শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২৬.
Home Blog Page 106

বিএনপির অফিসে অগ্নি সংযোগের মামলায় দুই জন আটক

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসার রাতের আঁধারে ওসমানপুর ইউনিয়ন বিএনপির অফিসে টাঙানো দলীয় প্রধানদের ছবিতে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় দায়েকৃত মামলার দুই আসামিকে পুলিশ আটক করেছে।

আটককৃতরা হলেন এজাহার ভুক্ত আসামি মোঃ রাজু শেখ (৪০) ও মোঃ মাসুদ শেখ (৪৪)। আসামিদের পিতা ওসমানপুর গ্রামের লিয়াকত শেখ।

আরও পড়ুন – হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা

থানা পুলিশের হোয়ার্ট অ্যাপে জানানো হয়, গত ০৩/৫/২৫ তারিখ অনুমান রাত্র ০২.২০ ঘটিকার সময় খোকসা থানাধীন ওসমানপুর বিএনপির পার্টি অফিসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর ছবিতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া, অফিসে থাকা চেয়ার ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ এর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – প্রলোভন দেখিয়ে গর্ভপাতঃ কৃষকদল নেতা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

ওসমানপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কালাম শেখ বাদী হয়ে এজাহারনামীয় ০৯ (নয়) জন ও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। থানা পুলিশ মামলাটি রেকর্ড করেছে। যার নম্বর ২ তারিখ ৪ মে ২০২৫ ইং। এই মামলায় দুই সহদরকে আটক করেছে।

হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় এ হামলা হয়। হামলায় হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়ির একটি কাচ ভেঙে যায়। এতে তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হন।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) তাহেরুল হক চৌহান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ঘটনা জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে মহানগর পুলিশ হাসনাত আবদুল্লাহর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করে। হামলার ঘটনা ঘটার পর হাসনাত আবদুল্লাহকে বহনকারী গাড়িটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। পথে বোর্ডবাজার এলাকায় ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) সামনে পৌঁছালে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাসনাত আবদুল্লাহর নিরাপত্তায় এগিয়ে আসেন। পরে সেখানে তিনি গাড়ি থেকে নামেন এবং ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় গাজীপুর মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা সেখানে যান।

তিনি আরও বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্য জানার পর এ বিষয়ে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর হামলার ঘটনাটি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম নিজের ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দেন।

আরও পড়ুন – প্রলোভন দেখিয়ে গর্ভপাতঃ কৃষকদল নেতা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

সারজিস আলম ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘হাসনাতের গাড়িতে ১০-১২ জন সন্ত্রাসী গাজীপুর এলাকায় হামলা করেছে। গাড়ির কাচ ভেঙে গেছে, হাত রক্তাক্ত হয়েছে। আশপাশে যারা আছেন হাসনাতকে প্রটেক্ট করুন।’ এই পোস্ট দেওয়ার পর গাজীপুর মহানগরীতে তোলপাড় শুরু হয়।

আরও পড়ুন – আসমির হাতুড়ির আঘাতে দুই পুলিশ আহত

মহানগর পুলিশ হাসনাত আবদুল্লাহর অবস্থান শনাক্ত করে তাঁর নিরাপত্তায় এগিয়ে আসে। হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।

প্রলোভন দেখিয়ে গর্ভপাতঃ কৃষকদল নেতা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় কৃষকদল নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীর গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর দায়ের করা মামলাটি আদালতের নির্দেশে থানা নথিভুক্ত করেছে।

