মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 657

মাগুরায় সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

0
প্রতিকী ছবি

মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে এক কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার রাতে শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া গ্রামে ফাতেমা খাতুন (৪) নামের এক শিশুর সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে। মৃত ফাতেমা একই গ্রামের নায়েব আলী শেখের মেয়ে।

নায়েব আলী শেখ বলেন, ফাতেমাকে ঘুমন্ত অবস্থায় সাপ কামড় দেয়। এ সময় শিশুটি ঘুম থেকে উঠে কান্নাকাটি করলে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ওঝার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ওঝা জানান বিষাক্ত সাপের কামড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে পল্লী চিকিৎসক মোহন মোল্লার কাছে নিয়ে গেলে তিনিও ফাতেমাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইউএনওর ওপর হামলার হোতাসহ আটক ২

0
ইউ এন ও ওয়াহিদা ও ঘাতক আসাদুল

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও তাঁর বাবার ওপর হামলার ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে র‌্যাব-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলার রানিগঞ্জের আসাদুল ইসলাম (৩৫) ও ওসমানপুর সাগরপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেন (৪২) কে আটকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ।

আটক আসাদুল ইসলামের বাবার নাম আমজাদ হোসেন ও জাহাঙ্গীর হোসেনের বাবার নাম আবুল কালাম। আটক আসাদুল ইসলাম ২০১৭ সাল থেকে ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন-ইউএনও ওয়াহিদার অবস্থা আশঙ্কাজনকঃ চিকিৎসক

পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিরামপুর, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট থানা-পুলিশের একটি দল শুক্রবার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে আসাদুল ইসলামে কে হাকিমপুর উপজেলার কালিগঞ্জ এলাকায় বোনের বাসা থেকে আটক করা হয়। আটক করার পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশের রংপুর রেঞ্জের কার্যালয়ে। অন্যদিকে দিনাজপুর র‌্যাবের সদস্যরা জাহাঙ্গীরকে আটক করে তাঁকে তাঁর নিজ বাসা থেকে।

আরও পড়ুন-ঘোড়াঘাটের ইউএনওর ওপর দুর্বত্তের হামলা

হাকিমপুর থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, আটক করা দুজনই মাদক সেবনকারী ও ব্যবসায়ী। তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কয়েকটি মামলা রয়েছে। আটক করা দুজনই ঘটনার অন্যতম হোতা। তবে কী কারণে তাঁরা হামলা করেছেন, এ ব্যাপারে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

হামলার ঘটনায় ইউএনওর ভাই শেখ ফরিদ উদ্দিন বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এজাজারে উল্লেখ করা হয়, দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ওয়াহিদার কাছে আলমারির চাবি চায়। ওয়াহিদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়।

বুধবার গভীর রাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ইউএনওর সরকারি বাসায় ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদা ও তাঁর বাবাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

আহত বাবা-মেয়েকে বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ওয়াহিদাকে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে ঢাকায় নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে ভর্তি করা হয়। গতরাতে ওয়াহিদার একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখন তিনি পর্যবেক্ষণে আছেন।

এ্যাডমিরাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরানো হলো নৌবাহিনী প্রধানকে

0
ব্যাজ পরানো হচ্ছে

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

নৌবাহিনী প্রধান মোহাম্মদ শাহীন ইকবালকে এ্যাডমিরাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরানো হল।

বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এই র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেয়া হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নতুন নৌবাহিনী প্রধানকে অ্যাডমিরাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন। র‌্যাংক ব্যাজ পরানোর পর সরকারপ্রধান নৌবাহিনী প্রধানের সাফল্য কামনা করেন এবং এজন্য সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন বলে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান।

আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন ইকবালকে ভাইস অ্যাডমিরাল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে সরকার ১৮ জুলাই তাকে তিন বছরের জন্য নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব দেয়। তার আগে নৌ সদরে সহকারী নৌপ্রধান (অপারেশান্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহীন ইকবাল।

