বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬.
Home Blog Page 216

খোকসায় প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে ছাত্র-শিক্ষকদের বিক্ষোভ

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসার ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বিক্ষোভ করেছে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগও দিয়েছে তারা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমানের অপসারণের দাবিতে কøাস বর্জন করে। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা একটি বিক্ষোভ মিছিলসহ গড়াই নদী পার হয়ে উপজেলা সদরে আসে। বিক্ষোভকারী কয়েকশ শিক্ষার্থী উপজেলা পরিষদে ঢুকে পরে। তারা প্রায় এক ঘন্টা ধরে উপজেলা ক্যাম্পাসে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুহুমুহু স্লোগান দিতে থাকে। এক পর্যায়ে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফ খান, একই শ্রেণির ছাত্রী দীঘি খাতুন, কুয়াসা খাতুনসহ ৫ শিক্ষার্থীর একটি দল উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তার সাথে দেখা করেন। দুপুর তিনটার দিকে প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমানের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় তুলে ধরে একটি আবেদন জমা দেন।

আন্দোলনকারী ছাত্র-শিক্ষকরা জানান, কয়েক বছর আগে দলীয় বিবেচনায় মতিয়ার রহমান ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ বাগিয়ে নেন। এখানেই শেষ নয়। ছাত্র-শিক্ষকদের উপর শুরু করেন নির্যাতন। সামান্য অপরাধেই শিক্ষকদের কারণ দর্শানো থেকে শুরু করে বেতন ভাতা কেটে নেন। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অনেক শিক্ষকের নামে মামলাও দিয়েছেন। এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের অশালীন আচরণ ও অশ্রাব্য ভাষায় গালি গালাজ করার অভিযোগ করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

আারও পড়ুন –

নবম শ্রেণির ছাত্রী সামিয়া খাতুন জানান, বিদ্যালয়ে ল্যাব নাই, মেয়েদের কমনরুম ও শ্রেণিকক্ষে ফ্যান নাই। কোন সমস্যা নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে গেলে তিনি মেয়েদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অফিসে বসে বিড়ি সিগারেট খাওয়ার (ধুমপাানের ) অভিযোগ করে। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক মতিয়ারের বিরুদ্ধে অ¤্রাব্য ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ করেন এই শিক্ষাথী।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগ দেওয়া সহকারী শিক্ষক জয়ন্ত কুমার সরকার অভিযোগ করে বলেন, তিনি অপারেশনের জন্য আবেদন দিয়ে ১৭ দিনের ছুটি নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ছুটি না দেখিয়ে তার ১৭ দিনের বেতন কেটে দিয়েছেন। তার মতই প্রধান শিক্ষকের রোশানলের শিকার হয়েছেন, শিক্ষক আল-আমীন, আব্দুর রহিম, শাখাওয়াত হোসেনসহ একাধিক শিক্ষক। প্রধান শিক্ষকের কারসাজিতে আনোয়ার হোসেন লিটন নামের এক সহকারী শিক্ষককে রাজনৈতিক মামলায় আসামি করা হয়। ওই মামলা শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ৯০ দিন হাজত খেটেছেন।

প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথাবলা হলে তিনি জানান, তিনি সকালে স্কুলে গেলে কতিপয় শিক্ষক তার কাছ থেকে ( প্রধান শিক্ষকের) জোরপূর্বক পদত্যাগ পত্র নিতে চেষ্টা করেন। তারা পদত্যাগ পত্র নিতে ব্যর্থ হয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা সদরে আসেন। এ সময় তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে চলে আসেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা বলেন, শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ইতোমধ্যে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র প্রণয়নে ১১ সদস্যের কমিটি

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার চিত্র তুলে ধরতে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্র্বতী সরকার। শ্বেতপত্র প্রণয়নের লক্ষ্যে অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যকে প্রধান করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হযেছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনক্রমে কমিটির অন্য সদস্যদের মনোনীত করবেন ড. দেবপ্রিয়। পরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে কমিটির সদস্য হিসেবে ১১ জনের নাম জানানো হয়।

আরওও পড়ুন – বন্যায় ৩১ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ৫৮ লাখ মানুষ

শ্বেতপত্র প্রস্ততি কমিটির সদস্যরা হলেন- ইস্ট ওস্টে ইউনিভার্সিটির ব্যবসা ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন এবং অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এ কে এনামুল হক, বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিসের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. কাজী ইকবাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুুয়েট) অধ্যাপক এবং ২০০৮ সালে তত্ত¡াবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. এম তামিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্টে স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) এর নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শারমিন্দ নীলর্মী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক এবং রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন ড. তাসনিম আরেফা সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ও বিশিষ্ট কলামিস্ট ড. জাহিদ হোসেন।

