শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২৬.
Home Blog Page 732

নারী তান্ত্রিকের কাটা মাথা হাতে-থানায় আত্মসমর্পণ

0
Kalojadu-Dro-7-p-18
কালো জাদুর প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

কালো জাদুর মাধ্যমে এক যুবককে হত্যার অভিযোগে এক নারী তান্ত্রিককে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খন্ডের সাহিবগঞ্জ জেলার মেহেন্দিপুর নামক গ্রামে । তান্ত্রিক নারীকে হত্যার পর তার কাটা মাথা নিয়ে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণও করেছেন এক ব্যক্তি।

আরও দেখুন খোকসায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

জানা গেছে, মেহেন্দিপুর গ্রামে তিন দিন আগে জ্বর, কাশিতে মারা যান স্বাধীন টুড্ডু নামের এক যুবক। কিন্তু ওই যুবকের বাবা ৫৭ বছর বয়সী সকাল টুড্ডু অভিযোগ তুলেন , তারা ছেলেকে কালো জাদু দিয়ে হত্যা করেছে মাতলু চৌরাই নামের এক নারী তান্ত্রিক।

মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনার পর সকাল টুড্ডু তার ছেলের হত্যার প্রতিশোধ নিতে গ্রামবাসীদের নিয়ে ওই নারী তান্ত্রিকের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় অভিযুক্ত নারী তান্ত্রিকের গলা কেটে হত্যা করা হয়।

বুধবার সকালে ওই নারীর মরদেহ নিয়ে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন সকাল টুড্ডু।

সকাল টুড্ডু পুলিশকে বলেন, তান্ত্রিক নারী বলেছিলেন যে সন্ধ্যার মধ্যেই তার ছেলে মারা যাবেন। তার কথা সত্য হওয়ায় ছেলের মরদেহ বাড়িতে রেখেই হত্যার প্রতিশোধ নিতে যান সকাল টুড্ডু।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা অরভিন্দ কুমার সিং বলেন, মৃত যুবকের বিভিন্ন রোগ ছিল তাই মারা গেছেন। তবে টুড্ডু মনে করেন তার ছেলেকে কালো জাদু করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার আরো তদন্ত করছি।

অ্যান্টিবডি কিট থেকে পাটকল

0
Jafar-Dro-7-p-16-compressed
মুহম্মদ জাফর ইকবাল ফাইল ছবি

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

বেশ অনেকদিন হল আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছি। তারপরও আমার সহকর্মীরা- যারা একসময় প্রায় সবাই আমার ছাত্রছাত্রী ছিল, তাদের সঙ্গে আমার যোগাযোগ আছে।

আমি কারণে-অকারণে তাদের ফোন করি, তারাও নিয়মিত আমার খোঁজখবর নেয়। আজকাল জুম-মিটিং নামে এক ধরনের কায়দা বের হয়েছে, সেটি ব্যবহার করে যারা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে, যারা আমেরিকা-কানাডা অথবা ইউরোপে আছে কিংবা যে ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত সন্দেহ করে আইসোলেশনে আছে, তাদের সবার সঙ্গে একত্রে গল্প-গুজব করা যায়।

একাধিকবার আমি সেভাবে তাদের সঙ্গে রীতিমতো আড্ডা দিয়েছি। শেষবার তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় আমার এক ছাত্রী আমাকে জানাল, ‘স্যার, ফেব্রুয়ারি মাসে আমার খুব বিচিত্র একটা অসুখ হয়েছিল- জ্বর, গায়ে ব্যথা, তার সঙ্গে খুবই অদ্ভুত এক ধরনের কাশি।

কাশতে কাশতে মনে হতো গলা থেকে রক্ত বের করে ফেলি; কিন্তু একফোঁটা কফ নেই। সবচেয়ে বিচিত্র ব্যাপার হচ্ছে খাবারে বিন্দুমাত্র স্বাদ পাইনি, যেটাই খাই, সব একরকম মনে হয়েছে।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমার একার? নাকি বাসার সবার?’ সে বলল, ‘বাসার সবার। এটি আমার হাজব্যান্ড ঢাকা থেকে নিয়ে এসেছিল।

সবচেয়ে বেশি ভুগেছেন আমার শাশুড়ি, তার নিউমোনিয়ার মতো হয়ে গিয়েছিল। তাই হাসপাতালে নিতে হয়েছিল।’ আমি নিঃশ্বাস বন্ধ করে জিজ্ঞেস করলাম, ‘জ্বর নিয়ে ডিপার্টমেন্টে গিয়েছিলে?’

সে মাথা নেড়ে বলল, ‘গিয়েছি। কলিগদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হয়েছে।’ কলিগ বলতে যাদের বুঝিয়েছে তারাও জুম-মিটিংয়ে আছে। আমি তাদের কাছে জানতে চাইলাম তাদের শরীরে তখন কোনো সমস্যা হয়েছিল কিনা।

তারা সবাই বলল, তাদেরও জ্বর-কাশি হয়েছিল; কিন্তু সেটি নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায়নি। বছরের এ সময় জ্বর-কাশি খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। বাংলাদেশে থাকবে আর সর্দি, জ্বর, কাশি হবে না, সেটি তো হতে পারে না!
আমরা এখন যেসব উপসর্গকে করোনার ক্লাসিক উপসর্গ বলে জানি, আমার ছাত্রীর উপসর্গ তার সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। তাহলে আমরা কি সন্দেহ করতে পারি, ফেব্রুয়ারি মাসের দিকে আমার সেই ছাত্রী এবং তার পরিবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল?

