মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 185

আবরার ফাহাদের বাবা-মা ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ প্রশ্নে যা বললেন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির পরিপেক্ষিতে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করেছে অন্তবর্তী সরকার। বুধবার রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এসব কথা জানানো হয়েছে। এদিকে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেনে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হল ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মীর নির্যাতনে নিহত আবরার ফাহাদের বাবা-মা।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কের পাশে আবরারের বাড়িতে গেলে প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় মা রোকেয়া খাতুন ও বাবা বরকত উল্লাহের।

হাতমুখ ধুয়ে নামাজ পড়ে তোমার সাথে দেওয়া খাবার খেয়ে নেও। পাঁচ বছর আগে আবরারের সাথে এটাই ছিল মায়ের শেষ কথা। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সকালে আবরারকে নিজে গাড়িতে উঠিয়ে দিয়েছিলেন মা। ওই দিনের স্মৃতিচারণ করে অশ্রæসিক্ত চোখে মা রোকেয়া খাতুন বলেন, গত রাতে সংবাদে দেখলাম ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্বৈরাচারী শাষনামলে ছাত্রলীগের দু:সাহস যদি এতটা না থাকতো তাহলে তারা এতটা বিপদজনক হতো না। ওই রাতে আমার ছেলেকে তারা নির্মম, নিষ্ঠুরভাবে অত্যাচার করে হত্যা করেছে। সেটা পুরো দেশবাসী জানে।

রোকেয়া খাতুন বলেন, ছেলে হত্যার ৫ বছর পর ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই, আগেও যেমন দেশবাসী আমাদের সাথে ছিলেন তেমনিভাবে এখনো সাথে থাকবেন। কারণ আবরারকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার এখনো কার্যকর হয়নি। তিনজন আসামী এখন পর্যন্ত অনুপস্থিত। সেই সাথে হত্যাকান্ডে ছাত্রলীগকে যারা ইন্ধন দিয়েছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন – ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করায় আনন্দ মিছিল করেছে বৈষম্যবিরোধীরা

আবরারের মা রোকেয়া খাতুন বলেন, ২০২৪ সালে ৫ আগষ্টের আগে আমার মতো হাজার হাজার মা সন্তান হারিয়েছে। বর্তমান সরকার যেন প্রতিটি হত্যার বিচার করে। অসুস্থদের যতটুকু সহযোগিতা প্রয়োজন তার ব্যবস্থা করে। একজন মা হিসেবে এটাই আমার চাওয়া। সন্তান হারানো কতটা কষ্টের তা শুধু একজন মা বোঝেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমার মতো আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ সবার মা কষ্ট পাচ্ছে। খারাপ কাজের জন্য ছাত্রলীগকে বর্তমান সরকার নিষিদ্ধ করেছে এটা দেশবাসী জানে।

সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে রোকেয়া খাতুন বলেন, ছাত্রলীগ হত্যা, গুম ধর্ষণসহ বিভিন্ন কাজের সাথে জড়িত ছিল। এর থেকে যেন দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল শিক্ষা নেই। তাদের দলের অঙ্গ সংগঠনের কেউ যেন অদুর ভবিষ্যতে ছাত্রলীগের মতো খারাপ কাজ করতে আর সাহস না পাই। পরবর্তী ও বর্তমান সরকারের কাছে এটাই আমার প্রত্যাশা।

এ সময় পাশেই ছিলেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, এখন পর্যন্ত ছেলে হত্যার বিচার শেষ হয়নি। ছেলেকে হত্যায় ছাত্রলীগের সাথে আরো অনেকেই জড়িত ছিল। যাদেরকে মামলায় আসামী করা হয়নি। জানতে পেরেছি ছাত্রলীগকে সরকার নিষিদ্ধ করেছে। আমার দাবি যে সংগঠনী হোক না কেন, যারা সাধারণ ছাত্রদের উপর অন্যায় অত্যাচার করবে তাদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হল ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মীর নির্যাতনে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে নিহত হন আবরার ফাহাদ। বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করায় আনন্দ মিছিল করেছে বৈষম্যবিরোধীরা

