিবাহ দেবার অপরাধে অর্থদন্ড করলেন ইউএনও

0
অর্থদন্ড করছেন ঝিনাইদহ জেলার ইউএনও

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

কালিগঞ্জ ৪নং নিয়ামতপুর ইউনিয়নের নরেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল আলিমের নাবালিকা মেয়েকে প্রায় ১ মাস আগে বাল্যবিবাহ দেওয়া হয়েছে। ২৯ জুন সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়েকে বরের বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নরেন্দ্রপুর আব্দুল আলিমের বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হোন কালিগঞ্জের ইউএনও সুবর্না রানী সাহা । তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাল্যবিবাহের সত্যতা পান।

তিনি তাৎক্ষনিক মেয়ের বাবার বাড়ীতে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে বর জুয়েলকে কে ১৫০০০/- টাকা এবং মেয়ের বাবাকে ৫০০০/- টাকা অর্থদন্ড করেন। মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া অব্দি মেয়ে তার পিতার বাড়িতে অবস্থান করবে মর্মে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে বলে সত্যতা পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন ঝিনাইদহে চাচাতো ভাইকে পিটিয়ে হত্যা

ঝিনাইদহে চাচাতো ভাইকে পিটিয়ে হত্যা

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে জমি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে ওমর আলী (২০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে তার আপন চাচাতো দুই ভাই।

সোমবার বিকালের পরে কালীগঞ্জ উপজেলার মোল্লাডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওমর আলী একই গ্রামের শফি উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা বলেন, বেশকিছুদিন ধরে জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বাকবিতন্ডা শুরু হয় তাদের মধ্যে। এক পর্যায়ে চাচাতো ভাই আল আমিন ও আল মামুন লাঠি দিয়ে ওমর আলীকে পিটিয়ে জখম করে।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিলে সোমবার সন্ধ্যার পরে তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন- করোনা কালের ক্রীড়া অঙ্গণ

কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজুর রহমান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলাবার ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

করোনাকালে কেঁদে উঠলো বুড়িগঙ্গার এপাড়-ওপাড়, ৩২ মৃতদেহ উদ্ধার

0
লঞ্চ ডুবির ঘটনায় উদ্ধার কাজ

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

করোনাকালে বুড়িগঙ্গা কেড়ে নিলো অর্ধশতাধিক যাত্রীর জীবন। ২৯ জুন লঞ্চডুবির ঘটনায় উদ্ধার কাজ এখন অব্দি চলছে। তবে নতুন করে কাউকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাসেল সিকদার দ্রোহকে এ তথ্য নিশ্চিত।

তিনি বলেন, রাতভর অভিযান চালিয়েছি, এখনও চলছে। এখন পর্যন্ত মোট ৩২ জনের মরদেহ ও দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ডুবে যাওয়া মর্নিং বার্ড নামের লঞ্চটি উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে।

উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ, ৮ জন নারী, শিশু রয়েছে ৩ জন এবং অজ্ঞাত পরিচয়ে দুইজন। ।

পরিচয় পাওয়া মৃত ৩০ জনে হলেন- আফজাল শেখ (৪৮), বিউটি (৩৮), ছানা (৩৫), আমির হোসেন (৫৫), মহিম (১৭), সত্যরঞ্জন বনিক (৬৫), মিজানুর রহমান (৩২), শহিদুল (৬১), সুফিয়া বেগম (৫০), মনিরুজ্জামান (৪২), সুবর্ণা আক্তার (২৮), মুক্তা (১২), গোলাম হোসেন ভুইয়া (৫০), শাহাদাৎ (৪৪), শামীম ব্যাপারী (৪৭), মিল্লাত (৩৫), আবু তাহের (৫৮), দিদার হোসেন (৪৫), হাফেজা খাতুন (৩৮), সুমন তালুকদার (৩৫), আয়শা বেগম (৩৫), হাসিনা রহমান (৪০), আলম বেপারী (৩৮), মারুফা (২৮), শহিদুল হোসেন (৪০), তালহা (২), ইসমাইল শরীফ (৩৫), সাইফুল ইলাম (৪২), তামিম ও সুমনা আক্তার।

২৯ জুন সকাল ১০টায় এ লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ময়ূর-২ নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় কমপক্ষে ৫০ যাত্রী নিয়ে ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ রুটের মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।

ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে জীবন পেলেও, বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ছিলেন।

স্থানীয়রা আরও বলেন, মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা দুইতলা মর্নিং বার্ড লঞ্চটি সদরঘাট কাঠপট্টি ঘাটে ভেড়ানোর আগ মুহূর্তে চাঁদপুরগামী ময়ূর-২ লঞ্চটির ধাক্কায় সঙ্গে সঙ্গে তুলনামূলক ছোট মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।

আরও পড়ুন- করোনা কালের ক্রীড়া অঙ্গণ

চলে গেলেন কবি দাউদ আল হাফিজ

0
Kobi-Dro-p-29-5
কবি দাউদ আল হাফিজ

শৈলকুপা প্রতিনিধি

নব্বই দশকের অন্যতম কবি দাউদ আল হাফিজ নিঃশব্দে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

সোমবার ২৯ জুন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে শৈলকুপা হাসপাতালে ভর্তি হন কবি হাফিজ। অবস্থার অবনতি হলে কুষ্টিয়া নেওয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জানা গেছে, ঢাকার যান্ত্রিক জীবন ত্যাগ করে দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটের মধ্যে দিয়ে পরিবারের সাথে বসবাস শুরু করেন কবি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। কবি দাউদ আল হাফিজ এর এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

কবি ১৯৬৫ সালের ১৪ এপ্রিল শৈলকুপার কবিরপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। পিতার নাম হুজুর আলী ও মাতার নাম কাঞ্চন নিসা। ১৯৮১ সালে শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে মাধ্যমিক পাশসহ অত্র শিক্ষাবোর্ডের মেধা তালিকায় ২য় স্থান অর্জন করেন।

আরও পড়ুন করোনা কালের ক্রীড়া অঙ্গণ

১৯৮৩ সালে ঢাকা কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে সুযোগ পান রাজশাহী মেডিকেলে পড়ার। কিন্তু তিনি সাহিত্যের নেশায় ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে। ১৯৮৬ সালে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন। সে সময় আর মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করা সম্ভব হয়নি বলে পরবর্তীকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালিন কোর্স থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

১৯৯৩ সালে TS Elliot নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেন কবি। পরে আনাবাস নামে আর একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ পায় তার।

ঝিনাইদহের আমির বিনাচিকিৎসায় জীবনমৃত্যুর মুখোমুখি

0
হতদরিদ্র আমির হোসেন মন্ডল

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

হতদরিদ্র আমির হোসেন মন্ডলের একটি মাত্র ভ্যান সংসারে আয় রোজগারের সম্বল ছিল। নিজের অসুস্থতার কারণে বিক্রি করেছেন সেটি। তারপরও পূর্ণ চিকিৎসা নিতে পারছেন না তিনি।

চিকিৎসকরা বারবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা যেতে বলেছেন। কিন্তু হতদরিদ্র ভ্যান চালক আমির মন্ডলের তেমন কোন অর্থ না থাকার দরুন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি। এমনকি অর্থাভাবে চিকিৎসা নিতে না পেরে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল থেকে সোজা বাড়ি চলে গেছেন আমির মন্ডল।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বৈডাঙ্গা গ্রামের জোয়ারদার পাড়ার মৃত মফিজ উদ্দীন মন্ডলের ছেলে আমির হোসেন (৫৫) এখন জীবন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

হতদরিদ্র আমিরের সংসারে রয়েছে স্ত্রী’সহ তিন কন্যা। নিজের অসুস্থতার কারণে থমকে আছে সংসারের চাকা। ভ্যানটি বিক্রি করে দিয়ে পড়েছেন আরও বিপাকে। বেঁচে থাকার আর কোন নতুন আলোর দেখা মিলছে না তার।

আরও পড়ুন করোনা কালের ক্রীড়া অঙ্গণ

আমির মন্ডলের স্ত্রী সোনা ভানু বলেন, তার স্বামীর বুকের হাড় ক্ষয়ে যাচ্ছে। সাথে রয়েছে এ্যাজমা’র সমস্যা। বিগত ৭ বছর ধরে আমির এই রোগে ভুগছেন। অর্থ না থাকায় ভাল ভাবে নিজেকে চিকিৎসা করাতে ব্যার্থ হয়েছেন তিনি।