বন্যায় ৩১ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ৫৮ লাখ মানুষ

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বন্যায় ১১ জেলায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কেএম আলী রেজা। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৫৮ লাখ ২২ হাজার ৭৩৪ জন।

বুধবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত সচিব এ সব কথা বলেন।

অতিরিক্ত সচিব জানান, দেশের পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় এখন পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে কুমিল্লায় ১২ জন, ফেনীতে ২, চট্টগ্রামে ৫, খাগড়াছড়িতে ১, নোয়াখালীতে ৬, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় ১, ল²ীপুরে ১ ও কক্সবাজারে ৩ জন মারা গেছেন। মৌলভীবাজারে দুই ব্যক্তি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

আরও পড়ুন – বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার বিএনপি-জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী

তিনি জানান, ১১ জেলার ৭৩ উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন/পৌরসভা ৫২৮টি। ১১ জেলায় মোট ১২ লাখ ২৭ হাজার ৫৫৪টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৫৮ লাখ ২২ হাজার ৭৩৪ জন। পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য মোট ৪ হাজার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। অশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় মোট ৫ লাখ ৪০ হাজার ৫১০ ব্যক্তি ও ৩৯ হাজার ৫৩১ গবাদি পশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

আলী রেজা জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সেবা দিতে মোট ৬১৯টি মেডিক্যাল টিম সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নগদ বরাদ্দ ১ কোটি বাড়িয়ে ৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা করা হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় সরকারি-বেসরকারিসহ সব পর্যায় থেকে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত আছে।

তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সংগৃহীত মোট ৮৮ হাজার ৫০০ প্যাকেট শুকনা খাবার, কাপড় ও পানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের (ডিডিএম) মাধ্যমে বন্যাকবলিত এলাকায় পাঠানো হয়েছে। ডিডিএম ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার বিএনপি-জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার যুবদল নেতা মিরাজুল ইসলাম মীর্জা। সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে চক্ষুশুল হয়ে ওঠে এলাকার আ’লীগের কাছে। সরকার বিরোধী আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকতেন সক্রিয় ভাবে। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জীবনে। মীর্জা বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হয় বলে দাবি পরিবার ও দলের।

ঝিনাইদহ শহরের একটি ছাত্রাবাস থেকে ২০১৫ সালের ১৭ মার্চ মিরাজুল ইসলাম মীর্জাকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এক সপ্তাহ বাদে ২৫ মার্চ মীর্জার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পন্নাতলা মাঠে। মীর্জার পিতা জোনাব আলী তার একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যান। ৯ বছর ধরে ছেলে হারানো শোক বযে বেড়াচ্ছেন।

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতি মাসে পাঠানো অনুদানেরর টাকায় তার সংসার চলে না। ফলে নিহতের মা বুলবুলি খাতুন পরের বাড়ি কাজ করে সংসার চালান।

শুধু যুবদল নেতা মিরাজুল ইসলাম মীর্জাই নয়, তার মতো বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন বিএনপি-জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী।

বিএনপি কর্মীদের খুন গুমের তালিকা সুত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৪০ মাসে জেলায় বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন ৪২ জন। এরমধ্যে বিএনপির ৪ জন, জামায়াত শিবিরের ১৫ জন, সাধারণ ব্যবসায়ী একজন, তালিকা ভুক্ত সন্ত্রাসী ১৪ জন ও অজ্ঞাত রয়েছেন ৮ জন।

