শুক্রবার, এপ্রিল ১০, ২০২৬.
Home Blog Page 161

অপপ্রচার রোধে মেটার সহযোগিতা চাইলেন ড. ইউনূস

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশবিরোধী বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারণা রোধে ফেসবুকের মূল সংস্থা মেটার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মেটার মানবাধিকার নীতি বিষয়ক পরিচালক মিরান্ডা সিসন্সের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এবং ফেসবুক পেজে তিনি এ কথা জানান।

ড. ইউনূস বলেন, “একটি ব্যাপক বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারণা চলছে, এবং আমরা এর ভুক্তভোগী।” তিনি মেটাকে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।

জবাবে মেটার পরিচালক মিরান্ডা সিসন্স জানান, তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিষয়টি রোধে মেটা সবসময় সতর্ক।

বৈঠকে ড. ইউনূস প্রযুক্তিকে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য আরও ব্যবহারকারী-বান্ধব করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “প্রযুক্তি ঘটনা ঘটানোর একটি হাতিয়ার। কিন্তু এটি আমরা কী করতে চাই, তা নির্ধারণ করে না। সুতরাং, এটিকে নিখুঁত করতে পুনরায় ইঞ্জিনিয়ারিং প্রয়োজন।”

তিনি ফেসবুকের সম্ভাবনা নিয়ে বলেন, “তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ফেসবুক একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।”

প্রধান উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর স্বার্থে সরকার ফেসবুকের সঙ্গে সহযোগিতায় যুক্ত থাকবে।

আরও পড়ুন – ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, প্রধান উপদেষ্টার ব্যক্তিগত সচিব সজীব এম খায়রুল ইসলাম, মেটার পাবলিক পলিসির প্রধান রুজান সারোয়ার, অ্যাসোসিয়েট জেনারেল কাউন্সেল নয়নতারা নারায়ণ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মিসইনফরমেশন নীতি বিষয়ক প্রধান অ্যালিস বুদিসাত্রিজো।

আরও পড়ুন –খোকসায় সাজাপ্রাপ্তসহ পালাতক দুই আসামি গ্রেফতার

এই বৈঠকে তরুণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের বিরুদ্ধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

৯ ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস

0

কুমারখালী প্রতিনিধি

৯ ডিসেম্বর। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষের প্রতিরোধ সংগ্রামের মধ্যদিয়ে এই উপজেলা (তৎকালীন থানা) পাক হানাদার মুক্ত হয় এবং উত্তোলন করা হয় লাল সবুজের পতাকা।

জানা গেছে, দীর্ঘ ৯ মাসে উপজেলার কুসলীবাসা, বিল বরইচারা, ডাঁসা, ঘাঁসখাল সহ কুমারখালী শহরের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এসব যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ অনেক নারী-পুরুষ শহীদ হন। নিহত হয় পাকিস্তানি সৈন্যরাও।

৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করে কুন্ডুপাড়া রাজাকার ক্যাম্পে আক্রমণ করেন। সে সময় রাজাকার ফিরোজ-খুরশিদ, গোলাম রসুল, সাদী ও গালিবদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ। এ যুদ্ধের খবর পেয়ে কুষ্টিয়া থেকে পাক-সেনারা কুমারখালী শহরে প্রবেশ করে এবং বিক্ষিপ্তভাবে ব্র্রাশ ফায়ারের মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

কিন্তু সে সময় হাতে গোনা কয়েকজন যুক্তিযোদ্ধা ও পর্যাপ্ত অস্ত্র না থাকায় পাক বাহিনীর মুখোমুখি না হয়ে কৌশলে পিছু হটে আসে মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় পাকবাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হত্যাসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও শেল নিক্ষেপ চালায়। ৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিঞা, কুন্ডুপাড়ার ওমর আলী শহীদ হন। এ ছাড়া শহীদ হন সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কর সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

এরপর ৮ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন গ্রæপে বিভক্ত হয়ে রাজাকার ও পাকবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা করতে পৃথক পৃথক এলাকায় অবস্থান নেন। এতে নেতৃত্ব দেন মুক্তিযোদ্ধা বারিক খান, রনজু, আ. রাজ্জাক, হাবীব, মঞ্জুর আর রহমান প্রমুখ। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গনি, মনজু সাত্তার, সামছুল আলম পিন্টু মাষ্টার, মাহাতাব, কামাল, আতিয়ার রহমান স্বপন (সর্ব কনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা), মকবুল হোসেন, ধীরেন, মিজান বিশ্বাসসহ আরো অনেকেই অংশ নেয়।

