মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 205

ডিআইজিসহ পুলিশের ১৮৭ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ছাত্র জনতার গন আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এখন পর্যন্ত ১৮৭ জন পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর।

পুলিশ সদরদপ্তর জানায়, গত ৫ আগস্ট থেকে মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের ১৮৭ জন সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ডিআইজি একজন, অতিরিক্ত ডিআইজি ৭ জন, পুলিশ সুপার দুই জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একজন, সহকারী পুলিশ সুপার ৫ জন, পুলিশ পরিদর্শক ৫ জন, এসআই ও সার্জেন্ট ১৪ জন, এএসআই ৯ জন, নায়েক ৭ জন এবং কনস্টেবল ১৩৬ জন।

আরও পড়ুন – বাংলাদেশে মাফিয়া শাসন চলেছে ১৫ বছর : তারেক রহমান

১৮৭ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে ছুটিতে অতিবাস ৯৬ জন, কর্মস্থলে গরহাজির ৪৯ জন, স্বেচ্ছায় চাকরি ইস্তফা দিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত তিনজন এবং অন্যান্য কারণে ৩৯ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

বাংলাদেশে মাফিয়া শাসন চলেছে ১৫ বছর : তারেক রহমান

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশে মাফিয়া শাসন চালু করা ছিল। দেশে-বিদেশে পলাতক স্বৈরাচার বিনা ভোটের সরকারে পরিচালনা করেছে। সে সময়ে ছিল- গভর্নমেন্ট অব দ্য মাফিয়া, বাই দ্য মাফিয়া, ফর দ্য মাফিয়া বরে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় ভাসুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রিয় দেশবাসী এই মাফিয়াচক্র দেশকে সম্পূর্ণ রূপে ভঙ্গুর করে দিয়েছিল। দেশকে আমদানিনির্ভর ও পরনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। মাফিয়াচক্র দেশের ব্যাংকগুলো পর্যন্ত দেউলিয়া করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন –নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পেলো সেনাবাহিনী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, গত দেড় দশকে দেশ থেকে ১৭ লাখ কোটি টাকারও বেশি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। মাফিয়া চক্র শুধু অর্থনীতিকে ধ্বংস করেনি, তারা দেশের বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলেছে। একটা দেশ কতটুকু সভ্য, তা আইনশৃঙ্খখলা বাহিনীর আচরণে ফুটে ওঠে।

‘মাফিয়া চক্রের প্রধান দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তাদের চক্রটি প্রশাসনে এখনও সক্রিয়’ মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সুতারাং, অন্তর্র্বতী সরকারকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। জনগণকে তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু, এ অন্তর্র্বতী সরকারকে জবাবদিহিমূলক থাকতে হবে। অন্তর্র্বতী সরকার বেশ কিছু সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, গণঅভ্যুত্থান ছিল ব্যতিক্রম। দেশে আড়াই কোটি ভোটার বেড়েছে। কিন্তু, তারা কেউ ভোট দিতে পারেনি। বিএনপি বিশ্বাস করে, দেশের অর্ধেক নারী ও তরুণ প্রজন্মকে রেখে দেশ এগিয়ে যেতে পারবে না।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পেলো সেনাবাহিনী

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আগামী ২ মাস সারা দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করবেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় এই দায়িত্ব প্রযোজ্য নয় বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।

দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী এই ক্ষমতা অর্পণ করা হল বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

নিয়োগের শর্তে বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ১৭ (১) ধারা মোতাবেক ক্ষমতাপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত¡াবধানে দায়িত্ব পালন করবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।

আরও পড়ুন – ভূমিদস্যুদের কবলে খাল, প্লাবিত কলেজ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির দিনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। ওই দিনই বিলুপ্ত হয় মন্ত্রিসভা। পরদিন ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি। এরপর গত ৮ আগস্ট শপথ নেয় অন্তর্র্বতী সরকার।

