বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬.
Home Blog Page 168

নদী ভাঙ্গন

0

শুষ্ক মৌসূম শুরুর সাথে সাথে গড়াই নদীর ভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই ভাঙ্গন কবলিত হচ্ছে নতুন এলাকা। নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে রাস্তা ও ফসলি জমি। খোকসা-বনগ্রাম রাস্তার জাগলবা গ্রামের মধ্যে প্রায় ৩০ ফুট নদীতে চলে গেছে। একই রাস্তার চাঁদট গ্রামের মধ্যে ভেঙে গেছে প্রায় ২০০ ফুট এলাকা। রাস্তাটি নদী গর্ভে বিলিন হলে ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে । শুক্রবার সকালে জাগলবা গ্রাম থেকে ছবিটি তোলা।

খোকসায় জমির আইল ভাঙা নিয়ে আহত ৭ জন

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় পাওয়ার ট্রেলার চালক জমি চাষ দেওয়ার সময় দুই আইল ভেঙে ফেলে। আর এ নিয়ে দুই কৃষকের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলায় মহিলা ও বৃদ্ধসহ ৭ জন আহত হয়েছেন।

শিমুলিয়া ইউনিয়নের মানিকাট কাজী পাড়ায় শুক্রবার সকালে এ হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। দু’পক্ষের আহতরা হলেন, আলতাফ হোসেন (৬০) ও তার স্ত্রী কুলসুম বেগম (৫৫), সহদর তোরাফ আলী (৫৫) ও স্ত্রী তার মুক্তা খাতুন (৪৫), অপর পক্ষের আহত হয়েছেন বাবুল হোসেন (৫৫) পিতা জয়নাল হোসেন, সুমন হোসেন পিতা নূর হোসেন। বাঁকী একজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতরা সবাই নিকট আত্মীয়।

গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন আগে আলতাফ হোসেন তার ৭ শতক জমি চাষের জন্য মাঠে পাওয়া ট্রেলার পাঠান। পাওয়ার ট্রেলার চালক সিরাজ ভুল বসত বাবুল হোসেন ৭ শতক জমিও চাষ দেয়। এতে করে দুই জমির আইল ভেঙে এক হয়ে যায়। শুক্রবার সকালে আলতাফ লোকজন নিয়ে জমিতে যায়। এ সময় দুই জমির মালিকের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের হামলায় বাবুল গুরুত আহত হয়। মাঠের কৃষকরা আহতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসে।

এই হামলার প্রতিশোধ নিতে বাবুলের লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালায়। এক ঘরে লুকিয়ে থাকা বৃদ্ধ আলতাফ ও তার সহদর তোরাফ আলী দম্পতিকে বেধরক পিটিয়ে আহত করেন। পরে পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসেন। আহত বৃদ্ধ দম্পতিদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সরেজমিন গিয়ে দেখা য়ায়, দুই দফা হামলার পর গোটা মহল্লাটি পুরুষ শুন্য। মোড়ো মোড়ে নারী ও শিশুরা জটলা করে সকালের হামলার ঘটনা নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। তারা জানায় সকালে বাবুলের উপর হামলার পর আলতাফ হোসেন স্ত্রীসহ ছোট ভাই তোরাফ আলীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। বেলা ১১ টার দিকে ১৫ থেকে ২০ জন প্রতিপক্ষের লোক সেখানেই হামলা চালায়। ঘরের দরজার ভেঙ্গে ঢুকে কুপিয়ে ও পিটে রক্তাক্ত আহত করে দুই নারীসহ চার জনকে। ওই ঘরের বিছানা ও মেঝেতে বৃদ্ধ দম্পতিদের ছোপ ছোপ রক্ত পরে আছে।

দ্বিতীয় হামলার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্কুল ছাত্রী আফিয়া ও কলেজ ছাত্রী আয়শা জানান, হামলা কারীদের সবার হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। বৃদ্ধ আলতাফ হামলার ভয়ে নিজের পাকা বাড়ি ফেলে ছোট ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে ছিলেন। কিন্তু হামলাকারীরা ঘরে দরজা ভেঙে ঢুকে সেখানেই বিবস্ত্র করে স্বামী স্ত্রীকে কোপায় ও পিটায়।

