মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬.
Home Blog Page 5

একুশের বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওইদিন দুপুর ২টায় বইমেলা উদ্বোধন করবেন।

জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বই এবং বইমেলা সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করছে মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি।

মঙ্গলবার দুপুরে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বইমেলার সবশেষ প্রস্তুতি তুলে ধরা হয়।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব সেলিম রেজা। বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির পরিচালক সরকার আমিন।

এবার মেলা চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলা। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। আর ছুটির দিন বইমেলা বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

সেলিম রেজা লিখিত বক্তব্যে বলেন, এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণকারী মোট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৫৪৯টি। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি। মোট ইউনিট ১,০১৮টি। গত বছর মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ৭০৮টি এবং ইউনিট ছিল ১,০৮৪টি।

মেলা কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের মেলায় কমেছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। মেলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বর থাকবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায়। সেখানে ৮৭টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিশুচত্বরে মোট প্রতিষ্ঠান ৬৩টি এবং ইউনিট ১০৭টি।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, “এবারের মেলা সকল সম্ভাবনায় আলোকিত হয়ে প্রাণের বইমেলায় পরিণত হবে বলে আমরা আশা করছি। মেলায় সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।”

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বইমেলার মূল মঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
প্রতি শুক্র ও শনিবার মেলায় বেলা ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে। অমর একুশে উদযাপনের অংশ হিসেবে শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে।

মেলা কমিটির সদস্য-সচিব সেলিম রেজা বলেন, এবার বইমেলার বিন্যাস গতবারের মতো অক্ষুন্ন রাখা হয়েছে। তবে কিছু আঙ্গিকগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। আর রোজার মাস উপলক্ষ্যে সোহরাওয়ানী উদ্যান অংশে মেলায় আসা মুসল্লিদের জন্য সুরা তারাবি নামাজের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া খাবারের স্টলগুলো এবারও থাকছে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের সীমানা ঘেঁষে।

বইমেলায় বাংলা একাডেমি এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫% কমিশনে বই বিক্রি করবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের নির্ধারিত কমিশনে বই বিক্রয় করবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে। বইমেলার প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে পর্যাপ্ত সংখ্যক আর্চওয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। নিরাপত্তার জন্য মেলায় ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বইমেলা পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত থাকবে।

বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ২০২৫ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণগতমান বিচারে সেরা বইয়ের জন্য প্রকাশককে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ এবং ২০২৫ সালের বইমেলায় প্রকাশিত বইয়ের মধ্য থেকে শৈল্পিক বিচারে সেরা বই প্রকাশের জন্য ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ দেওয়া হবে।

এছাড়া ২০২৫ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণগত মান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থের জন্য ১টি প্রতিষ্ঠানকে ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’ এবং এ-বছরের মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে। স্টলের নান্দনিক সাজসজ্জায় শ্রেষ্ঠ বিবেচিত প্রতিষ্ঠানকে ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হবে।

এবারের বইমেলায় প্রবর্তন হচ্ছে ‘সরদার জয়েনউদ্দীন স্মৃতি পুরস্কার’ শিরোনামে একটি নতুন পুরষ্কার।
মেলায় নতুন অংশগ্রহণকারী (যে সব প্রতিষ্ঠান নতুন প্রকাশক হিসেবে এবারই প্রথম/২০২৪ বা ২০২৫ সালে মেলায় প্রথম অংশগ্রহণ করছে) তাদের মধ্য থেকে ‘গুণগতমান বিচার’-এ সর্বাধিক সংখ্যক বইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ‘সরদার জয়েনউদ্দীন স্মৃতি পুরস্কার’ (১ম, ২য়, ৩য়) প্রদান করা হবে। অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর ব্যবস্থাপনা সহযোগী হিসেবে থাকছে বর্তমান বাংলা লিমিটেড।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে প্রথমে বইমেলা এগিয়ে ডিসেম্বরে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলা একাডেমি। পরে গেল বছর ২৮ সেপ্টেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে সেই সিদ্ধান্ত ‘স্থগিত’ করার কথা জানায় আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ২ নভেম্বর বৈঠকে করে বাংলা একাডেমি নির্বাচনের পরপর ফেব্রæয়ারি মাসেই মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়। তখন জানানো হয়েছিল, নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হওয়ার পরই মেলার তারিখ ঘোষণা করা হবে।
নির্বাচন কমিশন গত ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করে ১২ ফেব্রæয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনের ঘোষণা দেয়।