ভূমিদস্যুদের কবলে খাল, প্লাবিত কলেজ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী সরকারি কলেজের প্রবেশপথ, খেলারমাঠ, নামাজঘর ও কয়েকটি শ্রেনি কক্ষে হাঁটু সমান পানি জমে আছে। ফরে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম মুখ থবড়ে পড়েছে। কাঁদজল মারিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীরা এলেও প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী আসছেনা কলেজে।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসন পৌরসভাকে তাগাদা দিলেও কার্যত জলাদ্ধতা দূরকরা যাচ্ছেনা। এবারে জলাবদ্ধতা থেকে কলেজকে মুক্ত করতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার ( ১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী সড়কস্থ কুমারখালী কলেজ মোড় এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোল্লা মো. রুহুল আমীন, সহকারী অধ্যাপক জিল্লুর রহমান মধু, প্রভাষক আব্দুল মজিদ, শিক্ষার্থী বুখারী আলম, সাদিয়া আক্তার প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কলেজটিতে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী ও ৮৩ জন শিক্ষক – কর্মচারী রয়েছে। তিন বছর আগেও জলাবদ্ধতা ছিলো। কিন্তু কিছু ভূমিদস্যুরা পানি প্রবাহের খাল বিল দখল করে নিয়েছে। এখন একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান পানি জমে থাকে। বর্তমানে কলেজের প্রবেশপথ, খেলারমাঠ, নামাজ ঘর ও কয়েকটি শ্রেণি কক্ষে স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে শিক্ষ কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে।

নিম্নচাপের প্রভাবে কুষ্টিয়াতে রেকর্ড পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়েছে। গত শনিবার দুপুর ১২টা থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪৮ ঘণ্টায় ২৪১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি বছরে ও গেল পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড বলে জানিয়েছে কুমারখালী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগের পর্যবেক্ষক মো. আল আমিন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে ৭৯ মিলিমিটার, ২০১৯ সালে ৪৪, ২০২০ সালে ৪৯, ২০২১ সালের জুন মাসে ১০৫, ২০২২ সালে ৬৪ ও ২০২৩ সালে ৭৫ এবং ২০২৪ সালে ১২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকোর্ড করা হয়েছে।

অপরদিকে ভারী বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন খামারি ও কৃষকরা। জলাবদ্ধতায় ডুবেছে ফসল। ভেসে গেছে পুকুর। ভেঙে পড়েছে বেশকিছু ঘরবাড়ি ও গাছপালা। উপজেলার যদুবয়রা, পান্টি, চাঁদপুর, সদকী ও জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও কুমারখালী পৌর এলাকা সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

উপজেলা সদকী ইউনিয়নের গড়েরমাঠ এলাকায় প্রায় ২২ বিঘা জমির পুকুরে মাছ এবং পুকুরপাড়ে সবজি চাষাবাদ করেন খামারি সুজন আলী পলাশ। তিনি জানান, মাস দুই পরেই প্রায় ৩০ লাখ টাকার মাছ বিক্রির প্রত্যাশ ছিল তাঁর। কিন্তু কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পুকুর ভেসে গেছে। লাউ ও ঝিঙে সবজি নষ্ট হয়েছে। মাছ ও সবজিতে তাঁর প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ায় ৫০ হেক্টর জমির রোপা আমন, ৩০ হেক্টর মাসকালাই , ৬০ হেক্টর সবজি ও ৬০ হেক্টর জমির কলা ক্ষেতের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার দাস।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, ভারী বৃষ্টির কারণে কিছু গাছপালা ও ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। তা নিরোসনের চেষ্টা চলছে।

কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

0

পদ্মার ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

পদ্মার ভাঙন থেকে বসত ভিটা ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি প্রায় তিন ঘন্টা চলে। বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজটের। পরে মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার(ইউএনও) আশ্বাসে পুনরায় সচল হয় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা। বেশ কয়েকদিন ধরে ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস ঘেরাও সহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারো পদ্মার ভাঙনের কবলে পড়েছে কুষ্টিয়ার ওভড়ামারা ও মিরপুর উপজেলার ৪ টি ইউনিয়ন। চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এসব এলাকার হাজার হাজার মানুষ। ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে কয়েকশ’হেক্টর ফসলি জমি। চরম হুমকির মুখে পড়েছে নদী তীরবর্তী বসতবাড়ি, কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কসহ জাতীয় গ্রিডের কয়েকটি বিদ্যুতের টাওয়ার। এসব রক্ষায় মিরপুর উপজেলার নওদা খাদিমপুর নামক স্থানে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। একই দাবিতে ১০ মাইল মুন্সিপাড়া নামক স্থানেও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করা হয়। এতে ভাঙন কবলিত সহস্রাধীক নারী-পুরুষ অংশ নেন।

আরও পড়ুন – পুলিশ অফিসারের গাড়িতে পাওয়া গেলো ১২০১ বোতল ফেনসিডিল

বহলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের শত শত বিঘা ফসলি মাঠ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন হুমকির মুখে পড়েছে আমাদের বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নদীর অব্যাহত ভাঙনে যেকোনো সময় ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। তাই ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে আমরা বিক্ষোভ করেছি।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় তিন ঘণ্টার অবরোধে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে সড়কটিতে। রাস্তার দুই পাশে জমে গেছে শত শত পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন। অনেক যাত্রী বাস থেকে নেমেও গেছেন।’

মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিবি করিমন নেছা বলেন, ভাঙন রোধে দ্রæত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে সড়ক অবরোধ ছেড়ে দেন এলাকাবাসী।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুষ্টিয়া জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রাশিদুর রহমান বলেন, আপাতত জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানো হবে।

পুলিশ অফিসারের গাড়িতে পাওয়া গেলো ১২০১ বোতল ফেনসিডিল

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে এক পুলিশ অফিসারের গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬। উদ্ধারের সময় পুলিশ অফিসারসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে সদর উপজেলার হাটগোপালপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন ঝিনাইদহ সদর থানার উপ-পরিদর্শক সাজ্জাদুর রহমান, মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের মৃত সিদ্দিক সর্দারের ছেলে মো. সাহের ও চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার দোয়ারপাড়া গ্রামের ফিরোজ আলীর ফারুক হোসেন।

আরও পড়ুন – ফলোআপ : খোকসায় নদীর তীর রক্ষা বাঁধে ধস

ঝিনাইদহ র‌্যাব ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর নাঈম আহমেদ জানান, কালীগঞ্জ থেকে পুলিশের উপ-পরিদর্শক সাজ্জাদ নিজের ব্যবহৃত প্রাইভেট কারে করে ফেনসিডিল নিয়ে মাগুরা যাচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল হাট গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে চেকপোস্ট বসায়। চেকপোস্ট থেকে ওই প্রাইভেট কারটি আটকে তল্লাশি চালিয়ে ১২০১ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। আটকদের ঝিনাইদহ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

ফলোআপ : খোকসায় নদীর তীর রক্ষা বাঁধে ধস

0

পৌরসভাকে দুষলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা

স্টাফ রিপোর্টার

অপরিকল্পিত ড্রেনের পানির চাপে গড়াই নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ধসে বিধবা আয়শা খাতুনের বসত ঘরের মেঝের মাটির চলে গেছে নদীতে। ঘরের মধ্যে খালের সৃষ্টি হয়েছে। স্বামী-শ্বশুরের বড় বাড়ি ছিল। সবই গড়াই নদী গ্রাস করেছে। মাথাগোজার শেষ আশ্রয় টুকু ঝুলে আছে ভাঙ্গনের মুখে। কখন যেনো মাটি শুন্য ঘরটি নদীর ভাঙ্গনে চলে যায়। তার মত আরও প্রায় ত্রিশ পরিবার আবার নদী ভাঙ্গনের হুমকীর মুখে পরেছে। ভাঙ্গন সৃষ্টির জন্য পৌরসভাকে দুষছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে উপজেলা সদরের পৌর এলাকার ২, ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা বৃষ্টির পানিতে উপজেলা ভূমি অফিস, উপজেলা নির্বাচন অফিস, যুবউন্নয়ন অফিস, সমাজসেবা অফিস, একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পরেছে। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে পানিতে ডুর যায় মাঠের সবজী, পুকুরের মাছ, বাড়ি, রাস্তা ঘাট। নদীর তীর রক্ষার বাঁধ ধসে পরেছে।

