বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬.
Home Blog Page 207

জমি নিয়ে বিরোধ: মুখে সুপার গ্লু লাগিয়ে একজনকে হত্যা চেষ্টা

0
প্রতিকী ছবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগের ক্যাডাররা এক ব্যক্তির মুখে সুপার গ্লু আঠা লাগিয়ে ও হাত-পা বেঁধে হত্যার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়রা আহত এবাদত আলী (৬৭) নামের ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া শহরতলীর মোল্লাতেঘোরিয়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে অনেক সম্পত্তির মালিক এই এবাদত আলী। এসব সম্পত্তির তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া। ৭ মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে এবাদত আলীর সংসার। কোন ছেলে সন্তান নাই। এ সুযোগে মোল্লাতেঘোরিয়া গ্রামের রাসেল ও রাকিব নামের দুই যুবক তার প্রায় তিন বিঘা জমি জোরপূর্বক দখল করে নেয়। সেই জমিতে তারা ঘরবাড়ি তুলে বসবাস করে আসছে। দখলদার যুবকরা আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় এতদিন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি জমির মালিক ইবাদত আলী। সম্প্রতি এবাদত আলী তার নিজের জমি দখলমুক্ত করে। এ ঘটনার সূত্র ধরে দখলদারেরা তার ওপর এই হামলা চালায়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবাদত আলী জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগের ক্যাডার রাসেল, রাকিব ও শরীফসহ অজ্ঞাত আরো দুজন পথিমধ্যে তাকে আটকে মুখে সুপার গ্লু লাগিয়ে রাস্তার পাশে হাত পা বেঁধে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় আশ-পাশের লোকজন দেখে ফেলায় মোটরসাইকেল যোগে হামলাকারিরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আরও পড়ুন – সংস্কার আন্দোলনে নিহত ৮৭৫, আহত হয়েছে ৩০ হাজার

আহত এবাদত আলীর জামাতা আবুল কালাম আজাদ জানান, এ ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাকিব ও রাসেলসহ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সদর থানায় বিস্ফোরক আইনসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজুল হক চৌধুরী জানান, তদন্ত করে এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংস্কার আন্দোলনে নিহত ৮৭৫, আহত হয়েছে ৩০ হাজার

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের গণ-অভ্যুত্থানে ১৬ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮৭৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭৭ শতাংশই গুলিতে মারা গেছেন। এছাড়া অভ্যুত্থানে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

দেশজুড়ে হতাহতদের বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)।

১২টি জাতীয় দৈনিক, এইচআরএসএসের তথ্য অনুসন্ধানী ইউনিট ও সারা দেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংগঠনটির ভাষ্য-গণমাধ্যম, হাসপাতাল ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যেসব বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাচ্ছে তারা, তাতে তাদের মনে হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে এক হাজার হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ৭৭২ জনের মৃত্যুর ধরণ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৯৯ জন বা ৭৭ শতাংশ গুলিতে নিহত হয়েছেন। ৬১ জন (৮ শতাংশ) অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। ৮৫ জনকে (১১ শতাংশ) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য কারণে মারা গেছেন ২৭ জন (৪ শতাংশ)।

প্রতিবেদনে কোন বিভাগে কত নিহত হয়েছেন, সেই তথ্যও দেওয়া হয়েছে। এতে দেখা যায়, নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক ঢাকা বিভাগে ৫৪০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৯১ জন, খুলনায় ৮১ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, ময়মনসিংহে ৩৮ জন, রংপুরে ২৯ জন, সিলেটে ২০ জন এবং বরিশালে ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে নিহত ব্যক্তিদের একাংশের বয়স, পেশা, মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত ৩২৭ জন এবং ৪ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (অনেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে মারা যান) ৫৪৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ৭৭ শতাংশ গুলিতে মারা গেছেন। ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা বেশি মারা গেছেন। এ হার ৫৩ শতাংশ। আর ৩০ বছরের মধ্যে বয়স ধরলে, নিহতের হার দাঁড়ায় ৭০ শতাংশে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী, এ হার ৫২ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন গুলিতে এবং পুলিশের হামলায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য আদেশ দেওয়া হয়। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, আনসার, সোয়াট, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে গুলির বেআইনি ব্যবহার, কাঁদানে গ্যাসের শেল, এ কে ঘরানার অ্যাসল্ট রাইফেলের মতো প্রাণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে।