আহত বৃদ্ধ আলতাফ হোসেন বলেন, জমি নিয়ে আগে বিরোধ ছিল। এবার চাষ দেওয়ার জন্য তিনি পাওয়া ট্রেলার পাঠান। পাওয়ার ট্রেলারের চালক ভুল করে বাবুলের জমিতে চাষ দিয়ে ফেলে। তিনি সকালে জমিতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মাঠের কৃষকরা বাবুলকে পেটায়। এ ঘটনায় তার উপর হামলা হয়েছে। সে প্রাণ ভয়ে ছোট ভাই (তোরাফের) বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। সেখানেই তার উপর হামলা করা হয়।

হাসপাতালের বিছানায় আহত বাবুল হোসেন কথা বলতে পারছেন না। পাশে বসা তার স্ত্রী সকিনা খাতুন জানেন না ঘটনার আদ্যপান্ত। এই আহতের ছেলে কলেজ ছাত্র সাইদুলের দাবি প্রতিপক্ষ তাদের চাষের জমি চাষ দিয়ে নিয়েছে। এ কথা বলায় তার বাবার উপর হামলা করা হয়েছে। তারা হামলার ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন।

গ্রাম পুলিশ জাহিদ হাসান জানান, পাওয়ার ট্রেলার চালক ভুল করে দুই কৃষকের জমিতে চাষ দিয়ে আইল ভেঙে ফেলে। আর এটুকু নিয়ে দফায় দফায় হামলা। অনেক রক্ত ঝড়লো। তবে তিনিও দাবি করেন, বাবুলের উপর আগে হামলা করা হয়। সেও রক্তাক্ত জখম হয়েছেন।

আরও পড়ুন – দেশ ও জাতির স্বার্থ রক্ষায় বিএনপির সঙ্গে ঐকমত্য জামায়াতের

ঘটনা স্থলে উপস্থিত খোকসা থানা পুলিশের এসআই হারুন জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনা স্থলে আসেন। আহতদের উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। এলাকায় উত্তেজনা আছে। তবে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

দেশ ও জাতির স্বার্থ রক্ষায় বিএনপির সঙ্গে ঐকমত্য জামায়াতের

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

দেশ ও জাতির স্বার্থ রক্ষায় জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির ব্যাপারে বিএনপি যে দাবি জানিয়েছে, তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বিএনপির পক্ষ থেকে সকল দলকে নিয়ে একটা জাতীয় ঐক্যের কথা বলা হয়েছে এবং বিএনপি বলেছে নির্বাচনের একটা রোডম্যাপ দিতে- এ বিষয়ে আপনারা কথা বলেছেন কিনা?

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, বৈঠকে অবভিয়াসলি জাতীয় ঐক্যের কথা এসেছে। আমাদের উদ্বেগ নিয়েই আমরা আলোচনায় বসেছি। বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা কারা ধ্বংস করতে চায় তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে এর মোকাবিলা করতে হবে জাতি হিসেবে।

এর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের নেতৃত্বে দলটির চার নেতা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তার বাসভবন যমুনায় বৈঠক করেন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ যেসব বিষয় মানুষকে ক্ষুব্ধ করছে, সেগুলোর সমাধানের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান আমির। তিনি বলেন, যাতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে দ্রব্যমূল্য। এ ছাড়া সামনে রমজান, সে সময় যেন কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

নির্বাচনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, ন্যূনতম সংস্কার দ্রæত করে নির্বাচন দেওয়া উচিত। আমরা ৪০-এর অধিক সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছি। তবে অন্তর্র্বতী সরকারকে ১০টি বিষয়ে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছি। ন্যূনতম সংস্কার শেষে নির্বাচন দিতে প্রস্তাব করা হয়েছে।