সোমবার সকালে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জানিপুর শাহ পাড়াই গড়াই নদীর তীর রক্ষার বাঁধের প্রায় ৩০ ফুট নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। বিধবা আয়শা খাতুনের থাকার ও রান্না ঘরের মেঝের মাটি ভেঙ্গে গড়াই নদীতে চলে গেছে। বিধবার ঘরের ভিতর দিয়ে একটি ছোট খালের সৃষ্টি হয়েছে। সত্তুরউদ্ধ বৃদ্ধার মাথা গোজার শেষ আশ্রয় হারাতে বসেছেন।

একই এলাকায় নদী ভাঙ্গনে মুখে পরেছে ভূমিহীন চাঁদ আলী ও শাহানা খাতুন দম্পতির চার খান ১০ ফুট টিনের ছাপড়া ঘরটি। বাঁধে ভাঙ্গন শুরুর পর এই দম্পতি অন্যত্র ভাড়া বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

মঙ্গলবার পানি উন্নয়ন বোর্ড কুষ্টিয়ার কর্মকর্তারা সরেজমিন ঘটনা স্থল পরিদর্শন সময় ভাঙ্গরোধে ড্রেনে পানি প্রবাহ বন্ধের উদ্দোগ নেন। গড়াই নদী তীর রক্ষার বাঁধে ভাঙ্গ সৃষ্টির জন্য পৌর সভাভাকে একক ভাবে দায়ী করেন। তারা জানান, নদীর তীর রক্ষার বাঁধের উপর দিয়ে ড্রেনে পানি সিষ্কাশনের যে পদ্ধতি অবলম্বন করা দরকার পৌর কর্তৃপক্ষ সে পদ্ধতি অবলম্বন করেনি। এ ছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতিও নেয়নি।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাহ পাড়ায় অপরিকল্পিত ভাবে ১ হাজার ফুট লম্বা ড্রেন নির্মান করা হয়। বিধবার আয়শার ঘরের ভিতর দিয়ে ৫ ফুট গভীর ড্রেনের পানি ১০ ইঞ্চি পাইপ দিয়ে গড়াই নদীতে অপসারণ করছিল পৌর কর্তৃপক্ষ। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির অতিরিক্ত পানির চাপে সোমবার সকালে ড্রেনের সামনে থেকে নদীর তীর রক্ষার বাঁধ ধসে যায়।

পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ড়ে সবেজমিন গিয়ে দেখা য়ায়, শাহ পাড়ার শতাধিক পরিবার বৃষ্টির মৌসুমে শুরু থেকে জলাবদ্ধ জীবন কাটাচ্ছেন। এখানে পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মান করা ড্রেন রয়েছে। কিন্তু ড্রেনটি ময়লা আবর্জনায় ভরে যাওয়ায় পানি প্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে পরেছে। এক অংশের পানির তোরে বিধবা আয়শা খাতুনের বসত ঘরের একাংশসহ রান্না ঘরের বেশীর ভাগ নদীতে চলে গেছে।

ড্রেনের উপর দিয়ে একটু এগিয়ে গিয়ে দেখা যায় পৌর সভার টাকায় এক ব্যক্তির পুকুরের উপর সেতু নির্মান করা হয়েছে। আর এই সেত্ইু ঘটিয়েছে যত বিপত্তি। এই পুকুরেই মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশাল দুটি ড্রেনের মুখ। ফলে একদিকে জলাবন্ধতা স্থায়ী হয়েছে। অন্যদিকে আবজনার ভাগারে পরিনত হয়েছে গোটা মহল্লাটি।

বিধবা আয়শা খাতুন দৃঢ়তার সাথে বলেন, ড্রেন করার সময় নদীতে নামানোর পরিকল্পনা না থাকাটা প্রথম ভুল। দ্বিতীয় ভুল হয়েছে তার ঘরের ভিতর দিয়ে পাইন দিয়ে ড্রেনের পানি নদীতে দেওয়া।