আরও পড়ুন – ১৯ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে রিজার্ভ নামল

শেখ হাসিনার দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর সারা দেশে থানা (৫ শ’র বেশি), সরকারি স্থাপনা এবং সংখ্যালঘুদের স্থাপনায় হামলা-ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

এইচআরএসএস জানিয়েছে, নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৭৪৩ জনের নাম জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী, সাংবাদিক, পেশাজীবী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, শিশু ও নারীসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থক আছেন। আন্দোলনে কমপক্ষে ১০৭টি শিশু, ৬ জন সাংবাদিক, ৫১ জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং ১৩ জন নারী ও মেয়েশিশু নিহত হয়েছেন।

নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৬১৯ জনের বয়স সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেছে এইচআরএসএস। নিহতদের মধ্যে ৪ বছরের আহাদ ও ৬ বছরের রিয়া গোপসহ প্রায় সব বয়সী মানুষ রয়েছেন। ৬১৯ জনের মধ্যে ১০৭ শিশু (১৮ বছরের কম বয়সী) রয়েছে। এ ছাড়া ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী বা তরুণ ৩২৭ (৫৩ শতাংশ) জন, ৩১ থেকে ৫০ বছর বয়সী বা মধ্যবয়সী ১৫৮ (২৬ শতাংশ) জন, ৫০ বছরের বেশি বয়সী ২৭ জন (৪ শতাংশ) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ ৬১৯ জনের মধ্যে ৭০ শতাংশেরই বয়স ৩০ বছরের মধ্যে।

পেশাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৩৫২ জনের পেশা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ১৮৪ জন (৫২ শতাংশ), শ্রমজীবী ৭০ জন (২০ শতাংশ), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ৫১ জন (৫ শতাংশ)।

১৯ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে রিজার্ভ নামল

0

দ্রোহ অনাইন ডেস্ক

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি বা রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য বলছে, এখন রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম রিজার্ভ এতটা কমল। রিজার্ভের এই অঙ্ক বিপিএম-৬ পদ্ধতির হিসাব। আর গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে নিট রিজার্ভ গণনা করা হয়। গ্রস বা মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ জানা যায়।
আইএমএফের ঋণ অনুমোদনের পর ২০২৩ সালের জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই তথ্য প্রকাশ করছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৪ সেপ্টেম্বর রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার। আর গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৬১ বিলিয়ন।

গত দুই বছর ধরে বাংলাদেশের রিজার্ভ কমছে। করোনাভাইরাস মহামারীর সময় ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়ে ৫০ বিলিয়নের মাইলফলকের দিকে ছিল দেশ।

তবে মহামারী বিশ্ববাজারে শেষে জ্বালানি আর খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, এরপর ইউক্রেইন যুদ্ধ শুরু হলে আরও বেড়ে যায় আমদানি খরচ। এতে ধীরে ধীরে কমতে থাকে রিজার্ভ।

গত দুই অর্থবছর বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সরকারি ঋণপত্র বা এলসি খোলার জন্য রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে, এতেও কমছে বৈদেশিক মুদ্রা।

আরও পড়ুন – ঐক্য ধরে রাখার তাগিদ মির্জা ফখরুলের

গত অর্থবছরে ২৫ বিলিয়ন ডলারেও বেশি রিজার্ভ থেকে বিক্রি করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তিনি রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে রিজার্ভ বাড়বে, কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

ঐক্য ধরে রাখার তাগিদ মির্জা ফখরুলের

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

“হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে আমাদের যে ঐক্য সৃষ্টি হয়েছিল, সেটি যেন আমরা অটুট রাখতে পারি” এ বিষয়ে তাগিদ দিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আরও বলেন, আজ সুপরিকল্পিতভাবে সেই ঐক্য বিনষ্টের চক্রান্ত চলছে। সে বিষয়ে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, মুশফিক ও তার সঙ্গীরা ফ্যাসিবাদী হাসিনার অত্যাচার ও নির্যাতনের কারণে দেশে থাকতে পারেনি। তারা লড়াই করেছেন বাইরে গিয়ে। আর আমরা দেশের ভেতর থেকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি এবং বিজয় অর্জন করেছি ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানে মধ্য দিয়ে। এই বিজয় তখনি সুসংহত হবে, যদি আমরা এটাকে ধরে রাখতে পারি।

