শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 24

বীজতলায় পচন রোধে

0

শৈত প্রবাহ আর ঘনো কুয়াশায় বোরো ধানের বীজতলায় পচন রোগ দেখা দিয়েছে। ছত্রাক নাশক ও বলাই নাশক দিয়ে চারার পচ রোধ করাতে পারছেনা কৃষক। তাই বিকাল হলেই পলিথিং দিয়ে বীজতলা ঢেকে দিচ্ছে। মঙ্গলবার বিকালে কুষ্টিয়ার খোকসার কাদিরপুর থেকে ছবিটি তোলা।

বন্ধ হলো ৮৮ লাখের বেশি সিম

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গ্রাহকপ্রতি ১০টির বেশি সিমকার্ড বাতিল করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এতে দেশে ৮৮ লাখেরও বেশি সিমকার্ড বন্ধ হয়েছে। এছাড়া এক লাখ সিম মামলাসংক্রান্ত কারণে স্থগিত রয়েছে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে গ্রাহকপ্রতি থাকা সিমের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নভেম্বর থেকে গ্রাহকের বিপরীতে ১০টির বেশি সিম বন্ধ করা হয়েছে।

বর্তমানে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা এসেছে, প্রতিটি গ্রাহকের সিম সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনা হবে। তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গ্রাহকদের অসন্তোষ ও আন্দোলনের কারণে এটি এখনই কার্যকর করা হয়নি। নির্বাচন শেষ হলে এটি বাস্তবায়িত হবে।

বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, “প্রায় ৮৯ লাখ অতিরিক্ত সিম পাওয়া গিয়েছিল, যার মধ্যে ৮৮ লাখের বেশি বন্ধ করা হয়েছে। বাকি এক লাখ সিম মামলার কারণে স্থগিত আছে, তবে দ্রæত তা বন্ধ হবে।”

সিমের সংখ্যা কমানোর প্রভাব পড়েছে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারে। ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু ও অতিরিক্ত সিম বন্ধের কারণে গত ছয় মাসে প্রায় ১৮ লাখ মোবাইল গ্রাহক এবং ৬২.৬ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক কমেছে।

বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, জুলাই ২০২৫-এ দেশে চারটি সিম অপারেটরের বিপরীতে মোবাইল ব্যবহারকারী ছিলেন ১৯ কোটি ৪২ লাখ। এক বছর পরে জুলাইয়ে সংখ্যা দাঁড়ায় ১৮ কোটি ৮৭ লাখ এবং বর্তমানে (নভেম্বর ২০২৫) দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৭০ লাখে। মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমলেও ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১ কোটি ৪৬ লাখ।

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১০০৮ শিশু নিহত

0

দ্রোহ অনরাইন ডেস্ক

দেশে গত ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১ হাজার ৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন খাতে অব্যবস্থাপনা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে অসচেতনতার কারণেই শিশুরা উদ্বেগজনক হারে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান এ তথ্য জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী, চালক বা হেলপার হিসেবে নিহত হয়েছে ৫৩৭ শিশু। আর পথচারী হিসেবে বিভিন্ন যানবাহনের চাপা বা ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৪৭১ শিশু।

সড়কের ধরন অনুযায়ী বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহাসড়কে ২৮১ শিশু, আঞ্চলিক সড়কে ৩৬৪ শিশু, গ্রামীণ সড়কে ২৯১ শিশু এবং শহরের সড়কে ৭২ শিশু নিহত হয়েছে।

বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী নিহত শিশুর সংখ্যা ১৭৯ জন, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ৩৮২ জন এবং ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৪৪৭ জন।

শিশু মৃত্যুর হার বৃদ্ধির কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে— দেশের সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা শিশুদের জন্য নিরাপদ না হওয়া, সড়ক ব্যবহারে শিশুদের সচেতনতার অভাব, পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক ব্যবহার বিষয়ে পর্যাপ্ত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ না থাকা, অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের দ্বারা যানবাহন চালানো, দুর্ঘটনায় আহত শিশুদের উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার সংকট এবং চিকিৎসা ব্যয়ে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা।

