বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬.
Home Blog Page 170

ডেঙ্গুতে সারাদেশে ১১ জনের মৃত্যু

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন মারা গেছেন। এটিই একদিনে মৃত্যুর সর্বচ্চো রেকর্ড। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে মৃতের সংখ্যা ৪৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

রবিবার (২৪ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১১ জনের মধ্যে ৯ জনই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। এর মধ্যে ৫ জন উত্তর সিটির, ৪ জন দক্ষিণ সিটির। বাকি ২ জন খুলনা বিভাগের। চলতি বছরে সবমিলিয়ে ৮৬ হাজার ৭৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১,০৭৯ জন। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৯৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২৭২ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৯৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১২১ জন, খুলনা বিভাগে ১৪৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ৫৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৫ জন, রংপুর বিভাগে ১৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন ভর্তি হয়েছেন।

এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ১২৩০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮২ হাজার ৬১২ জন।

আরও পড়ুন – সামনে অসম্ভব শক্তিশালী অদৃশ্য দেওয়াল অপেক্ষা করছে : তারেক রহমান

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৬ হাজার ৭৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৪৫৯ জনের।

উল্লেখ্য, গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।

সামনে অসম্ভব শক্তিশালী অদৃশ্য দেওয়াল অপেক্ষা করছে : তারেক রহমান

0

রাজশাহী প্রতিনিধি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, সামনে একটি অসম্ভব শক্তিশালী অদৃশ্য দেওয়াল অপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলো ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে স্বৈরাচার হাসিনার পতন ঘটাতে সফল হয়েছে। বাংলাদেশের সৃষ্টির পর সবচেয়ে বড় যে স্বৈরাচার ছিল তার পতন হয়েছে। তারা কৃষি, শিক্ষা, অর্থনীতি, বিচারব্যবস্থা, সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্যসহ প্রত্যেক সেক্টরকে গত ১৫ বছরে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) বিকালে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনার পতন পরবর্তী সময়ের বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের অনেকেই মনে করেন, আহা রে, সামনে তো নির্বাচনে ফাঁকা মাঠ। দয়া করে এই ভুল করবেন না। বিশ্বাস করুন, সামনে একটি অসম্ভব শক্তিশালী অদৃশ্য দেওয়াল আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। যেটি ভেদ করে যেতে খুব কষ্ট হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করুন। সব প্রত্যাশা এখনই পূরণ করতে পারবেন না। যদি ইনশাআল্লাহ আমরা সরকার গঠন করি, অনেকাংশেই সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হবো। জনগণ যেন আপনার ওপর আস্থা রাখে, ধৈর্য ধারণ করে সেভাবে সেই ভূমিকা আপনাকে পালন করতে হবে।

আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিএনপির সব শক্তি বা রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎসই হচ্ছে জনগণ। আমরা একটি দায়িত্বশীল দলের ভূমিকা পালন করি। তারা (আওয়ামী লীগ) তো বসে নেই। তারা ষড়যন্ত্র করছে। যদি তাদের ষড়যন্ত্র সফল হয়, আপনার মামলা তো উঠবেই না বরং জ্যামিতিক হারে মামলা হবে। সেই সম্ভাবনাও কিন্তু আছে। নিজেকে যদি রক্ষা করতে হয় রাস্তা একটাই জনগণের আস্থা রক্ষা করা, এর বাইরে কোনো উপায় নেই।

তারেক রহমান বলেন, হাসিনা সরকারের পতনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। এই নতুন অধ্যায়ের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী জনগণ। জনগণের রায়ের মাধ্যমেই বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। রাজনীতি, জনগণ বা ইতিহাসের পাতায় যদি টিকে থাকতে চাই, এই দেশের জন্য জনগণ যা চায় সেরকম কাজের বাইরে কিছু করলে আমরা টিকে থাকতে পারবো না।

আরও পড়ুন –কর্মস্থলে অনুপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহীন শওকত খালেকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাসিকের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন, ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট টু দ্যা চেয়ারপারসনস ড. মাহাদী আমিন, রাজশাহী বিভাগীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রমুখ।

কর্মস্থলে অনুপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যদিয়ে ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর এখন পর্যন্ত যেসব পুলিশ সদস্য নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরেননি তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম চলছে।

জানা গেছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ১৮৭ পুলিশ সদস্য এখনও পলাতক। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩৬ কনস্টেবল কর্মস্থলে অনুপস্থিত।

তাদের বেতন-ভাতাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নিতে থানায় মামলাও করা হচ্ছে পলাতকদের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর বলেন, যেসব পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

