মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 204

মব জাস্টিস গ্রহণ করা হবে না – আসিফ নজরুল

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

মব জাস্টিস, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, গণপিটুনি দেওয়ার মতো ঘটনা কোনোভাবে গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জন নিহতের ঘটনায় খুবই মর্মাহত জানিয়ে তিনি বলেন, এটা আমাদের মর্মাহত করেছে, এটা আমাদের খুবই কষ্ট দিয়েছে। ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি। কয়েক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা এড়ানোর জন্য আমরা যত রকমের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন, তত রকম পদক্ষেপ নেব।

আরও পড়ুন – জাহাঙ্গীরনগরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু ঘিরে রহস্য

আইন উপদেষ্টা বলেন, এখানে কোনোরকম মব জাস্টিস, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, গণপিটুনি দেওয়া, এগুলো কোনোভাবে গ্রহণ করা হবে না। বিচারবহির্ভূত কোনো হত্যাকান্ড একসেপ্ট করা হবে না। আমরা একটা জিনিস নিশ্চিত করছি, আমাদের সরকার আইনিভাবে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেবে। তদন্ত ও বিচার সাপেক্ষে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

জাহাঙ্গীরনগরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু ঘিরে রহস্য

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মারধরের শিকার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম আহমেদ ওরফে শামীম মোল্লা মারা গেছেন।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সাভারের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে তিনি মারা যান।

গত ১৫ জুলাই রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ক্যাম্পাস শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ ওরফে শামীম মোল্লাকে মারধর করা হয়। বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয় বাংলা ফটক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের পর শামীমকে রাত সাড়ে আটটার দিকে আশুলিয়া থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। চিকিৎসার জন্য পুলিশ তাকে সাভারের গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সেলিমুজ্জামান সুজন বলেন, ‘তাকে রাত সোয়া নয়টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা পরীক্ষা করে জানতে পারি উনি মারা গেছেন। মূলত উনি আগেই মারা গিয়েছিলেন। কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্ত করে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মারধরের পর শামীমকে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে পুলিশের গাড়িতে নেওয়ার সময় তিনি স্বাভাবিকভাবে হেঁটে গাড়িতে ওঠেন। সেই সময় তাকে দেখে গুরুতর আহত মনে হয়নি।

গণপিটুনিতে মৃত্যুর বিষয়টিকে ‘অস্বাভাবিক’ উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, ‘১৫ জুলাই উপাচার্যের বাসভবনে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগে সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতাকে শিক্ষার্থীরা আটকের পর মারধর করে প্রক্টরিয়াল বডির হাতে তুলে দেয়। আমরা আশুলিয়া থানায় অবহিত করলে পুলিশের একটি টিম আসে।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় পৌরসভার তিন কাউন্সিলরকে আটক করেছে র‌্যাব

এ ঘটনাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড দাবি করে প্রতিবাদ ও জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আরিফ সোহেল বলেন, শামীম মোল্লাকে মারধর করে পুলিশে দেওয়া হলে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। মারধরের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় শামীম মোল্লা কিছু মানুষের নাম বলেছেন। সেই নামগুলো কাদের ছিল; আরও কার কার নাম বলতে পারতো; কার কার নাম বলতে পারে নাই?

আরিফ সোহেল আরও বলেন, নিহত শামীম মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। তার সাথে জড়িত ক্যাম্পাসের কিছু নাম তিনি বলেছেন। তাকে মারলে কার লাভ হতো, কার ক্ষতি হতো; এই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার অবকাশ আছে।

কুষ্টিয়ায় পৌরসভার তিন কাউন্সিলরকে আটক করেছে র‌্যাব

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া পৌরসভার তিনজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে হত্যা চেষ্টা মামলায় আটক করেছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের আটক করে র‌্যাব কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

আটক তিন কাউন্সিলর হলেন- কুষ্টিয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল হক মুরাদ, ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম নজু ও ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিছ কোরাইশী।

র‌্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার ইলিয়াস খান নাগরিক তিন কাউন্সিলরকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা প্রত্যক্ষদর্শী পৌর ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাবাউদ্দিন সওদাগর বলেন, পৌরসভায় মাসিক মিটিং ছিল। মিটিং এ সকল কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে কয়েকজন কাউন্সিলর হাজিরাতে স্বাক্ষর করে চলে যায়। বেলা ৩টার দিকে মিটিং শেষ করে কাউন্সিলররা বের হলে র‌্যাব তিনজনকে আটক করে নিয়ে যায়। তবে কি কারণে নিয়ে গেছে তা তিনি জানেননা বলে জানান।

