মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 187

পালানোর আগে যা বলতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা

0

দ্রোহ নলাইন ডেস্ক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার আগে ভারত থেকে বারবার ফোন আসছিল। ফোনে বলা হচ্ছিল, যাতে তার নিরাপত্তা বিঘিœত না হয়। দৈনিক মানব জমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী তার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার আগে ভাষণে কী বলতে চেয়েছিলেন তা নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন। সেখানেই এ সব তথ্য পাওয়া গেছে।

বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে মতিউর রহমান চৌধুরী লেখেন, শেখ হাসিনা পালানোর আগে বলেছিলেন- দীর্ঘ নয়, অল্প সময় কথা বলবেন তিনি। কিন্তু পরিবেশ পরিস্থিতি এবং সেনাপ্রধানের অনাগ্রহে সে সুযোগ পাননি হাসিনা। তখন তাকে বলা হয়, চারদিকে লোকজন জড়ো হয়ে গেছে, সবাই মারমুখো। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা গণভবনে পৌঁছে যেতে পারে। তার নিরাপত্তার কথা ভেবেই তাকে সে সুযোগ দেওয়া যাবে না। হাসিনা বিরক্ত, ক্ষুব্ধ। কিন্তু কিছুই করার ছিল না। বক্তৃতার একটি খসড়া তৈরি করেছিলেন তিনি।

সূত্রে জানা গেছে, ওই বক্তৃতায় তিনি বলতে চেয়েছিলেন- তার ইচ্ছায় নয়, বলপূর্বক তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। কারা এবং কোন বিদেশি শক্তি তার সরকারকে উৎখাত করতে চেয়েছে এটাও তিনি জানাতে চেয়েছিলেন। তার শাসনকালে দেশের কী কী উন্নয়ন হয়েছে তারও বয়ান ছিল।

সকাল থেকে দুপুর, এ সময় নানাভাবে দরকষাকষিও চলছিল। বারবার ফোন আসছিল নয়াদিল্লি থেকে। বলা হচ্ছিল, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা যেন বিঘিœত না হয়।

আরও পড়ুন – ইসরায়েলের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করেছি: ইরান

মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঢাকার তরফে দিল্লিকে বলা হয়েছিল- তারা যেন বিমান পাঠিয়ে হাসিনাকে নিয়ে যান। সে অনুরোধে সাড়া দেয়নি দিল্লি। এর পর বাংলাদেশের স্ব-উদ্যোগে বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০ বিমানে তাকে দিল্লি পাঠানো হয়।

হাসিনাকে বহনকারী বিমানে আরও দু’জন ছিলেন। তার ছোটবোন শেখ রেহানা ও নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

ইসরায়েলের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করেছি: ইরান

0
সংগৃহীত ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান পাল্টা হামলা চালাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এরই মধ্যে ইসরায়েলের সামরিক সব স্থাপনা শনাক্ত করা হয়েছে। তেল আবিব হামলা করলেই এসব লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাবে তেহরান।

শনিবার তুর্কি টিভি চ্যানেল এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। রবিবার (২০ অক্টোবর) ইরানের সংবাদ সংস্থা ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

আব্বাস আরাগচিকে উদ্ধৃতি দিয়ে ইরনা জানায়, আমরা ইসরায়েলর সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুত করেছি। ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল যেকোন পদক্ষেপ নিলে তেহরান তা দ্বিগুণ রূপে প্রতিক্রিয়া জানাবে।

ইরানের ওপর ইসরায়েলি হামলাকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের জন্য লাল রেখা হিসেবে বিবেচনা করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনও আক্রমণের অর্থ একটি লাল রেখা অতিক্রম করা। আমরা এ ধরনের হামলার জবাবে ছাড় দিবো না। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যেকোনো হামলা বা অনুরূপ কোনো আক্রমণের প্রয়োজনীয় জবাব দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন – চালের আমদানি শুল্ক কমলো

তিনি আরও বলেন, ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে। কারণ ইসরায়েল গাজা এবং লেবাননে আমেরিকার সরবরাহকৃত অস্ত্র ব্যবহার করে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত। যদি এই অঞ্চলে বড় আকারের যুদ্ধ হয়, তবে তাদেরকেও এতে টেনে আনা হবে এবং আমরা এটি মোটেই চাই না- বলেছেন আরাগচি।

উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর ইসরায়েলের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় ইরান। এরপর তেহরানেও পাল্টা হামলার হুমকি দেয় ইসরায়েল। তাদের এ হুমকির প্রেক্ষিতেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

উল্লেখ্য, জুলাইযের শেষের দিকে তেহরানে হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়াহকে হত্যা, সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে হিজবুল্লাহ নেতা সাইয়েদ হাসান নাসরুল্লাহ এবং ইরানের সামরিক কমান্ডার আব্বাস নীলফরৌশানকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান এই অভিযান পরিচালনা করে।

ইরান বলছে, তারা ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় প্রতিক্রিয়ার অভাবে এই অভিযান চালাচ্ছে।

চালের আমদানি শুল্ক কমলো

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

চাল আমদানি ওপর শুল্ক ও রেগুলেটরি শুল্ক হ্রাস এবং আগাম কর গ্রত্যাহার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বাজারে চালের সরবরাহ বৃদ্ধি, দেশের আপামর জনগণের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং চালের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ও সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর।

রবিবার (২০ অক্টোবর) এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চালের ওপর বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ, বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ এবং বিদ্যমান ৫ শতাংশ আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – শেখ হাসিনা ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট আলোচনা হয়নি: ভারতীয় হাইকমিশনার

এনবিআরের জনসংযোগ দপ্তর জানায়, চাল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক-করাদি হ্রাস করার ফলে আমদানি পর্যায়ে প্রতি কেজি চালের মূল্য ১৪ টাকা ৪০ পয়সা কমবে। আমদানি শুল্ক ও রেগুলেটরি শুল্ক হ্রাস এবং আগাম কর প্রত্যাহারের ফলে বাজারে চালের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে, দেশের আপামর জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং চালের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।

শেখ হাসিনা ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট আলোচনা হয়নি: ভারতীয় হাইকমিশনার

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ভারতে পালিয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইস্যুতে পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিনের সঙ্গে আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

রবিবার (২০ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

বৈঠকে শেখ হাসিনা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাওয়া হয় প্রণয় ভার্মার কাছে। জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আলোচনা হয়নি। কীভাবে অন্তর্র্বতী সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া যায়। আমরা মূলত তা নিয়ে আলোচনা করেছি।

সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ১৮ নভেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে এ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে অন্তর্র্বতী সরকার।

আরও পড়ুন – কবি সৈয়দ আব্দুস সাদিক আর নেই

সচিবের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে প্রণয় ভার্মা বলেন, এটি নিয়মিত বৈঠক ছিল। আমাদের সম্পর্ক নিয়ে নিয়মিত বৈঠকের অংশ। আমরা দুই দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের ইতিবাচক সম্পর্ক রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের সম্পর্ক দুই দেশের মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। ভারত বাংলাদেশের ওপর নির্ভরশীল, বাংলাদেশ ভারতের ওপর নির্ভরশীল, পারস্পরিক নির্ভরশীলতার সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া দরকার।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ পরামর্শক সভা নিয়ে হাইকমিশনার জানান, দ্রæত সময়ের মধ্যে আমরা এফওসি করতে চাই।

কবি সৈয়দ আব্দুস সাদিক আর নেই

0
কবি সৈয়দ আবদুস সাদিক ফাইল ছবি

কুমারখালী প্রতিনিধি

অসংখ্য কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বর্ষিয়ান কবি সৈয়দ আবদুস সাদিক (৮২) আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রবিবার ভোরে ঢাকার আজিমপুর কবরস্থানে তাঁর মরদেহ সমাহিত করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা সিএমএইচ-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন। পারিবারিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করছে।

১৪ অক্টোবর বিকালে কুমারখালী উপজেলার দুর্গাপুরস্থ নিজ বাসভবনে বুকে ব্যাথাজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রবীণ এই কবি। তাৎক্ষণিক তাঁকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৬ অক্টোবর দুপুরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ঢাকা সিএমএইচ-এ ভর্তি করা হলে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