আরও পড়ুন –মাদ্রাসা ছাত্রকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের পর চুল কেটে দেওয়ায় মামলা

বিধবা আয়শা খাতুন বলেন, তার সব জমিই নদীতে চলে গেছে। ব্যাটারা (পানি উন্নন বোর্ডের ঠিকাদার) বাঁধ দেওয়ার পর স্বামীর ভিটা অবশিষ্ট সামান্য অংশে ঘর তুলে বসবাস করছিলাম। এবার আবার নতুন করে ভাঙ্গনে তার রান্না করে খাওয়া যায়গা নদীতে চলে গেছে। বসত ঘর ভাঙ্গনের মধ্যে ঝুলে আছে। রাতে কোথায় থাকবেন এ নিয়ে ভাবছেন। তিনি মনে করেন, পৌর সভার কাউন্সিলের ভুলের কারনে তাদের মাথা গোজার শেষ আশ্রয় হারাতে হচ্ছে।

পৌর সভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সেলিম হুসাইন জানান, পৌর সভার পক্ষে নদী ভাঙ্গন রোধ করা অসম্ভব। পানি উন্নন বোর্ড দ্রæত সংস্কার করে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করা সহ নদী ভাঙ্গন রোধ করতে হবে। কর্মকর্তাদের কাছে ভাঙ্গরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তোলেন।

পানি উন্নন বোর্ড কুষ্টিয়া বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, ড্রেনের পানি প্রবাহ বন্ধ না হলে নদী ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাবে। পৌরসভার ভুলের জন্য বাঁধে ভাঙ্গন লেগেছে। ভাঙ্গনরোধ ও সংস্কার পৌরসভাকেই করতে হবে। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম রফিক তার সাথে ছিলেন।

পৌরসভার প্রকৌশলী সুজন আলী স্বীকার কলেন, ড্রেনের পানি বাঁধের উপর দিয়ে অপসারণ করা ভুল হয়েছে। এখন ড্রেনের পানি প্রবাহ বন্ধ করা হবে। পরে বাঁধ সংস্কারের সময় ড্রেনের পানি নামানোর ব্যবস্থা করা হবে। ড্রেনের পানি নদীতে অপসারণ করতে না পারলে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা দুর করা অসম্ভব হয়ে পরবে।

মাদ্রাসা ছাত্রকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের পর চুল কেটে দেওয়ায় মামলা

0
নির্যাতনের পর এভাবেই মাথার চুল কেচট দেওয়া হয় শিশুটির

কুমারখালী প্রতিনিধি

মুদি দোকানে চুরির অভিযোগে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে (১১) গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিশুটির শরীরে সিগারেটের আগুন দিয়ে ছ্যাকা দেওয়া ও মাথার চুল কাটে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নির্যাতনকারীরা হলেন- কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের মৃত নজির উদ্দিনের ছেলে সামছুল হক (৫০), মৃত আদু শেখের ছেলে মনোহার শেখ মুনা (৫০), মৃত আহাদ আলীর ছেলে মো. সোলাইমান (৫৫), আতিয়ার রহমানের ছেলে মো. রিফাত (২০), সদর থানার ফুলতলা এলাকার নুর হোসেনের ছেলে মো. জিহাদ (৩৫)। অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় অপরজনের পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।

ঘটনার শিকার ওই মাদ্রাসা ছাত্র রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সে কুষ্টিয়া মাদ্রাসাতুল আবরার মাদ্রাসার হাফেজজিয়া কওমী ছাত্র।