৯ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা কুমারখালী শহরের চারপাশ থেকে পাকবাহিনীর ক্যাম্প (বর্তমান কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করে। দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকবাহিনী পিছু হটতে শুরু করে। একপর্যায়ে পাকবাহিনীর সদস্যরা পালিয়ে ট্রেন যোগে কুষ্টিয়ার দিকে রওনা দিলেও পাকবাহিনীর বহনকারী ট্রেনটিতে হামলার পরিকল্পনা করে মুক্তিযোদ্ধারা।

পাকবাহিনীর সদস্যদের বহনকারী ট্রেনটি চাড়াইকোল হাতিসাঁকো এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই মুক্তিযোদ্ধারা ট্রেনটি লাইন চ্যুত করে দেয়। ফলে ট্রেন লাইন চ্যুত হয়ে পড়ে এবং পাকবাহিনীর সদস্যরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পায়ে হেঁটে কুষ্টিয়া অভিমুখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পাকবাহিনীর সদস্যরা আরেকটি ট্রেন যোগে কুমারখালীতে আসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

এদিনে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়। আর অন্যান্য রাজাকারেরাও শহর ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং কুমারখালী উপজেলা হানাদার মুক্ত হয়।

আরও পড়ুন – খোকসায় সাজাপ্রাপ্তসহ পালাতক দুই আসামি গ্রেফতার

এইদিন মুক্তিযোদ্ধারা রাইফেল ও এসএলআরের ফাঁকা গুলি বর্ষণের মধ্যদিয়ে উল্লাস করেন এবং স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন। অপরদিকে কুমারখালী হানাদার মুক্ত হওয়ার খবর পেয়ে সর্বস্তরের জনতা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল শুরু করেন।

আরও পড়ুরন – কুষ্টিয়ায় চাল সংগ্রহের তালিকায় অস্তিত্বহীন ও বন্ধ মিলের নাম

মুক্ত দিবস পালনে কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস পালন করা হবে বলে জানান বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

খোকসায় সাজাপ্রাপ্তসহ পালাতক দুই আসামি গ্রেফতার

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্ট ভুক্ত পৃথক দুই আসামিকে আটক করেছে।

থানা পুলিশের হোয়াটসআ্যাপ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিনগত রাত থেকে রবিারর দুপুর পর্যন্ত এ সব আসামিদের আটক করে আদালতে সপর্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় চাল সংগ্রহের তালিকায় অস্তিত্বহীন ও বন্ধ মিলের নাম

শনিবার গভীর রাতে উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের আজইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি জিআর মামলার দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পালাতক আসামি মোঃ নাঈম শেখকে আটক করে থানা পুলিশ। সে আজইল গ্রামের কুরবান আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন – খোকসায় সাবেক কাউন্সিল তরুন গ্রেফতার

রবিবার দুপুরে পুলিশের একই দল শোমসপুর ইউনিয়নের শোমসপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি ফারুক হোসেনকে আটক করে। তার পিতার নাম রাজ্জাক মন্ডল।

কুষ্টিয়ায় চাল সংগ্রহের তালিকায় অস্তিত্বহীন ও বন্ধ মিলের নাম

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুর ও দৌলতপুরসহ কয়েকটি উপজেলায় অস্তিত্বহীন ও বন্ধ হয়ে যাওয়া মিলের নামে দেওয়া হয়েছে বরাদ্দ। অথচ বরাদ্দের বিষয়ে জানেনও না অনেক মিল মালিক।

সাধারণ মিল মালিকদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খাদ্য বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজসে দিনের পর দিন চলছে এই অনিয়ম।

জেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম হচ্ছে লাইসেন্স থাকা সাপেক্ষে চালকল সচল এবং চাল সরবারহ করার সক্ষমতা আছে এমন মিলকে দেওয়া হয় চালের বরাদ্দ। প্রতিবছর একটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সেইসব চালকলের তালিকা তৈরি করা হয়। বরাদ্দ পাওয়ার পর চালকল মালিকরা খাদ্য অফিসের সঙ্গে চুক্তি করে চাল সরবারহ করে থাকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে প্রায় ৫ বছর আগে বন্ধ হয়েছে গেছে জেলার মিরপুর উপজেলার নিমতলা এলাকার শেখ রাইচ মিল। মিলের স্থাপনা ভেঙে সেখানে এখন চলছে চাষাবাদের প্রস্তুতি। সেই মিলের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১২ মেট্রিক টন চাল। আবার একই এলাকার বাসনা রাইচ মিল বিক্রি হয়ে গেছে চার বছর আগে। এই মিলের নামেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সাড়ে ১২ মেট্রিক টন চাল।