১৯৮০ সালে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে নৌবাহিনীতে যোগ দেওয়া শাহীন ইকবাল ১৯৮২ সালের ১ ডিসেম্বর এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন পান। নৌবাহিনীতে দীর্ঘ চার দশকের কর্মজীবনে শাহীন ইকবাল ফ্রিগেটসহ সব শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটির অধিনায়কত্ব করেছেন। বিএনএস তিতুমীর এবং স্কুল অব মেরিটাইম ওয়ারফেয়ার অ্যান্ড ট্যাকটিকসের প্রধানও ছিলেন তিনি।

কুড়িগ্রামের বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

0
প্রতিকী ছবি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নারায়নপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মজিবর রহমান জানান, তার ইউনিয়নের দুর্গম পাখিউড়া সীমান্তে বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছবিল উদ্দিন (৩৫) একই ইউনিয়নের আইরমারী চর গ্রামের আলহাজ্ব মূসা আলীর ছেলে।

নিহতের পরিবারের বরাতে ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাহাদৎ হোসেন বলেন, ভোরের দিকে একদল চোরাকারবরী গরু আনার জন্য ভারতের আসামের অভ্যন্তরে মন্ত্রীর চরে প্রবেশ করে। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পর পর দুই রাউন্ড গুলি করলে ছবিলের পেটে গুলি লাগে। পরে ছবিলের তাকে সহযোগীরা উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কুড়িগ্রাম ২২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, নারায়ণপুর সীমান্তের পাখিউড়া বর্ডার আউট পোস্টের (বিওপি) অধীন সীমান্তে এক রাউন্ড গুলির শব্দ পাওয়া গেছে বলে জানতে পেরেছি। তবে কোন ব্যক্তির লাশ স্পটে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হয়েছে কিন্তু তারা এখনও ঘটনার দায় স্বীকার করেনি।

কচাকাটা থানার ওসি মামুন অর রশিদ বলেন, বিএসএফের গুলিতে ছবিল উদ্দিনের নিহত হওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

পাবনায় পুলিশের ওপর হামলা, আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

0
pabna-Dro-24-p-16
প্রতিকী ছবি

পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ভাঙ্গুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে এসআই ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর ভাঙ্গুড়া বাজার থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার জয়নাল আবেদীন ভাঙ্গুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এবং দিলপাশার ইউনিয়নের বেতুয়ান গ্রামের হারুনার রশিদ সরকারের ছেলে। অপর দুজন হলেন, পার্শ্ববর্তী ফরিদুপর উপজেলার লাহিড়িবাড়ী গ্রামের ওয়াজেদ আলী ও সাইদুর রহমান।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ভাঙ্গুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাজমুল হক বলেন, পুলিশের উপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের জন্য বৃহস্পতিবার জয়নাল আবেদীনসহ তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানে হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় শত শত বিশৃংখল লোকের মধ্যেও পুলিশ জানমালের কোনো ক্ষতি হতে দেয়নি। কিন্তু আটক ব্যক্তিরা পুলিশের উপর চড়াও হয়ে হামলা করে। এ ব্যাপারে এসআই ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার থানায় একটি মামলা করেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, তুচ্ছ ঘটনার জেরে গত বুধবার বিকালের দিকে ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বেতুয়ান দক্ষিণপাড়ার আব্দুল হান্নান ও তার ছেলে সম্রাটের নেতৃত্বে দলবেঁধে মাইকে ঘোষণা দিয়ে লাঠি-সোটা এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হলে পুলিশ তা প্রতিহত করতে যায়।

এ সময় একটি পক্ষের লোকজন বিএলবাড়ি মার্কেটে কয়েকটি দোকান ঘর ভাংচুরও করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পরিদর্শক (তদন্ত) নাজমুল হককেও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এছাড়া এসআই ইব্রাহিম খলিল ও এসআই সাজেদুর রহমানের উপরও হামলা হয়। এ ঘটনায় পরিদর্শক (তদন্ত) সহ চার পুলিশ সদস্য হামলার শিকার হন বলে জানান তারা।

