আধিপত্য বিস্তারে আওয়ামী লীগের দু-গ্রুপ মুখোমুখি, গুলিবিদ্ধ ১৪
পাবনা প্রতিনিধি
পাবনার সুজানগরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় লিপ্ত হয়েছে। এ সংঘর্ষে ১৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রবিবার দুপুর ২ টার সময় উপজেলার আমিনপুর থানার রানীনগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুইগ্রুপের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১৪ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন ।
পুলিশ এ ঘটনায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেনসহ পাঁচজনকে আটক করেছে। আটককৃত অন্যরা হলেন সাইদুল, শরীফুল, আরিফ ও দোলোয়ার।
পুলিশের ভাষ্যমতে, রানীনগর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি শাহিনুর রহমান মাস্টার এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুল ইসলাম মাস্টারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উক্ত ইউনিয়নের ভাদুরজলা বিল নিয়ে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি আদালত খায়রুল মাস্টার গ্রুপের পক্ষে রায় দেন।
ঘটনার দিন খায়রুলের পোষ্যরা ওই বিলে মাছ ধরছিল। একই সময় শাহিনুর ও তার বাবা রানীনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেনের নেতৃত্বে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। শাহাদত ও শাহিনুর মাস্টার তাদের লাইসেন্স করা বন্দুক দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন খায়রুলের ১৪ জন সমর্থক।
তবে এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে আরও ৮ জন আহত হন। এরপর খায়রুলের পোষ্যরা শাহাদতের বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ভাংচুর করে।
গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ভাটিকয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রাকিব, শাহাদত হোসেনের ছেলে রাজিব খান, মৃত মানিকের ছেলে উজ্জ্বল, আবদুল বাতেনের ছেলে রায়হান, হোসেনের ছেলে জিন্নাহ সর্দার, হাসেন আলীর ছেলে সেলিম, শাহিন ও শাকিব, ইব্রাহিমের ছেলে রফিকুল, মৃত ইদ্রিসের ছেলে রাশু মেম্বার, আব্দুল মতিনের ছেলে পেয়ারা, মৃত হাকিমের ছেলে আমজেদ, সিদ্দিক খানের ছেলে আমির। আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিনুজ্জামান শাহিন বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওহাব গ্রুপের লোকজন আমার গ্রুপের ১৪ জনকে গুলি করেছে। তারা এখন পাবনা জেনারেল হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র আবদুল ওহাব তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি অরাজনৈতিক ও স্থানীয়।
আমিনপুর থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নারায়নগঞ্জ মসজিদ ট্রাজেডিঃ চলছে লিকেজের সন্ধান
নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণে সংগঠিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ গ্যাসের লিকেজ অনুসন্ধানে মাটি খননের কাজ শুরু করেছে।
সোমবার সকাল থেকে তিতাস গ্যাসের শ্রমিকেরা মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু করেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় অর্ধশত শ্রমিক মসজিদের পূর্ব দিকের কোণে, পূর্ব দিকের সামনের সড়ক এবং উত্তর দিকের দুটি স্থানে কংক্রিটের রাস্তা কেটে গ্যাসের পাইপলাইনের অবস্থান বের করার চেষ্টা চলছে।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক মফিজুল ইসলাম বলেন, মাটি খনন কাজ শুরু হয়েছে। অর্ধশতাধিক শ্রমিক কাজ করছেন। তিতাসের মূল পাইপলাইনগুলো বের করার চেষ্টা চলছে। মূল পাইপলাইন বের করা হলে সেখান থেকে কোনো শাখা লাইন গেছে কিনা, সেটি জানা যাবে। মসজিদের নিচে পুরোনো কোনো পাইপলাইন আছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও দেখুন-খোকসায় দ্রোহে’র ফোক ফেস্টিভ্যাল
রবিবার সকালে তিতাসের শ্রমিকেরা ঘটনাস্থলে মাটি খোঁড়ার জন্য গেলেও তাদের সেখান থেকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকে পশ্চিম তল্লা ও আশপাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