ইসকন ইস্যুতে জামায়াতের আমির বলেন, শুধু ইসকন নয়, যারাই দেশবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত থাকবে, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

জামায়াতের আমির ছাড়াও প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।

গতকাল বুধবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপির পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন।

আরও পড়ুন – ইসকনের ১৭ সদস্যের ব্যাংক হিসাব জব্দ

মির্জা ফখরুল বলেছেন, জাতীয় ঐক্য এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। আমাদের সামনে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য, বিশেষ করে যারা বাংলাদেশে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় অথবা স্ট্যাবিলিটি বিনষ্ট করতে চায়, তাদের প্রতিহত ও প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের অবশ্যই জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। এই কথাগুলো আমরা বলে এসেছি।

এ ছাড়া গত কয়েক দিনের কর্মকান্ড নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে উদ্বেগের কথা প্রধান উপদেষ্টাকে জানানো হয়েছে বলেও জানান দলটির মহাসচিব।

ইসকনের ১৭ সদস্যের ব্যাংক হিসাব জব্দ

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও পুন্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ইসকন বাংলাদেশের ১৭ সদস্যের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়ে অ্যাকাউন্ট জব্দ করতে বলেছে।

বৃহস্পতিবার ( ২৮ নভেম্বর) বিএফআইইউ’র সংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হিসাব জব্দ করা ব্যক্তিদের নামে ব্যক্তি মালিকানা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট স্থগিত থাকবে। আগামী ৩০ দিন এসব হিসাবে কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবে না। প্রয়োজনে লেনদেন স্থগিত করার এ সময় বাড়ানো হবে।

যাদের হিসাব জব্দ করা হয়েছে, চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস, কার্ত্তিক চন্দ্র দে, অনিক পাল, সরোজ রায়, সুশান্ত দাস, বিশ্ব কুমার সিংহ, চন্ডিদাস বালা, জয়দেব কর্মকার, লিপী রানী কর্মকার, সুধামা গৌর দাস, লক্ষণ কান্তি দাশ, প্রিয়তোষ দাশ, রূপন দাস, রূপন কুমার ধর, আশীষ পুরোহিত, জগদীশ চন্দ্র অধিকারী, এবং সজল দাস।

আরও পড়ুন – আমাদের কারণেই ফ্যাসিবাদের ফেরার আশঙ্কা বাড়ছে: মির্জা ফখরুল

লেনদেন স্থগিত করার এ নির্দেশের ক্ষেত্রে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা প্রযোজ্য হবে বলে বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে হিসাব স্থগিত করা ব্যক্তিদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেওয়া হয়েছে।

বিএফআইইউর নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেসব হিসাব স্থগিত করা হয়েছে তাদের হিসাবসংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল যেমন হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণী যাবতীয় তথ্য চিঠি দেওয়ার তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে বিএফআইইউতে পাঠাতে হবে।

আমাদের কারণেই ফ্যাসিবাদের ফেরার আশঙ্কা বাড়ছে: মির্জা ফখরুল

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আমরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে এমন কতগুলো কাজ করছি, যে কাজগুলোর মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয় কবিতা পরিষদ আয়োজিত ‘রাষ্ট্র পুনর্গঠনে লেখক-শিল্পীদের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ফ্যাসিবাদ পরাজিত হয়েছে। ফ্যাসিবাদ যেকোনও সময় আবার ফিরে আসতে পারে। আমরা সেই রাস্তা যেন তৈরি করে না দেই। আজকে আমরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে এমন কতগুলো কাজ করছি, যে কাজগুলোর মধ্য দিয়ে কিন্তু ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে গেছে। আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়।