পলাতক থাকা সদস্যদের গ্রেফতারে আলাদা টিম গঠন করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। তারা যেন বিদেশে পালাতে না পারেন সে জন্য তাদের সব ধরনের পাসপোর্ট বাতিল করা হচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়, পলাতক ১৮৭ সদস্যের মধ্যে রয়েছেন- ডিআইজি একজন, অতিরিক্ত ডিআইজি সাতজন, পুলিশ সুপার দুইজন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একজন, সহকারী পুলিশ সুপার পাঁচজন, পুলিশ পরিদর্শক পাঁচজন, এসআই ও সার্জেন্ট ১৪ জন, এএসআই ৯ জন, নায়েক সাতজন এবং কনস্টেবল ১৩৬ জন।

আরও পড়ুরন – ঝাড়খন্ডের বিধান সভার নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি

এর আগে কাজে যোগদানের জন্য পুলিশ সদস্যদের জন্য সময় বেধে দেওয়া হয়। কিন্তু এসব সদস্যরা সরকারের ডাকে সাড়া দেননি।

ঝাড়খন্ডের বিধান সভার নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ভারতের ঝাড়খন্ডের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি হচ্ছে। ৮১ সদস্যের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ছিল ৪১টি আসন। ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট কমপক্ষে ৫৭টি আসন পেয়ে জয় নিশ্চিত করেছে।

হেমন্ত সোরেনের নেতৃত্বাধীন ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস, লালুপ্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) নিয়ে ‘ভারত জোট’ গঠিত। এর মধ্যে জেএমএম পেয়েছে ৩৪টি আসন, কংগ্রেস পেয়েছে ১৬টি আসন, আরজেডি পেয়েছে ৪টি আসন এবং সিপিআইএমএল লিবারেশন পেয়েছে ২টি আসন।

এদিকে, রাজ্য সরকারে বিজেপি এখন পর্যন্ত মাত্র ২০টি আসন পেয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় এবার ঝাড়খন্ডে কম আসন পেতে যাচ্ছে কট্টর জাতীয়তাবাদী দলটি।

নির্বাচনের আগে ঝাড়খন্ডে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ বিষয়ে ভুয়া প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে ভোটারদের মাঝে ভয় ঢোকানোর কৌশল নিয়েছিল বিজেপি। তবে সেই প্রোপাগান্ডা প্রত্যাখ্যান করে দিল ঝাড়খন্ডের জনগণ।

জয় নিয়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেছেন, লড়াই কঠিন ছিল। অনেকটাই গ্রাউন্ড লেভেলে গিয়ে কাজ করেছি। ভালো টিমওয়ার্ক ছিল। মানুষের কাছে আমরা আমাদের বার্তা পৌঁছতে পেরেছি। লোকসভায় দেখেছিলেন, যে আমাদের রাজ্যে কীভাবে বার্তার মুভমেন্ট হয়। যে সময় জেলে ছিলাম, সেই সময় জেলের বাইরে থাকলে হয়তো ফলাফল আরও সারপ্রাইজ করত।

আরও পড়ুন – ডেঙ্গুতে ২৪ ঘন্টায় ১০ জন মারা গেছেন

২০১৯ সালে ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা ক্ষমতায় আসার আগে রাজ্যটি শাসন করেছে বিজেপি জোট। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বিজেপির রঘুবর দাস। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেন একজন আদিবাসী।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘন্টায় ১০ জন মারা গেছেন

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

এডিস মশাবাহীত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১০ জন মারা গেছেন। চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪৮ জনে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১ হাজার ২১৪ জন। এ বছর এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৮৫ হাজার ৭১২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাসপাতালে নতুন ভর্তি হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৪৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৯ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১২১ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২০৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৬৭ জন, খুলনা বিভাগে ১০৭ জন রয়েছেন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৪০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৭ জন, রংপুর বিভাগে ৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র ১৫ নেতাকে শোকজ

গত ২৪ ঘন্টায় সারাদেশে ৯৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৫৬ জন।

উল্লেখ্য, গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র ১৫ নেতাকে শোকজ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির নব গঠিত আহবায়ক কমিটির বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করায় দলটির জেলা পর্যাযের ১৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার স্বাক্ষরিত পাঠানো নোটিশ প্রাপ্তির তিনদিনের মধ্যে তাদের এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। শোকজের জবাব না দিলে একতরফাভাবে সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএনপির সাবেক ও আহবায়ক কমিটিতে থাকা এরকম ১৫ নেতাকে এ শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