জেলায় উদ্ধার হওয়া নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, ঢাকার শনির আখড়া এলাকার বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, কালীগঞ্জ উপজেলার নলভাঙ্গা গ্রামের বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম রবি. ঝিনাইদহ শহরের খাজুরা গ্রামের বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফার ছেলে গোলাম আজম পলাশ, একই গ্রামের দুলাল হোসেন, আরাপপুর ক্যাডেট কলেজ পাড়ার ব্যবসায়ী তমুর রহমান তুরান, হরিণাকুন্ডুর রঘুনাথপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ইদ্রিস আলী পান্না, শৈলকুপার শিবির কর্মী ইবি ছাত্র সাইফুল ইসলাম মামুন, ঝিনাইদহ শহরের শিবির নেতা ইবনুল পারভেজ, মেধাবী ছাত্র জহুরুল ইসলাম, তারিক হাসান সজিব, কুষ্টিয়ার আনিছুর রহমান, ঝিনাইদহ শহরের শহীদ আল মাহমুদ, কালীগঞ্জের ঈশ^রবা গ্রামের সোহানুর রহমান সোহান, একই উপজেলার বাকুলিয়া গ্রামের শামিম হোসেন, চাপালী গ্রামের আবুজার গিফারী, সদর উপজেলার কালুহাটী গ্রামের হাফেজ জসিম উদ্দীন, সদর উপজেলার অশ^স্থলী গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক ও জামায়াত কর্মী আবু হুরাইরা, কোট চাঁদপুরের বলাবাড়িয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী হাফেজ আবুল কালাম ও একই উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের জামায়াত নেতা এনামুল হক বিশ্বস।

আরও পড়ুন – জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার হচ্ছে

বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের অভিযোগ সাংগঠনিক ভাবে দক্ষ ঝিনাইদহের এসব কর্মীদের টার্গেট করে আওয়ামী লীগ পুলিশ দিয়ে একের পর এক হত্যা করে গেছে। আর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল অতি উৎসাহী কতিপয় পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের লোকজনেরা। বিশেষ করে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মদদে টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হন বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা। প্রথমে পুলিশ, ডিবি বা র‌্যাব পরিচয়য়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হতো। কিছুদিন পর ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যেত তাদের।

ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আলী আজম মোঃ আবু বকর জানান, ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের আমলে ঝিনাইদহে জামায়াত শিবিরের ১৬ নেতা কর্মীকে খুন করা হয়েছেন। এসব হত্যাকান্ডের ঘটনায় কেন্দ্র থেকে মামলার নির্দেশনা দিয়েছে মামলা করার। ইতিমধ্যে আমরা জামায়াত কর্মী আব্দুস সালাম হত্যার ঘটনায় মামলা করেছি। পর্যায়ক্রমে সব খুনের মামলা করা হবে এবং সেই প্রচেষ্টা চলছে।

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডঃ এম এ মজিদ বলেন, খুনি হাসিনা সরকারের আমলে ঝিনাইদহে যেসব বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে মামলার পক্রিয়া চলছে। দ্রæতই বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত কুশিলবদের বিরুদ্ধে মামলা করে আইনের আওতায় আনা হবে।

জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার হচ্ছে

0

দ্রেুাহ অনলাইন ডেস্ক

২৭ দিনের মাথায় জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ আগস্ট) এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সংঘটিত কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে গত ১ আগস্ট বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবির ও অন্য অঙ্গসংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ সরকার। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮(১) ধারায় নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন – জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান বন্ধ থাকবে

নিষিদ্ধের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে জামায়াতের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ৫ আগস্ট তৎকালীন সরকারের পতন হয় এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে সেনাপ্রধানসহ রাষ্ট্রপতির দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। পরে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করার ক্ষেত্রেও জামায়াতে ইসলামী গুরুত্বপূর্ণ, তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পলন করে। কার্যত জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বর্তমান সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একটি স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। নিষিদ্ধের আদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন উপদেষ্টা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমাদের আশ্বাস দিয়েছে।

এক রিট আবেদন নিষ্পত্তি করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এরপর ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে জামায়াত। গত বছরের ১৯ নভেম্বর সেই আপিল খারিজ করে দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান বন্ধ থাকবে

0

Iদ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান বন্ধ থাকবে। যারা যোগদান করেছেন তাদের কার্যকারিতাও স্থগিত থাকবে।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘অতি সম্প্রতি বিভিন্ন সংগঠন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে কিছু লোকের যোগদানের খবর আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামি রাজনৈতিক সংগঠন। যে কোনো ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামীর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে এই সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করতে পারেন।’

আরও পড়ুন – পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে

এতে আরও বলা হয়, ‘বর্তমানে ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর আমরা এক বিশেষ পরিস্থিতি অতিক্রম করছি। জামায়াতে ইসলামী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন ও আহত হয়েছেন তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শোকে অংশগ্রহণ করার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি বন্যার্তদের সহযোগিতায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এ সময়ে আমাদের প্রধান কাজ দেশ ও জাতির সংস্কারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখা ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন।’