আরও দেখুন-দ্রোহ-ফোক-ফেস্টিভ্যাল
শুক্রবার এশার নামাজের সময় উক্ত মসজিদে বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। সে সময় মসজিদে থাকা অর্ধশতাধিক মানুষের সবাই কমবেশি দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে মসজিদের ইমাম আব্দুল মালেকসহ ২৬ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন আরও ১১ জন।
সাইবার হামলার শিকার ইসরায়েলি ‘টাওয়ার’
দ্রোহ আইটি ডেস্ক
সাইবার হামলার শিকার হয়েছে ইসরায়েলের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টাওয়ার সেমিকন্ডাক্টর। ফলে কিছু সার্ভার এবং উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, রবিবার টাওয়ার সেমিকন্ডাক্টরের কিছু ব্যবস্থায় সাইবার হামলা হয়েছে এবং এতে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বিঘিœত হয়েছে।
বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছে টাওয়ার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিশেষজ্ঞদের একটি দলের সঙ্গেও “নীবিড়ভাবে কাজ করছে” তারা। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবস্থাগুলো যত দ্রুত সম্ভব পুনরুদ্ধার করতে ইন্সুরেন্স সেবাদাতার সঙ্গেও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
হামলার ধরন নিয়ে বিস্তারিত না জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এই ঘটনার বিস্তার ঠেকাতে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। “প্রতিষ্ঠানের ওপর এই হামলার প্রকৃত প্রভাব কী হতে পারে তা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না।”
এর আগে টাওয়ার জ্যাজ নামে পরিচিত ছিলো প্রতিষ্ঠানটি। অটোমোটিভ, মোবাইল, অবকাঠামো, চিকিৎসা, অ্যারোস্পেস এবং প্রতিরক্ষা খাতের জন্য অ্যানালগ চিপ বানিয়ে থাকে তারা।
ডিজিটাল কন্টেন্টে রূপান্তরিত হবে দেশের সকল পাঠ্য বই
দ্রোহ আইটি ডেস্ক
শিক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য প্রচলিত কাগজের বইসমূহের ডিজিটাল কন্টেন্টে রূপান্তর এবং শিক্ষকদের ডিজিটাল যোগ্যতা অর্জন অপরিহার্য। ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
তিনি বলেন, ইন্টারনেট হচ্ছে জ্ঞান ভান্ডার। আজকের পৃথিবীতে ইন্টারনেট শ্বাস-প্রশ্বাসের মতোই অপরিহার্য। কাজেই ছেলে-মেয়েদের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দিতে হবে এবং তাকে নিরাপদও রাখতে হবে। এটাই হচ্ছে ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের বাস্তবতা।
মন্ত্রী সম্প্রতি ওয়েবিনারে সিলেটে জালালাবাদ কলেজ, সিলেট-এর স্মার্ট ক্যাম্পাস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যত। দেশের মোট জনগোষ্ঠীর শতকরা ৬৫ ভাগের বয়স ৩৫ বছরের নীচে এবং তারা খুবই মেধাবী। আমার সন্তান আমার ভবিষ্যত এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে তাদেরকে সম্পদে পরিণত করতে শিক্ষক এবং অভিভাবকদের যথেষ্ট যতœবান হতে হবে।
ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আলোকিত এক বাংলাদেশ আমি দেখতে পাচ্ছি। নব্বইয়ের দশকে তিনি গাজীপুরে প্রথম ডিজিটাল স্কুল প্রতিষ্ঠা করার মধ্য দিয়ে যে যাত্রাটি শুরু করেছিলেন, করোনাকালে সেটি আজ সার্বজনীন বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে উল্লেখ করে বলেন, করোনা পরবর্তী পৃথিবী করোনার আগের সময়ে ফিরানো যাবে না।
সাধারণের নাগালে কম্পিউটার পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, ১৯৯৬ সালের আগে কম্পিউটার সাধারণের কাছে একটি উচ্চদামের অভিজাত যন্ত্র হিসেবে পরিচিত ছিলো।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্পিউটারের ওপর থেকে ১৯৯৮ সালে ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটারকে সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেন। ভিস্যাটের মাধ্যমে তিনি অনলাইন পদ্ধতিতে ইন্টারনেট চালু এবং মোবাইলের মনোপলি ব্যবসা ভেঙে দিয়ে সাধারণের জন্য মোবাইল সহজলভ্য করে ডিজিটাল বিপ্লবের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