বাড়াবাড়ি পর্যায়ে না গেলে করোনার উপসর্গ আর সাধারণ সর্দি-কাশি-ফ্লুয়ের উপসর্গের মাঝে বিশেষ পার্থক্য নেই। তারপরও এটিকে বিচ্ছিন্ন কাকতালীয় একটা ঘটনা বলে উড়িয়ে দিতে পারি না, তার কারণ আমি অনেকের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারি মাসে তারা যখন জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত হয়েছিল, তাদের উপসর্গের সঙ্গে করোনার উপসর্গ মিলে যায়। তারা অবশ্য সেটি নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায়নি।

আমি নিজেও জানুয়ারির শেষে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় পড়েছিলাম, ‘শুকনো কাশি’ বলে নতুন একটা অবস্থার সঙ্গে তখন পরিচয় হয়েছিল। জ্বরটির বৈশিষ্ট্য ছিল এক ধরনের অবিশ্বাস্য ক্লান্তি।

দিনের পর দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিছানায় শুয়ে মড়ার মতো ঘুমিয়েছি। সুস্থ হওয়ার পর এক পার্টিতে সবাই যখন মজা করে কাবাব খাচ্ছে আমি তখন ঘ্যান ঘ্যান করে যাচ্ছি, ‘এটা কী রেঁধেছে? বিস্বাদ! মুখে দেয়া যায় না।

এখন সারা পৃথিবীর সবাই বলাবলি করছে, ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে করোনার কথা জানাজানি হলেও এটি সম্ভবত ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে একবার ‘বিশ্বভ্রমণ’ করে গেছে।

ইতালি ও স্পেনে বর্জ্য পানি পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে। আমাদের দেশে ফেব্রুয়ারি মাসে হাজার হাজার মানুষ বইমেলায় গিয়েছে, সামাজিক দূরত্বের বিপরীত শব্দ হতে পারে, ‘অসামাজিক দূরত্ব’ কিংবা ‘সামাজিক নৈকট্য’।

অসামাজিক দূরত্ব’ কথাটা জানি কেমন অশালীন শোনায়, ‘সামাজিক নৈকট্য’ মনে হয় মোটামুটি গ্রহণযোগ্য একটা শব্দ! বইমেলায় হাজার হাজার মানুষ এ সামাজিক নৈকট্যের ভেতর দিয়ে গিয়েছে। কাজেই এটি মোটেও অস্বাভাবিক নয় যে, আনুষ্ঠানিকভাবে করোনার উপস্থিতি টের পাওয়ার আগে আমাদের দেশে (কিংবা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে) করোনা একবার চক্কর দিয়ে অনেক মানুষকে তাদের অজান্তে আক্রান্ত করে গেছে।

ব্যাপারটি নিয়ে আলাপ-আলোচনা-সন্দেহ করা যায়; কিন্তু যখন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে ঘোষণা দেয়া হল, আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা মিলে করোনার অ্যান্টিবডি (এবং অ্যান্টিজেন) পরীক্ষার একটা কিট তৈরি করেছেন তখন প্রথমবার আমার মনে হল, আমাদের সন্দেহটা শুধুই সন্দেহ নাকি সত্যি সেটি প্রমাণ করার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। এটি করোনার পরীক্ষা নয়; কিন্তু আগে করোনা হয়েছে কিনা তার একটা পরীক্ষা হতে পারে।

আমি তখন থেকে আশায় বুক বেঁধে আছি যে, এ কিটটি ব্যবহার করার জন্য উন্মুক্ত করা হবে, তখন আমরা সবাই পরীক্ষা করে দেখব আমাদের অজান্তেই কার কার এক দফা করোনা হয়ে গেছে।
সবচেয়ে বড় কথা, দেশে করোনার অবস্থা বোঝার জন্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার জন্য, এটার ব্যবহার অমূল্য সম্পদ হতে পারে। সবকিছু যত তাড়াতাড়ি অগ্রসর হওয়া উচিত ছিল এটি মোটেও তত তাড়াতাড়ি অগ্রসর হচ্ছে না।

আমরা সবাই এতদিনে জেনে গেছি, এটা শতভাগ নিশ্চিত পরীক্ষা নয়, সেটা জেনেই আমরা এটা ব্যবহার করতে চাই। তারপরও কেন জানি এ কিটটি আমাদের হাতে দেয়া হচ্ছে না।

আমরা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে আছি। অনেক দেশেই কেউ চাইলেই এখন এ পরীক্ষা করাতে পারে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ আমাদের পাশের দেশ।

কলকাতায় পরীক্ষা করে শতকরা ১৪ জনের মাঝে করোনা অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে, যার অর্থ কলকাতার জনসংখ্যা দেড় কোটি ধরে হিসাব করলে শুধু সেখানেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে যায় ২০ লাখ- অবিশ্বাস্য একটা সংখ্যা! এর মাঝে কী শুভংকরের ফাঁকি আছে, নাকি কিছু একটা আমরা এখনও জানি না? আমাদের ঢাকা শহরে কত পাব?