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামীর মহানগরী, জেলা, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ওয়ার্ড ও ইউনিট পর্যায়ে বিভিন্ন সংগঠন থেকে কেউ যোগদান করতে চাইতে পারে। তবে এদের যোগদান থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে যারা যোগদান করেছেন তাদের যোগদানের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে।’

পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণপদত্যাগ ও গণছুটি কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের আহ্বানে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহারা করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের ৮০ ভাগ অঞ্চলের প্রায় ১৪ কোটি মানুষকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৪৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দ্বৈতশাসন ও ৪৭ বছর ধরে চলমান শোষণ, বৈষম্য ও নিপীড়ন থেকে মুক্তির জন্য আরইবি-পবিস একীভূতকরণসহ অভিন্ন চাকুরিবিধি বাস্তবায়ন এবং সব চুক্তিভিত্তিক ও অনিয়মিত কর্মচারীদের নিয়মিতকরণের ২ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া চলমান।

আরও পড়ুন – ছাত্র হত্যা মামলার আসামি অনিক মহেশপুর সীমান্তে আটক

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বন্যাদুর্গত মানুষের কথা বিবেচনায়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নবগঠিত অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয়, ছাত্র সমন্বয়ক এবং দেশের সুশীল সমাজের আহ্বান এবং সর্বোপরি আপামর জনসাধারণের অনুরোধের প্রেক্ষিতে পূর্বঘোষিত গণপদত্যাগ ও গণছুটি কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হলো।

বাপবি বোর্ডের নব যোগদানকৃত চেয়ারম্যান এবং বিদ্যুৎ বিভাগ দায়িত্ব নিয়ে আরইবি এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রিফর্ম কার্যক্রম ও সকল চুক্তিভিত্তিক ও অনিয়মিত কর্মচারীদের নিয়মিতকরণের দাবি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করবেন এবং অনতিবিলম্বে কার্যকরী পদক্ষেপ দৃশ্যমান হবে মর্মে প্রতিশ্রæতি প্রদান করেছেন।

এমতাবস্থায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কবৃন্দ আন্দোলন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন।

ছাত্র হত্যা মামলার আসামি অনিক মহেশপুর সীমান্তে আটক

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ভারতে পালানের সময় ছাত্র হত্যা মামলার আসামি তারেক আহাম্মেদ অনিক (৩৪) ওরফে কিলার অনিককে মহেশপুর সীমান্ত থেকে আটক করেছে ৫৮ বিজিবি। অনিক ঢাকা মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি হাজী আবু তাহেরের ছেলে। তার বাড়ি বাড্ডা থানার উত্তর বাড্ডা এলাকার ভাওয়ালীপাড়ায়। তার বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় হত্যাসহ ৪টি মামলা রয়েছে।

মঙ্গলবার বিজিবি’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার ভোরে মহেশপুর উপজেলার মাটিলা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিল অনিক। গোপন সুত্রে খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করে।

আরও পড়ুন – আওয়ামী লীগ কী যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত হবে !

মহেশপুরের খালিশপুর-৫৮ বিজিবির উপ-পরিচালক মেজর মোল্লা ওবায়েদুর রহমান জানান, বেষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম আসামী অনিক। সে মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে অনিক ছাত্র হত্যাসহ একাধিক মামলায় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তারেক আহম্মেদ অনিক ঢাকা বাড্ডা এলাকায় কিলার অনিক নামে সমধিক পরিচিত বলে জানিয়েছেন বিজিবি’র ওই কর্মকর্তা।

আওয়ামী লীগ কী যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত হবে !

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে মুখে ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এর পর থেকেই আত্মগোপনে আওয়ামী লীগের র্শীষ থেকে তৃণমূল নেতারা। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর প্রথমে কয়েকদিন ভিডিও বার্তা দেন তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনিও নীরব।

নেতাকর্মীদের নিষ্কিয়তা কাটাতে ফের সক্রিয় হয়েছে আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ। দলটির পেজ থেকে নেতাকর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করে একটি নম্বর দেওয়া হয়েছে।

আরও পগড়ুন – পৌর এলাকার বৃষ্টির পানি নিস্কাসনে শ্যালো মেশিন

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, ‘আপডেট‼ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ +১(৯১৭)৫৬৯৯৩২৭ এই নম্বরে দলীয় সব খবর এবং তথ্য পাঠাতে অনুরোধ করছি।’

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নম্বরটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। অবশ্য, ওই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটির আগের নম্বর ছিল বাংলাদেশি, ০১৩১২১১১৯৭১।