ইউএনও ওয়াহিদার অবস্থা আশঙ্কাজনকঃ চিকিৎসক

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

গভীর রাতে নিজের সরকারি বাসভবনে হামলার শিকার দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন রাজধানীর ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের চিকিৎসক।

বৃহস্পতিবার বিকালে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের অধ্যাপক ডাঃ জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে এক ব্রিফিংয়ে একথা জানান।

ডাঃ জাহিদ হোসেন বলেন, ইউএনও আশঙ্কাজনক অবস্থাতেই আছেন। তার ব্লাডপ্রেসার, পালস এগুলোর উন্নতি না হলে এবং উনার যদি জ্ঞানের মাত্রার আরও অবনতি হয় তাহলে কিন্তু উনি যথেষ্ট বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে আছেন। যে কোনো সময় একটা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই চিকিৎসক।
চিকিৎসক আরও জানান, ইউএনও ওয়াহিদা খানম চিকিৎসার জন্য ৭ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তার অস্ত্রোপচার করা সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত, বুধবার রাত ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে ইউএনওর বাসভবনের ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসায় ঢুকে ওয়াহিদা ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলা হয় বলে ঘোড়াঘাট থানার ওসি আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ জানায়, বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে অবস্থিত ইউএনওর বাসভবনের টয়লেটের ভেন্টিলেটর ভেঙে দুর্বৃত্তরা প্রবেশ করে। ইউএনও টের পেলে দুর্বৃত্তরা তাকে সরাসরি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এ সময় তার বাবা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তাকেও আঘাত করে পালিয়ে যায়। রাতেই রক্তাক্ত ইউএনওকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে সকালে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম ও পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল উপস্থিত হন। পরে ওয়াহিদা খানমকে এয়ার অ্যাস্বুলেন্সে করে ঢাকার আনা হয়। আর তার বাবাকে ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের ওসি আমিরুল ইসলাম জানান, ঠিক কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ওয়াহিদা খানমের স্বামী রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত আছেন। তাদের তিন বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে। ওয়াহিদা খানমের সঙ্গে বাবা ওমর আলী থাকতেন। তিনি নওগাঁ থেকে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।

বিএনপির রাজপথে নামতে বাধা নেইঃ তথ্যমন্ত্রী

0
তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জিয়া, তারেক রহমানের সংশ্লিষ্টতা ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রশ্রয় দেয়ার ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ায় বিএনপি’র গাত্রদাহ শুরু হয়েছে’।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর মন্তব্য ‘জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে সরকার মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে’ -এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তারেক জিয়ার শাস্তি হয়েছে, দুর্নীতি মামলায় তারেক জিয়ার শাস্তি হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ করার কারণে শাস্তিপ্রাপ্ত হয়ে সাজাভোগ করছে। প্রধানমন্ত্রী নজিরবিহীন ভাবে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি মহানুভবতা দেখিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাবলে প্রশাসনিক আদেশে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে তিনি ছয়মাসের জন্য মুক্তি দিয়েছেন। বাংলাদেশে এরকম আগে ঘটেনি।

সুতরাং সরকার বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি যে মহানুভবতা দেখিয়েছে তা যেমন তুলনাহীন আর বিএনপি যেভাবে পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মানুষের প্রতি হিংসা দেখিয়েছে, সেটিও তুলনাহীন, মন্তব্য করেন ডাঃ হাছান মাহমুদ।

এক-এগারোর সরকার খালেদা জিয়াকে মাইনাসের চেষ্টা করেছিল-বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ হাছান বলেন, প্রকৃতপক্ষে বিএনপি সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি-দুঃশাসনের কারণেই এক-এগারোর সরকার সৃষ্টি হয়েছিল। আপনারা জানেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল বিএনপি কিভাবে দেশ পরিচালনা করেছে। সে সময় দেশ দুর্নীতিতে পরপর ৫বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, বাংলা ভাই, শায়খ আব্দুর রহমানের সৃষ্টি হয়েছে, দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে ৫০০ জায়গায় বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে সমান্তরাল সরকার পরিচালনা করা হয়েছে। অর্থাৎ দুর্নীতি ও চরম অপশাসনের কারণেই এক-এগারোর সরকার সৃষ্টি হয়েছিল।