এরপর বাংলা একাডিমি বইমেলা ২০ ফেব্রæয়ারি থেকে শুরু হবে বলে জানায়। কিন্তু প্রকাশকরা সেটি পিছিয়ে ঈদের পরে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এছাড়া ভাষার চেতনাকে ধারণ করা অমর একুশে বইমেলা ২১ ফেব্রæয়ারি থেকে শুরু হতে পারে বলেও ধারণা দিয়েছিলেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। কিন্ত সেটিও হয়নি। এর মধ্যে ২৫ ফেব্রæয়ারি থেকে বইমেলা শুরুর ঘোষণা দেয় বাংলা একাডেমি। তবে মেলা সংশ্লিষ্টরা এর পর জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একদিন পিছিয়ে ২৬ ফেব্রæয়ারি সময় দিয়েছেন।

কাপড়ের হাটের সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলার ঘোষণা দিলেন এমপি

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কাপুড়িয়া হাট পরিদর্শন করেছেন কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা–কুমারখালী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ আফজাল হোসেন।

মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে তিনি হাটে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্যবসায়ীরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। বিশেষ করে বাজারে অনিয়ম ও সিন্ডিকেট কার্যক্রমের অভিযোগ সামনে আসে। এসব বিষয়ে এমপি ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রæত সমাধানের আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে এবং কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা অস্বাস্থ্যকর প্রভাব বিস্তার বরদাস্ত করা হবে না। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও একটি সুশৃঙ্খল বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘেœ বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারেন, সে দিকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন সংসদ সদস্য।

এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমারখালী পৌরসভা শাখার নেতৃবৃন্দ, বাজার কমিটির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তারা বাজার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ব্যবসায়ীরা এমপির সরেজমিন উপস্থিতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং ঘোষিত পদক্ষেপ দ্রæত বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

কুষ্টিয়ায় পুলিশের কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স সম্মেলন কক্ষে এ মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিপিএম (বার) এ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি কল্যাণ সভায় উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখেন। কল্যাণ সভায় বিগত মাসের কল্যাণ সভায় প্রস্তাবিত কল্যাণমূলক প্রস্তাবসমূহ অনুমোদনক্রমে বাস্তবায়ন করা হয় এবং একই সাথে জেলা পুলিশের সকল থানা-ফাঁড়িসহ অন্যান্য ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান এবং পুলিশের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এসময় পুলিশ সুপার মহোদয় জানুয়ারি মাসের প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিসরূপ তিনটি ক্যাটাগরিতে-১) শ্রেষ্ঠ এসআই, শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট/টিএসআই, শ্রেষ্ঠ এএসআই, ২) সেরা ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার, ৩) চৌকস কনস্টেবলসহ সর্বমোট ১৬ জনকে পুরস্কার প্রদান করেন। কল্যাণসভার শেষাংশে কুষ্টিয়া জেলা থেকে সদ্য অবসরে যাওয়া চার জন পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা ও শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার মহোদয়।

কল্যাণসভা শেষে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্)
ফয়সাল মাহমুদের সঞ্চালনায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিপিএম (বার)।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)শিকদার মোঃ হাসান ইমাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) প্রণব কুমার সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) মোঃ দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষানবিশ সহকারি পুলিশ সুপারদ্বয়, সকল থানার অফিসার ইনচার্জগন, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, ডিআইও-১ (ডিএসবি), ওসি-এমটি, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যান), আরআই কুষ্টিয়াসহ সংশ্লিষ্ট অফিসার ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

নদী জুড়ে ফাঁদ

0

ফারাক্কার বিরুপ প্রভাবে গড়াই নদী প্রায় পানি শুন্য হয়ে পরেছে। যেখানে সামান্য পানি আছে, শিকারীরা সেখানেই বাঁশ পুতে বেড়া দিয়ে গাছের ডাল লতা পাতা দিয়ে মাছের অভয় আশ্রম তৈরী করেছে। ফাঁদে মাছ চাষের পুকুরের মত নিয়োমিত খাবার দেওয়া হয়। সপ্তাহ অন্তে জাল দিয়ে অভয় আশ্রম ঘিরে সেখানে বিষ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ফলে বিষক্ত হচ্ছে নদী পানি। মারা যাচ্ছে ছোট ছোট প্রকৃতিক মাছ। ধ্বংশ করা হচ্ছে জীব বৈচিত্র। গড়াই নদীর কুষ্টিয়ার খোকসার পৌর এলাকার কমলাপুর থেকে মাছ ধরার ফাঁদের ছবিটি তোলা।

দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা: বাজার তদারকিতে নামলেন এমপি আমির হামজা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া পৌরবাজারসহ আশেপাশের বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কৃষি বিপনন কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটকে সাথে নিয়ে সরেজমিনে বাজার তদারকি করেছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা। এ সময় বাজার দরের চেয়ে বেশি দাম রাখায় দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাচনী প্রতিশ্রæতির অংশ হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং ভোক্তাদের হয়রানি বন্ধে সোমবার কুষ্টিয়া শহরের পৌর বাজারে (মিউনিসিপ্যালিটি মার্কেট) তদারকি করেন মুফতি আমির হামজা।

বাজার তদারকির সময় আমির হামজা বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারী দোকান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলেন। পরে মুরগীর বাজারে বাজার দরের চেয়ে কেজিতে ৫০ টাকা বেশি নেওয়ায় দুই মুরগীর দোকানিকে কৃষি বিপনন আইন ২০১৮/ ১৯ এর বিভিন্ন ধারায় ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাহমিদ মোস্তফা হাসান।

এছাড়াও কলার আড়ত (পাইকারী দোকান ) থেকে খুচরা বিক্রেতাদের ক্রয় রশিদ না দেওয়া ও সবজীর দোকানে মূল্য তালিকা না টানানোয় প্রথমবারের মত সতর্ক করা হয় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কুষ্টিয়া শহর শাখার আমীর মো.এনামূল হক, কুষ্টিয়া কৃষি বিপনন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাহমিদ মোস্তফা হাসান।

কুষ্টিয়া বাজার কর্মকর্তা ও সিনিয়র কৃষি বিপনন কর্মকর্তা মো.আব্দুল মান্নান হওলাদার বলেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং এর অংশ সোমবার কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন বাজার মনিটরিংয়ে যায়। এ সময় মুরগীর বাজারে বাজার দরের চেয়ে কেজিতে ৫০ টাকা বেশি নেওয়ায় দুই মুরগীর দোকানিকে ৫ হাজার টাকার করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রমজান মাস জুড়েই বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এদিকে পরিদর্শনকালে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে মুফতি আমির হামজা বলেন, রমজান সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাসে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য। কেউ যদি ভোক্তাদের ঠকানোর চেষ্টা করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে জানানো হবে। একই সঙ্গে তিনি ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানান।

লাটিম খেলা

0

সুনিদ্রিষ্ট নিশানার লাটিমটিকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করতে পারলেই বিজয়ী হওয়া যাবে। তাই বিজয়ী হওয়ার শৈশবে লাটিমের প্রতি অবর্ণনীয় আকর্ষন থাকে সব বাঙালী শিশুদের। সোমবার কুষ্টিয়ার খোকসা সিংঘড়িয়া থেকে শিশুদের লাটিম খেলার ছবিটি ধারণ করা।

নারী ক্রিকেটারকে যৌন হয়রানি: মঞ্জুরুলকে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করছে বিসিবি

0

দ্রোহ ক্রীড়া ডেস্ক

নারী ক্রিকেটারকে যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাবেক ক্রিকেটার ও জাতীয় নারী দলের সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলামকে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। রবিবার বিসিবির ভার্চুয়াল বোর্ড সভায় এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার জাহানারা আলমের করা এক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে বোর্ড।

রবিবার বিসিবির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল জাতীয় নারী দলের সিনিয়র ক্রিকেটার জাহানারা আলমের একটি অভিযোগ কেন্দ্র করে। নারী দলে দায়িত্ব পালনকালে মঞ্জুরুল ইসলাম তাকে যৌন হয়রানি করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন জাহানারা। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিসিবি। সেই কমিটির দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে জাহানারার চারটি অভিযোগের মধ্যে দুটি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ আমলে নিয়ে রবিবার মঞ্জুরুলকে বাংলাদেশের সব ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকান্ড থেকে নিষিদ্ধ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। বর্তমানে মঞ্জুরুল ইসলাম চীনের নারী ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, দেশে ফেরার পর বা দেশের কোনো ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি আর কোনো ভূমিকা পালন করতে পারবেন না।