থানা পুলিশ সুত্র জানিয়েছে, আদলতের আদেশে ভুক্তভোগী নারীর মামলাটি থানা নথিভুক্ত করেছে। এ ছাড়া শৈলকুপা থানায় ওই নারী পৃথক অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগ তদন্ত করে পুলিশ সত্যতা পেয়েছে। এ খবর নিশ্চত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সম্রাট মন্ডল।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী নারী সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে ওই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন নাজমুল খন্দকার নামের এক যুবক। নাজমুল খন্দকার শৈলকূপা উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব কামরুল ইসলামের ছেলে। ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নাজমুল খন্দকার নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক হতে বাধ্য করে। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি নাজমুলের গোটা পরিবার জানার পরে তারা মেনে নেয়। এরপর ওই নারী নাজমুলের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করেন। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী নারী গর্ভবর্তী হয়ে পড়লে নাজমুল ও তার পরিবার ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তারা কৌশলে ওই নারীকে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকার একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে গর্ভপাত ঘটনায়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চিকিৎসা শেষ হওয়ার আগেই নাজমুল খন্দকার ও তার বাবা-মা ভুক্তভোগী নারীকে হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে নাজমুল খন্দকার ও তার বাবা-মায়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও ওই নারী কোনো সমাধান পাননি। পরে তিনি শৈলকূপা থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানা মামলা গ্রহণ করেনি। তারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ওই নারীকে নানা ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে কৃষকদল নেতার ছেলে নাজমুল খন্দকার বলেন, ওই নারীর অভিযোগ সত্য নয়। সে একজন প্রতারক। তার নামে থানায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা তিনি এখনো জানেন না।

নাজমুলের পিতা শৈলকুপা কৃষক দলের সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগকারী মহিলা সম্পর্কে আমি খুব বেশি কিছু জানি না। তবে সে আমার বাড়িতে আসা যাওয়া করত এটা জানি। গর্ভপাত ও হাসপাতালে ভর্তির বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তিনি নিউজটি এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

আরও পড়ুন – আসমির হাতুড়ির আঘাতে দুই পুলিশ আহত

শৈলকূপা থানার এসআই সম্রাট মন্ডল জানান, ওই নারির অভিযোগ পেয়ে তিনি পারির্পাশ্বিক ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। প্রাথমিক ভাবে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তিনি জানান, এ নিয়ে যদি আদালতের কোন নির্দেশনা আসে তবে সে মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ার মাদক সম্রাজ্ঞী কামিনীকে গ্রেপ্তার করছে সেনাবাহিনী

শৈলকূপা থানার ওসি মাসুম খান শুক্রবার রাতে জানান, এ বিষয়ে শৈলকুপা থানায় আদালতের নির্দেশে মামলা নথিভুক্ত হয়েছে, মামলা নং ০৪/২৫। তিনি জানান, ভুক্তভোগী নারি সম্ভবত খুবই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তাকে প্রলোভনে ফেলে নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ হাতে পেয়েছি। আদালত মামলা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

আসমির হাতুড়ির আঘাতে দুই পুলিশ আহত

0
আহত পুলিশ সদস্য

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় এস আইসহ দুই পুলিশকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে এক আসামী।

শুক্রবার (০২ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পালপাড়া বাজারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

হাতুড়ির আঘাতে আহত এক কনস্টেবলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে আমলা হঠাৎ পাড়া এলাকা থেকে আশিক (২৫) নামের একটি মামলার সন্দেজভাজন আসামীকে আটক করে মটরসাইকেল করে মিরপুর থানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন আমলা পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক(এসআই) মনিরুল ইসলাম ও কনস্টেবল রুস্তম আলী। থানার আগেই পালপাড়া বাজারের কাছে পৌছালে আশিক চিৎকার করে মটরসাইকেল থামাতে বলে। এ সময় চালক এসআই মনিরুল গাড়ি থামানোর সাথে সাথে আসামী কোমড় থেকে হাতুড়ি বের করে তার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথায় থাকা হেলমেট ভেঙে যায়।

এরপর মটরসাইকেলের পেছনে বসা কনস্টেবল রুস্তম আলীর মাথায়ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ার মাদক সম্রাজ্ঞী কামিনীকে গ্রেপ্তার করছে সেনাবাহিনী

এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে কনস্টেবল রুস্তমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন – খোকসায় বিএনপি নেতাদের ছবি পোড়ানোর অভিযোগ

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একটি মামলার সন্দেহভাজন এক আসামীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসার সময় ওই আসামী হামলা করে। এতে এক কনস্টেবল সামান্য আহত হয়েছেন। ওই আসামী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।