আমি অবশ্য করোনার সংখ্যা নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করার জন্য লিখতে বসিনি, তার জন্য খাঁটি বিশেষজ্ঞরা আছেন। আমি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে লিখতে বসেছি।

যেদিন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ড. বিজন শীলের নেতৃত্বে এ কিটটি উদ্ভাবনের খবর পত্রিকায় বের হয়েছিল, আমি স্বাভাবিকভাবেই খুব আনন্দিত হয়েছিলাম।

ড. বিজন শীলকে নিয়ে গর্ব অনুভব করেছিলাম। অনলাইন খবরের কাগজে প্রতিটি খবরের নিচে মন্তব্য লেখার ব্যবস্থা থাকে (কেন কে জানে! আমি কখনও সেগুলো পড়ার চেষ্টা করি না)। ঘটনাক্রমে সেদিনের খবরের পেছনের সেই মন্তব্যে আমার চোখ পড়ে গেল। আমি হতবাক হয়ে আবিষ্কার করলাম কোনো একজন পাঠক এ পুরো উদ্যোগটা নিয়ে কুৎসিত একটা মন্তব্য করে রেখেছে।

এ দেশের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত পত্রিকার কর্মকর্তারা খুবই উৎসাহ নিয়ে চমৎকার একটা খবরের পেছনে কুৎসিত একটা মন্তব্য জুড়ে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি, তারাও অভ্যস্ত হয়ে গেছেন; ধরেই নিয়েছেন পাঠকরা কুৎসিত কথা বলতে ও শুনতে ভালোবাসে।

আমি শুধু সম্ভ্রান্ত পত্রিকার অনুমোদিত একটা মন্তব্য দেখেই হতভম্ব হয়ে গেছি, আমাদের চোখের আড়ালে ফেসবুক নামের সেই অন্ধকার গলিতে অসংখ্য মানুষ কত রকম অশালীন কুৎসিত মন্তব্য না জানি করেছিল, যেটি আমি চিন্তাও করতে পারি না।

এটাই শেষ নয়, কয়েকদিন আগে আমি খবরের কাগজে দেখেছি আমাদের দেশের একটি প্রতিষ্ঠান করোনার ভ্যাকসিন বের করা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছে। পশুর ওপর প্রাথমিক পরীক্ষা করে তারা ইতিবাচক ফল পেয়েছে।

দেশের কেউ কিছু করলে স্বাভাবিকভাবেই আমি নিজের ভেতর অনুপ্রেরণা অনুভব করি, কাজেই এ খবরটা দেখেও আমি খুশি হয়েছি। সারা পৃথিবীর অনেক নাম না জানা প্রতিষ্ঠান, অনেক ছোট-বড় বিশ্ববিদ্যালয় করোনার ভ্যাকসিন তৈরি নিয়ে কাজ করছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে তার সুদীর্ঘ তালিকা রয়েছে। আমাদের দেশের কোনো গবেষণাগারে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন এ নিয়ে গবেষণার কোনো খবর নেই সেটি আমি নিজেই কয়েকদিন থেকে চিন্তা করছিলাম।

কাজেই খবরটা দেখে আমি খুশি হয়েছিলাম। তবে বিস্ময়ের কথা হচ্ছে, আমি খবর পেয়েছি এ গবেষক টিমের নেতৃত্বে যিনি আছেন, আসিফ মাহমুদ, তাকে নাকি ফেসবুকে তুলোধুনো করা হচ্ছে। কেন? যারা তাকে হেনস্তা করে অমার্জিত বক্তব্যের বান ছুটিয়েছে, তারা তাদের জীবনে কি ফেসবুকে একটা কুৎসিত স্ট্যাটাস দেয়ার চেয়ে বড় কোনো কাজ করেছে? করার ক্ষমতা আছে? বড় জানতে ইচ্ছা হয়।

যাদের আমাদের দেশ নিয়ে কোনো ভালোবাসা নেই, যারা চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেও দেশের ভালো কিছু দেখতে পায় না, তাদের আমি শুধু করোনার সময়ের কিছু ঘটনার কথা মনে করিয়ে দিই-যখন ঘূর্ণিঝড় আম্পান আমাদের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছিল, তখন উপকূলের প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে রাতারাতি সরিয়ে নিতে হয়েছিল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে রাতারাতি ২৪ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া কতটা কঠিন কাজ, কেউ চিন্তা করে দেখেছে? (পৃথিবীর প্রায় শ’খানেক দেশ আছে যাদের জনসংখ্যা এর সমান কিংবা এর চেয়ে কম!)

তখন একইসঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের সময় ভাসানচরের নিরাপত্তার একটা পরীক্ষা হয়ে গেছে। বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো একেবারে শুরু থেকে ভাসানচরে কিছু রোহিঙ্গার থাকার ব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে আমি বিভ্রান্তির মাঝে ছিলাম, তাদের মাথাব্যথাটা কোথায় আমি বুঝতে পারছিলাম না।

আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমার বিভ্রান্তি দূর করে দিয়েছেন। তিনি একেবারে খোলাখুলি বিদেশি বিশেষজ্ঞদের উদ্দেশ করে বলেছেন, এখন তারা কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় পাঁচতারা হোটেলে থাকেন; ঘণ্টাখানেকের মাঝে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চলে যান, বিকালের ভেতর আবার পাঁচতারা হোটেলে ফিরে এসে সারা রাত ফুর্তি-ফার্তা করতে পারেন, সেজন্য তাদের রয়েছে মাস শেষে মোটা বেতন। রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিলে এ বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সেখানে যেতে এবং ফিরে আসতে ঘাম ছুটে যাবে, সেজন্য তাদের এত আপত্তি!