একই অবস্থা মিরপুরের বিআর রাইস মিলের। মালিক বজলুর রহমান জানান, নবায়ন না করায় বাতিল হয়ে গেছে তার মিলের লাইসেন্স। কিন্তু তার মিলের নামেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রায় ১২ মেট্রিক টন চাল। এই বরাদ্দের বিষয়ে কিছুই জানেন না তিনি।

বন্ধ শেখ রাইচ মিলের মালিক মমিনুর রহমান বলেন, আমাদের মিলটা হাস্কিং মিল। এটা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২০ সাল পর্যন্ত মিলটি চালু থাকলেও এরপর থেকে মিলটি বন্ধ আছে। মিলের জন্মলগ্ন থেকে দুইবার আমরা সরকারের কাছে চাল দিতে পেরেছি। বাদবাকি সময় যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দল সিন্ডিকেট চালায়। আমাদের লাইসেন্স আমরা চোখেও দেখি না। এখনো একই অবস্থা। আমাদের সই স্বাক্ষরও লাগে না। ওরাই সই করে, ওরাই বরাদ্দ নেয়।

বাসনা রাইচ মিলের বর্তমান মালিক রাশেদুজ্জামান বলেন, মিলটি চালাতে লোকসানে পড়তে হচ্ছিল, তাই বন্ধ করে দিই। আর ফুডের লাইসেন্সের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। কোনো কাগজও হাতে পাইনি।

মিলটির আগের মালিক আমিনুল ইসলাম জানান, মিলটি চালু থাকা অবস্থায় ২০ বছর আগে তিনি ২০ লাখ টাকা সিসি লোন ওঠান। সেই লোন পরিশোধ করতে না পারায় সুদের টাকা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে তিনি ২ বছর আগে এই মিল বিক্রি করতে বাধ্য হন।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন মিল মালিক বলেন, শুধু শেখ, বাসনা বা বিআর রাইচ মিলই নয়, মিরপুর এবং দৌলতপুর উপজেলায় চাল ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ দেওয়া চালকলের মধ্যে অর্ধেকের বেশি অস্তিত্বহীন অথবা বন্ধ।

তারা অভিযোগ করে বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খাদ্য বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা যোগসাজসে দিনের পর দিন এই অনিয়ম করছেন। সিন্ডিকেটের সদস্যরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদের সাহস করে না। তবে এর প্রতিকার চেয়েছেন তারা।

অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে কুষ্টিয়া জেলা চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন বলেন, মিরপুরের বেশিরভাগ চালকলের অস্তিত্ব নেই। দৌলতপুরেও একই অবস্থা। রাজনৈতিক কারণে আমরা কিছু বলতে পারি না।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মিরপুর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জিন্নাত জাহান বলেন, তিনজনের একটা কমিটি করে তালিকা তৈরি করে পাঠিয়েছিলাম। এরকম হওয়ার কোনো সুযোগ নাই। কারণ আমি মিলারদের বলেছি আমার ইন্সপেক্টর যদি কোনো মিলের তথ্য গোপন করে তাহলে আপনারা জেলা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত জানান, ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও প্ড়ুন – খোকসায় সাবেক কাউন্সিল তরুন গ্রেফতার

কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আল ওয়াজিউর রহমান বলেন, প্রত্যেকটা সংগ্রহ মৌসুমের শুরুতেই আমাদের একটা সার্ভে হয়। এই মৌসুমে যে মিলটা ভালো আছে পরের মৌসুমে সেই মিলটা ভালো নাও থাকতে পারে। কেউ বিক্রিও করে দিতে পারে। যেসব মিলের অস্তিত্ব আছে বা চালু আছে আমরা সেই মিলগুলোকে সার্ভেতে রেখেছি। নোটিশ বোর্ডে এবং মিটিংয়ে তালিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা আছে সুনির্দিষ্টভাবে যদি কোনো মিল সম্পর্কে অভিযোগ থাকে, সঙ্গে সঙ্গে সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বরাদ্দ বাতিল করা হবে। যেসব মিলগুলোর বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে সেইগুলোর বিষয়ে ইমিডিয়েট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও প্ড়ুন – ক্ষমতায় যেতে পারা নিয়ে তারেক রহমানের শঙ্কা