কবি সৈয়দ আব্দুস সাদিকের মৃত্যুতে স্বজনদের পাশাপাশি গভীর শোকাহত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কবি-সাহিত্যিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ কুমারখালী- কুষ্টিয়ার কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গণের কর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

কবি সৈয়দ আব্দুস সাদিক ১৯৪৪ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালী শহরের দরগাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। পেশাগত জীবনে কবি সাদিক সরকারি চাকুরীজীবি ছিলেন। কবি ১ কন্যা ও ৩ পুত্র সন্তানের জনক ছিলেন। কবিপতœী সৈয়দা সুলতানা বেগম দুলারি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কর্মী ও একজন কবি।

১৯৭৯ সালে তাঁর প্রথম গ্রন্থ রুবাইয়াত, ২০২৪ সালে তাঁর কবিতা সমগ্র (তৃতীয় খন্ড) প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও তাঁর কবিতা, গল্প, উপন্যাস গ্রন্থ রয়েছে।

আরও পড়ুন –ভারতে পালানোর নিরাপদ রুট মহেশপুর সীমান্ত, দু’মাসে আটক ৩২৬

কবি সৈয়দ আব্দুস সাদিকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সাবেক সচিব ও কবি কাজী আখতার হোসেন, শিল্পপতি ড. আলাউদ্দিন আহমেদ, কবি সাংবাদিক ও দৈনিক বাংলাদেশ বার্তার সম্পাদক আব্দুর রশিদ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. সরোয়ার মুর্শেদ রতন, কবি ও গবেষক অধ্যাপক ড. রকিবুল হাসান, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আব্দুর রফিক বিশ্বাস, কবি ও নাট্যকার লিটন আব্বাস, কবি শৈবল আদিত্য, কবি সিদ্দিক সিদ্দিক প্রামাণিক প্রমুখ।

ভারতে পালানোর নিরাপদ রুট মহেশপুর সীমান্ত, দু’মাসে আটক ৩২৬

0
বিভিন্ন সময়ে আটক ব্যক্তিরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ছাত্রজনতার আন্দোলনে পতিত ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই মাসে দেশ ছেড়ে পালানোর সময় ৩২৬ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। আটকদের মধ্যে পতিত সরকারের সাবেক মন্ত্রী, অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা রয়েছেন।

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের গ্রামে গুলোতে গড়ে উঠেছে একাধিক মানব পাচারকারী সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটে প্রায় দুই’শ সদস্য সক্রিয় রয়েছে। লাখ লাখ টাকা নিয়ে সিন্ডিকেটের সদস্যরা আ’লীগের প্রভাবশালী নেতাকর্মী, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ হাসিনা সরকারের ঘনিষ্টদের পার করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইতিমধ্যে মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে পালানোর সময় বিজিবির হাতে হাসিনা সরকারের সাবেক ভূমি মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ, অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা, রোহিঙ্গা নারী ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের একাধিক কর্মকর্তাসহ ৩২৬ জন আটক হয়েছেন আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হাতে। আটক হয়েছেন ১৪ মানব পাচারকারী।

সীমান্তের একাধিক সূত্র বলছে, মহেশপুর ৫৮ বিজিবি’র হাতে আটক হওয়া ব্যক্তিদের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি মানুষ পার হয়ে যাচ্ছে ভারতে। গ্রামবাসির বক্তব্য মহেশপুরের যাদবপুর, মাটিলা, সামন্তা, পলিয়ানপুর, বাঘাডাঙ্গা, খোশালপুর, শ্যামকুড়, শ্রীনাথপুর, কুসুমপুর ও লড়াইঘাট এলাকা দিয়ে মানবপাচার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জানা গেছে, ঝিনাইদহের মহেশপুরের ওপারে ভারতের নদীয়া জেলার হাসখালী ও উত্তর চব্বিশপরগার বাগদা থানা রয়েছে। আর বাংলাদেশের অংশ ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলা। ভারতে সঙ্গে ঝিনাইদহের ৭৮ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এরমধ্যে ৬৮ কিলোমিটার জুড়ে ভারত কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে। বাকি ১০ কিলোমিটার বাংলাদেশের অংশ পুরোটাই অরক্ষিত। মাঠ-ঘাট, নদী-নালা থাকায় মানব পাচারকারীরা এই অংশ নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নিয়েছে। বিজিবির টহল থাকার পরও স্থানীয় দালাল সিন্ডিকেট নতুন নতুন কৌশল আবিস্কার করে অপরাধীসহ নানা পেশার মানুষ ভারতে পাচার করে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন – পদ্মা নদীতে অভিযানঃ ইলিশ ফেলে পালালেন বিক্রেতা