রোহিঙ্গাদের কথাই যদি বলা হবে তাহলে নিশ্চয়ই বলতে হবে, পৃথিবীর বৃহত্তম এ ক্যাম্পে লাখ লাখ রোহিঙ্গা গাদাগাদি করে আছে, সেখানে করোনার মহামারী ছড়িয়ে গেলে কী ভয়াবহ ব্যাপার ঘটবে, সেটা নিয়ে সবার ভেতরে দুশ্চিন্তা ছিল; কিন্তু সেই ক্যাম্পে এখন পর্যন্ত খুবই সফলভাবে করোনার মহামারী নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এটি কি আমাদের দেশের জন্য একটি অসাধারণ ঘটনা নয়?

করোনার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা এখনও বের হয়নি। কিন্তু যখনই কিছু একটা সফল পদ্ধতি বের হয়েছে আমরা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে সেটার বাস্তবায়ন হতে দেখেছি। এখন দেশে করোনা থেকে আরোগ্য হওয়া মানুষের প্লাজমা নিয়ে চিকিৎসা প্রায় রুটিনমাফিক হচ্ছে। রেমডেসিভির নামে একটা ওষুধ কার্যকর বলে প্রমাণিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেশের ওষুধ কোম্পানি সেটি তৈরি করতে শুরু করেছে।
যুক্তরাজ্যের এনএইচএস যখন গবেষণা করে ঘোষণা দিল ডেক্সামেথাসন নামে একটা স্টেরয়েড করোনার জটিল রোগীদের জন্য প্রায় মহৌষধ তখন আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, আমাদের দেশে এটি খুবই সস্তা একটা ওষুধ।

শুধু তাই নয়, আমাদের ডাক্তাররা অনেকদিন থেকেই জটিল করোনা রোগীদের এটি দিয়ে চিকিৎসা করে আসছেন। কীভাবে কীভাবে জানি করোনার চিকিৎসা নিয়ে দেশের মানুষের ভেতর এক ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে, আমার পরিচিত যারা আক্রান্ত হয়েছে, তাদের প্রায় সবাই হাসপাতালে না গিয়ে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এখানেই শেষ নয়, আমাদের দেশে বিভিন্ন মাত্রার পিপিই তৈরি হয়েছে এবং বিদেশে রফতানি হয়েছে। ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার নেতৃত্বে চট্টগ্রামে ১০০ সিটের একটা ফিল্ড হাসপাতাল শুধু তৈরিই হয়নি, সেখানে রোগীদের চিকিৎসাও হচ্ছে (সেদিন খবরে দেখলাম, চট্টগ্রামে পরপর দু’দিন কেউ করোনায় মারা যায়নি!)।

‘পে ইট ফরওয়ার্ড বাংলাদেশ’ নামে আমার একটা প্রিয় সংগঠন বহুজনকে নিয়ে সারা দেশের জন্য অক্সিজেন ব্যাংক তৈরি করেছে, বাসায় চিকিৎসা করার সময় অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে সেখান থেকে অক্সিজেন নেয়া সম্ভব।

কী সুন্দর একটি উদ্যোগ! আমাদের দেশে করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র-শিক্ষক নানা ধরনের মেডিকেল যন্ত্রপাতি তৈরি করছেন, সেগুলো ব্যবহারও হচ্ছে। এসব খবর শুনে কি একটুখানি প্রশান্তি অনুভব করা যায় না?

তার বদলে কেন জ্বালা অনুভব করব? কেন ভালো একটা খবর পড়ে সুন্দর একটা কথা বলব না? কেন উৎসাহ দেব না? কেন তাচ্ছিল্য করব? টিটকারি করব? ছোট করার চেষ্টা করব?

যারা এগুলো করে আনন্দ পায়, তাদের বলব একবার একটা সুন্দর কথা বলে দেখতে, তখন নিজের ভেতর কেমন একটা প্রশান্তি অনুভব হয়, সেটা দেখে তারা নিজেরাই অবাক হয়ে যাবে। আমি প্রয়োজনে কোনো কিছু সমালোচনা করতে নিষেধ করছি না; কিন্তু সেটি সমালোচনা হতে হবে, গালাগাল, খিস্তি হতে পারবে না।

সারা পৃথিবীতে অর্থনীতি নিয়ে চলছে আতঙ্ক, আমরাও আতঙ্কিত। ধরেই নিয়েছিলাম, প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিটেন্স কমে আসবে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়বে।