সুপারিশে বলা হয়েছে, সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা শিশুদের জন্য নিরাপদ করতে হবে। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ সড়ক ব্যবহারে শিশুদের সচেতন করতে হবে। অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার সুযোগ ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে আহতদের চিকিৎসায় বিশেষ সরকারি তহবিল গঠন এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহŸান জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার সময় এবং বসতবাড়ির আশপাশের সড়কে খেলাধুলার সময় শিশু নিহতের ঘটনা বেশি ঘটছে। পথচারী হিসেবে শিশুরা গ্রামীণ সড়কে সবচেয়ে বেশি হতাহত হচ্ছে। কারণ গ্রামীণ সড়কগুলো বসতবাড়ি ঘেঁষা। অনেক ক্ষেত্রে ঘরের দরজা খুললেই সড়ক– এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এসব সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি থাকে না। ফলে যানবাহন বেপরোয়াভাবে চলাচল করে। অন্যদিকে শিশুরাও সড়ক ব্যবহারের নিয়মকানুন সম্পর্কে অবগত নয়। এ অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়েই শিশুরা নিহত ও পঙ্গু হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। কারণ প্রতিটি শিশুই অমিত সম্ভাবনাময় এবং আজকের শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ।

সরকারি চাকরিজীবীরা মহার্ঘ ভাতা পাবেন

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও সরকারি চাকরিজীবীরা চলমান বিধি অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা পেয়ে যাচ্ছেন। অন্তর্বর্তী সরকার স্পষ্ট করেছে, নতুন পে স্কেল কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান নিয়ম বহাল থাকবে। এই ভাতা বর্তমানে মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ভরসার মতো কাজ করছে।

আর্থিক সংকট ও ফেব্রæয়ারিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার পরিকল্পনা স্থগিত হয়েছে। তবে পে কমিশনের কাজ বন্ধ করা হয়নি, বরং তাদের সম্পূর্ণ প্রতিবেদন তৈরি করে তা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিবেদন পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের হাতে তুলে দেয়া হবে, যা ভবিষ্যতে বেতন কাঠামো নির্ধারণে প্রধান ভিত্তি হবে।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন-পূর্ব কোনো নতুন পে স্কেল ঘোষণার সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরও বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে নতুন পে স্কেল ঘোষণা করা সম্ভব নয় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পে কমিশনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও মূল্যস্ফীতি গুরুত্বসহকারে বিবেচিত হয়। তিনি জানান, সময় পাওয়া গেলে নির্বাচন পরবর্তী সরকারের জন্য একটি সময়োপযোগী বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা হবে।

পে কমিশনের প্রতিবেদনে বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, পরিবারে সদস্য সংখ্যা, আবাসন ও শিক্ষার খরচকে গুরুত্ব দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বেতন কাঠামো প্রস্তাব করা হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রæত এই সুপারিশের ভিত্তিতে নবম পে স্কেল কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।

জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই গঠিত হয়েছিল এবং চলতি বছরের ফেব্রæয়ারির মধ্যে এর মেয়াদ শেষ হবে, যা জাতীয় নির্বাচনের আগে।

কুমারখালীতে কর্মকর্তাদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে মতবিনিময়ের আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দীন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোছা. শামীমা আক্তার, উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল প্রমুখ।

সভায় জেলা প্রশাসক মো.ইকবাল হোসেন বলেছেন, সকলেই মানবিক হবেন। ব্যবহারে মানুষের সাথে অত্যন্ত বিনয়ী হতে হবে। ন¤্র হতে হবে। মানুষ এসে আমাকে দশ কথা বলবে, কারণ সংবিধানের ২১ এর ২ অনুচ্ছেদে আমাকে বলেছে আমরা সচেষ্ঠ থাকব। কিন্তু ঠকে গেলে মানুষের দুই কথা শুনলে আপনাদের জাত যাবে না। দেখুন আপনার কাজ তো মানুষের জন্যই। আপনারা মানুষের জন্য কাজ করেন। দেখুন আমাদের বেতন তো মানুষের ট্যাক্সের টাকায়। যদি মানুষ এ কথা বলেনা আমাদের। সুতরাং আমাদের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।