ঝিনাইদহের আইনজীবী জাকারিয়া মিলন জানান, বাংলাদেশীরা পাসপোর্টবিহীন কেউ সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে যাওয়ার সময় আটক হলে ১৯৭৩ সালের বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধ্যদেশ আইনে মামলা হয়। আর এই মামলার সাজা ৩ মাস কারাদন্ড অথবা ৫০০ শত টাকা জরিমানা। ফলে আটক আসামীরা সহজেই আদালত থেকে জামিন পেয়ে যায়। আইন ও শাস্তির কঠোরতা না থাকায় অবৈধ পথে ভারতে আসা যাওয়া বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আইনজীবী শেখ আব্দুল্লাহ মিন্টু জানান, ভারত বা অন্য দেশের নাগরিক সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে এসে আটক এক বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা বিধান আছে। তাই এ দুটি মামলাই জামিনযোগ্য। দুই আইনেই অপরাধীর সাজা ও জরিমানা কম এবং জমিনযোগ্য হওয়ায় ধরা পড়লেও আসামি জামিনে বেরিয়ে আসে। অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের ধরতে নিরুৎসাহিত হয়ে থাকেন। তাই আইন সংশোধন করে জরিমানা ও সাজার মেয়াদ বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

মহেশপুর খালিশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) অধিনায়ক লে কর্ণেল শাহ মোঃ আজিজুস শহীদ জানান, সীমান্তে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং নিয়মিত নজরদারী করছে। মহেশপুরের সঙ্গে ভারতের ৭৮ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার ৬৮ কিলোমিটার রয়েছে তারকাটার বেড়া। আর বাকি ১০ কিলোমিটার বাংলাদেশের অংশ পুরোটাই অরক্ষিত।

তিনি জানান, এখন বিজিবি’র নজরদারি পদ্ধতি বদল করা হয়েছে। যার সফলতাও ইতিমধ্যে পেয়েছি। মানব পাচার রোধে আমরাও সক্রিয় রয়েছি।

পদ্মা নদীতে অভিযানঃ ইলিশ ফেলে পালালেন বিক্রেতা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি দেখে ইলিশ ফেলে এক বিক্রেতা পালিয়ে গেলেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রায় ৬ কেজি ইলিশ মাছ, পরিমাপের যন্ত্র, সিলভারের গামলা জব্দ করেছেন।

রবিবার (২০ অক্টোবর) বিকালের দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির প্রবেশপথে এ ঘটনা ঘটে। তবে বিক্রেতার পরিচয় জানা যায়নি।

এছাড়াও বিকাল ৫ টার দিকে পদ্মা নদীর শিলাইদহ ঘাট এলাকায় মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। অভিযানে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় একজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় প্রায় দুই কেজি ইলিশ ও ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় এবং জব্দকৃত মাছ স্থানীয় এতিম খানায় প্রদান করা হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিরুল আরাফাত।

উপজেলার জ্যেষ্ঠা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এসময় ইলিশ ধরা, আরোহন, পরিবহন ও বিক্রয় নিষেধ। আইন অমান্যকারীকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদন্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার বিধান রয়েছে। এছাড়াও উভয় দন্ডও হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কুমারখালী উপজেলায় পদ্মা নদীর প্রায় আট কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মা ইলিশের প্রজনন রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রতিপালনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন তারা।