সূত্র আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় জাহানারা আলম যদি ব্যক্তিগতভাবে মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে চান, তবে বিসিবি তাকে সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদান করবে। নারীর নিরাপত্তা ও ক্রিকেটের পরিবেশ স্বচ্ছ রাখার স্বার্থেই বোর্ড এমন আপসহীন অবস্থান নিয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

গভীর রাতে আগুনে পুড়লো তিন দোকান

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে একটি ফার্নিচার, একটি কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকান ও একটি ডেন্টিসের ( পল্লী চিকিৎসক) দোকান পুড়ে অন্তত ২৫-৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ফার্নিচারের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত আগুন তা জানা যায়নি।

ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন – ওই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে জাকির হোসেন। তিনি কাঠ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ী। ফজলু শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ। তিনি কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিনের ব্যবসায়ী। অপরজন হলেন আলতাফ হোসেনের ছেলে শরিফ উদ্দিন (ডেন্টিস)।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে তিনটার লাহিনীপাড়া এলাকার তিনটি দোকানে দাউ দাউ করে আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে চিৎকার চেঁচাচেচি করে সকলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে এবং কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে মুঠোফোনে কল দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিভানোর কাজ শুরু করেন। এরপর এলাবাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের প্রায় একঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে সকল মালামালসহ তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

জানতে চাইলে স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পী হোসেন জানান, রাত সাড়ে তিনটার দিকে আগুন দেখে সবাই ছুটে এসে নিভানোর চেষ্টা করে। শেষ মূহুর্তে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। ততক্ষণে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ জাকিরের ভাই লালন হোসেন বলেন, ‘আমার ভাইয়ের দোকানে কাঠ, ফার্নিচার, যন্ত্রপাতিসহ ১৫ – ২০ লাখ টাকার মাল ছিল। আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ‘তার ভাষ্য, তিনটি দোকানে প্রায় ২৫ – ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুনের সূত্রপাত সমন্ধে কিছু জানা যায়নি।

কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার আলী হোসেন ফোনে বলেন, খবর পেয়ে ছুটে এসে দেখি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। সকলের সহযোগীতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের সুত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপক্ষে পরে জানানো যাবে।

কুষ্টিয়ায় আইনজীবীর সদস্যপদ খারিজের অভিযোগ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে এক আইনজীবীর সদস্যপদ খারিজের অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার বেলা ১টায় কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন জেলার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবু আজম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৯৫ সাল থেকে কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির তালিকাভুক্ত সদস্য তিনি। পরে ঢাকা বার কাউন্সিলের সদস্য পদলাভ করেন। জেলা আইনজীবী সমিতিতে একাধিকবার বিভিন্ন পদে নির্বাচনও করেছেন। তিনি বলেন, আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর হঠাৎ করেই ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

তার অভিযোগ আইনজীবী শেখ আবু সাঈদ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থেকেও এবার বিএনপিপন্থী সেজে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে এবার সভাপতি পদে লড়ছেন।

আবু আজমের দাবি, সমিতির আরও অনেক আইনজীবী ঢাকা বার কাউন্সিলের সদস্য হলেও শুধুমাত্র তার ক্ষেত্রেই এ যুক্তি দেখিয়ে প্রভাব খাঁটিয়ে অন্যায়ভাবে শেখ আবু সাঈদ তার সদস্যপদ খারিজ করিয়েছেন। ন্যায়বিচার ও নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এ বিষয়ে ঢাকা বার কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ করেছেন আবু আজম।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অ্যাডভোকেট শেখ আবু সাঈদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কুষ্টিয়া ৪ আসন – দাঁড়িপাল্লার জয়ে জড়িত নেতাদের বহিস্কারের দাবি

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে অন্ত কোন্দল, সমন্বয়হীনতা ও মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে দলের নীতি ও আদর্শের সঙ্গে বেঈমানি করার কারনেই কুষ্টিয়া ৪ আসনে ধানের শীষের পরাজয় হয়েছে বলে সাংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। জামায়াতের প্রার্থীর হয়ে কাজ করা নেতাদের বহিস্কারের দাবি করা।