তিনি বলেছেন, পৃথিবীর এখনও সর্বশ্রেষ্ঠ সোস্যাল মিডিয়া হলো মসজিদ। কারণ বিদ্যুতের অভাবে ফেসবুক বন্ধ হয়ে যায়, টাকা না দিলে মাইকিং হয় না। কিন্তু মসজিদে শুক্রবার অন্তত সবাই আসে, সেজন্য মসজিদে ইমামদের বলা হয়েছিল গণভোটের প্রচার করতে। তারা সেটা করেছে। আপনি কি চান আপনার সন্তান একটা সঠিক কাজ করতে গিয়ে গুন্ডার হাতে পড়ুক? আমার বিশ্বাস তত্ত¡াবধায়ক সরকার আমরা সকলেই চাই। তাহলে গণভোটে আমরা সবাই হ্যাঁ বলি।

তিনি আরও বলেছেন, আগামী নির্বাচনের আগেই ওসি সাহেবকে অস্ত্র উদ্ধারে তৎপর হতে বলেছি। আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রশাসন কাজ করছে। কয়েক জায়গাতে জরিমানাও করা হয়েছে। আপনরা বুঝতেই পারছেন ধীরেধীরে আইনশৃঙ্খলায় আমরা কঠোর হতে যাচ্ছি।

কাকতাড়ুয়া 

0

পশু পাখির অত্যাচার থেকে জমির ফসল রক্ষায় সনাতনি পদ্ধতির এই কাকতাড়ুয়ার ব্যবহার অনাদি কাল থেকে করছেন কৃষকরা। এক সময় কূ-নজর থেকে ফুল ফসল রক্ষায় পরিত্যক্ত মাটির হাড়ির পেছনে মানুষের কাল্পনিক মুখ আঁকাহতো। তার গলায় পরিয়ে দেওয়া পুরাতন স্যান্ডেলের মালা। মৃত পশুর মাথার কঙ্কাল ঝুলিয়ে রাখা হতো। এসবের ব্যবহার কমলেও কাকতাড়–য়ার ব্যবহার আছে। কুষ্টিয়ার খোকসার নিশ্চিন্তবাড়ি বিল থেকে মঙ্গলবার ছবিটি তোলা।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ : প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মেলেনি, ফল প্রকাশ শিগগির

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁসের যে অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীরা তুলেছেন, তার কোনো ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ পায়নি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ফলে এ পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে না। শিগগির ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান ও পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসানের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলা বাদে) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন প্রায় পৌনে ১১ লাখ চাকরিপ্রার্থী। এ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির ঘটনায় ২০৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে এ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন একদল চাকরিপ্রত্যাশী। রবিবার (১১ জানুয়ারি) তারা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগ তদন্ত করার আশ্বাস দেন অধিদপ্তরের ডিজি।

তদন্তের ঘোষণা দেওয়ার পরদিনই প্রশ্নফাঁসের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছেন ডিজি আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার পর থেকে আমরা প্রশ্নফাঁসের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু যেসব অভিযোগ বা ঘটনা সামনে এসেছে; আমরা পেয়েছি, সেগুলোর সঙ্গে মূল প্রশ্নের কোনো মিল নেই। প্রশ্নফাঁসের বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ আমরা পাইনি। এ কারণে পরীক্ষা বাতিলের প্রশ্ন আর আসছে না। এখন ফল প্রকাশের কাজ চলছে।’

একই কথা জানিয়েছেন নিয়োগ প্রক্রিয়া দেখভালের দায়িত্বে থাকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক এ কে মোহাম্মদ সামসুল অহসান। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় মূলত গুজব ছড়িয়েছে। আর যারা ডিভাইস ব্যবহারের চেষ্টা করেছে, তারা গ্রেফতার হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।’

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। তবে সংশ্লিষ্টরা ১৮ জানুয়ারিকে সামনে রেখে ফল প্রস্তুতের কাজ করছেন। সেদিনই ফলাফল প্রকাশের সম্ভাবনা বেশি।