আরও পড়ুন – দৌলতপুরের যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ককে দল থেকে বহিষ্কার

সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারীকে গণতন্ত্রের সত্যিকারের নায়ক উল্লেখ করে বিএনপির এ শীর্ষ নেতা বলেন, মুশফিক আমাদের কাছে, এই দেশের মানুষ ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে হিরো হিসেবে থাকবেন। আমরা যখন কথা বলতে পারিনি, তখন মুশফিক আমেরিকা এবং ইউরোপে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এমন সন্তান বাংলার ঘরে ঘরে জন্ম নেওয়া দরকার।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সরকারি কর্মকর্তা সমিতির নেতা ড. নেয়ামত উল্যাহ, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দচন্দ্র প্রমাণিক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সভাপতি এলাহী নেওয়াজ খান সাজু, কবি আব্দুল হাই সিকদার। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম প্রমুখ।

দৌলতপুরের যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ককে দল থেকে বহিষ্কার

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এবার যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জাফর ইকবাল কর্নেলকে বহিষ্কার করেছে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি। এনিয়ে দুই দফায় উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪ নেতাকে বহিষ্কার করা হলো।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জাফর ইকবাল কর্নেলকে বহিস্কারের তথ্য জানানো হয়েছে।

গত শনিবার দুপুরে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জেলার দৌলতপুর ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও যুগ্ম-আহ্বায়ককে বহিষ্কার করা হয়। পরে ওই দিন রাতে উপজেরা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাশেদুল হক শামীমকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করে।

আরও পড়ুন – ‘আমরাও দুর্গোৎসব করি, ভারতে ইলিশ পাঠাতে পারব না’ – মৎস্য উপদেষ্টা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয় যুবদলেন নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সিদ্ধান্ত ক্রমে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়াও একই বিজ্ঞপ্তিতে যুবদলের নেতাকর্মীদের বহিষ্কৃত নেতার সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সাংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ আনা হলেও কী ধরণের শৃঙ্খলা ভঙ্গ তা উল্লেখ করা হয়নি।

দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেনজির আহমেদ বাচ্চু জানান, দৌলতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিলো তার ভিত্তিতে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর ইকবাল কর্নেলকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

‘আমরাও দুর্গোৎসব করি, ভারতে ইলিশ পাঠাতে পারব না’ – মৎস্য উপদেষ্টা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের হিন্দুধর্মাবলম্বীরাও দুর্গোৎসব করেন। তারাসহ অন্যান্য নাগরিকরা যেন ইলিশ মাছ খেতে পারেন, সেজন্য ভারতের চেয়ে দেশের জনগণকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা ক্ষমা চাচ্ছি, কিন্তু আমরা ভারতে কোনো ইলিশ পাঠাতে পারব না। এটি দামি মাছ। আমরা দেখেছি আমাদের দেশের মানুষই ইলিশ খেতে পারেন না। কারণ সব ভারতে পাঠানো হয়। যেগুলো থাকে সেগুলো অনেক দামে খেতে হয়। আমরাও দুর্গোৎসব পালন করি। আমাদের জনগণও এটি উপভোগ পারবে।’

আরও পড়ুন – তরুণমোড়ের দেশী মাছ ও সবজির বাজার জমে উঠেছে

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মৎস্য উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

বন্ধুত্বের নজির হিসেবে দুর্গাপূজার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ হাজার টন ইলিশ ভারতে পাঠাতেন। হাসিনার এই উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেছেন, ভারতে মাছ পাঠানোর কোনো প্রয়োজনীয়তা ছিল না। ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্কের কথা বলে তার মাছ পাঠানো ঠিক হয়নি। তিনি বাংলাদেশের মানুষের প্রয়োজনীয়তাকে উপেক্ষা করেছেন।’

মৎস্য উপদেষ্টা বলেছেন, ‘ইলিশ নিয়ে ভারতের কোনো ইস্যু সৃষ্টি করার দরকার নেই। যদি তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায় তাহলে তাদের তিস্তার পানি বন্টনের সমস্যার সমাধার করা উচিত।’