চলতি আমন মৌসুমে কুষ্টিয়ায় ৪৭ টাকা কেজি দরে ১৯ হাজার মেট্রিকটন চাল ক্রয় করবে খাদ্য বিভাগ। আগামী ২৮ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত চলবে সংগ্রহ কার্যক্রম।

খোকসায় সাবেক কাউন্সিল তরুন গ্রেফতার

0
খোকসা থানার হোয়াটসআ্যাপ থেকে সংগৃহীত সাবেক কাউন্সিল আবুল কাশে তরুনের সংগৃহীত ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাশেম তরুনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিনগত রাত ৮টার দিকে খোকসা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিল আবুল কাশেম তরুন খোকসা কালীবাড়ি এলাকায় হাটাহাটি করছিলেন। এ সময় খোকসা থানার একদল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন। তিনি ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে একাধিক বার কাউন্সিল নির্বাচিত হন। তিনি কালীবাড়ি এলাকার মৃত ইউসুফ প্রামানিকের ছেলে।

আরও পড়ুন – ক্ষমতায় যেতে পারা নিয়ে তারেক রহমানের শঙ্কা

রাতেই পুলিশের হোয়াটসআ্যাপে আটক সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাশেম তরুনের ছবি পোষ্ট করা হয়। সেখানে মামলার ধারা সহ জানানো হয়, সাবেক কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের সদস্য। তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিলো হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

ক্ষমতায় যেতে পারা নিয়ে তারেক রহমানের শঙ্কা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করলেই জনগণের মাঝে আস্থা ফিরে আসবে বলে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি আরও বলেন, জনগণের সমর্থন আমাদের পক্ষে রাখতে হবে। কিছু মানুষ ভাবছে যে, আমরা এরই মধ্যে ক্ষমতায় চলে গেছি। কিন্তু আমরা জানি না ক্ষমতায় যাবো কি না। জনগণের সমর্থন পেলে তবেই আমরা ক্ষমতায় যেতে পারবো। আর এজন্য জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে সবার আগে।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলের কেউ যদি ভুল করে, তাদের সতর্ক করতে হবে। সচেতন করতে হবে এবং সঠিক পথে নিয়ে আসতে হবে। জনগণের আস্থা ধরে রাখা কঠিন। কিন্তু এটি আমাদের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব। জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে, জনগণকে সঙ্গে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় দেশের উন্নতি এবং জনগণের কল্যাণ চিন্তা করে কাজ করে। এজন্য দুই বছর আগে থেকেই বিএনপি সংস্কারের কথা বলে আসছে। এটা এমন বিষয় নয় যে গত কিছুদিন আগে থেকে আমরা বলছি। বিএনপি অনেক আগে থেকেই বলে আসছে রাষ্ট্র সংস্কারে ৩১ দফার কথা। বিএনপি জনগণের দল, যে কারণে ৩১ দফার বিষয়ে আলোচনা করে আসছে, যা এখন তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, আমরা দেশে জবাবদিহিতার পরিবেশ তৈরি করতে চাচ্ছি। রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জবাবদিহিতা। জবাবদিহিতা থাকতে হবে একদম ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য থেকে মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত। সবাইকে জবাবদিহিতার ভেতর নিয়ে আসতে হবে। প্রত্যেক জায়গায় জবাবদিহিতার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

আরও পড়ুন – দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিলো হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন ২০১৪ সাল, ২০১৮ সাল ও ২০২৪ সালের তথাকথিত নির্বাচন। আপনার দেখেছেন কীভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে।

আরও পড়ুন – বাংলাদেশি রোগী খড়া কলকাতার হাসপাতালগুলোতে

বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম রিঙ্কুর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, আরেক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাসকুর রহমান মাসুক প্রমুখ।

দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিলো হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