তিনি আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে তুলে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক সংস্কার করে, একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করা নিঃসন্দেহে একটি জটিল কাজ, আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে। এই কাজটি আমাদের করতে হবে। এই কাজটি করার পেছনে আমাদের সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন যারা আমরা মনে করেছি, ফ্যাসিবাদের পতন হওয়া দরকার, ফ্যাসিবাদকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থে জনমানুষের উপযোগী একটি রাষ্ট্র, সমাজ নির্মাণ দরকার, তাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমাদের কষ্ট হয়, দুঃখ হয়। এখানে (মতবিনিময় সভা) আসার আগে মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা তার ভাইকে নিয়ে আমার বাসায় এসেছিল। এসে বলছে, ‘স্যার, আজকে মন খুব খারাপ।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন? বললো, ‘গত কয়েক দিন ধরে যা দেখছি, তাতে করে আমার মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এই এতদিন ধরে যে কষ্ট যে পরিশ্রম, ত্যাগ, প্রিয় মানুষগুলোর চলে যাওয়া, সব কিছু ছাড়িয়ে কেমন যেন একটা ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হচ্ছে।’ আমার (মির্জা ফখরুল) মনে হয়, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই অবস্থা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং সেটা করছে কথিত ফ্যাসিবাদ।

ফখরুল আরও বলেন, আমরা যারা ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে ছিলাম, লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি, আমরা কেন এখানে বিভাজন সৃষ্টি করছি? আজকে বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন কথা শুনলে রীতিমতো ভয় হয়। আজকে আমরা পুরো আন্দোলনকে একটা ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের তো এখন লক্ষ্য একটাই হওয়া উচিত। সেটা হলো, একটি সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য যে সংস্কারগুলো প্রয়োজন, সেগুলো করে একটি নির্বাচন করে পার্লামেন্টে যাওয়া।

বিএনপির এ নেতা বলেন, আমাদের সবার উচিত, অনৈক্য সৃষ্টি না করে ঐক্যের মধ্যে থেকে আমরা যে সুযোগটা পেয়েছি, সেটি কাজে লাগিয়ে কিছুটা হলেও সামনে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু দুর্ভাগ্য, ৫৩ বছর হয়ে গেছে, আমরা এখন পর্যন্ত পিসফুল ট্রান্সফার অব পাওয়ার করতে পারিনি। আমরা সবসময় যুদ্ধ করছি, লড়াই করছি, ভাই ভাইয়ের রক্ত ঝরাচ্ছি।

তরুণদের উদ্দেশে মহাসচিব বলেন, আপনারা অনেকে দায়িত্বে এসেছেন। এই দায়িত্বটাকে দায়িত্বশীলভাবে পালন করতে হবে। গোটা জাতিকে সামনে রেখে পালন করতে হবে। আমরা এমন কিছু করবো না, এমন কোনও হ্ঠকারিতা করবো না, যে হ্ঠকারিতার মধ্য দিয়ে আমরা আবার অন্ধকারের মধ্যে চলে যাবো।

আরও পড়ুন –হজ নিবন্ধনের সময় বাড়লো

জাতীয় কবিতা পরিষদের আহ্বায়ক কবি মোহন রায়হানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি, লেখক ও বুদ্ধিজীবী সলিমুল্লাহ খান, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, কবি ও সাংবাদিক সোহরাব হাসান, গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ রাশেদ খান প্রমুখ।

হজ নিবন্ধনের সময় বাড়লো

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আগামী বছরের (২০২৫ সালে) হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত হজ নিবন্ধন করতে পারবেন হজে যেতে ইচ্ছুকরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৩৯ হাজার ৭৫৮ জন হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩৬৯ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৫ হাজার ৩৮৯ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন।

সময় বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমে হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আগামী ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো।

আরও পড়ুন – সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই – জেলা প্রশাসক

এ সময়ের মধ্যে ৩ লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে এবং একই সঙ্গে হজ প্যাকেজের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করার জন্য সম্মানিত হজযাত্রীদেরকে অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ্য যে, উক্ত সময়ের পর আর কোনো সময় বাড়ানো হবে না।

সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই – জেলা প্রশাসক

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান বলেছেন, আমি প্রশাসক নই। আমি আপনাদের ভাই। প্রশাসনের কোন কর্মকর্তাকে আপনাদের শত্রæ ভাববেন না। আমি আপনাদের সেবক হিসেবে আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আমাদের সমস্যা অনেক। আবার সম্পদও সীমিত। কিন্তু আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি বা সম্পদ হচ্ছে যুবশক্তি। আমরা যদি এই যুব শক্তিকে সত্যিকার অর্থে কাজে লাগাতে পারি তাহলে আমাদের কাঙ্খিত স্বপ্নের বাংলাদেশ বির্নিমান করা অসম্ভব নয়।

কুষ্টিয়ায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহিদদের স্মরণে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৮নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসনের এনডিসি তাফসিরুল হক মুনের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, যশোর সেনা নিবাসের রওশন আরা রেজিমেন্টের সিও লেঃ কর্নেল মাহবুবুল আলম শিকদার, ৪৭বিজিবি অধিনায়ক মাহবুব মোর্শেদ, কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আকুল উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য সচিব মুস্তাফিজুর রহমান, আন্দোলনে আহত রাকিবুল হাসান রিংকু, শরিফুল ইসলাম, আন্দোলনে নিহত মো: সবুজের স্ত্রী রেশমা খাতুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় আদালতে মারামারি-হট্টগোল, দুই কর্মচারী আহত

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারের সদস্যদের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চেক বিতরণ করা হয়।

কুষ্টিয়ায় আদালতে মারামারি-হট্টগোল, দুই কর্মচারী আহত

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া আদালতে তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় হট্টগোল-মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে আদালতের দুই কর্মচারী আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ এক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়েছে।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) খন্দকার সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের সেরেস্তাদার ও কর্মচারীদের সঙ্গে টাকা-পয়সা নিয়ে এক ব্যক্তির কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে ওই ব্যক্তি বেশ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে কর্মচারীদের ওপর হামলা করে। এতে রাকিব ও রাসেল নামের দুইজন কর্মচারী আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আদালত সুত্রে জানা গেছে, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রথমে মহাসিন নামে জনৈক এক ব্যক্তিকে অপমান, অপদস্ত ও মারধর করেন আদালতের কর্মচারীরা। পরে মহাসিনের লোকজন এসে কর্মচারীদের মারধর করেন। উভয়পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা। ঘটনায় মহসিনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়।

আদালতের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, মহাসিন নামের এক ব্যক্তি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের হিসাবরক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামের কাছে আসেন এবং টাকা লেনদেন নিয়ে তর্কে জড়ান। এসময় মহসিনের সঙ্গে আদালতের কর্মচারীদের হট্টগোল হয়। এর জেরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহসিন বেশ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে কর্মচারীদের মারপিট করেন। এতে দুই কর্মচারী আহত হন। মহাসিনকে আদালত পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। মহসিন বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন – খোকসায় মৃতদেহ নিয়ে পাওনাদার ও পরিবারের টানা-হ্যাচরা

আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউনুস আলী বলেন, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে হট্টগোল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত বলা যাবে।

খোকসায় মৃতদেহ নিয়ে পাওনাদার ও পরিবারের টানা-হ্যাচরা

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় পাওনা টাকার দাবিতে এক খ্রিস্টান ধর্মালম্বির মৃতদেহ প্রায় ৮ ঘন্টা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে পাওনাদারদের বিরুদ্ধে। অবশেষে পরিবার ও আত্মীয়রা জোর করে ওই ব্যক্তির সৎকার (দাফন) করে।

প্রয়াত খ্রিস্টান ধর্মালম্বীর নাম মাইকেল এম রহমান ওরফে মতিন (৫৫)। বুধবার রাত ৯টায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন। সে উপজেলার খোকসা ইউনিয়নের হিলালপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। প্রায় ২৫ বছর আগে সে খ্রিস্টান ধর্মের দীক্ষা গ্রহন করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই স্ত্রী ও ৫ কন্যা সন্তান রেখে গেছে।