নোটিশ পাওয়া বিএনপি নেতারা বলছেন, এটা দুই নেতার স্বেচ্ছাচারিতা। তারা সংগঠনের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছেন। যার কোন ভিত্তি নেই। এতে প্রতিবাদ থামবে না।

শোকজ চিঠিতে বলা হয়, গত ০৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং মহাসচিব কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটির অনুমোদন ও ঘোষণা দিয়েছেন। অনুমোদিত কমিটি এবং নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে আপনি অগঠনতান্ত্রিক, বে-আইনি, উচ্ছৃঙ্খল ও হাটকারিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে “দায়িত্বজ্ঞানহীন তথাকথিত কর্মসূচীতে” বারবার অংশ নিয়ে অসত্য, বিদ্বেষপূর্ণ, অশালিন ও হুমকিমূলক বক্তব্য প্রদান করেছেন। যা দলের গঠনতন্ত্রের “৭” এর “খ” ধারা মতে দলের চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বকে অস্বীকৃতি জানানো। এবং “৫” এর “গ” ধারামতে দলবিরোধী শাস্তিযোগ্য কর্মকান্ড হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। নোটিশ প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগের লিখিত জবাব দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি কুতুব উদ্দিন আহমেদকে আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারকে সদস্য সচিব করে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয় হয়। এরপর ৪ নভেম্বর ৩১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। নেতা-কর্মীদের অভিযোগ কমিটিতে যাদের রাখা হয়েছে, তাদের অনেকেই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের নির্যাতন অত্যাচারের সময় মাঠে ছিলেন না। এরপর কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দিতে কয়েক দফায় বিক্ষোভ, মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেন পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ সমাবেশে আহবায়ক কমিটিতে থাকা কয়েকজন ত্যাগী নেতারাও অংশ নেন। গত ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে কমিটি ভেঙে দিতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা। সর্বশেষ ১৭ নভেম্বর আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দিতে আবারও মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিতরা।

আন্দোলন থেমে থাকবে না জানিয়ে শোকজ নোটিশ পাওয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন চৌধুরী মিলন বলেন, কমিটিতে দুর্দিনে দলের হাল ধরা অনেক নেতাকর্মীদের জায়গা হয়নি। অযোগ্যদের বাদ দিয়ে দলের পাশে থেকে দলের জন্য যারা ত্যাগ শিকার করেছেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে আন্দোলন করেছি। ওই শোকজ চিঠির কোন প্রশাসনিক গ্রহণযোগ্যতা নেই। শোকজ চিঠির ধরণ দেখে মনে হচ্ছে সদস্য সচিব ব্যক্তিগত চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে যে ধারা উল্লেখ করা হয়েছে সেই ধারা মোতাবেক সদস্য সচিব শোকজ চিঠি পাঠাতে পারেন না। কেউ অনিয়ম বা সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ড করলে সদস্য সচিব কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠাতে পারেন। তারপর সিদ্ধান্ত কেন্দ্র নেবে।

শোকজ নোটিশ পাওয়া জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু বলেন, আমরা কোন দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করি নাই। কুতুব উদ্দিন-জাকির হোসেন সরকারের পকেট কমিটির বিরুদ্ধে আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করছি। দলের গঠনতন্ত্র মেনেই প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে দুই ট্রাকে মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশ আহবায়ক কমিটির এখতিয়ার ভুক্ত। যারা দলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদেরকে শোকজ করা হয়েছে এবং জবাব দিতে বলা হয়েছে। এমন সম্ভাব্য ১৫ জন হতে পারে। এটা কোন সাংগঠনিক ব্যবস্থা না। তবে যারা নোটিশের জবাব দিবেন না তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে বিএনপির তৃণমূলে বিভেদ বাড়তে পারে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন সরকার বলেন, তারা সংখ্যায় খুব বেশি নয়। তাই আমি মনে করি না এতে দলীয় বিভেদ তৈরি হতে পারে।

ঝিনাইদহে দুই ট্রাকে মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কাশিপুর নামক স্থানে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আল আমিন (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে ঝিনাইদহ-মাগুরা সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আল আমিন ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বাজেবামুনদাহ গ্রামের আজিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় ট্রাক ড্রাইভার। এ ঘটনায় মাগুরার কেচুয়াডুবি গ্রামের আসাদ মোল্লা নামে এক ব্যক্তি আহত হন।