0

স্টাফ রিপোর্টার

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের একাংশ আনন্দ মিছিল করেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় খোকসা উপজেলা সদরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আন্দোলনের ব্যানারে এ আনন্দ মিছিল করা হয়। মিছিলটি খোকসা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে এসে বাসস্ট্যান্ডে এসে সমাবেশ করে।

আরও পড়ুন – রাষ্ট্রপতির বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদ যে সিদ্ধান্ত নিলো

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাইফুর রহমান, তুহিন, হৃদয়, আব্দুল আলীম প্রমূখ। সঞ্চালনা করেন আরিফুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপতির বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদ যে সিদ্ধান্ত নিলো

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে রয়েছে। এবার অন্তর্র্বতী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। রাষ্ট্রপতির থাকা না-থাকার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে অন্তর্র্বতী সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতার ভিত্তিতেই বিষয়টাতে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

বুধবার বিএনপির শীর্ষপর্যায়ের তিন নেতা অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে দেখা করে তাদের অবস্থান জানিয়েছেন। দলটি এ মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চায় না। বিএনপি মনে করে, রাষ্ট্রপতি পদে শূন্যতা হলে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট তৈরি হবে।

আরও পড়ুন – চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩২ বছর করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাক্ষান

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবি তুলে গত মঙ্গলবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ইনকিলাব মঞ্চ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবনের সামনেও বিক্ষোভ করা হয়।

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩২ বছর করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাক্ষান

0

দ্র্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে সরকরি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে অনেকদিন ধরে আন্দোলন করছেন চাকরি প্রত্যাশীরা। এর প্রেক্ষিতে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩২ বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘বয়সসীমা ৩৫-প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদ’। একই সঙ্গে স্থায়ীভাবে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৈঠকে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো হলো

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সব ক্যাডারের চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারিত হবে।

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের আওতাবহির্ভূত সব সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারিত হবে।

স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার ক্ষেত্রে স্ব স্ব নিয়োগ বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজন সাপেক্ষে প্রযোজ্য হবে।

প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষেত্রে স্ব স্ব নিয়োগ বিধিমালা বহাল থাকবে।

এছাড়া এ অধ্যাদেশের আলোকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর ধারা ৫৯-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪’ পুনর্গঠনপূর্বক বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনবার অবতীর্ণ হতে পারবে- এরূপ বিধি সংযোজন করবে।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় ঠান্ডা জনিত রোগে ৪ শতাধিক শিশু হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে ৩৫-প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক শরিফুল হাসান শুভ সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাক্ষান করে আন্দোলন চালিে যাওয়ার ঘোষনা দেন।

কুষ্টিয়ায় ঠান্ডা জনিত রোগে ৪ শতাধিক শিশু হাসপাতালে ভর্তি

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিযায় হঠাৎ করেই শিশুদের নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডা জনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে একশ শিশু নিউমোনিয়া কিংবা জ্বর, ঠান্ডা, কাশি শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এ হাসপাতালের ২০ শয্যার বিপরীতে ৪শ’র অধিক শিশু ভর্তি থাকছে।

বিগত একমাস ধরে জেনারেল হাসপাতালে এই অবস্থা বিরাজ করছে। এদিকে হাসপাতালে শিশু রোগীর সংখ্যা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সেবা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক-নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের। শয্যা সংকটের কারণে হাসপাতালের মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শতশত শিশু রাগীদের।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: তাপস কুমার সরকার জানান, সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শিশুদের ঠান্ডা জনিত রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভিড় শুরু হয়। তবে চলতি অক্টোবর মাসের শুরু থেকে হাসপাতালে শিশু রোগীদের চাপ রকম বৃদ্ধি পেয়েছে। গেল দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন গড়ে ৪ শতাধিকেরও বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকছে। আর গড়ে প্রতিদিন নতুন করে শতাধিকেরও বেশি শিশু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের অধিকাংশই নিউমোনিয়া, ঠান্ডা-জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এছাড়াও হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে দুই শতাধিক শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্স (শিশু) ডা: মো: রকিউর রহমান জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনা এ বছর শিশুদের ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা আশংকা জনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তন জনিত কারণে শিশুরা এসব রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার বিকেলে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সামনের বারান্দাসহ মেঝে শিশু রোগীতে ঠাসা। বারান্দার পাশে মেডিসিন ওয়ার্ড এবং শিশু ওয়ার্ড ইউনিট-২ তে শিশু রোগী রাখা হয়েছে। গাদাগাদি করে সেখানে বিছানা ফেলা হয়েছে। ওয়ার্ডের ভেতরেও ভিড় দেখা গেছে।