কুষ্টিয়ার মাদক সম্রাজ্ঞী কামিনীকে গ্রেপ্তার করছে সেনাবাহিনী

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার বহুল আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী কামিনী বেগম (৪৩) কে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী।

শনিবার সকালে সদর উপজেলার চৌড়হাস ফুলতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি একই এলাকার আজাদ সরদারের স্ত্রী। এরপর কামিনীকে মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

এর আগে গত বুধবার (১ মার্চ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার উপ-পরিদর্শক রাসেল কবির বাদী হয়ে মডেল থানায় কামিনীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার প্রধান আসামী হয়ে তিনি পলাতক ছিলেন।

মামলার এজাহারসূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার সন্ধ্যায় ক্যাপ্টেন লামইয়ানুল ইসলামের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী কুষ্টিয়া ক্যাম্পের একটি দল চৌড়হাস ফুলতলা এলাকায় অবস্থিত কামিনীর মাদক বিক্রয়ের ডেরা হিসেবে পরিচিত তার ডিমের দোকান ঘরে অভিযান চালায়।

এসময় সেনাবাহিনীর সাথে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারি উপ পরিদর্শক সোহরাব হোসেনের টিম উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান কালে সেভেন স্টার ডিম ভান্ডার নামের ওই দোকানঘর তল্লাশী করে এক কেজি গাঁজা ও দুই বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে সেনাবাহিনীর আভিযানিক দল। এরআগে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কামিনী ও তার সহযোগি মোস্তুফা সরদার পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর উপ-পরিদর্শক রাসেল কবির কামিনী বেগম ও মোস্তফা সরদারকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন – খোকসায় বিএনপি নেতাদের ছবি পোড়ানোর অভিযোগ

এ তথ্য নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর অভিযানের পর থেকে কামিনী পলাতক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। নিজ এলাকা থেকে তাকে সেনাবাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার পর কামিনীকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন – ভারত নিয়ে ফজলুর রহমানের মন্তব্য একান্ত ব্যক্তিগত – পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘ প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে কামিনী মাদক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। দীর্ঘ এ সময়ে পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতে অন্তত এক ডজনেরও বেশি বার মাদকসহ গ্রেপ্তার হলেও ক্ষমতার প্রভাব আর টাকার জোরে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিনি জামিনে বের হয়ে পুনরায় মাদকের কারবার শুরু করেন। স্থানীয় এলাকাবাসী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কামিনী বেগম মাদক সম্রাজ্ঞী হিসেবেই পরিচিত। পুলিশের খাতায় তার নামে এক ডজনেরও বেশি মাদকের মামলা রয়েছে।

খোকসায় বিএনপি নেতাদের ছবি পোড়ানোর অভিযোগ

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় একটি ইউনিয়ন বিএনপির অফিসে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ষড়যন্তের গন্ধ পাচ্ছেন উপজেলা বিএনপির একাংশ।

শুক্রবার দিনগত গভীর রাতে উপজেলা ওসমানপুর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের বৈঠক খানায় নেতাদের মাথার উপর ঝুলানো জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের তিনটি ছবির মুখ নাক ও চোখের উপর ম্যাচ লাইটের আগুন দিয়ে পোড়ানো হয়েছে। গভীর রাতে অগ্নি সংযোগের সময় ৫/৬ জন যুবককে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন মৎস্য শিকারীরা। রাতের আঁধারে পালিয়ে যাওয়া যুবকদের সবাই আওয়ামী লেিগর লোক বলে দাবি করছে স্থানীয় বিএনপির নেরতারা। অগ্নিকান্ডের পর শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসে যাননি সভাপতি বিএনপির সভাপতি তৈয়বুর রহমান ও সম্পাদক সান্টু।

উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন খান দলীয় প্রধানের ছবি পোড়ানোর ঘটনার সাথে দলীয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন।