খ্রিস্টান ধর্মের দীক্ষা নেওয়ার পর মাইকেল এম রহমান বিভিন্ন ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানো, প্রকল্পের ঋন পাওয়া দেওয়ার কথা বলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। ভুক্তভোগীরা তার কাছে থেকে টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য ধর্ণা দিতে থাকে। কিন্তু সে আর টাকা ফেরৎ দেয়নি।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে মাইকেল এম রহমানের মৃতদেহ হাসপাতাল থেকে গ্রামের বাড়ি হিলালপুরে আনা হয়। এ খবর ছড়িয়ে পরলে পাওনাদার নারী-পুরুষ মৃত ব্যক্তির বাড়িতে ধর্ণা দিতে শুরু। তার মৃতব্যক্তির সৎকারে বাধা প্রদান করেন। এ নিয়ে পাওনাদারদের সাথে মাইকেল এম রহমানের পরিবারের সদস্যরা বাকবিতান্ডায় জড়িয়ে পরে। দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত পাওনা দার ও পরিবারের মধ্যে উতপ্ত কথা কাটা-কাটি থেকে ধস্তাধস্তি পর্যায়ে পৌছায়। পরে পরিবারের লোকেরা জোর করে মৃতদেহটি কমলাপুর চালর্সে নিয়ে যায়। সেখানে খ্রিস্টান ধর্মমতে সমাধিক্ষেত্রে তার সৎকার (দাফন) করা হয়।

নিহতের বাড়িতে উপস্থিত সাইফুলে ইসলাম দাবি করেন, তাকে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে নগদ ৯ লাখ টাকা ও সাত লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকার চেকসহ ১৬ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়েছেন মাইকেল এম রহমান। প্রায় ৩ বছর ধরে তাকে আর বিদেশে পাঠাতে পারেনি। তার টাকা ও ফেরতও দেয়নি। পরিবার তার টাকার দায়িত্ব নিলে তিনি লাশ আটকাতে যাবেনা।

ঘটনা স্থলে উপস্থিত বিথি খাতুন জানান, তার স্বামী আরিফ হোসেনকে গরুর ফার্মের উপর ১ কোটি টাকা ঋন করে দেওয়া কথা বলে ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রায় ২ বছর ধরে ঘুড়াতে থাকে। কিন্তু টাকাও ফেরত দেয়নি আবার প্রকল্পের ঋণ বরাদ্দ করে দিতে পারেনি। তিনিও টাকার দাবি তুলেছেন বলে স্বীকার করেন।

শোমসপুর ইউনিয়নের জাহিদ হোসেনকে গরুর খামারের ঋণ করিয়ে দেওয়ার কথা বলে এম রহমান চার লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কিন্তু ঋণ করে দিতে পারেনি। টাকাও ফেরত দেয়ানি। সে নিজের জীবন ও পরিবার রক্ষায় বাধ্য হয়ে মৃতদেহ আটকানো দের সাথে যোগ দিয়েছেন।

নিহতের দুই স্ত্রী সনিকা ও মারি দাবি করেন, তার স্বামী কারো সাথে প্রতারণা করেনি। উল্টো করে সেই অন্য মানুষের কাছে প্রায় কোটি টাকা পাবেন। অনেকেই তার কাছে চেক দিয়ে টাকা নিয়েছে। সে যাতে টাকার দাবি না করতে পারে সেই জন্য তাদের উপর উল্টো চাপ দিচ্ছে।

আরও পড়ুন – নির্বাচন কমিশনে বিএনপি-জামায়াতের লোক – আওয়ামী লীগ

প্রয়াত ব্যক্তির ছোট ভাই মোক্তার হোসেন জানান, মতিন ওরফে মাইকেল এম রহমান ইসলাম ধর্ম ত্যাগের পর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এক সপ্তাহ আগে তিনি ব্রেনস্ট্রোক রোগে আক্রান্ত হন। দেনা পাওনার বিষয়ে কথিত পাওনাদার ও মৃতব্যক্তিই জানেন।