তরুণমোড়ের দেশী মাছ ও সবজির বাজার জমে উঠেছে

0

কুমারখালী প্রতিনিধি

কুমারখালীর তরুণমোড়ের সকালের বাজারে দেশীয় প্রজাতির হরেক রকমের মাছ ও টাটকা সবজি জনপ্রি হয়ে উঠেছে।

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের শেখ ওয়াজেদ আলী মার্কেটের সামনে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে চলছে এই সকালের বাজার। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৬ টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত জমজমাট বেচাকেনা চলে এই বাজারে। সকাল ৮ টার পর থেকে ধীরে ধীরে কমতে থাকে ক্রেতা ও বিক্রেতার ভীড়।

শুরুর দিকে এই বাজারের ক্রেতা ছিলেন, খুব সকালে প্রাত: ভ্রমণে বের হওয়া নারী-মানুষেরা। কিন্তু এখন প্রতিদিনই দূর-দূরান্তের ক্রেতারা মোটরসাইকেল- বাইসাইকেল, ভ্যান-রিক্সা, অটো-সিএনজিতে আসেন। খাল বিলের দেশীয় মাছ সহ বাড়ির আঙিনায় চাষ করা সবজি, কিংবা ছোটখাটো কৃষকদের উৎপাদিত টাটকা সবজি ক্রয় করতে। মুলত: বাজারটি দেশীয় মাছের জন্যই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এই বাজারে খাল-বিলের বিলুপ্ত প্রায় হরেক রকমের মাছ নিয়ে বসে আছেন অনেকেই। এ সব মাছ বর্শি দিয়ে, ফাঁদ পেতে অথবা জাল পেতে ধরা হয়েছে। মাছের মধ্যে – কই-জিয়ল (শিং), শোল-টাকি, চ্যাং, বোয়াল, পাঙ্গাস, খলিসা, পুঁটি, মোয়া, নানা জাতের বাইম, গোপরে, তেলটুপুরি মাছ, স্থানীয় পুকুর জলাশয়ের ছোট বড় পোনা মাছ সহ পদ্মা ও গড়াই নদীর সব ধরণের মাছ দেখা যায়। গৃহপালিত রাজহাঁস, পাতি হাঁস, দেশী মোরগ-মুরগি সহ দেশি হাঁস- মুগির ডিম বিক্রি করতে আসেন এখানে।

আরও পড়ুন – দৌলতপুর সীমান্তে স্বর্ণের বারসহ আটক দুই

একজন সরকারি চাকরিজীবি মোহাম্মদ আলী জানান, চাকরির সুবাদে কুমারখালীতে বসবাস করছি কয়েক বছর যাবৎ। এ উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই সকালে এই বাজার থেকে দেশীয় বিলুপ্ত প্রায় নানা প্রজাতির মাছ সহ প্রয়োজনীয় টাটকা সবজি ক্রয় করে আসছি। এ সবের পাশাপাশি হাঁস-মুরগি, দেশি ডিম, স্থানীয় কৃষকের উৎপাদিত নানা ফল সাশ্রয়ী মুল্যে এই বাজার থেকে ক্রয় করি।

স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী শরিফুল ইসলাম বলেন, এই বাজারের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির হরেক রকমের মাছ পাওয়া যায় এবং বাড়িতে চাষ করা লাউ সহ লাউশাক, পুঁইশাক, লাল ও সবুজ শাক এবং নানাধরণের ফল এখানে পাওয়া যায় খুব সকালে।

দৌলতপুর সীমান্তে স্বর্ণের বারসহ আটক দুই

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারকালে কোটি টাকা মূল্যের ৭টি দ্বিখন্ডিত স্বর্ণের বারসহ দু’জনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি-৪৭ কুষ্টিয়া ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (পিএলসি) মাহাবুব মর্শেদ রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দৌলতপুর উপজেলা সীমান্তবর্তী চিলমারী ইউনিয়নের সুকারঘাট এলাকা থেকে তাদের আটক ও স্বর্ণের বারগুলো জব্দ করে স্থানীয় বিওপি।

আটক ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মরারপাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে নজরুল ইসলাম (২০), ও কাজল বিশ্বাসের ছেলে সেলিম রেজা (২২)। তাদের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি ও উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বার ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