গড়াই নদীর খোকসা খেয়া ঘাট পার হয়ে ওসমানপুর বাজার। এই বাজারের পাকা রাস্তার পাশেই টিনের দো চালা ঘরে ওসমানপুর ইউনিয়ন বিএনপির অফিস। নেতাদের দাবি ২৫ বছর এখানে অফিস চলছে। অর্ধেক ঘর টির দিয়ে ঘেরা। রাস্তার দিকে বৈঠক খানা। সেখানেই টাঙানো সাবেক রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধান মন্ত্রি খালেদা জিয়া ও দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পোটলেট আকৃতির ছবি। আর এ ছবিতেই আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার তখন বেলা ১টা। নেতাদের মাথার উপর পোড়া ছবি গুলো ঝুলছিল। অফিসে বসেছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, রাত ২টার পর একদল জেলেরা গড়াই নদীতে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় অফিসের সামনে থেকে কিছু লোককে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেছে। তিনি আরও দাবি করেন পালিয়ে যাওয়ারা আওয়ামী লীগের কর্মী। তারাই এই অগ্নি সংযোগের সাথে জড়িত বলে তিনি দাবি করেন।

ফোনে কথা বলা হয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তৈয়বুর রহমানের সাথে। তিনি অফিসের ছবি পোড়ানোর খবর পেয়েছেন। অসুস্থ্যতার জন্য অফিসে যেতে পারেননি। তবে সবার সাথে ফোনে ফোনে কথা বলেছেন। পুলিশ এসেছিল। মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তিনি শুনেছেন পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে।

আরও পড়ুন – ভারত নিয়ে ফজলুর রহমানের মন্তব্য একান্ত ব্যক্তিগত – পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলাউদ্দিন খান বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীন বিরোধের সূত্রধরে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে অগ্নি সংযোগ করা হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি ঘটনাটির সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন। তিনি দোষিদের চিহ্ণিত করে শাস্তিরও দাবি করেন।

আরও পড়ুন – কুমারখালীতে নাশকতার মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত শেখ মাঈনুল ইসলাম জানান, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম বাদি হয়ে মামলা করতে থানায় আসছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া দোষীদের শনাক্ত করতে পুলিশের অভিযান চলছে। অপরধী আটক হলেই থানা পুলিশের হোয়াট অ্যাপ গ্রæপে দেওয়া হবে।

ভারত নিয়ে ফজলুর রহমানের মন্তব্য একান্ত ব্যক্তিগত – পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ভারত নিয়ে বিডিআর কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এএলএম ফজলুর রহমান তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে যে মন্তব্য করেছেন, তা একান্তই তার ব্যক্তিগত বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই মন্তব্যের ব্যাপারে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওই মন্তব্য বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নয়। সরকার কোনোভাবেই এ ধরনের বক্তব্য সমর্থন করে না বা এর সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করে না।

আরও পড়ুন – কুমারখালীতে নাশকতার মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এএলএম ফজলুর রহমানের ব্যক্তিগত মন্তব্যের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারকে সম্পৃক্ত করা থেকে বিরত থাকার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন – উসাসের সভাপতি বাবুল ও সম্পাদক মকবুল

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ সব দেশের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখন্ডতা, পারস্পরিক সম্মান ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতির প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ।

 

কুমারখালীতে নাশকতার মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা যুবলীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এস এম রফিককে নাশকতার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে থানা পুলিশ।

এই আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রীর দাবি বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে কুমারখালীর শহরতলীর শহীদ গোলাম কিবরিয়া সেতু এলাকা থেকে ৮-১০ জন দুর্বৃত্তরা তাকে তুলে নিয়ে যায়।

পুলিশের দাবি, নাশকতা মামলার আসামি এস এম রফিককে বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় সেতু এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে শুক্রবার ( ২মে) সকাল ১০ টার দিকে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপর দিকে ওই আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রী স্বজন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দাবি, এস এম রফিককে হত্যার উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করেছিল। পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে।

জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর পর থেকে যুবলীগ নেতা কুমারখালী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর এস এম রফিক আত্মগোপনে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি কুমারখালী পৌরসভার শেরকান্দি এলাকায় নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে গড়াই নদীর শহীদ গোলাম কিবরিয়া সেতু এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি। হঠাৎ রাত ১০ টার দিকে কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে কুমারখালী থানায় পাওয়া যায়। চলতি বছরের ৯ ফেব্রæয়ারি কুমারখালীর পদ্মপুকুর ঘাট এলাকায় নাশকতার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়। ওই মামলায় রফিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার তাকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন – উসাসের সভাপতি বাবুল ও সম্পাদক মকবুল