নির্বাচন কমিশনে বিএনপি-জামায়াতের লোক – আওয়ামী লীগ

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

অন্তর্র্বতীকালীন সরকার অসাংবিধানিক ও বেআইনিভাবে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে বলে দাবি করেছে আওয়ামী লীগ। পাশাপাশি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সবাই বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত বলে দাবি করেছে দলটি।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পেস্টে এ দাবি করা হয়।

পোস্টে বলা হয়, ‘দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের সংবিধানে নির্বাচন কমিশনকে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। জাতির পিতার নেতৃত্বে স্বাধীনতার অব্যবহিত পর থেকে এই সাংবিধানিক চেতনার ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন গঠন এবং এর কার্যাবলি পরিচালিত হচ্ছিল। ১৯৭৫ সালে সপরিবারে জাতির পিতার হত্যার পর অসাংবিধানিক স্বৈরশাসকরা নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছিল। সে লক্ষ্যেই তারা রাবার স্টাম্প নির্বাচন কমিশন গঠন করেছিল।’

‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার প্রতিটি সরকারের সময় নির্বাচন কমিশন গঠন তথা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক বিধান ও গণতান্ত্রিক নীতির প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান দেখানো হয়। শেখ হাসিনার প্রথম সরকারের সময় ২০০০ সালে যখন সাবেক সচিব এম এ সাঈদকে নিয়োগ করা হয়, বিএনপিসহ সব দল সেই নিয়োগে সন্তোষ প্রকাশ করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রত্যেকবারই নির্দলীয়, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সর্বশেষ সিইসি হাবিবুল আউয়াল এবং ওই কমিশনের সব সদস্যের নিরপেক্ষতা, গ্রহণযোগ্যতা ও দক্ষতা নিয়ে কারও কারও আপত্তি ছিল না। সুশীল সমাজসহ রাজনৈতিক মহল এই নিয়োগের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের প্রশংসা করেছিল।’

পোস্টে আরও বলা হয়, ‘গণতন্ত্রকে এ দেশে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং এটিকে আরও মজবুত করার লক্ষ্যে শেখ হাসিনা সিইসিসহ অন্যান্যদের নিয়োগের ক্ষেত্রে তার সাংবিধানিক প্রাধিকার পরিত্যাগ করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত সার্চ কমিটির মাধ্যমে সিইসি ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের ব্যবস্থা করেন। এছাড়া শেখ হাসিনার সরকার নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের লক্ষ্যে ৮২টি উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে। গণতন্ত্রকে টেকসই করার লক্ষ্যে তার এই নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কার্যক্রম দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।’

‘অতি সম্প্রতি অসাংবিধানিক ও অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী, তথাকথিত অন্তর্র্বতী সরকার তাদের কোনো সাংবিধানিক ও আইনি ম্যান্ডেট না থাকা সত্তে¡ও সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক ও বেআইনিভাবে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এই অবৈধ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। এর লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনকে দেশের স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠীর অনুকূলে নগ্ন দলীকরণ করা। তারা এ কাজটিই করেছে। সিইসি ও নির্বাচন কমিশনারদের সবাই বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত।’

আরও পড়ুন – তিন মাসেই আসল চেহারা বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগ আরও দাবি করেছে, ‘৩০ লাখ শহীদের রক্তে লেখা সংবিধানের আদর্শকে ভূলুণ্ঠিত করা এবং দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অকার্যকর করার লক্ষ্যে অসংবিধানিক ও অবৈধ এই তথাকথিত অন্তর্র্বতীকালীন সরকার নির্বাচন কমিশন গঠনের এ জঘন্য নাটক সাজিয়েছে। গণতন্ত্র হত্যার লক্ষ্যে এ ধরনের ঘৃণ্য উদ্যোগ আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। দেশের গণতন্ত্রপ্রিয় সংগ্রামী মানুষ গণতন্ত্র হত্যার এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।’

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...