আরও পড়ুন – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুবক হত্যার ঘটনায় ৪ শিক্ষার্থী আটক

অপর এক কাউন্সিলর বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কয়েকজন কাউন্সিলর আসামী হয়েছে। তারা আজকের মাসিক সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চলে যান।

র‌্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার ইলিয়াস খান জানান, কুষ্টিয়া মডেল থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা চেষ্টা মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুবক হত্যার ঘটনায় ৪ শিক্ষার্থী আটক

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে চার শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

তারা হলেন,- ছাত্রলীগের সদ্য পদত্যাগ করা উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জালাল মিয়া, মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সুমন, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মোত্তাকিন সাকিন এবং সাজ্জাদ।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছ ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, প্রক্টরিয়াল টিম চারজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছে। আটক ৪ শিক্ষার্থী ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ইতোমধ্যে হল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আগামীকাল সকালে কমিটি চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দেবে।

আরও পড়ুন – বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখলের অভিযোগ

বুধবার দিনগত রাতে ফজলুল হক মুসলিম হলে গণপিটুনিতে তোফাজ্জল হোসেনের (৩০) মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করেছে ঢাবি প্রশাসন। শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়েছে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাবুদ্দিন শাহীন মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান হলের শিক্ষার্থীরা তোফাজ্জলকে ছাত্রাবাস থেকে মোবাইল ফোন চুরি করেছে বলে সন্দেহ করার পর এই ঘটনা ঘটে।

হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শাহ মোহাম্মদ মাসুম গণমাধ্যমকে বলেন, তোফাজ্জলকে হলের ভেতরে আটকে রেখে মারধর করেন শিক্ষার্থীরা। মব (জনতার আক্রশ) হামলার পর হল কর্তৃপক্ষ তোফাজ্জলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে হস্তান্তর করে। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার পরিবর্তে প্রক্টরিয়াল টিম তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়। পরে পুলিশের পরামর্শে তোফাজ্জলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত পৌনে ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে।

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখলের অভিযোগ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর তারাপুর বাজারের আওয়ামী লীগ কর্মীদের ৪ টি দোকান তালা লাগিয়ে দখল করার অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রায় ৪০ দিন পর বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযুক্ত ওই নেতার নাম হাজী আব্দুল করিম। তিনি উপজেলা য্দুলের সাবেক জ্যেষ্ঠ সিনিয়র সহ – সভাপতি ও জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য।

সরেজমিন তারাপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, তারাপুর – গোপকগ্রাম সড়কের দক্ষিণপাশে বেশকিছু দোকান ঘর রয়েছে। তার মধ্যে নীল রঙ করা চারটি টিনসেডে আধাপাকা দোকান বন্ধ রয়েছে। সাটারে ঝুলছে তালা।

সাংবাদিকরা ঘটনা স্থলে গেলে ছুটে আসেন ভুক্তভোগী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের তারাপুর গ্রামের মৃত সদর উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সাত্তার ও মো. গাফফার এবং মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মোক্তার প্রামাণিক ও আতর আলী। তারা আওয়ামী লীগের কর্মী – সমর্থক।

তারা অভিযোগ করে বলেন, সড়কের গা ঘেঁষে জেলা পরিষদের অল্পখানি জমি আছে। সেই জমি সঙ্গে তাদের বাপ – দাদার প্রায় আট বিঘা পৈত্রিক সম্পত্তি রয়েছে। জেলা পরিষদের জমি ঘেঁষে অনেক আগে করা তাদের ১৬ টি দোকান ঘর ভাড়া দেওয়া রয়েছে। তবে ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে বিকালে বিএনপি নেতা লোকজন নিয়ে এসে দোকানে তালা লাগিয়ে দখল করে নিয়েছেন। হামলা ও মামলার ভয়ে এতোদিন তারা মুখ খুলতে পারেন নি।

তারা আরও বলেন, প্রভাব খাঁটিয়ে বিএনপি নেতা জবর দখল করেছে। সুষ্ঠু বিচারের আশায় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তারা।