জাতির পিতা কেবলমাত্র স্বাধীনতাই দেননি, তিনি যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়েও আইটিইউ, ইউপিইউ এবং বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ডিজিটালাইজেশনে বীজ বপন করে গেছেন। ২০০৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচী বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা কর্মসূচীর রূপরেখা। তিনি ২০০৮ সালে পৃথিবীতে প্রথম ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ইংল্যান্ড ২০০৯ সালে, ভারত ২০১৪ সালে, মালদ্বীপ ২০১৫ সালে এবং পাকিস্তান ২০১৯সালে অনুরূপ কর্মসূচি ঘোষণা করে। অনুষ্ঠানে কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এক এম বদরুদ্দোজা, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শহিদুল মনির, সমিতির সিলেট জোনের চেয়ারম্যান এনামুল কুদ্দুস চৌধুরী, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড.নজরুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক চৌধুরী মোকাম্মেল ওয়াহেদ, শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এবার মায়ের চরিত্রে জয়া আহসান
দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক
কলকাতার নতুন একটি ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করবেন জনপ্রিয় তারকা জয়া আহসান। নির্মাতা শিলাদিত্য মৌলিকের ‘ছেলেধরা’ শিরোনামে একটি সিনেমায় অভিনয় করবেন তিনি।
সম্প্রতি এমন খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকছেন জয়া। নতুন এ ছবিতে একজন মাদকাসক্ত মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে।
সিনেমাটিতে জয়া ছাড়াও আরও অভিনয় করবেন প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুরাধা মুখোপাধ্যায়, ঈশান মজুমদারসহ অনেকেই। অক্টোবরে সিনেমাটির শুটিং শুরুর কথা রয়েছে। একটি অপহরণ গল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি এ সিনেমাটি বড় পর্দায় মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। সিনেমায় সংগীত পরিচালনা করছেন রণজয় ভট্টাচার্য।
সিনেমাটিকে কাজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করে জয়া আহসান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অক্টোবরের শুরুতেই তিনি সড়কপথে কলকাতায় যাচ্ছেন।
করোনায় আক্রান্ত অর্জুন কাপুর
দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক
বলিউডের অভিনেতা অর্জুন কাপুর করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন তিনি। তবে তার কোনো উপসর্গ নেই। চিকিৎসকরা তাকে বাসায় থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে তিনি জানান, আপনাদের সকলকে আমার এটা জানানো উচিত যে আমি করোনা আক্রান্ত হয়েছি। আমি ঠিক আছি এবং আমার কোনো উপসর্গ নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমি বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছি। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি এখন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবো। আপনাদের সকলের সমর্থনের জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই এবং আপনাদের সকলকে স্বাস্থ্যের সম্পর্কে জানাতে থাকবো।
অর্জুন কাপুরকে শেষ দেখা গেছে পানিপথ ছবিতে। তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন কৃতি সানন। তবে এই মুহূর্তে কোনো ছবির কাজ শুটিংয়ের যাচ্ছেন না তিনি। কারণ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিজেকে কোয়ারেন্টিনে করে রাখছেন অর্জুন।
আজ সুনীলের জন্মতিথি
দ্রোহ সাহিত্য ডেস্ক
‘কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো কেউ কথা রাখেনি’ সর্বাধিক পঠিত এই কবিতার রচয়িতা কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। বিশ শতকের শেষার্ধে আবির্ভূত প্রথিতযশা এই বাঙালি সাহিত্যিক আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। তিনি আধুনিক এবং রোমান্টিক ধাঁচের লেখার জন্য পাঠকমহলে তিনি ছিলেন বিশেষভাবে সমাদৃত।