‘হিন্দু নিপীড়নের’ অভিযোগ তুলে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস)। তারা ১০ ডিসেম্বর হাইকমিশন ঘেরাও করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে ‘ফরেন অফিস কনসালটেশন’-এর বৈঠকে যোগ দিতে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির মিশ্রি ঢাকা আসছেন ৯ ডিসেম্বর। এর এক দিন পরই ১০ ডিসেম্বর ‘সিভিল সোসাইটি অব দিল্লি’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাও করবে বলে জানানো হয়েছে।

আরএসএসের দিল্লি শাখার গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনার সহপ্রধান রজনীশ জিন্দাল গতকাল শুক্রবার দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নাগরিক সমাজের এই কর্মসূচি ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়।

জিন্দাল বলেন, বাংলাদেশে হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘুর ওপর অত্যাচারের ঘটনায় সারা ভারত ক্ষুব্ধ। ওই কর্মসূচিতে দেশের ২০০টির বেশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বাংলাদেশ হাইকমিশনে তারা এক স্মারকলিপি পেশ করবেন। স্মারকলিপি দেবেন জাতিসংঘ, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কাছেও। প্রত্যেককে বলা হবে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধে তারা ব্যবস্থা নিক।

আরও পড়ুন – বাংলাদেশি রোগী খড়া কলকাতার হাসপাতালগুলোতে

কর্মসূচি ঘোষণা নিশ্চিতভাবেই ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সফরের ওপর ছায়া ফেলবে। সূত্রের বরাতে গণমাধ্যম বলছে, বিক্রম মিশ্রির ঢাকা সফর ‘স্ট্রাকচার্ড’ হলেও ওই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য সম্পর্ক স্বাভাবিক করে তোলার পাশাপাশি সংখ্যালঘু স্বার্থ ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কাজেই ভারত চাইবে না এমন কিছু হোক, যা পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তোলে এবং নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়।

আরও পড়ুন – রাজনীতিবিদরাই তো দেশ চালাবেন: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

সূত্র স্বীকার করেছে, আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে যা ঘটেছে, তা ভারত সরকারকে বিড়ম্বনায় ফেলেছে। সরকারিভাবে তাই সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ১০ ডিসেম্বরের কর্মসূচি বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।

বাংলাদেশি রোগী খড়া কলকাতার হাসপাতালগুলোতে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগে ভারতে বিক্ষোভ ও সে দেশটির গণমাধ্যমে ধারাবাহিক অপপ্রচারের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যে। বিশেষ করে, বাংলাদেশি পর্যটক শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় বিপাকে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের হোটেল, রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে হাসপাতালগুলোও।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু বেসরকারি হাসপাতাল বাংলাদেশিদের চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে ভারতের চিকিৎসকদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের পশ্চিমবঙ্গ শাখা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং ঘোষণা দিয়েছে, যেসব বাংলাদেশি কলকাতায় চিকিৎসা করাতে আসবেন, তাদের ১০ শতাংশ অর্থছাড় দেওয়া হবে।

কিন্তু তারপরও ভিসা জটিলতার কারণে কলকাতায় বাংলাদেশি পর্যটকদের আনাগোনা কমেছে। বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা ছাড়া ভারতের ভিসা পাচ্ছেন না বাংলাদেশিরা। যারা আসছেন, তাদের প্রায় সবাই চিকিৎসার জন্য আসছেন। ফলে কলকাতার বাইপাস লাগোয়া মুকুন্দপুরের প্রায় সব বেসরকারি হাসপাতাল এখন বাংলাদেশি রোগীর অভাবে খাঁ খাঁ করছে।

আরও পড়ুন – রাজনীতিবিদরাই তো দেশ চালাবেন: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

এই বিষয়ে চিকিৎসক এস.এন. পোদ্দার জানান, ভিসা কড়াকড়ির কারণে বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে কম লোক চিকিৎসা করাতে আসছেন। তবে আমরা আশাবাদী, এই সমস্যার দ্রæত সমাধান হবে।

আরও পড়ুন – নরেন্দ্র মোদিকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি

কলকাতার মুকুন্দপুরের একটি হাসপাতালে এসেছেন ঢাকার বাসিন্দা আনারুল রমেন। তিনি বলেন, আমি আমার মায়ের চিকিৎসা করাতে এসেছি। আমাদের কোনো অসুবিধা হয়নি। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিকরা কলকাতায় অনেক কম আসছেন। আমি অনেক আগেই ভিসা করিয়ে রেখেছিলাম, তাই সমস্যা হয়নি।