কিন্তু সেরকম কিছু চোখে পড়ছে না, বরং রেকর্ড রেমিটেন্স, রেকর্ড রিজার্ভের খবর পাচ্ছি। বাংলাদেশে যতজন করোনায় মারা যাচ্ছে, প্রায় তার সমানসংখ্যক প্রবাসী শ্রমিক বিদেশ বিভুঁইয়ে মারা যাচ্ছেন। সেই খবর পড়ে মন ভারাক্রান্ত হয়। আমরা তাদের থেকে শুধু নিচ্ছি, তাদের কিছু দিচ্ছি না ভেবে নিজেদের অপরাধী মনে হয়।

করোনার সময় শুধু যে নিরবচ্ছিন্নভাবে ভালো ভালো ব্যাপার ঘটে যাচ্ছে সেটি সত্যি নয়। গার্মেন্ট শ্রমিকদের ছাঁটাই করা একটা ভয়াবহ খবর।

ফ্যাক্টরির মালিক-শ্রমিক মিলে একটা বড় পরিবারের মতো হওয়ার কথা, দুঃসময়ে মালিক-শ্রমিক একসঙ্গে কষ্ট করবে; কিন্তু কোনো কোনো মালিক নিজের সম্পদ রক্ষা করার জন্য শ্রমিকদের ছুড়ে ফেলে দেবেন, এটা কেমন করে হয়?

করোনার এ দুঃসময়েও আমরা দেখছি, কোনো কোনো কারখানার শ্রমিকরা তাদের বেতন-ভাতার জন্য রাস্তা অবরোধ করে বসে আছে। কেন?

আমরা হঠাৎ করে দেখতে পাচ্ছি সরকারি পাটকলগুলো বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের যে প্রেসক্রিপশন মেনে এগুলো বন্ধ করা হচ্ছে সেই প্রেসক্রিপশন আমরা অনেক দেশে অনেকবার দেখেছি।
পৃথিবীতে সবাই এখন পরিবেশ নিয়ে সচেতন, তাই সারা পৃথিবীতে পাটের বিশাল চাহিদা। ভারতবর্ষে নতুন পাটকল তৈরি হচ্ছে, আমরা সেই সময়টাতে পাটকল বন্ধ করে দিচ্ছি।

আমি হিসাব মেলাতে পারি না। আমার মনে আছে, বেশ অনেক বছর আগে খুলনায় পাট শ্রমিকরা খুব দুঃসময়ের মাঝে ছিল, তাদের অবস্থাটা সবার চোখের সামনে আনার জন্য খুলনায় একটা লঙ্গরখানা খোলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। অনেকের সঙ্গে আমিও সেখানে গিয়েছিলাম।

সরকারের রক্তচক্ষু কাকে বলে, আমি সেবার সেটা টের পেয়েছিলাম। মানুষ যখন শুধু একটা সংখ্যা হয়ে যায়, যখন তাদের পরিবার থাকে না, আপনজন থাকে না, আত্মসম্মান থাকে না, ভবিষ্যৎ থাকে না; তখন সেটা খুব একটা কষ্টের ব্যাপার। আমরা সমস্যাগুলোর মূলে কেন হাত দিই না? পাটকলগুলো বন্ধ না করে আধুনিকায়ন করা কি এতই দুঃসাধ্য একটা ব্যাপার?

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু অনেক আশা নিয়ে বাংলাদেশের পাটকলগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত করেছিলেন। তার জন্মশতবার্ষিকীর বছরে সেই পাটকলগুলো বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে, এ দেশে কেউ তার দীর্ঘশ্বাসটুকু শুনতে পাচ্ছে না?

বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ডে আবেদনের সময় বাড়লো

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

চলমান করোনা ভাইরাসের কারণে পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং আগ্রহীদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস এর আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ডে অংশগ্রহণের জন্য আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। চলতি মাসের ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করবার সময় বাড়ানো হলো।

বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০২০ এর আহ্বায়ক ও বেসিস পরিচালক রাশাদ কবির বলেন, বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড বেসিসের একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। মহামারি এবং লকডাউনের কারণে অনেকেই ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও আবেদন করতে পারেননি। যারা আবেদন করতে পারেনি তাদের অনুরোধে সময় বাড়ানো হয়েছে।

আরও দেখুন করোনায় থেমে গেল গো খামারিদের স্বপ্ন

তিনি আরও জানান, কোম্পানি ক্যাটাগরিতে ৩টি, ব্যক্তি ক্যাটাগরিতে ২টিসহ মোট ৫টি ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ১০০টি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে। এবারে একটি নতুন ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে সেটি হলো এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড। সরকার ঘোষিত ১০% রপ্তানি ভর্তুকির জন্য যারা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আবেদন করেছেন তাদের মধ্যে থেকে ৮টি প্রতিষ্ঠানকে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।

বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০২০ এর উপদেষ্টা এবং বেসিস এর সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান বলেন, দীর্ঘ ৫ বছর পর আবারো বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড হচ্ছে। রপ্তানিমুখী কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য এই অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম বড় ভূমিকা রাখবে। নারীদের ঘরে বসে অনলাইন আউটসোর্সিংয়ে উৎসাহিত করতে পৃথক নারী ক্যাটাগরিতেও তিনটি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নেপালে দূরদর্শন বাদে ভারতীয় চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