আরও পড়ুন – খোকসায় কটুক্তিকারী শিক্ষককে গ্রেফতারের দাবিতে সড়ক অবরোধ

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশার (ভূমি) মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, পদ্মা নদীতে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে যাওয়ার পথে রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি প্রবেশ পথ থেকে প্রায় ৬ কেজি ইলিশ, পরিমাপ যন্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। তবে বিক্রেতাকে পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, এদিন বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মী নদীতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে একজনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় আরও প্রায় দুই কেজি ইলিশ ও প্রায় ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে।

জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে এবং মাছ এতিমখানায় প্রদান করা হয়েছে। জনস্বার্থে প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

খোকসায় কটুক্তিকারী শিক্ষককে গ্রেফতারের দাবিতে সড়ক অবরোধ

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে শ্রেণিকক্ষে বক্তব্য দেওয়া শিক্ষক গনেষ দাসকে গ্রেফতারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে।

রবিবার সকালে উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাইকপাড়া-মির্জাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গনেষ দাসের অপসারণ ও গ্রেফতার দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। দুপুর দেড়টার দিকে শিক্ষার্থী কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। ঘন্টা ব্যাপীচলা অবরোধের সময় সড়কে বাস ট্রাকের দীর্ঘ লম্বা লাইন পরে যায়। কয়েকশ যানবাহন আটকে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পরে যাত্রীরা। এ সময় পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত থাকলেও তারা ছিল দর্শকের ভূমিকায়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক ও দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তিÍর প্রতিশ্রুতি দিলে বেলা আড়াইটার পরে শিক্ষার্থীরা সড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এদিন বিকালে জামায়াতে ইসলামী খোকসা উপজেলা শাখার নেতাকর্মীরা অভিযুক্ত শিক্ষকের গ্রেফতার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছে। খোকসা বাস স্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত পথ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, শেখ সাইদুল ইসলাম, সালাউদ্দিন প্রমুখ।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিদ্যালয়টির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী হিমু ও সানি ইসলাম জানান, দূর্গা পূজার ছুটি শুরুর আগের দিন শিক্ষক গনেষ দাস ক্লাসে বক্তব্যের মধ্যে মহানবী ও ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কটুক্তি করেন। এ বিষয়ে তারা প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বিচার না করায় তারা রাস্তায় নেমেছে। তারা ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজাহারুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীদের মুখে শিক্ষক গনেশ দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক নিজেদের মধ্যে আলোচনা ধর্মী অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কথা বলেন। এটা তার স্বভাবে পরিণত হয়েছে।

বিদ্যালরে প্রধান শিক্ষক আরিফুজ্জামান জানান, তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মত শিক্ষক গনেষ দাসের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। এ ছাড়া শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সে সন্তসজনক জবাব না দিতে পারলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোকসা থানার ওসি তদন্ত আব্দুল গফুর জানান, দুপুরেই সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি শান্ত আছে। শিক্ষক গনেষ দাসের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষক গনেষ আত্মগোপনে চলে গেছে। তাকে আটকের পক্রিয়া চলছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুন মাইকে ঘোষনা দেন, ৬ থেকে ১২ ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষকে আটক করা হবে। তবে তার বক্তব্য নেওয়ার জন্য সরকারী মুঠো ফোনে কল করা হয়। তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

আরও পড়ুন – মুন্নাফ আলীর বাঁশের চরাটের হালখাতা

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মামলাও দিয়েছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মুন্নাফ আলীর বাঁশের চরাটের হালখাতা

0

স্টাফ রিপোর্টার

সিরাজপুর হাওড় নদীর উপর বাঁশের চরাট দিয়ে বাংলাট ও মাঝাইল গ্রামের মানুষের যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন মুন্নাফ আলী। সারা বছর নদী পাড়া পারের ভাড়া হিসেবে বছরের একবার হালখাতা করেন। প্রতি পরিবারের পক্ষ থেকে ধান, পাট, পেঁয়াজসহ ফসল অথবা নগদ টাকা দিয়ে খাজনা পরিশোধ করেন কৃষকরা।