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা হাজী আব্দুল করিম। তিনি বলেন, ২০০৭ সালে জেলা পরিষদ থেকে ৪০ ফিট দ্যৈর্ঘ ও ১০ ফিট প্রস্থের জায়গা ইজারা নিয়ে দোকান করেছিলেন। কিন্তু ওরা (অভিযোগকারীরা) ২০১৬ সালে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ খানের সহযোগীতায় আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে তার দোকান ভেঙে দিয়ে ২০১৭ সালে আদালতে মামলা করেন। মামলায় আদালত তার পক্ষে রায় দিয়েছেন। আর সরকার পতনের পর ৫ আগষ্ট তিনি দোকান গুলো দখলে নেন।

তার ভাষ্য, আদালত চলতি বছরের ১৮ আগষ্ট তার পক্ষে রায় দিয়েছেন। তিনি কারো দোকান দখল করেননি। তবে তিনি আদালতের রায়ের একটি কপি দেখালেও ইজারা নেওয়ার কাগজপত্রাদি দেখাতে পারেন নি।

আরও পড়ুন – পদ্মায় বিলীন জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের টাওয়ার

ভুক্তভোগী আব্দুস সাত্তার বলেন, তার বাবা সদর উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেছিলেন। চলতি বছরের ৭ মে মামলার শুনানীর দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তার আগেই বাবা মৃত্যুবরণ করেন। সেজন্য তারা শুনানীর দিন তারিখ জানতেন না।

জানতে চাইলে জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ খান বলেন, জেলা পরিষদ থেকে উভয়পক্ষেরই ইজারা নেওয়া আছে। তবে মোক্তাররা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে দোকান করেছে। আর আব্দুল করিম অবৈধভাবে দখল করেছে। এনিয়ে অতীতে অনেক সালিস – বৈঠক করেছেন তিনি।

জেলা পরিষদের প্রধান প্রকৌশলী মো. জয়নাল আবেদীনের ফোন নাম্বার বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, তদন্ত সাপক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পদ্মায় বিলীন জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের টাওয়ার

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় পদ্মার তীদ্র ভাঙ্গনে জাতীয় গ্রিডের ৩২ নম্বর টাওয়ারটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার সময় কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাহেবনগর এলাকায় পদ্মায় বিলীন হয়ে যায় জাতী গ্রিডের বিদ্যুতের টাওয়ারটি। এছাড়াও পদ্মার ভাঙ্গনে আরো চারটি টাওয়ারসহ হাজারো বসতবাড়ি ঝুঁকিতে রয়েছে। এ অবস্থায় দ্রæত নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার কুষ্টিয়ার-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। সকাল ১১ টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন এরাকাবাসীরা।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ও মিরপুর উপজেলার বহলবাড়িয়া, বারুইপাড়া ও তালবাড়িয়া ইউনিয়ন পদ্মার তীব্র ভাঙ্গনের মুখে পড়ে। যার ফলে তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছে ইউনিয়নগুলোর টিকটিকি পাড়া, সাহেবনগর, মির্জানগর ও তালবাড়িয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। ইতোমধ্যেই পদ্মার তীব্র ভাঙ্গনে কয়েক কিলোমিটার ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। সর্বশেষ ভাঙ্গনে পদ্মা নদীর গতিপথ লোকালয়ে এসে ঠেঁকেছে। পদ্মা নদীর গতিপথ থেকে রাজশাহী- কুষ্টিয়া মহাসড়ক প্রায় ৫০ মিটার দূরে রয়েছে। এলাকাবাসী মনে করছে এভাবে ভাঙ্গন চলতে থাকলে উপজেলার চারটি গ্রামসহ জাতীয় মহাসড়ক নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন – পলিথিন ব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযান ১ নভেম্বর থেকে: পরিবেশ উপদেষ্টা

কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিরপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম আনন্দ কুমার বলেন, জাতীয় গ্রিডের টাওয়ারটি ভেঙে যাওয়াতে মিরপুর তথা অত্র এলাকায় কোন সমস্যা হবে না।

ভেড়ামারা জাতীয় গ্রিডের ইনচার্জ নুরজামান বলেন, লাইনটি ভেড়ামারা থেকে রাজবাড়ী গিয়েছিল। নদী ভাঙ্গনের কারণে আগে থেকেই লাইনটি বন্ধ করা ছিল। টাওয়ার ভেঙে যাওয়ার ফলে জাতীয় গ্রিডে তেমন প্রভাব পড়বে না। রাজবাড়ী অঞ্চলে ফরিদপুর অঞ্চল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে বলে জানা গেছে।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান বলেন, প্রতিদিন পদ্মায় জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে নদী ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা চলছে। তবে স্থায়ী বাধ নির্মাণের জন্য সরকারের ১৪৭২ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে ঠিকাদারদের সঙ্গে বসে দ্রæত কাজ শুরু করা হবে।