আটক নির্যাতনকারীদের আদালতে নওয়া হচ্ছে

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ওই মাদ্রাসার ছাত্র একটা সময় কুমারখালীর নন্দলালপুর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন নগর এলাকার দারুল আহাদ আল ইসলামিয়া নূরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। গত রবিবার রাত ১১ টার দিকে ওই ছাত্র বর্তমান মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে পূর্বের মাদ্রাসা আলাউদ্দিন নগরে আসে। এরপর গত সোমবার ভোর টিনের বেড়া কেটে মাদ্রাসার পাশের সোলাইমানের মুদি দোকানে ঢুকে বিষ্কুট, জুস ও খাদ্যসামগ্রী খায়। সেসময় আসামিরা টের পেয়ে ওই মাদ্রাসা ছাত্রকে গাছে বেঁধে ব্যাপক মারধর করে, সিগারেটের আগুন দিয়ে শরীর পুড়িয়ে দেয় এবং মাথার চুল কেটে দেয়। এমন নির্মম নির্যাতন চলে সকাল ৯ টা পর্যন্ত।

খবর পেয়ে ওই ছাত্রের মা তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় সোমবার রাত ১২ টার পরে ৬ জনকে আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় রাতেই আসামিদের গ্রেফতার করে পুলিশ। আর মঙ্গলবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন –বাংলাদেশকে ২শ একর জমি ফিরিয়ে দেবে ভারত

ওই মাদ্রাসা ছাত্রের মা বলেন, ‘আমার ছেলে ক্ষুধা নিবারনের জন্য টিনকেটে দোকানে ঢুকে বিস্কুট ও জুস খেয়ছিল। সেজন্য তাকে চুরির অপরাধে গাছে বেঁধে ব্যাপক মারধর করেছে, সিগারেটের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে, মাথার চুল কেটেছে। আমি এই নিষ্ঠুর নির্যাতনের স্ষ্ঠুু বিচারের আশায় থানায় মামলা করেছি।

মারধর ও চুলকাটার ঘটনা স্বীকার করেছে অভিযুক্ত দোকানদারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, দোকানে ঢুকে চুরি করেছিল মাদ্রাসা ছাত্র। তাকে হাতেনাতে ধরে মারধরা করা হয়েছিল। স্থানীয় ছেলেপেলে চুল কেটেছিল। এখন চুলকাটাই বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা আসলে ভুল হয়েছে।

কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকল্যাণ বিশ্বাস বলেন, চুরির অভিযোগে একজন মাদ্রাসা ছাত্রকে মারধর, সিগারেটের আগুনে পুড়ানো ও চুলকাটার ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন ছাত্রের মা। মামলায় ৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশকে ২শ একর জমি ফিরিয়ে দেবে ভারত

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে পদ্মা নদীর ভাঙনে ভারতের কাছে হারানো প্রায় ২শ একর জমির মালিকানা ফিরে পেতে যাচ্ছেন বাংলাদেশি মালিকেরা। রবিবার অনুষ্ঠিত দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সৌজন্য বৈঠকে বিবাদমান জমি নিয়ে আলোচনায় পুনরায় জরিপ করে মালিকানা প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বিজিবির ৪৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (পিএসসি) মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘বিবাদমান জমি পুনরায় জরিপ করে প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

বিবাদমান জমিগুলো ভারত সীমান্তের দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীঘেঁষা চল্লিশ পাড়া এলাকায় অবস্থিত।

স্থানীয়রা জানান, চল্লিশপাড়া বর্ডার আউট পোস্টের (বিওপি) পিলার ১৫৭ /এমপি থেকে ৮৫ / ১০-এস এলাকা পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার পদ্মা নদীর ভাঙনে ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সীমানা এলোমেলো হয়ে যায়।

আরও পড়ুন –ঝিনাইদহে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ ফেব্রæয়ারি উভয় দেশের সার্ভেয়ার, বিজিবি ও বিএসএফ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের আনুমানিক ২শ একর জমি এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের আনুমানিক ৪০ একর জমির গরমিল পাওয়া যায়।