গড়াই নদীর অন্যতম প্রধান শাখা সিরাজপুর হাওড়। এক সময়ে খড়ো¯্রােতা নদী ছিল। দুই পারের মানুষের যোগাযোগের জন্য একাধিক খেয়া ঘাট ছিল। খেয়া নৌকা পারাপার হত। রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার বাংলাট ও মাঝাইল গ্রামের মানুষের পাড়াপারে খেয়া ঘাটছিল। কালের বির্বতমানে নদীটি মরা খালে পরিণত হয়েছে। আশে পাশের অনেক জায়গায় ব্রিজ তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাট ও মাঝাইল গ্রামের মাঝে ব্রিজ তৈরী হয়নি। পিছিয়ে পরা এলাকার কয়েক হাজার মানুষের নদী পারের একমাত্র ভরসা মমুন্নাফ আলীর “বাঁশের চরাট”।

প্রতি বছর কার্তিক মাসের প্রথম শুক্র-শনি দুই দিন বাঁশের চরাটে হালখাতার আয়োজন করেন মুন্নাফ আলী। এবছরও চরাটের উপর রঙিন কাপড়ের চাঁদোয়া খাটিয়েছেন। গাছে দুটি মাইক লাগিয়েছেন। মাইকে গান বাজানোর সাথে সাথে লোক ডাকাও হচ্ছে। কৃষকরা হালখাতা করতে আসছেন। ধান, পাট, পেঁয়াজসহ কৃষিপন্য দিয়ে হালখাতা করছেন। অনেকেই নগদ ৩০-৫০ টাকাও দিয়ে যাচ্ছে। হালখাতা করলেই মুন্নাফ আলীর পক্ষ থেকে পান-বিড়ি দিয়ে আপ্যায়ণ করা হচ্ছে।

মুন্নাফ আলী জানান, বাঁশ কিনে নিজে শ্রম দিয়ে চরাট তৈর করে এলাকার কৃষকসহ সাধাারণ মানুষের নদী পারাপারের ব্যবস্থা চালু রেখেছেন। এই দুই গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ বসবাস করেন। অনেক ছেলে মেয়ে স্কুল কলেজে পড়ে। তারাও প্রতিদিন এই বাঁশের চরাট দিয়ে যাতাযাত করে। যাদের বাইসাইকেল বা মোটরসাইকেল আছে তার তিন চার কিলোমিটার ঘুরে যেতে পারে। কিন্তু সাধারন মানুষের নদী পারাপারে একমাত্র ভড়সা এই বাঁশের চরাট।

আরও পড়ুন – ওবায়দুল কাদেরের খোঁজ দিলে ‘পুরস্কার’ দেবেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

তিনি আরও জানান, নদীর দুু’পাশেই পাকা রাস্তা আছে। বাংলাট ও মাঝাইল গ্রামের মধ্যে নদীতে ছোট একটা ব্রিজ তৈরী করা হলে কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি লাঘব হতো।

ওবায়দুল কাদেরের খোঁজ দিলে ‘পুরস্কার’ দেবেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের খোঁজ দিতে পারলে সাংবাদিকদের পুরস্কৃত করার ‘ঘোষণা’ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহীর বিজিবি সদরদফতর পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এ সময় ব্রিফিংকালে এক সাংবাদিক ওবায়দুল কাদের কোথায়- প্রশ্ন করলে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদেরের বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কোনও নিউজ নাই। কিন্তু আপনারাতো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করেন, আমি ভাই আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ করবো- আপনারা যদি আমাকে এরকম একটা খবর (ওবায়দুল কাদের কোথায় আছেন) দিয়ে দিয়ে দিতে পারেন আমি আপনাদের একটা প্রাইজ দিয়ে দেবো। আপনারা আমাদেরকে কিন্তু অনেক সংবাদ দিতে পারেন।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘৫,৬ ও ৭ আগস্ট- এই সময়ে কোনও সরকার ছিল না। এই সময়ে কিন্তু বেশির ভাগ লোক (আওয়ামী লীগের) চলে গেছে।’

আরও পড়ুন – আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধসহ এলডিপির ২৩ দফা প্রস্তাব

আরেক সাংবাদিক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কি না- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই তথ্যের কোনও সত্যতা নাই। যারে ধরা হইছে তারে কিন্তু কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ১৭ অক্টোবর শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই আদেশের পরই ওবায়দুল কাদেরের অবস্থানের বিষয়ে তথ্য চাইলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...