পলিথিন ব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযান ১ নভেম্বর থেকে: পরিবেশ উপদেষ্টা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

নিষিদ্ধ পলিথিন ও পলিপ্রপাইলিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন, মজুদ, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধের কার্যক্রম কঠোরভাবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে সারা দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পরিবেশের ওপর প্লাস্টিকের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণকল্পে দোকান মালিক সমিতি এবং প্লাস্টিক পণ্য ব্যবসায়ীদের সাথে আয়োজিত পরামর্শক সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন তিনি।

পরিবেশের ওপর প্লাস্টিকের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণকল্পে দোকান মালিক সমিতি এবং প্লাস্টিক পণ্য ব্যবসায়ীদের সাথে আয়োজিত পরামর্শক সভাপরিবেশের ওপর প্লাস্টিকের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণকল্পে দোকান মালিক সমিতি এবং প্লাস্টিক পণ্য ব্যবসায়ীদের সাথে আয়োজিত পরামর্শক সভা।

আরও পড়ুন – খোকসার কর্মকর্তাদের কাছে সমস্যা নিয়ে গেলেন এক সমন্বয়ক

উপদেষ্টা বলেন, এর পূর্বে ১ অক্টোবর হতে শুধু সুপারশপে অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত ছিল, যা যথানিয়মে বাস্তবায়ন করা হবে। কাঁচাবাজারসহ দেশের সকল প্রকার বাজার কর্তৃপক্ষ ১ অক্টোবর হতে নিজ উদ্যোগে অবৈধ পলিথিন শপিং ব্যাগ বর্জন করবে এবং পরিবেশ অধিদফতর সচেতনতা মূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। ১ নভেম্বর হতে দেশব্যাপী আইন প্রয়োগ শুরু করা হবে।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পরিবেশের সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য প্লাস্টিক ব্যবহারের বিকল্প খুঁজে বের করার ওপর জোর দেন। তিনি জানান, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর পরিবেশ অধিদফতরে প্লাস্টিকের বিকল্প মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

পরিবেশ উপদেষ্টা আরও বলেন, প্লাস্টিক দূষণ কেবল পরিবেশের জন্য নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি। তাই সরকারের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিববৃন্দ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ প্লাস্টিক প্যাকেজিং রোল ম্যানুফ্যাকচারার্স ওনার্স এন্ড ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু মোতালেব, বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামীম আহমেদ, প্লাস্টিক এন্ড রাবার সু মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হাজী মো. কামরুল হাসান, বাংলাদেশ ব্রেড এন্ড কনফেকশনারি প্রস্তুুতকারক সমিতির সভাপতি মো. জালাল উদ্দীন-সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি একমত পোষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।

খোকসার কর্মকর্তাদের কাছে সমস্যা নিয়ে গেলেন এক সমন্বয়ক

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসার বিভিন্ন সমস্যা দূরীকরণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সাথে সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় (এআইইউবি) এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হৃদয় স্বজন দেখা করেন। এ সময় স্থানীয় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আননুর যায়েদের সাথে দেখা করেন এই সমন্বয়ক। আন্দোলনকারীরা দলিল লেখক সমিতির অতিরিক্ত ফি আদায়সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সিন্ডিকেট এর বিষয়ে তুলে ধরেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা প্রশাসনের বিশৃঙ্খলা রোধের দাবি ও করেন।

এই সমন্বয়ক আনুষ্ঠানিক ভাবে জানান, এখন পর্যন্ত কোনো উপজেলা কমিটি না থাকায় বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। তবে অচিরেই আন্দোলনকারীদের মূল্যায়ণ করে কমিটি দেয়া হবে।

থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও জানানো হয়, আন্দোলনকারী ছাত্রদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে খোকসায় এখনও বিভিন্ন গোপন মিটিং এবং ফেসবুকে উস্কানিমূলক লেখালেখি করা হচ্ছে। শান্তি রক্ষার্থে পুলিশকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করেন।

পরে সমন্বয়কসহ স্থানীয় ছাত্র প্রতিনিধিদের দলটি ঢাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ মারুফের থানা পাড়ার বাড়ি ও শহীদ মাহিমের বামনপাড়ার বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে দুই শিবির কর্মী হত্যা ঘটনায় মামলা