বারান্দার মেঝেতে শুইয়ে রাখা আট মাসের শিশু ফাহিমের পাশে বসে আছেন মা মৌসুমী খাতুন। তিনি জানান, কয়েক দিন ধরেই তার ছেলের জ্বর। তবে কোনো উন্নতি না হওয়ায় বুধবার সকালে তিনি ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স সফুরা জানান, গত দুই সপ্তাহ যাবত শিশু রোগী ভর্তির হার অনেক বেশি। ওয়ার্ডের ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ২০ গুণ বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক রোগীকে সামাল দিতে চিকিৎসক নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে কেবিনসহ শয্যা আছে ২৪টি। গত দুই সপ্তাহ যাবত শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বেড়েছে বহুগুনে। অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। বুধবার (২৩ আগষ্ট) সন্ধ্যা ৬

আরও পড়ুন –কুষ্টিয়ার বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী স্ত্রী ও কন্যার মৃত্যু

টা পর্যন্ত শিশু ওয়ার্ডে রোগী ভর্তির সংখ্যা ছিল ৪০১ জন। এর মধ্যে ছেলে শিশু ২৪৯ জন এবং মেয়ে শিশু ১৫২ জন।

অতিরিক্ত শিশু রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আই¯েøাাশন ওয়ার্ড কে শিশু ইউনিট-২ বানিয়েছেন।
শিশু ওয়ার্ডে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় আশপাশের ওয়ার্ডের মেঝেতেও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগী রাখার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

শিশু রোগীর সংখ্যা অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে গত ১৪ অক্টোবর থেকে হাসপাতালের দ্বিতীয়তলায় ওটি’র সামনে একটি রুমে অস্থায়ী ভাবে শিশু রোগী রাখার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: তাপস কুমার সরকার জানান, ২৫০ শয্যার বিপরীতে হাসপাতালে গড়ে এক হাজারেরও বেশি রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে থাকেন। এর বাইরেও প্রতিদিন বহির্বিভাগে আরো ৫ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

কুষ্টিয়ার বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী স্ত্রী ও কন্যার মৃত্যু

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী স্ত্রী ও কন্যাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টার দিকে সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তারা হলেন, মৃত শামসুল হকের ছেলে মো. সালাম (৪০), তার স্ত্রী রুপা খাতুন (৩৫) ও মেয়ে সাবা খাতুন (১৩)। এ ঘটনায় তার ভাতিজা সিয়াম (১৩) আহত হয়েছেন।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার সূত্রে জানাগেছে, রুম্পা খাতুন বিকলে ঘরঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় ঘরে ঝুলে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান স্বামী মো. সালাম ও তার মেয়ে সাবা। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তারা তিনজন ঘটনাস্থলে মারা যান। এ সময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা সালামের ভাতিজাও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুতর আহত হন।

মৃত সালামের চাচাতো ভাই সাইদুল ইসলাম জানান, সালামের শহরের জেলখানা মোড়ে ফটোকপির দোকান রয়েছে। দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ওই সময় ঘরের ভেতর পরিবারের সবাই অবস্থান করছিলেন। একদিন আগে বাড়িতে ইলেকট্রিকের কাজ করিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন বলেন, তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত আরেকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন-সাবেক ইসি সচিব হেলালুদ্দীন গ্রেফতার

হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য সোহেল জানান, তিনজনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি তদন্ত ‎দিপেন্দ্রনাথ জানান, মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

সাবেক ইসি সচিব হেলালুদ্দীন গ্রেফতার

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক সচিব হেলালুদ্দীন আহমদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খুলশী থানার তুলাতলী এলাকা থেকে নগরের কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফজলুল কাদের চৌধুরী।

তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক সচিব হেলালুদ্দীনকে ঢাকা মেট্রোপলিটন থানার একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কোতোয়ালি থানা পুলিশ হেফাজতে। তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন – ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করলো অন্তর্র্বতীকালীন সরকার

হেলালুদ্দীন আহমদ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে তাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। ওই মন্ত্রণালয়ে পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়র সচিব হিসেবে অবসরে যান তিনি।

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করলো অন্তর্র্বতীকালীন সরকার

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে অন্তর্র্বতীকালীন সরকার।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা-২ থেকে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সই করেন জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা-২ এর সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।

গেজেটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বিশেষ করে গত ১৫ বছরে স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশ আওযয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হত্যা, নির্যাতন, গণরুমকেন্দ্রিক নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নসহ নানাবিধ জননিরাপত্তা বিঘœকারী কর্মকান্্েড জড়িত ছিল। এ সম্পর্কিত প্রামান্য তথ্য দেশের সব প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু সন্ত্রাসী ঘটনায় সংগঠনটির নেতাকর্মীদের অপরাধ আদালতেও প্রমাণিত হয়েছে।

সেখানে আরও বলা হয়, ১৫ জুলাই ২০২৪ তারিখ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে উন্মত্ত ও বেপরোয়া সশস্ত্র আক্রমণ করে শতশত নিরপরাধ শিক্ষার্থী ও ব্যক্তিদের হত্যা করেছে এবং আরও অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করেছে। সরকারের কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে যে, ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক, ধ্বংসাত্মক ও উসকানিমূলক কর্মকান্ড এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।

আরও পড়ুন – ভারতকে হারিয়ে সাফ সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

গেজেটে বলা হয়, সরকার ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯’ এর ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো এবং ওই আইনের তফসিল-২ এ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নামীয় ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ সত্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত করলো। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ভারতকে হারিয়ে সাফ সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

নেপালের কাঠমান্ডুতে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ‘এ’গ্রæপের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ৩-১ গোলে ভারতকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। এতে বাংলাদেশ দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রæপ চ্যাম্পিয়ন ও ভারত তিন পয়েন্ট নিয়ে রানার্স-আপ। এক পয়েন্ট পাওয়া পাকিস্তান টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) ম্যাচে বাংলাদেশের ড্র প্রয়োজন ছিল সেমিফাইনাল খেলতে। এমন সমীকরণ নিয়ে মাঠে নেমে সাবিনারা ৩-১ গোলের দাপুটে জয় আদায় করে নিয়েছেন। পুরো ম্যাচেই বাংলাদেশ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে সিনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোচের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। মাঠের পারফরম্যান্সে অবশ্য সেই প্রভাব পড়েনি।

২০২২ সালে বাংলাদেশ ভারতকে গ্রæপ পর্বেই ৩-০ গোলে হারিয়েছিল। দুই বছর পর আজও ভারতের জালে তিন গোল দিয়েছে বাংলাদেশ। তিন গোলের দুটি তহুরা খাতুনের, আরেকটি আফিদা খন্দকারের। ভারতের গোলটি করেন অধিনায়ক বালা দেবী। ম্যাচের চারটি গোলই হয়েছে প্রথমার্ধে।

এর আগে শুরুর একাদশে দুই পরিবর্তন করে মারিয়া মান্দা ও মাসুরা পারভীনকে সুযোগ দিয়েছিলেন কোচ পিটার বাটলার। ১৫ মিনিটে অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের কর্নার ভারতীয় গোলরক্ষক ঠিকমতো গ্রিপ করতে পারেননি। বল এসে পড়ে বাংলাদেশের আফিদার কাছে। ভারতীয় ডিফেন্ডাররা বøক করার আগেই তিনি শট নেন। ভারতীয় গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে গোললাইন অতিক্রম করে তার শটটি। এরপরই বাংলাদেশ গোল উৎসবে মাতে।