নেপালে কলকতা দূরদর্শন বাদে ভারতের সকল টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার নেপালের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ভারতের বিভিন্ন সংবাদভিত্তিক চ্যানেলের বিরুদ্ধে নেপালের রাজনীতিকদের চরিত্র হনন ও নেপাল সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ করেন।
এর পরপরই নেপালের কেবল অপারেটররা দূরদর্শন ছাড়া বাকি সব ভারতীয় টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু ।

আরও দেখুন –খোকসায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

কেপি শর্মা ওলি মন্ত্রিসভার সদস্য যুবরাজ খাতিওয়াডা বলেছেন, নেপালে যেসব বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচার চলছে, তাদেরকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য রাজনীতিকদের চরিত্র হনন করতে দেওয়া হবে না। সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে কী কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায় কাঠমান্ডু তা খতিয়ে দেখছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

আরও দেখুন– করোনায় থেমে গেল গো খামারিদের স্বপ্ন

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের কোনো বিষয়ে আমরা হস্তক্ষেপ করতে চাই না। শুধু বিদেশি গণমাধ্যমই নয়, নেপালের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হলে, নেপালের নাগরিক কিংবা রাজনীতিকদের চরিত্র হনন করতে দেখা গেলে কিংবা আপত্তিকর অনুষ্ঠান প্রচার করলে দেশি টেলিভিশন চ্যানেলের উপরও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি ও চীনের রাষ্ট্রদূত হু ইয়ানচিকে নিয়ে ভারতীয় চ্যানেলে বেশ কয়েকটি আপত্তিকর অনুষ্ঠান প্রচারিত করা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে খাতিওয়াডা এমনটাই বলেছেন।

মন্ত্রিসভার সদস্যের এমন মন্তব্যের কিছু সময় পর থেকে নেপালে ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলো একে একে ‘ব্ল্যাক আউট’ হয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার ভারতে নেপালের রাষ্ট্রদূত নীলাম্বর আচার্যও নয়া দিল্লির কাছে ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে নেপালি নেতাদের নিয়ে আপত্তিকর সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে অভিযোগ করেছেন বলে বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে।

নেপালের মানচিত্র নিয়ে সম্প্রতি কাঠমান্ডু ও দিল্লির মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। নেপালের পার্লামেন্টে অনুমোদিত নতুন মানচিত্রে এমন কিছু জায়গা স্থান পেয়েছে যেগুলোকে ভারতও নিজেদের বলে দাবি করে আসছে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নেপালের রাজনীতিতে চীনের প্রভাব নিয়ে নয়া দিল্লির দুশ্চিন্তার বিষয়টি গোপন নয়। ওলি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহল প্রচন্ডের মধ্যে বিরোধ মেটাতে নেপালে চীনের রাষ্ট্রদূত হুর সাম্প্রতিক দৌড়ঝাঁপের বিষয়টিও তাদের উদ্বিগ্ন করেছে।
এর মধ্যে নেপালে ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচার বন্ধের বিষয়টি দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা আরও উসকে দিতে পারে বলেও অনেকে অনুমান করছে।

সালমানের সঙ্গে আমার ক্ষণস্থায়ী সম্পর্ক নয়-ক্যাটরিনা

0
Salman-Dro-7-p-3
সালমান খান এবং ক্যাটরিনার ফাইল ছবি

দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক

বলিউডে পা রাখার পর থেকে সালমান খানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ক্যাটরিনা বেশ কয়েকবার আলোচনায় এসেছেন। এমন সব বিষয় নিয়ে এবার মুখ খুলছেন ক্যাটরিনা।

সম্প্রতি তিনি বলেন, সালমানের সঙ্গে আমার যে সর্ম্পক তা ক্ষণস্থায়ী নয়। এই বন্ধুত্ব নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেন সেটা আমি জানি। কিন্তু এমন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আমি আলোচনা তৈরি করতে চাই না।

‘ভারত’ ছবিতেও সালমান খানের বন্ধুত্বের নমুনা মিলেছে। যা দেখে দর্শকরাও বেশ তৃপ্ত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই অনুরাগীদের মনে যাতে ব্যথা না লাগে এমন তত্ত্বেরই উপস্থাপন করলেন নায়িকা ।

আরও দেখুন খোকসায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

ক’দিন আগে সিঙ্গাপুরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সালমানের সঙ্গে তার সম্পর্কের সমীকরণের খুল্লমখুল্লা হদিশ দিলেন ক্যাটরিনা।

এ প্রসঙ্গে ক্যাটরিনা বলেন, আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে খারাপ সময়ে সালমান খান কীভাবে তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এ কারণে ক্যাটরিনা মনে করেন, তার কাছে সালমানই সেই ব্যক্তি, যাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা যায় এবং তার ওপর ভরসাও করা চলে। একইসঙ্গে শুধু সালমান নয়, সালমানের বোন অর্পিতা খান শর্মার সঙ্গেও নিজের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন ক্যাটরিনা। ক’দিন আগেই অর্পিতার বাড়িতে গণেশ পূজোয় অংশ নিয়েছিলেন ক্যাটরিনা।

ঈশ্বরদীতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ঈশ্বরদীতে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের দাদাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রানী একই গ্রামের জসিম উদ্দিন ফকিরের স্ত্রী।