অধিদপ্তরের ডিজি আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেন, ‘টেকনিক্যাল টিম কাজ করছে। খুব শিগগির ফল প্রকাশ করা হবে। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে আমরা ফল প্রকাশের চেষ্টা করছি। আশা করি এ সপ্তাহে কাজ শেষ করে আগামী সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

লিখিত পরীক্ষার পর থেকে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ কতজনকে মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) ডাকা হবে, তা নিয়ে। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত হলো জেলাভিত্তিক যেখানে যত শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে, তার তিনগুণ প্রার্থীকে ভাইভায় ডাকা হবে।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, যদি কোনো জেলায় ৬০টি শিক্ষক পদ শূন্য থাকে, তাহলে সেখানে ১৮০ জন প্রার্থীকে ডাকা হবে। ওই জেলার প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তালিকায় প্রথম দিকে থাকা ১৮০ জনকে ভাইভার সুযোগ দেওয়া হবে। কোটার প্রার্থীর ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।

অধিদপ্তরের সূত্রমতে, লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭ থেকে ১০ কর্মদিবস পর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু হতে পারে। স্ব স্ব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ভাইভা হওয়ায় এক থেকে তিন কর্মদিবসে ভাইভা শেষ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে ফেব্রæয়ারির প্রথম সপ্তাহে (সম্ভাব্য ৭ ফেব্রæয়ারি) অর্থাৎ, নির্বাচনের আগেই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

সাধের গাড়ি

0

যান্ত্রিকতার যুগেও পরিত্যক্ত যন্ত্রের বিয়ারিং আর অকেজো কাঠ দিয়ে হাতে তৈরী গাড়িতে চরে সাধ মেটাচ্ছে শিশুরা। সামর্থের অভাব আছে, তাই বলে সাধের কমতি নেই। এই গাড়িই ওদের মুখে তৃপ্তির উজ্জলতা ফুটে উঠেছে। সোমবার বিকালে কুষ্টিয়ার খোকসার পৌর এলাকার কাদিরপুর থেকে শিশুদের ছবিটি তোলা হয়েছে।

ঝিনাইদহে কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে তিনদিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ। মেলায় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষি উদ্যোক্তা ও তরুণীরা ১৮ প্রদর্শন স্টল করছেন। মেলা উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়।

মেলার উদ্বোধনী সভা সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর এ নবী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজাল, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. কামরুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরা, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এমএ কবির, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা জুনায়েদ হাবিব, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন সহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সদর উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু হয়েছে।

বিষ খাচ্ছি ?

0

দোকানে দোকানে খোলা ভ্যানে এভাবেই খাদ্য সামগ্রী পৌচ্ছে দেয়া হয়। এসব খাবার অনেক সময় রাস্তায় পরে ধুলা-বালি, জল কাদায় একাকার হয়ে যায়। সে গুলো আবার তুলে নিয়ে গিয়ে দোকানে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু কখনো ভাবা হয় না এই খাবার কতটা নিরাপদ। কুষ্টিয়ার খোকসা জানিপুর বাজারের প্রধান সরক থেকে ছবিটি তোলা।

সর্বশেষ সংবাদ

আজ রাতেই ইরানে সর্বোচ্চ হামলা হবে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতেই ইরানে সর্বোচ্চ হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুমকি দেন...

ভিজিএফের কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ‎ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ভিজিএফের কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন গুরুতর আহত হন। বৃহস্পতিবার দিনগত...

দুই দফা সোনার দাম কমল

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক টানা দুই দিন সোনার দাম কমল। তবে রুপার দামে প্রভাব পরেনি। শুক্রবার সকালে কমেছে ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা। গত বৃহস্পতিবার...

সরিষার বাম্পার ফলন

তেল জাতীয় ফসল সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলের ভেতরে প্রতিটি দানা সমান। প্রতিকেজি সরিষায় সাড়ে ৪শ গ্রাম তেল হয়। ১০ শতক জমিতে সরিষা আবাদ...

ছাত্রদলে নেতাকর্মীদেরকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ, গুলিবিদ্ধ ৩

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ভেড়ামারা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য চঞ্চলসহ (২৯) তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় ভেড়ামারা...