আররও পড়ুন – কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির কমিটি বাতিল ঘোষণা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আটক ব্যাক্তিদের কাছ থেকে এক কেজি ৩৭৩ গ্রাম ওজনের ৭টি দ্বিখন্ডিত স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। এছাড়া দুটি মোটরসাইকেল, দুটি স্মার্ট মোবাইলসহ সিম কার্ড, নগদ এক হাজার ২২০ টাকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের মূল্যে এক কোটি ৪২ লাখ ১৯ হাজার ৫২৭ টাকা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিজিবি-৪৭ কুষ্টিয়া ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (পিএসসি) মাহাবুব মর্শেদ রহমান জানান, ভারতে পাচারকালে দৌলতপুর সীমান্ত থেকে এক কেজি ৩৭৩ গ্রাম ওজনের ৭টি দ্বিখন্ডিত স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। এসময় জড়িত দুইজন আটক করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির কমিটি বাতিল ঘোষণা

0
প্রতিকী ছবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

কমিটি বাতিলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাতিল করা হয়েছে। অতিদ্রæত জেলা বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।

দলী সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৮ মে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীকে সভাপতি এবং অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিনকে সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল রেখেই ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পুনরায় কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি।

আরও  পড়ুন – পদত্যাগেও রাজি মমতা ব্যানার্জী

সূত্রটি আরও জানায়, দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় বেশ হতাশায় ছিলেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। এতে সাংগঠনিক কর্মকান্ডেও নেমে আসে স্থবিরতা।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার কমিটি বাতিলের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘদিন মেয়াদউত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই কার্যক্রম চলছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন নতুন কমিটি আসলে দল আরও চাঙ্গা হবে।

জেলা বিএনপি’র সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী বলেন, আমার কাছে কোন চিঠি আসেনি। এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে আপনারা জেনে থাকলে হতে পারে।

পদত্যাগেও রাজি মমতা ব্যানার্জী

0
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানর্জী - ফাইল ছবি

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রাজ্যের স্বাস্থ্যসেবা স্বাভাবিক ছন্দে ফিরুক, তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের চেষ্টার অন্ত ছিল না। বারবার জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। কিন্তু সুরাহা মেলেনি। নবান্নের পক্ষ থেকে বারবার আলোচনার টেবিলে ডেকেও লাভ হয়নি। জুনিয়র ডাক্তারদের এই অনড় মনোভাবে এবার কার্যত হতাশা প্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানর্জী।

সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বললেন, ওরা বিচার চায় না, ওরা চেয়ার চায়। আমি মানুষের স্বার্থে পদত্যাগ করতেও রাজি। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার আমার চাই না। কিন্তু তিলোত্তমা বিচার পাক।

আরও পড়ুন – সাংবাদিকদের বেতন কাঠামোর যৌক্তিক সংস্কার করা হবে – তথ্য মন্ত্রণালয়

একদিকে আরজি করের নির্যাতিতার সুবিচারের দাবি, অন্যদিকে এই কারণেই জুনিয়র চিকিৎসকদের অনন্ত কর্মবিরতি। দুটি বিষয় অত্যন্ত স্পর্শকাতরতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে রাজ্য প্রশাসনকে। সেই রাস্তা খুঁজতে নবান্নে জুনিয়র চিকিৎসকদের ডেকে কথা বলে, তাদের দাবিদাওয়ার কথা শুনে কাজে ফেরার আবেদন জানাতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনদিন ধরে নবান্নে অপেক্ষার পরও সেই সমাধান মিললো না। লাইভ স্ট্রিমিং না হলে কিছুতেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে রাজি নন আন্দোলনকারীরা।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাকে অনেক অসম্মান করা হয়েছে। আমাদের সরকারকে অনেক অসম্মান করা হচ্ছে। সোশাল মিডিয়ায় অনেক কুৎসা, অপপ্রচার হয়েছে। মানুষ তিলোত্তমার বিচার চাইতে এসেছে। আশা করি মানুষ বুঝতে পারছেন ওরা বিচার চায় না। ওরা চায় চেয়ার। আমি মানুষের স্বার্থে পদত্যাগ করতে রাজি আছি। আমার মুখ্যমন্ত্রীর পদ চাই না। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক। সাধারণ মানুষ চিকিৎসা পাক।

সূত্র: দ্য হিন্দুস্তান টাইমস

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...