প্রতিবেশি বৈডাঙ্গার সেরেগুল হোসেন বলেন, ভ্যানচালক আমির হোসেন হতদরিদ্র পরিবারের মানুষ। ১০ দিন হাসপাতালে থাকার পর টাকা জোগাড় করতে পারেনি। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর অথবা ঢাকার ভাল কোন হাসপাতালে নিতে বলেছিলেন। কিন্তু তার চিকিৎসার কোন অর্থ নেই। ফলে স্ত্রী ও তিন মেয়ে নিয়ে হতাশায় পড়েছেন ভ্যান চালক আমির।

সমাজের বিত্তবানরা কেও আর্থিক সহায়তা করতে চাইলে আমির হোসেনের ছোট কন্যা জুলিয়ার ০১৯৫০৪১৪৮৮২ নাম্বারে যোগাযোগ বা বিকাশ করতে অনুরোধ করেন।

খোকসায় দুই মাদক বিক্রেতা আটক

0
madok-dro-29-p12-compressed
আটক মাদক বিক্রেতা।

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় গাঁজাসহ দুই মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই সিরাজুল ইসলাম এর নেত্রীতে পুলিশের একটি দল উপজেলার শোমসপুর ইউনিয়নের সন্তোষপুরে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী সেলিম রেজা ও নাজমূলকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে হয়।

আরো দেখুন

করোনা কালের ক্রীড়া অঙ্গণ..দ্রোহ নিউজ Sports situation in corona…Droho News .

 

খোকসা থানার অফিসার ইনচার্জ জহুরুল আলম জানান, মাদকবিরোধী অভিযান চালায় পুলিশের দলটি। অভিযানকারীরা মৃত চন্দর প্রামানিকের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী সেলিম রেজা (২৫) ও আব্দুল বারেকের ছেলে নাজমুল (৩১) কে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

করোনা জয়ী জেলা প্রশাসক কে ফুলেল শুভেচ্ছা

0
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

দীর্ঘ ২২ দিন প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে কাজে ফিরলেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন।

সোমবার সকাল ১০ টায় অফিসে আসেন জেলা প্রশাসক। এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁকে দেখে অভিভূত হন। স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক মৃনাল কান্তি দে’র নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন করোনা জয়ী জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেনকে।

৬ জুন হঠাৎ অসুস্থ্য বোধ করায় তাৎক্ষণিক তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হলে তাঁর করোনা পজেটিভ আসে। এর পর থেকে শুরু হয় ঘাতক ব্যাধী করোনার সাথে যুদ্ধ। সে দিন থেকেই তিনি নিজ সরকারি বাংলোতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা গ্রহণ শুরু করেন। ১১দিন এবং ১৪ দিনের মাথায় পর পর দুই বার নমুনা পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ আসায় চিকিৎসকরা তাকে করোনমুক্ত ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ( ফাইল ছবি)

বাসায় আইসোলেশনে থাকা অবস্থায়ও জেলা প্রশাসক ভার্চুয়াল প্রযুক্তির মাধ্যমে সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। কাজে যোগ দিয়ে করোনাজয়ী জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন করোনা জয়ের অনুভূতি প্রকাশে বলেন, এই যুদ্ধের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হিসেবে মহান আল্লাহর উপর ভরসা এবং কঠোর মনোবল শক্তি বজায় রেখে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণের পাশাপাশি ঘরোয়া মসলা জাতীয় উপাদানসহ গরম পানির উষ্ণতা গ্রহণ করলে সুফল পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন বুড়িগঙ্গাতে লঞ্চডুবি, ১৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসার বাইরেও কিছু নিজস্ব চিকিৎসা আছে যেমন গরম পানির ভাপ নেওয়া, ফুসফুসের এক্সারসাইজ করা, রোদে থাকা, কিছু মসলা জাতীয় জিনিস দিয়ে গড়গড়া করা এরকম কিছু টোটকা চিকিৎসা আছে যা মেডিকেল সাইন্স সাপোর্ট না করলেও করোনা থেকে উপশম পেতে বেশ ফলপ্রসু বলে মনে হয়েছে। তবে দৃঢ় মনোবল বজায় রাখাটা অত্যন্ত জরুরী।

পদ্মার ভাঙনের মুখে রবীন্দ্র কুঠিবাড়িসহ কয়েকটি গ্রাম

0
distroy river

কুমারখালী প্রতিনিধি

বর্ষা মৌসুম শুরু হতে না হতেই, পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে রবী ঠাকুরের কুঠিবাড়িসহ কুমারখালী উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