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হৃদয় স্বজন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় (এআইইউবি) এর কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি খোকসার শোমসপুরে।

ঝিনাইদহে দুই শিবির কর্মী হত্যা ঘটনায় মামলা

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে শিবির নেতা আবুজর গিফারী ও শামীম হোসেনকে বিচার বর্হিভুত হত্যার দায়ে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে কালীগঞ্জ আমলী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবুজার গিফারীর পিতা নুর ইসলাম ১১ জনকে আসামী করে ও শামীম হোসেনের পিতা রুহুল আমিন বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দুইটি করেন। মামলা দুইটি আমলে নিয়ে কালীগঞ্জ আমলী আদালতের বিচারক রোমানা আফরোজ সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে এজাহারভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

পৃথক দুই মামলার আসামী করা হয়েছে, ঝিনাইদহের সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন, কালীগঞ্জ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা আনোয়ার হোসেন, সাবেক এসআই নিরব হোসেন, সাবেক এসআই আশরাফুল আলম, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ, সাবেক এসআই নাসির হোসেন, সাবেক এসআই আব্দুল গাফ্ফার, সাবেক এসআই ইমরান হোসেন, পৌরসভার সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বিজু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী, সাবেক এমপি আনারের একান্ত সচিব আব্দুর রউফ, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, আলী হোসেন অপু, মহিদুল ইসলাম মন্টু ও চাপালী গ্রামের রাব্বি।

আরও পড়ুন – ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি ছেড়ে মাদক ব্যবসা। অতঃপর গ্রেফতার

মামলা সুত্রে জানা গেছে, শিবির কর্মী আবুজার গিফারীকে ২০১৬ সালের ১৮ মার্চ জুম্মার নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে চাপালী লস্কারপাড়া থেকে সাদা পোশাকধারীরা জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। একই বছরের ১৩ এপ্রিল অপহরণের ২৫ দিন পর যশোর সদরের লাউখালি গ্রামের একটি শ্মশানঘাট এলাকা থেকে গিফারীর গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়।

শামীম হত্যা মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালের ২৪ মার্চ বিকাল ৫ টার দিকে শহরের মাহতাব উদ্দিন কলেজ এলাকা থেকে পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী চার ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে যায়। এরপর অপহরণের ১৮ দিন পর ১৩ এপ্রিল যশোর সদরের লাউখালি গ্রামে শ্মশানঘাট এলাকা থেকে তার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়।

দুই মামলার বাদী নুর ইসলাম ও আব্দুর রশিদ বিশ^াস বলেন, তাদের সন্তান হত্যার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলার আবেদন করা হলে আদালত মামলা দুইটি আমলে নিয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে লিপিবদ্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি ছেড়ে মাদক ব্যবসা। অতঃপর গ্রেফতার

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মো. কামরুজ্জামান কাজল (২৭) বেসরকারি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চাকুরি করে পরিবার পরিজন নিয়ে চলছিলও বেশ। তবে চাকুরি থেকে মাদক ব্যবসা লাভজনক মনে করে প্রায় তিন মাস আগে চাকুরি ছেড়ে শুরু করেন মাদক ব্যবসা। অত:পর ৬৮ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার হলেন এবার।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে সকাল ৯ টা পর্যন্ত উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বাটিকামারা এলাকায় তার পাকা বাড়িতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অন্তত ৩৪ জন সদস্যের একটি দল। অভিযানে ৬৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মাদক ব্যবসায়ী কাজল উপজেলার সদকী ইউনিয়নের মো. হাসান আলীর ছেলে। পরে তার বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬ (১) ধারার একটি মামলা করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন – ডিআইজিসহ পুলিশের ১৮৭ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত

দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. বেলাল হোসেন। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত মো.কামরুজ্জামান কাজল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকুরি করতেন। তবে লোভে পড়ে প্রায় তিন মাস আগে চাকুরি ছেড়ে তিনি মাদক ব্যবসা শুরু করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে তার বাড়িতে যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৬৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে কুমারখালী থানায় একটি মামলা করা হয়।

তাঁর ভাষ্য, ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের ৩৪ জন কর্মকর্তা ও সদস্যের একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। চাকুরি ছেড়ে মাদক ব্যবসায়ীয় আসার বিষয়টি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কাজল নিজেই স্বীকার করেছেন।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আকিবুল ইসলাম বলেন, দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় কামরুজ্জামান কাজলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...