বাংলাভাষী এই ভারতীয় সাহিত্যিক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসেবে অজ¯্র স্মরণীয় সাহিত্যসৃজন উপহার দিয়েছেন। যদিও তিনি পরিচিতি পেয়েছেন কবি ও ঔপন্যাসিক হিসেবে। তবে বলা হয়ে থাকে সুনীল সব ধরনের লেখা লিখলেও মনেপ্রাণে তিনি ছিলেন একজন কবি। আর তাই তরুণ কবি ও লেখকরা সবসময়ই তার প্রশ্রয় পেয়েছেন। পৃথিবীতে অখ- বাঙালির আত্মপরিচয়ের যে-ক’জন ব্যক্তিত্ব ছিলেন বা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
৭ সেপ্টেম্বর বাংলা সাহিত্যের নন্দিত এই লেখকের জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৪ সালের এইদিনে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম অধুনা বাংলাদেশের মদারিপুরে। বর্তমান যা বাংলাদেশের অন্তর্গত। জন্ম বাংলাদেশে হলেও তিনি বড় হয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি কলকাতায় চলে যান।
পড়াশোনা করেছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁর বাবা ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক। ছেলেবেলায় সুনীলের পিতা তাকে টেনিসনের একটা কাব্যগ্রন্থ দিয়ে বলেছিলেন,প্রতিদিন এখান থেকে দুটি করে কবিতা অনুবাদ করবে। এটা করা হয়েছিল তিনি যেন দুপুরে বাইরে যেতে না পারেন। সুনীলও তাই করতেন। সুনীল তখন পিতৃআজ্ঞা শিরোধার্য করে দুপুরে কবিতা অনুবাদ করতেন। অনুবাদ একঘেঁয়ে হয়ে উঠলে তিনি নিজেই লিখতে শুরু করেন।
ছেলেবেলার প্রেমিকাকে উদ্দেশ্য করে লেখা কবিতাটি তিনি দেশ পত্রিকায় পাঠালে তা ছাপা হয়। নীললোহিত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। নীললোহিতের মাধ্যমে সুনীল নিজের একটি পৃথক সত্ত্বা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অনন্য দিকপাল। তারপর থেকে সাংবাদিকতায় যোগ দেন সুনীল।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বেশ কিছু গল্প-উপন্যাসের কাহিনি চলচ্চিত্রে রূপায়ণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত অরণ্যের দিনরাত্রি এবং উল্লেখযোগ্য। এছাড়া কাকাবাবু চরিত্রের চারটি কাহিনি সবুজ দ্বীপের রাজা, কাকাবাবু হেরে গেলেন? মিশর রহস্য এবং ইয়েতি অভিযান চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে। ২০০২ সালে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কলকাতা শহরের শেরিফ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭২ ও ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে আনন্দ পুরস্কার এবং ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।
তার লেখা উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে- পূর্ব-পশ্চিম, সেই সময়, প্রথম আলো, একা এবং কয়েকজন। আত্মজীবনীর মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে- অর্ধেক জীবন, ছবির দেশে কবিতার দেশে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আলোচিত কবিতার মধ্যে-সুন্দরের মন খারাপ মাধুর্যে জ্বর, সেই মুহূর্তে নীরা, স্মৃতির শহর, সুন্দর রহস্যময় উল্লেখযোগ্য।
তার লেখা কবিতাগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- ‘একা এবং কয়েকজন’, ‘আমার স্বপ্ন’, ‘জাগরণ হেমবর্ণ’, ‘আমি কীরকম ভাবে বেঁচে আছি’, ‘ভালোবাসা খ-কাব্য’। এ ছাড়াও নাটক, গল্প, প্রবন্ধসহ অসংখ্য সাহিত্য রচনা করেছেন।
বাংলা সাহিত্যের কীর্তিমান এই সাহিত্যিক ২০১২ সালের ২৩ অক্টোবর হৃদযন্ত্রজনিত অসুস্থতার কারণে মৃত্যুবরণ করেন। সশরীরে তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও নন্দিত এই লেখক তার অনন্যসব সাহিত্য-সৃজনের মাঝে বেঁচে থাকবেন।
২১ বছরের ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন বেল
দ্রোহ স্পোর্টস ডেস্ক
বয়স পেরিয়ে গেছে ৩৮। চোটের কারণে গত কাউন্টি মৌসুমের পুরোটা কাটাতে হয়েছিল মাঠের বাইরে। এ বছর ব্যাটে ভাটার টান। ইচ্ছা থাকলেও শরীরটা আর টানছে না। তাই ২১ বছরের পেশাদার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইয়ান বেল। চলতি মৌসুম শেষে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখবেন এই ইংলিশ ব্যাটসম্যান।