রবীন্দ্র কুঠিবাড়ী ও পার্শ্ববর্তী এলাকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে পদ্মা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ প্রকল্প নামে প্রায় দুইশো কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মান করা হয়েছিল চার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে প্রতিরক্ষা বাঁধ। কিন্তু লাভ হয়নি তেমন কিছু, কুঠিবাড়ী এখনো রয়েছে ভাঙ্গনের ঝুঁকিতেই।

distroy river 2

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের কারনে কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কোমরকান্দি এলাকায় প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশ ফাঁকা রেখেই নির্মান করা হয়েছে প্রতিরক্ষা বাঁধ। এবার বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই পদ্মা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। পানি বৃদ্ধির সংঙ্গে সংঙ্গে ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে কোমরকান্দি এলাকা। দেখা গেছে এলাকার যে অংশ ফাঁকা রেখে প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মান করা হয়েছে, সেই ফাঁকা স্থানেই ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদী ভাঙ্গন আতঙ্কে দিন পার করছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন জেলেদের বৈচিত্রময় জীবন

কোমরকান্দি গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা তজিমদ্দিন (৮০) বলেন, পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের কারণে এই জীবনে বেশ কয়েকবার বসতবাড়ি স্থানান্তর করেছি। কিন্তু জীবনের এই শেষ সময়ে এসে নদী ভাঙ্গন নিয়ে খুবই আশঙ্কায় আছি।

স্থানীয় কলেজ শিক্ষক আরিফুজ্জামান বলেন, শুধু বর্ষা মৌসুম এলেই নদী ভাঙন নিয়ে দৌড়াদৌড়ি না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত শুষ্ক মৌসুমে এ বিষয়ে পরিকল্পনা সহ প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহন করা।

তিনি আরও বলেন, এখানে রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি সুরক্ষায় বৃহৎ একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও কুঠিবাড়িটি অরক্ষিত রয়েই গেছে। আর এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

শিলাইদহ ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ্উদ্দিন খান তারেক বলেন, নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরীভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়া না হলে, অচিরেই শিলাইদহের কয়েকটি গ্রামের বসতবাড়িসহ ফসলি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলিনের আশংকা সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম খান জানান, পদ্মার ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন সহ ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সমন্বয়ের পাশাপাশি ঝুকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে প্রয়োজনে অন্যত্র সরিয়ে নিতে ইউনিয়ন পরিষদকে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন-বুড়িগঙ্গাতে লঞ্চডুবি, ১৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার

এদিকে, কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পীযূষ কৃষ্ণ কুন্ডু বলেন, শিলাইদহের কোমরকান্দি এলাকা নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। সেই সাথে ভাঙ্গন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে ।
পদ্মার ভাঙ্গন প্রতিরোধে শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী করেছেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রেমিকার বাড়িতে অনুশনরত যুবক বিষ পান করেছে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফরম টিকটকে ভিডিও দেখে ফেসবুকে তরুণীর সাথে পরিচয়। পরিচয় থেকে গড়ে ওঠে প্রেম। প্রেমের পরিণতি দিতে বিয়ে করতে বগুড়া থেকে কুষ্টিয়ায়...

ঝিনাইদহে মানব কল্যাণ সংস্থা’র পথচলা শুরু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ঝিনাইদহে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সীমান্ত মানব কল্যাণ সংস্থা’র যাত্রা শুরু হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে ঝিনাইদহ সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে সংগঠনটিকে সরকারি নিবন্ধন সনদ...

মাজারে মেলা দেখতে এসে গৃহবধূ ধর্ষিত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় একটি মাজারের মেলা দেখতে এসে এক গৃহবধূ (২১) ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত নিশান (২২) নামের...

কুষ্টিয়ায় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রেস ব্রিফিং

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচির প্রচার কার্যক্রম জোরদার করতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে এক গ্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত...

শৈশবের বৃষ্টি ভেজা ফুটবল

এক পসলা বৃষ্টির জমেছে থাকা পানিতে ফুটবল খেলায় মেতেছে শিশুরা। কুষ্টিয়ার খোকসা জানিপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে বুধবার বিকালে ছবিটি তোলা।