রবিবার দুপুরে কুমারখালীতে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করা হয়। কুমারখালী বাসস্টান্ডে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কুমারখালী ও খোকসা উপজেলা বিএনপি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খোকসা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো.তরিকুল ইসলাম, কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক, খোকসা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিস উজ জামান, খোকসা পৌর বিএনপির সভাপতি এজেডজি রশিদ রেজা বাজু মুন্সীসহ নেতাকর্মী।

লিখিত বক্তব্যে বিএনপি নেতা আমজাদ আলী বলেছেন, ‘কুষ্টিয়া ৪ আসনে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ধানের শীষের হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন। তিনি এ আসনের দুইবারের সাবেক এমপি ছিলেন। তাঁর বাবা সৈয়দ মাসুদ রুমীও এমপি ছিলেন। তবে দলীয় কোন্দল, সমন্বয়হীনতা ও মনোনয়ন বঞ্চিত নেতা ও সমর্থকদের বেঈমানির কারনে গত ১২ ফেব্রæয়ারী অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী সামান্য ভোটে পরাজিত হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘এই আসনে মেহেদী রুমী ছাড়াও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ সাদী ও কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামানিক দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দল মেহেদীকে মনোনয়ন দিলেও সাদী ও আনছার স্বতন্ত্র নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছিলেন। এরপর শেষ পর্যন্ত আনছারের প্রার্থীতা অবৈধ ঘোষণা হয় এবং সাদী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেন। তবুও এই দুই নেতা ও কর্মীদের সমর্থকরা শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের সঙ্গে বিরোধিতা করে এবং দাঁড়িপাল্লায় প্রকাশ্যে ভোট করেন।’

লিখিত বক্তব্যে বিএনপি নেতা আমজাদ আলী বলেছেন, ‘ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ সাদী, কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান এবং খোকসা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন খান ও তাঁদের সমর্থিত নামধারী বিএনপি নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট করে ধানের শীষের প্রার্থীকে পরাজিত করেছে। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে তদন্ত করে দল থেকে বহিস্কারের দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

তবে সংবাদ সম্মেলনে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান বলেন, ‘সমন্বয়হীনতা ও অরাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের দ্বারা নির্বাচন পরিচালনা করায় ধানের শীষের পরাজয় হয়েছে। এখন আমাদেরকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এমন অভিযোগ করা হচ্ছে। মূলত অভিযোগকারীদের কারনেই প্রার্থী হেরেছে।’

আর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ সাদী মুঠোফোনে বলেন, ‘এটা কি হয় নাকি। আমরা বাদ দিলে কি বিএনপি থাকে। শোনেন, আমি, আনছার ভাই, আলাউদ্দিন সাহেব, লুৎফর ভাই, আমরায় তো কুমারখালী খোকসার নেতা। আমরা যদি ভোট না করতাম। তাহলে এতো ভোট আসতো কোথা থেকে। ‘ তাঁর ভাষ্য, কিছু নেতাকর্মী নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করছে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে এক লাখ ৪৮ হাজার ২০১ ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন। তাঁর নিকটতম প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী এক লাখ ৩৯ হাজার ৬০৩ ভোট পেয়েছেন।

সর্বশেষ সংবাদ

ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাত নেতা আটক

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ‎ঝিনাইদহে তেল পাম্পে ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাত নেতাকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল...

সূর্যমূখি

বাসন্তি আভা সূর্যমূখি প্রকৃতিকে মুখিয়ে তুলেছে। ঝড়ে পড়া বাসন্তি রেণু দক্ষিনা বাতাসকে রাঙিয়ে দিয়েছে। কুষ্টিয়ার খোকসার শিমুলিয়া ই্উনিয়নের একটি রিসোট থেকে ছবিগুলো তোলা।  

বিজিবি’র অভিযানে মাদক সহ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক চারটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা মাদক, অবৈধ ঔষধ ও ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করেছে। সোমাবার (০৯ মার্চ) দুপুরে...

সরকাররি তিন অফিসে একরাতে চুরি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কার্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় একযোগে...

ফসলের উপকারী পতঙ্গের অভাব: কৃত্রিম পরাগায়নের পদ্ধতির পথে হাটছে কৃষক

স্টাফ রিপোর্টার জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ফুল জাতীয় ফসলের পরায়গায়ন উপযোগী পতঙ্গের অভাব দেখা দিয়েছে। ফলে পেঁয়াজের কদম (বীজের ফুল) সহ ফুল জাতীয় ফসলে...