ধারণা করা হচ্ছে, দলটির কোনো নেতার নম্বর এটি। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দলীয় তথ্য সমন্বয় করবেন। অথবা এমনও হতে পারে, দেশে অবস্থান করেই কেউ মার্কিন নম্বর প্রদর্শন করে কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তবে দুটো নম্বরেই কল দিয়ে সাড়া মেলেনি।

পৌর এলাকার বৃষ্টির পানি নিস্কাসনে শ্যালো মেশিন

0

কুমারখালী প্রতিনিধি

কুমারখালী পৌরসভা এলাকায় বৃষ্টির পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিস্কাসনে শ্যালো মেশিন ব্যবহার করা হয়েছে।

সোমবার থেকে পৌরসভার সেরকান্দি ওহাবমোড় সংলগ্ন এলাকায় শ্যালো মেশিন বসিয়ে পানি সেচে ড্রেনে দেওয়া শুরু করা হয়। পৌরসভার সার্ভেয়ার ফিরোজুল ইসলাম পানি সেচে ড্রেনে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সরেজমিন ওই এলাকায় গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে আলাপকালে অনেকেই বলেন, এই মুহুর্তে মেশিন দিয়ে পানি নিস্কাসনের উদ্যোগ হাস্যকর। এলাকাবাসীর ভাষ্য, গত একযুগে রেল সেতু সহ ৫/৬ টি সেতু ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে পানি নিস্কাষন ব্যবস্থা। সে কারণে জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন হাজারো মানুষ। অব্যাহত বৃষ্টিতে এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাকেই দায়ী করেছেন অনেকে।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে প্রভাষক হত্যার ঘটনায় ১১ বছর পর মামলা

কুমারখালী পৌরসভার ১, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ বিভিন্ন এলাকায় জন সাধারণের চলাচলের পাকা সড়কের উপর দিয়ে পানির স্রোত বয়ে যাচ্ছে। এই মুহুর্তে বিকল্প উপায়ে দ্রæত পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা করা দরকার। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তেমন কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

জলাবদ্ধতা নিরসনের বিষয়ে সোমবার দুপুরে পৌরসভার সার্ভেয়ার ফিরোজুল ইসলাম জানান, ড্রেনদিয়ে পানি নিস্কাসন সম্ভব হচ্ছে না। তাই মেশিনের সাহায্যে পানি নিস্কাসন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই সেরকান্দি এলাকায় দুইটি সেশিন দিয়ে পানি ড্রেনে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকায় গিয়ে একটি শ্যালো মেশিন চলতে দেখা গেছে।

সেরকান্দি এলাকায় পাকা সড়কের উপরে পানি, বসত বাড়িতে পানি। বাড়ি থেকে বাহিরে যাতায়াতে চরম অসুবিধা হচ্ছে। মাটির চুলায় রান্না বন্ধ হয়ে গেছে আরো আগেই। সরকারি কলেজে প্রবেশের সড়ক পানিতে নিমজ্জিত। দুর্ভোগের শেষ নেই বাটিকামারা এলাকাতেও।

একই অবস্থা দুর্গাপুর এলাকায় ফুলকুড়ি শিশু বিদ্যালয়, আদর্শ মহিলা ডিগ্রী কলেজে, উপজেলা পরিষদ মাঠ পানিতে নিমজ্জিত। উপজেলা সড়ক পানিতে নিমজ্জিত। উপজেলা পরিষদ চত্বরে আরো আগে থেকেই পানি জমে রয়েছে। এ ছাড়াও দুর্গাপুর এলাকায় অনেক বসত বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। পানি নিস্কাসনের অভাবে মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কুষ্টিয়া-রাজবাড়ি সংলগ্ন আদিবাসি পাড়া পানিতে ডুবে গেছে।

উপজেলা পরিষদের পুর্বের সীমানা সংলগ্ন পাড়ার বাসিন্দারা পানিতে আটকে রয়েছেন। তারা জানান, পাকা সড়কের উপর দিয়ে পানি যাচ্ছে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে। এ পর্যন্ত পৌরসভার কেউ পরিদর্শনেও আসেনি।

উল্লেখ্য, হাসিনা সরকারের পতনের পর মেয়র কাউন্সিলর সহ অনেকের বাড়ি সহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। সেই থেকে কুমারখালী পৌরসভার মেয়র কাউন্সিলর সহ সকলেই অজ্ঞাত স্থানে আতœগোপন করেন। এর পরই বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকার দেশের সকল পৌরসভার মেয়রদের অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগের আদেশ দেন।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...