গোলের পর বাংলাদেশ আরও সুন্দর ফুটবল খেলা উপহার দেয়। অল্প সময়েই তারা বেশ কয়েকটি আক্রমণ শাণায়। ২৮ মিনিটে ভারতের ডিফেন্ডারের ভুলে আরেকটি গোল পায় বাংলাদেশ। বাম প্রান্ত থেকে আসা ক্রস ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেননি ভারতীয় ডিফেন্ডার। তার সঙ্গে থাকা বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড তহুরার গায়ে লেগে সেই বলটি জালে জড়ায়।

৪২ মিনিটে তৃতীয় দফায় ব্যবধান বাড়ায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। শামসুন্নাহার সিনিয়র ও জুনিয়র বল দেওয়া-নেওয়ার মধ্যে বক্সের ওপর বল পান তহুরা খাতুন। জোরালো শটে গোল করেন বাংলাদেশের এই ফরোয়ার্ড। পরের মিনিটে ভারত এক গোল পরিশোধ করে। ভারতের আক্রমণে বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা গ্রিপ করতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত ফসকে যাওয়া বলে হেড দিয়ে জালে পাঠান ভারতীয় অধিনায়ক বালা দেবী।

আরও পড়ুন –কুমারখালীর ১৪ হাজার কিশোরী পাবে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকা

বিরতির পর ভারত গোলের কয়েকটি সুযোগ পায়। প্রতিবারই বাধা হয়ে দাড়ান গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা। রুপ্নার পারফরম্যান্সে ভারত দ্বিতীয়ার্ধে আর গোল পায়নি। বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার দ্বিতীয়ার্ধে স্বপ্না রাণী, সানজিদাকে নামান। অবশ্য বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে তেমন গোলের সুযোগ পায়নি। ফলে প্রথমার্ধের একই ব্যবধান নিয়েই দুই দল মাঠ ছাড়ে।

কুমারখালীর ১৪ হাজার কিশোরী পাবে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকা

0

কুমারখালী প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার (১০ থেকে ১৪ বছর) কিশোরী পেতে যাচ্ছে জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের (এইচপিভি) টিকা।

বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মু: আহসানুল মিজান রুমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মিকাইল ইসলাম।

আলোচনায় অংশনেন, থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সুকল্যান বিশ্বাস, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মুস্তাফিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী এজাজ কায়ছার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফেরদৌস নাজনীন সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও গণমাধ্যম কর্মীরা।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মু: আহসানুল মিজান রুমী।

আরও পড়ুন – খোকসার ওসির সাথে সাংবাদিক ও সুধীজনের সাক্ষাৎ

তিনি বলেন, আজকের কিশোরীরা আগামী দিনের মা, তাদের সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষা। জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য এইচপিভি টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর। এই টিকা জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। শতকরা ৯৯ ভাগ জরায়ুমুখ ক্যান্সার এইচপিভি ভাইরাস দ্বারা হয়। তাই ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরদের ১ ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদানের মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ২৪ অক্টোবর থেকে এই টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন হবে।

তিনি আরও বলেন, এই টিকা পেতে আগ্রহীদের অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। িি.িাধীবঢ়র.মড়া.নফ এই ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা গ্রহণ করা যাবে। রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, কিশোরীরা আমাদের সন্তান। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে সরকারি এই কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাদেরকে রেজিষ্ট্রেশনের আওতায় আনাসহ সকল প্রকার কার্যক্রমে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সহায়তা করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, এইচপিভি টিকা গ্রহণের ব্যাপারে সচেতনতা তৈরিতে সরকারি, বেসরকারি, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কিশোরীদের উদ্বুদ্ধ করতে, এ কার্যক্রমের সাথে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করতে, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা, প্রচার ও প্রতিবন্ধকতা সমূহ দূর করা সহ টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার আহবান জানান।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...