ঝিনাইদহ হাইওয়ে থানার ওসি মৃত্যুঞ্জয় বিশ^াস জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মাগুরাগামী একটি ট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রাককে মুখোমুখি সাজরে আঘাত করলে ট্রাক ড্রাইভার আল আমিন ও হেলপার আসাদ মোল্লা আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আল আমিনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
দুর্ঘটনার পর ঝিনাইদহ-মাগুরা সড়কে সাময়িকের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন – দৌলতপুরে চাচাত ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মাছ ব্যবসায়ী নিহত

ঝিনাইদহ হাইওয়ে পুলিশ এক ঘন্টা চেষ্টার পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে সমর্থ হয়। দুর্ঘটনা কবলিত দুইটি ট্রাক হাইওয়ে পুলিশ আটক করেছে।

দৌলতপুরে চাচাত ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মাছ ব্যবসায়ী নিহত

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে আপেল লস্কর (৫০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার ভোরে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের সোনাইকুন্ডি লস্কর পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘাতক চাচাতো ভাই সাজেদুল লস্করকে আটক করেছে পুলিশ।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আউয়াল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, নিহত আপেল লস্কর সোনাইকুন্ডি লস্কর পাড়া এলাকার মৃত আমজাদ লস্করের ছেলে। আর আটক সাজেদুল লস্কর মৃত রেজওয়ান লস্করের ছেলে। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শনিবার ভোরে আপেল লস্কর বাড়ি থেকে ভেড়ামারায় মাছ কেনার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। বাড়ির সামনে রাস্তায় পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা সাজেদুল মোটা একটি লাঠি দিয়ে আপেলের মাথায় আঘাত করলে তার মৃত্যু হয়। এ সময় স্থানীয়রা ঘাতক সাজেদুলকে ধরে ফেলে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সাজদুলকে আটক করে এবং লাশ উদ্ধার করে।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আউয়াল কবির বলেন, চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে আপেল লস্কর নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় চাচাতো ভাইকে আটক করা হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন – নেতানিয়াহু গ্রেফতার হবেন ?

ওসি আরও জানান, আপেল লস্কর পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন। মাছ কিনতে যাওয়ায় তার কাছে টাকা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সাজেদুল মাদকাসক্ত হওয়ায় নেশার টাকা ম্যানেজ করতে আপেল লস্করকে হত্যা করেছে।

নেতানিয়াহু গ্রেফতার হবেন ?

0

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)।

বৃহস্পতিবার এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এটিই পশ্চিমা গণতন্ত্রের আদলে তৈরি কোনো দেশের নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রথম ঘটনা।

আইসিসি বলছে, ক্ষুধাকে ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের জন্য এই দুইজনকে দায়ী করার যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক আদালতের এই পদক্ষেপকে ইহুদিবিদ্বেষী বলে মন্তুব্য করেছেন নেতানিয়াহু।

একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘মিথ্যা’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যানও করেন তিনি।

দাবি করেন, গত বছর ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে চালানো হামলার জবাবেই হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দেশটি।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছাড়াও হামাসের সামরিক কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

যদিও গত জুলাইয়ে তাদের এক বিমান হামলায় দেইফের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছিল ইসরায়েল। তবে হামাস আজও এই তথ্য নিশ্চিত করেনি।

দেইফের মৃত্যু নিয়ে দোলাচল থাকায় স্বাভাবিকভাবেই গ্রেফতারি পরোয়ানাটি কেবল ইসরায়েলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে জানান বিবিসির নিরাপত্তাবিষয়ক সংবাদদাতা ফ্রাঙ্ক গার্ডনার।

শুক্রবার বিবিসির গেøাবাল নিউজ পডকাস্টে যুক্ত হয়ে গার্ডনার বলেন, আর আংশিকভাবে সে কারণেই ইসরায়েলি জনতা ও নেতারা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। অন্যদিকে গাজায় কেবল হামাস ও ইসলামিক জিহাদী গোষ্ঠীই না, সাধারণ ফিলিস্তিনিরাও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

গাজাবাসী এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, অবশেষে পৃথিবী তাদের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

তবে চলমান এসব ঘটনার মধ্যেই গাজায় চালানো ইসরায়লি বিমান হামলায় গত ৩৬ ঘণ্টায় আরও ৭০ জনের মৃত্যুর কথা জানান গার্ডনার।

একইসঙ্গে গাজার উত্তরাঞ্চলে খাবার আর ওষুধের অভাবে মানবেতর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নেতানিয়াহু, গ্যালান্ট ও দেইফের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে।

নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত এই আন্তর্জাতিক আদালতের উদ্দেশ্য ছিল, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের মতো নৃশংসতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা।

তবে এটি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) থেকে আলাদা।

আইসিসির নিজস্ব কোনো পুলিশ বাহিনী নেই। ফলে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার জন্য তারা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ওপর নির্ভর করে।

এই আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য মোট ১২৪টি দেশ ‘রোম স্ট্যাটিউট’ নামে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

এর মধ্যে ৩৩টি আফ্রিকান, ১৯টি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয়, ১৯টি পূর্ব-ইউরোপীয়, ২৮টি ল্যাটিন অ্যামেরিকান এবং ক্যারিবীয় ও ২৫টি পশ্চিম ইউরোপীয় ও অন্যান্য রাষ্ট্র রয়েছে।

তবে এটিকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া চীন ও ইসরায়েল।

ইসরায়ে আইসিসির সদস্য দেশ না হওয়ায় এর ওপর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কোনো এখতিয়ার নেই বলে দাবি করে দেশটি।

তবে বৃহস্পতিবার গ্রেফতারি পরোয়ানা ঘোষণা করার সময় আইসিসি জানায় যে এর সদস্য রাষ্ট্র ফিলিস্তিনের আঞ্চলিক বিচারিক এখতিয়ারের ভিত্তিতে ইসরায়েলের ওপর বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

যদিও কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া আইসিসি সাধারণত অনুপস্থিত আসামিদের বিচার করে না।

যার অর্থ দাঁড়ায়, সম্ভবত নেতানিয়াহু ও গ্যালান্ট আইসিসির কোনো সদস্য রাষ্ট্রে ভ্রমণ করা বা গ্রেফতার না হওয়া কিংবা দুজনকে হেগে না আনা পর্যন্ত তাদের বিচারের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ফলে পরোয়ানা জারি হলেও নেতানিয়াহু কিংবা গ্যালান্টকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতারের মুখোমুখি হতে হবে না।

তবে এরপর থেকে তাদের জন্য যেকোনো দেশে ভ্রমণ করা জটিল হবে, একইসঙ্গে এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইসরায়েলকে আরও বিচ্ছিন্ন করার হুমকি তৈরি হলো।

স্বাভাবিকভাবে নেতানিয়াহু আর গ্যালান্ট যদি আইসিসি সদস্যভুক্ত কোনো দেশে পা রাখেন তাহলে তাদেরকে গ্রেফতার করে আদালতের কাছে তুলে দেওয়ার কথা।

নেতানিয়াহু সবশেষ জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান, যা কি না আইসিসির সদস্যভুক্ত না।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানাকে ‘আপত্তিজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এদিকে খোলাখুলিভাবেই নিজেদের ভূখন্ডে যেকোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দুই দেশ ইতালি ও নেদারল্যান্ডস।

নির্দিষ্টভাবে কোনো কিছু উল্লেখ না করলেও আইসিসি-র নিয়ম মেনে চলার ্রপতিশ্রæতি দিয়েছে ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ।

আরও পড়ুন – রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক মেয়র আতিকসহ পুলিশ ও র‌্যাব কর্মকর্তা

ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল বলেছেন, ইইউ’র সব সদস্য রাষ্ট্রের জন্য আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার ‘বাধ্যবাধকতা’ রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক মেয়র আতিকসহ পুলিশ ও র‌্যাব কর্মকর্তা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

রিমান্ড শেষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা আলেপ উদ্দিন এবং র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মহিউদ্দিন ফারুকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৭ ও ১৯ নম্বর পৃথক আদালত এই নির্দেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনামুল করিম লিটন জানান, উত্তরা পূর্ব থানার বকুল মিয়া হত্যা মামলায় আতিকুল ইসলামকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে একই মামলায় যাত্রাবাড়ী থানায় পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন এবং র‌্যাব-২ এর সাবেক কোম্পানি কমান্ডার মহিউদ্দিন ফারুকী দুই দিনের রিমান্ডে ছিলেন।

রিমান্ড শেষে শুক্রবার দুপুরে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর পুলিশ তাদের কারাগারে পাঠানোর আবেদন করলে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন – ভিসা দেওয়া না দেওয়া ভারতের নিজস্ব ব্যাপার: উপদেষ্টা হাসান আরিফ

বকুল মিয়া হত্যা মামলায় এই তিনজনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশনার ভিত্তিতে মামলার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...