রানীর বাবার বাড়ি একই উপজেলার ভাড়ইমারি গ্রামে। তার পিতার নাম আকমল হোসেন।

আরও দেখুন –খোকসায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

নিহত রানীর বাবার পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের জন্য তার মেয়েকে হত্যা করেছে জামাই জসিম এবং তার পরিবার। পরিকল্পিতভাবে হত্যা শেষে, লাশ গাছে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক বলে চালানোর মিথ্যে চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, যৌতুকের জন্য রানীকে প্রায়ই মারধর করতেন স্বামী জসিম।

ঈশ্বরদী থানার ওসি নাসির উদ্দীন বলেন, খবর পেয়ে আত্মঘাতী নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।

অক্টোবরের মধ্যেই মিলবে করোনার ভ্যাকসিন-ফাইজার

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বৈশ্বিক মহামারী করোনার আক্রমণে সারা বিশ্ব যখন বিধ্বস্ত ঠিক এমন সময় সবচেয়ে বড় সুখবরটি দিল যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ফাইজার। কোম্পানিটা প্রত্যাশা করছে, অক্টোবর নাগাদ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে।

এক সাক্ষাৎকারে ফাইজার সিইও অ্যালবার্ট বোরলা এমন আশার কথা শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অক্টোবর মাস নাগাদ আমাদের ভ্যাকসিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাছ থেকে অনুমোদন পেয়ে যাব। সেপ্টেম্বরে আমরা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার ফল জানতে পারব।

আরও দেখুন খোকসায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

জার্মান কোম্পানি বায়ো এনটেকের সঙ্গে ভ্যাকসিনটি তৈরি নিয়ে কাজ করছে ফাইজার। সম্প্রতি ভ্যাকসিনটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ইতিবাচক ফল পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। জার্মান সংস্থা বায়ো এন টেককে সহযোগী করে এ ভ্যাকসিন তৈরি করছে ফাইজার। তাদের দাবি করে, করোনার জীবাণুকে ধ্বংস করতে সক্ষম এই ভ্যাকসিন। এটি স্বাস্থ্যবান মানুষের মধ্যে রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে। তবে এটি বেশি মাত্রায় দেওয়া হলে জ্বরসহ অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেবে ।

সূত্র- খবর টাইম অনলাইনের

দৌলতপুর সীমান্ত থেকে বিএসএফ ধরে নিয়ে গেছে ৫ চোরাকারবারীকে

0
Daulatpur-dro-23-p-1-compressed
প্রতিকী ছবি

দৌলতপুর প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত থেকে বিএসএফ ৫ চোরাকারবারীকে ধরে নিয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার শেষরাতে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর সীমান্ত থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা।

স্থানীয় সূত্রথেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, বাংলাদেশী চোরাকারবারীর ৮-৯ জনের একটিদল বুধবার মধ্যরাতে ভারত থেকে মহিষ চুরি করে বাংলাদেশে পাচার করছিল।

এমন সময় ভারতের ভারতের নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার ১৪১ বিএসএফ কমান্ডেন্ট অধিনস্থ বাউশমারী ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ চোরাকারবারীদের ধাওয়া দেয়। বিএসএফ’র ধাওয়া খেয়ে চোরাকারবারীরা প্রানভয়ে মহিষ ফেলে পালিয়ে যায় এবং ভারত সীমানার একটি পাটক্ষেতের ভিতরে আত্মগোপন করে।

আরও দেখুন –খোকসায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

বিএসএফ ৭টি মহিষ উদ্ধার করে নিজ ক্যাম্পে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার শেষরাতে ভারত সীমানায় আত্মগোপনে থাকা বাংলাদেশী চোরাকারবারীরা বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় বিএসএফ তাদের আবারও ধাওয়া দেয় এবং তাদের আটক করে।

বিএসএফ’র হাতে আটক বাংলাদেশী চোরাকারবারীদের মধ্যে রয়েছে দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ঠোটারপাড়া গ্রামের নাদের আলীর ছেলে মিঠন (২৫), বগমারী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে লিটন (৩০) ও আলিম উদ্দিনের ছেলে আলমগীর (২৮) এবং চরপাড়া গ্রামের উকিলের ছেলে বাগু (৪০) ও জীবন সরকারের ছেলে আনন্দ (২৫)

ঝিনাইদহ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মাানুষের পারাপার বেড়েছে

0
বিজিবির হাতে আটককৃতরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

করোনাকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে হঠাৎ অবৈধ পারাপার বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢুকছে মানুষ। কেন এই অবৈধ যাতায়াত তা নিয়ে কোন তথ্য দিতে পারছে না বিজিবি সুত্রগুলো।

মঙ্গলবার রাতে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি সদস্যরা ১৪ সদস্য আটকের পর বৃহস্পতিবার রাতে আরও ৯ জনকে আটক করেছে।