এদিকে, গতকাল রবিবার দুপুরে বিএসএফের আহ্বানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দৌলতপুর উপজেলার মহিষকুন্ডির জামালপুর বিওপির সীমান্ত পিলার ১৫২ /৭-এস থেকে আনুমানিক ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিবাদমান জমি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও সীমান্তে হত্যা বন্ধ ও মাদক পাচার রোধে গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিজিবির পক্ষে কুষ্টিয়ার বিজিবি ৪৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (পিএসসি) মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এবং বিএসএফের পক্ষে রওশনবাগ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট বিক্রম দেব সিং নেতৃত্ব দেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, গত ১০ ফেব্রæয়ারি সার্ভেতে বাংলাদেশের পাওনা প্রায় ২০০ একর জমি ও ভারতের পাওনা প্রায় ৪০ একর জমির গরমিল পাওয়া গেছে। যা আগামী অক্টোবর মাসে সুবিধাজনক সময়ে উভয় দেশের সার্ভেয়ার, বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে পুনরায় জরিপ করে জমির প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করতে উভয় ব্যাটালিয়ন কমান্ডাররা ঐক্যমতে উপনীত হয়েছেন।

মাহবুব মুর্শেদ আরও বলেন, ‘মূলত সীমান্তের বিবাদমান অংশটি নদী এলাকা হওয়ায় পদ্মার ভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দুই দেশের সঠিক সীমানা নির্ধারণে জটিলতা ছিল। দুই দেশের প্রচেষ্টায় তা সমাধানে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। দ্রæত সঠিক সীমানা নির্ধারণ করা হবে। তবে জমি বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত কেউ তা ব্যবহার করতে পারবে না।’

সীমান্তে বিএসএফকে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার বিষয়ে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে বলে জানান মাহবুব মুর্শেদ। তিনি বলেন, ‘নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্তে আটক না করা, ভারত থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও নিষিদ্ধ কোনো পণ্য যাতে বাংলাদেশে পাচার হতে না পারে এবং আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তবর্তী জনসাধারণ যাতে অবৈধভাবে দুই দেশের সীমান্তের পূজামন্ডপে যাওয়া-আসা করতে না পারে সেসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ঝিনাইদহে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার শুড়োপাড়া গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজন মারা গেছে।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন, শুড়োপাড়া গ্রামের মকছেদ আলী মোল্লা (৫০), তার মেজো ভাবি মোকাদ্দেস আলীর স্ত্রী হাসিনা খাতুন (৬০) ও ভাতিজা জুলহাসের স্ত্রী রেশমা বেগম (৪৫)।

প্রত্যাক্ষদশী আলমগীর হোসেন জানান, একটানা ঝড় বৃষ্টিতে রবিবার সন্ধ্যার দিকে মকছেদ আলী মোল্লার একটি পেঁপে গাছ পল্লীবিদ্যুতের লাইনের উপর পড়ে। এ সময় তিনি পেঁপে গাছটি সরাতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এদিকে বাড়িতে কেউ না থাকার কারণে মকছেদ আলীর মৃতদেহটি সোমবার বেলা ১১টা পর্যন্ত জনমানবহীন বাড়ির পাশে পড়ে থাকতে দেখে ভাইয়ের স্ত্রী হাসিনা খাতুন ও ভাতিজার স্ত্রী রেশমা বেগম এগিয়ে আসেন। তারা উদ্ধারের জন্য মকছেদ আলীর শরীর স্পর্শ করা মাত্রই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ আড়াই’শ বেড হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ তাপস কুমার মৃত ঘোষনা করেন।

আরও পড়ুন – খোকসায় ড্রেনের পানির তোরে নদীর তীর রক্ষার বাঁধ ধসে পরেছে

স্থানীয় পোড়াহাটী ইউনিয়নের মেম্বর রাশেদুল ইসলাম খবর নিশ্চত করে জানান, মকছেদ আলীর বাড়িতে কেউ ছিল না। স্ত্রী অসুস্থ হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন। তাছাড়া তার বাড়িটি আলাদা স্থানে হওয়ায় তার মৃত্যুর খবরটিও পরিবারের সদস্যরা পাননি। যখন বাড়িতে কারো সাড়াশব্দ পায়নি তখনই হাসিনা ও রেশমা গিয়ে দেখেন মকছেদ আলী পড়ে আছে।

ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক তানভির হাসান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে তিনটি লাশ উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...