রফিকের স্ত্রী আছমা খাতুন বলেন, দুর্বৃত্তরা এস এম রফিককে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করেছিল। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে। তবে রফিক আওয়ামী লীগ করায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।

আরও পড়ুন – দৌলতপুর সাব স্টেশনে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু

অপহরণের বিষয়টি অস্বীকার করে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.সোলায়মান শেখ বলেন, নাশকতা মামলার আসামি এস এম রফিককে স্থানীয়দের সহযোগীতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে সেতু এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উসাসের সভাপতি বাবুল ও সম্পাদক মকবুল

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা সাংস্কৃতিক সংস্থা (উসাস) র সাধারণ সভায় রবিউল আলম বাবুলকে সভাপতি ও মকবুল হোসেন কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উসাসের হলরুমে এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেরা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন খান। সংগঠনের অন্যতম কর্ণধর সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাবিবুর রহমান হবির মৃত্যুতে শুন্যতা সৃষ্টি হয়। সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক শামীম আহম্মেদ বাবু এ সাধারণ সভার আহবান করেন।

আরও পড়ুন – দৌলতপুর সাব স্টেশনে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু

সভায় দীর্ঘ আলোচনার মধ্যদিয়ে আগামী এক বছরের জন্য রবিউল আলম বাবুল কে সভাপতি ও মকবুল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। সদ্য মনোনিত সভাপতি-সম্পাদক উপদেষ্টা পরিষদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ৩১ সদস্যের একটি পূনাঙ্গ কমিটি গঠন করবে।

আরও পড়ুন – খোকসায় মে দিবস পালিত

দৌলতপুর সাব স্টেশনে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের একটি সাবস্টেশনে চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির (৩৫) মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার তারাগুনিয়া থানার মোড় এলাকায় দৌলতপুর জোনাল অফিসের সাবস্টেশন থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

উদ্ধারের সময় অজ্ঞাতপরিচয় ওই ব্যাক্তির পরনে কালো চেক শার্ট, জিন্সের প্যান্ট এবং মাজায় লাল রঙের একটি গামছা বাঁধা ছিল।

আরও পড়ুন – খোকসায় মে দিবস পালিত

দৌলতপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার তৌফিকুর ইসলাম বাচ্চু বলেন, “সাবস্টেশনের ভিতরে বড় ট্রান্সফরমারের আর্থিংয়ের তার চুরি করতে গিয়ে ওই ব্যক্তি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। কিছু তার চুরি হয়েছে বলেও আমরা দেখতে পেয়েছি। পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে।”

আরও পড়ুন – রাসুলকে নিয়ে কটুক্তিকারীকে গ্রেফতারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চুরি করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে কি না, তা তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সর্বশেষ সংবাদ

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই – ভাতিজাদের সংঘর্ষ আহত ১৬

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বসতবাড়ির মাত্র ৬ শতাংশ জমি নিয়ে চাচাতো ভাই - ভাতিজাদের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের...

বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ‎ঝিনাইদহের শৈলকূপায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরো দুই কৃষক। শনিবার দুপুরে উপজেলার খড়িবাড়িয়া মাঠের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী সূত্রে...

বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মাদক ও মালামাল উদ্ধার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক ও চোরচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে এক...

আগুনে পুড়ে ছাই হলো দুই ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 'বিশ বছর আগে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। কষ্টেমষ্টে তিলেতিলে প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ হয়ছিল। আর আমার কিছুই অবশিষ্ট নেই।...

বন্ধুত্ব রক্ষা

পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার পর ৩০০ শ টাকার পেট্রোল পেয়েছেন। কিন্তু অন্য বন্ধুর মোটরসাইকেলে তেল নাই। গত দুইদিন ঘরে পরে আছে। তাই নিজের...