টুইট বার্তায় শনিবার অবসরের ঘোষণা দেন বেল। তার এই ঘোষণা অবশ্য কিছুটা চমক হয়েই এসেছে। গত জুলাইয়ে ওয়ারউইকশায়ারের সঙ্গে এক বছর চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছিলেন। খেলার কথা ছিল পরের মৌসুমে। সেটা আর হচ্ছে না।
আরও দেখুন-দ্রোহ-ফোক-ফেস্টিভ্যাল
ইংল্যান্ডের চলতি মৌসুমের ঘরোয়া বড় দৈর্ঘ্যের টুর্নামেন্ট বব উইলিস ট্রফিতে রবিবার শুরু হতে যাওয়া ওয়ারউইকশায়ারের শেষ ম্যাচে খেলবেন তিনি। পরের সপ্তাহে খেলবেন তার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
২০০৪ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে বেল টেস্ট খেলেছেন ১১৮টি। ২২ সেঞ্চুরিতে করেছেন ৭ হাজার ৭২৭ রান। দীর্ঘদিন ছিলেন ইংলিশ মিডল অর্ডারের ভরসা। ১১ বছরে পাঁচটি অ্যাশেজ জিতেছেন । পাঁচটি অ্যাশেজ জেতা মাত্র তৃতীয় ক্রিকেটার তিনি।
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে সেরা সময় ছিল ২০১৩ অ্যাশেজে। দলের তিনটি জয়ে করেছিলেন তিন সেঞ্চুরি। রান করেছিলেন মোট ৫৬২।
আরও দেখুন–দ্রোহ-ফোক-ফেস্টিভ্যাল
২০১১ সালে ভারতের বিপক্ষে ৪-০ তে জেতা সিরিজে খেলেছিলেন ১৫৯ ও ২৩৫ রানের অসাধারণ দুটি ইনিংস।
বেল ওয়ানডে খেলেছেন ১৬১টি। করেছেন ৫ হাজার ৪১৬ রান। এই সংস্করণে ইংল্যান্ডের হয়ে তার চেয়ে বেশি রান আছে কেবল ওয়েন মর্গ্যান ও জো রুটের। ২০১৫ সালে অবসর নিয়েছিলেন এই সংস্করণ থেকে।
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্যারিয়ারের পুরোটাই খেলেছেন তিনি ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে। মাত্র ১০ বছর বয়সে যোগ দিয়েছিলেন কাউন্টি ক্লাবটিতে। ১৯৯৯ সালে ১৭ বছর বয়সে হয়েছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক। দলটির হয়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৩৮ সেঞ্চুরিতে করেছেন ১৭ হাজারের বেশি রান।
বন্ধ কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের সরকারি স্কুলে ভর্তির নির্দেশ
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
করোনা ভাইরাস মহামারীর মধ্যে আর্থিক সংকটে পড়ে কোনো কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেন, অনেকগুলো কিন্ডারগার্টেন আছে, সে সমস্ত কিন্ডারগার্টেন আর্থিক কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
আমরা ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি সকল ডিপিওকে (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা) যদি কেজি স্কুল বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সেই স্কুলের শিক্ষার্থীরা যে ক্যাচমেন্ট এলাকার, সেই এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করতে। কোনো স্টুডেন্ট বাদ যাবে না।
আরও দেখুন-দ্রোহ-ফোক-ফেস্টিভ্যাল
সচিব বলেন, প্রত্যেক স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের দায়িত্ব দিয়েছি কোভিডের পর যখন স্কুল খুলবে তার আগেই নিজেদের স্কুলের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করবে। সেই পরিকল্পনায় সবকিছু থাকবে, নিরাপত্তা, ঝরে পড়া। সঠিকভাবে সব মেইনটেন করতে পারলে আশা করি, আমাদের যে আশঙ্কা ঝরে পড়া, সেটা হয়তো অনেকটাই রোধ করতে পারব।
করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকাতে বছরের যে কোনো সময় ছাড়পত্র (টিসি) ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাতে এর আগে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আরও পড়ুন-খোকসায় দ্রোহে’র ফোক ফেস্টিভ্যাল
মহামারীর মধ্যে অনেক কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে যেতে পারে জানিয়ে একজন সাংবাদিক জানতে চান, এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে কি না? জবাবে গণশিক্ষা সচিব জানান, এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।