মহেশপুর বিজিবির সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম খান জানান, মহেশপুর উপজেলার একাশিপাড়া থেকে ৯ জনকে আটক করেছে। এরা সবাই ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আটককৃতরা হলেন, মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কান্ডাপাড়া গ্রামের রঞ্জিত হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার (২৪), বরিশালের হিজলা উপজেলার বহিরচর গ্রামের রাধিশ্বাস দেওয়ানের ছেলে শুভংকর দেওয়ান (২৮), শুভাংকর দেওয়ানের ছেলে দেব দেওয়ান (০৮), বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সলদিয়া গ্রামের বড়খোকা ঘটকের স্ত্রী স্বরদিনি ঘটক (৭০), মাগুরার শালিকা উপজেলার টেকেরহাট গ্রামের অনিল দাসের স্ত্রী বুলু রানী দাস (৩৫), ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চান্দা বাজার গ্রামের অখিল মালুর স্ত্রী সাধনা মালু (৩৫), নড়াইলের মাউনি গ্রামের সেলিম সরদারের স্ত্রী পান্না বেগম (৪০) ও খুলনার দৌলতুপরের কুয়েট এলাকার বিপ্লব শেখের স্ত্রী ফাতেমা শেখ (৩৫)। এদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, ৬ জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার দায়ে বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধ্যাদেশ ১৯৭৩ এর ১১(১)(গ) ধারায় মহেশপুর থানায় মামলা হয়েছে।

ড্রাগন চাষে সফল হলেন চাষী

0
ড্রাগন চাষ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

বিদেশী ফল ড্রাগন চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কালীগঞ্জ উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে এখন চাষ হচ্ছে ড্রাগন।

এবার ভাল জাত চিনে ড্রাগন চাষ করে সফল হয়েছেন শেখ রাসেল আহমেদ নামের যুবক। রাসেল কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত শেখ আবুল কাশেমের ছেলে। যিনি বাড়ির আঙ্গিনা থেকে শুরু করে মাঠ অবধি ড্রাগন চাষ করেছেন।

রাসেল আহমেদ বলেন, তার বাড়ির আঙ্গিনার আশপাশে ১৬ শতক জমিতে মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ছিল। ১৫ বছর আগে লাগানো এসব গাছ মাত্র এক লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। গাছ গুলি কাটার সময় তার মা তাকে বাধা দিয়েছিলেন। সে সময় রাসেল তার মাকে বলেন, ১৫ বছর আগে লাগানো সব গাছ বিক্রি করে দাম পাওয়া গেছে ১ লাখ টাকা। আর আপনি আমাকে দোয়া করলে আমি প্রতি বছর আপনাকে ড্রাগন থেকে এক লাখ টাকা লাভ দিব। এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর গাছগুলি কাটা হয়।

আরও পড়ুন-কুষ্টিয়ায় পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত-অগ্রণী ব্যাংক লকডাউন

২০১৯ সালে বাড়ির আঙ্গিনার ১৬ শতক জমিতে প্রথমে ড্রাগন চাষ শুরু করেন রাসেল। একই সময়ে মাঠে আরও এক বিঘা জমিতে ড্রাগনের চাষ করে। এবার বাড়ির আঙ্গিনাসহ মাঠের গাছে প্রচুর ড্রাগন ফল ধরেছে। ইতিমধ্যে তিনি ৫০ হাজার টাকার ফল বিক্রি করেছেন। আরও প্রায় এক লাখ টাকার ফল বাজারজাত করার প্রক্রিয়া চলছে।

মাঠজুড়ে ড্রাগন ফল

রাসেল আহমেদ বলেন, বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলে লাভজনক চাষের বিভিন্ন ভিডিও দেখে তিনি ড্রাগন চাষে উদ্বুদ্ধ হন। এরপর প্রথমে বাড়ির আঙ্গিনার ১৬ শতক জমিতে এবং পরে মাঠে এক বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের আবাদ শুরু করেন। সব মিলিয়ে তার এখন ড্রাগনে আবাদ আছে ২ বিঘা ১৬ শতক জমিতে।

তিনি আরও জানান, ড্রাগন চাষ করতে হলে প্রধানত তিন বিষয় মাথায় রাখতে হবে। সমস্যা, সমাধান এবং সম্ভাবনা। এই তিনটি বিষয় মাথায় রেখে নতুন উদ্যোক্তারা কৃষিতে প্রবেশ করলে তারা লাভবান হবেন।

সর্বশেষ সংবাদ

গভর্নমেন্ট আমাদের, আগের ডিসি গাদ্দারী করেছেন আমরা তাকে বদলি করে দিয়েছি – পরাজিত এমপি...

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তৎকালীন জেলা প্রশাসকের ওপর দোষ চাপালেন কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপির পরাজিত এমপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। সে সঙ্গে শাস্তিস্বরূপ তাকে...

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী বললেন – আমির হামজা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী বলে মন্তব্য করেছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও...

দিন-রাত উড়ছে জাতীয় পতাকা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূর্যদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নিয়ম রয়েছে। তবে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের ৯৩ নম্বর...

কুষ্টিয়ায় ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানী পণ্য জব্দ, আটক দুই

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক ও চোরচালানী পণ্যসহ দুই চোরকারবারীকে আটক করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। শুক্রবার (২৭ মার্চ)...

নিহতদের পরিবার পেলো ত্রানের আর্থিক সহায়তা

স্টাফ রিপোর্টার দৌলতদিয়া ঘটে পদ্মার পানিতে ডুবে যাওয়া বাসের নিহত তিন যাত্রীর পরিবারের পাশে আর্থিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রসাশন। পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে ডুবে...