রাজনীতিবিদরাই তো দেশ চালাবেন: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আজ হোক বা কাল রাজনীতিবিদরাই দেশ চালাবেন বলে মন্তব্য করেছেন নৌ-পরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি আরও বলেন, যদি রাজনীতিবিদদের মধ্যে ঐক্যমত না হয় তাহলে জাতীয় যে পথ নির্ধারণ করার কথা সেটা এলোমেলো হয়ে যায়। সব রাজনৈতিক দল একত্রে বসেছে এটা একটা উদাহরণ। অতীতে এমন দেখা যায়নি।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন – নরেন্দ্র মোদিকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি

পরিদর্শনে এসে বন্দরের উন্নয়ন কর্মকান্ড, ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ঘুরে দেখেন উপদেষ্টা। এরপর বন্দরের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে বন্দর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আরও পড়ুন- ফ্যাসিষ্টের দোসর সাংবাদিকদের বিচার হবে – রাশেদ খাঁন

সভায় বন্দরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও উত্তরণে করণীয় দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব খানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নরেন্দ্র মোদিকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি

0
ছবি সংগৃহীত

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাও আবার পুলিশের হোয়াটসআ্যাপে। তদন্ত কারীরা মনেকরছেন মাতাল অথবা পাগল কান্ডটি ঘটাতে পারে।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) মুম্বই পুলিশের কাছে হোয়াট্সঅ্যাপে এ বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বেশকিছু সংবাদমাধ্যম।

প্রতিবেদন বলাছ হয়েছে, যে নম্বর থেকে হোয়াট্সঅ্যাপে বার্তাটি এসেছে, সেটি রাজস্থানের আজমির এলাকা বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে মুম্বই পুলিশের একটি দল অভিযুক্তকে ধরতে সেখানে রওনা হয়।

ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ওই বার্তায় পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নাম উল্লেখ রয়েছে। বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মোদীকে মারার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন – ফ্যাসিষ্টের দোসর সাংবাদিকদের বিচার হবে – রাশেদ খাঁন

তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে মনে করছেন, অভিযুক্তের মানসিক সমস্যা থাকতে পারে। অথবা ‘মাতাল অবস্থায়’ এই মেসেজ করে থাকতে পারেন। তবে এ নিয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হুমকি পাওয়ার পরে মুম্বইয়ের থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – ডিম ছোলা পাম তেলের দাম বেড়েছে

এর আগে বহু বার বহু জনকে হুমকি দিয়ে ভুয়া বার্তা এসেছে মুম্বই ট্র্যাফিক পুলিশের হেল্পলাইন নম্বরে। কয়েকদিন আগেই সুপারস্টার সালমান খানকে খুনের হুমকি দিয়ে একই হেল্পলাইন নম্বরে মেসেজ পাঠানো হয়েছিল।

সর্বশেষ সংবাদ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম- অ্যার্টনি জেনারেল

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি অ্যার্টনি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, দেশে এখন যে ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম হয়েছে তা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে এসেছে। বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের...

মিরপুরে শ্রেণিকক্ষ থেকে ধর্ষিত কিশোরী উদ্ধার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার মিরপুরে রাতে স্কুল ভবন থেকে অচেতন অবস্থায় এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর ওই কিশোরীকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।...

কবর স্থানের গাছ বিক্রি ও বিএনপির দুই গ্রুপের হামলায় আহত ৪২

স্টাফ রিপোর্টার কবর স্থানের গাছ বিক্রি কেন্দ্র করে দুই গ্রাম বাসীরা মাইকিং করে হামলা পাল্টা হামলা চালায়। অপরদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায়র স্ট্যাটাস দেওয়া কেন্দ্র করে বিএনপির...

পাম্পে সিরিয়াল নিয়ে দন্দ্বে অন্ধকারে মিরপুর

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার মিরপুরে তেল পাম্পে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যকার টানাপোড়েনে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন হয়ে...

ট্রাক দিয়ে পথ আটকে পেট্রোল পাম্প অবরোধ

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় ডিজেলের দাবিতে একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে ট্রাক রেখে অবরোধ সৃষ্টি করে পরিবহন শ্রমিকরা। প্রায় ১৮ ঘন্টা পরে প্রশাসনের মধ্যস্ততায় অবরোধ প্রত্যাহার...