সেই সরকারের মূল উদ্দেশ্য যদি খালেদা জিয়াকে মাইনাস করা হতো, তাহলে সেই সরকার প্রথমে এসে খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করার কথা ছিল, সেটি কিন্তু তারা করেনি বরং এক-এগারোর সরকারের সময় ঘটা অন্যায়ের প্রতিবাদকারী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, তাদের উদ্দেশ্য ছিল মূলত জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মাইনাস করা। পরে দেশের মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই মাঠে নেমেছিল, বিএনপির কর্মীরা নয়।

মির্জা ফখরুলের অপর বক্তব্য ‘রাজপথে নামতে পারলে গণতন্ত্র বিরোধীদের সরাতে পারবো’ -এর জবাবে মন্ত্রী ডাঃ হাছান বলেন, প্রথম কথা, বিএনপি রাজপথে নামতে তো বাধা নেই। এটি গণতান্ত্রিক দেশ, এখানে যে কেউ রাজপথে নেমে প্রতিবাদ করতে পারে, মিছিল-মিটিং করতে পারে। প্রেসক্লাবের সামনে আপনারা প্রতিদিন দেখছেন, সেখানে মিছিল-মিটিং-মানববন্ধন হয়, অবস্থান ধর্মঘট হয়, দেশের অন্য জায়গাও হয়। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি বিএনপি যেখানেই মিটিং করছে, সেখানেই নিজেরা মারামারি করছে। রিজভী সাহেব ক’দিন আগে উত্তরবঙ্গে মিটিং করতে গেছেন, সেখানে নিজেরা মারামারি করে মিটিং বন্ধ করে দিয়েছে।

মির্জা ফখরুল সাহেব নিজে ক’দিন আগে বলেছেন, এখন প্রয়োজন হচ্ছে বিএনপি’র ভেতরে ঐক্য। তার বক্তব্য অনুযায়ী অনুরোধ জানাবো বিএনপি ভিতরের ঐক্যটা একটু প্রতিষ্ঠা করার জন্য। আর তাদের বিভিন্ন আলটিমেটাম আমরা সাড়ে ১১ বছর থেকে শুনে আসছি। এখন জনগণ অনেক সময় প্রশ্ন করে তাদের এই আলটিমেটাম কোন বছরের জন্য। তাদের এ বক্তব্যগুলো আসলে হাস্যকর।

অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা কন্ঠরোধের কালাকানুনঃ রিজভী

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা-২০২০ দেশের গণমাধ্যম কন্ঠরোধের আরেকটি কালাকানুন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় ঢাকা কলেজ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পরিবারের উদ্যোগে সদ্য প্রয়াত কলেজের ছাত্র আবদুল আউয়াল খান ও শফিউল বারী বাবুর স্মরণে এক দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, প্রতিনিয়ত এই গণবিরোধী সরকার এমন এমন আইন করছে যাতে কোনো ভাবে যেন বিরোধী কন্ঠ বাতাসের মধ্যে ভেসে না যায়। জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যমে নীতিমালা করে তা আইন করার জন্য অনুমোদন দিয়েছে। অর্থাৎ টেলিভিশন থাকবে কিন্তু তার যদি অনলাইন ভার্সন বা নিউজ পোর্টাল থাকে তাহলে তার জন্য আলাদা রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এটা একটা কন্ঠরোধের কৌশল।

তিনি আরও বলেন, পত্রিকাগুলোতে যেসব খবর ছাপা হচ্ছে তার অনলাইন ভার্সনে ভিন্ন কথা থাকলে পরে তার জন্যও আলাদা রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরকম কালাকানুনের বন্ধনের মধ্যে শুধু আটকাও, নিয়ন্ত্রণ করো। বেড়াজালের মধ্যে আটকে রাখতে রাখতে সরকার বাকশালের চূড়ান্ত রুপে পৌঁছে গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, এই সরকারের নিপীরণের যেন শেষ নেই। গণতন্ত্র, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গোরস্তানে। এত কিছু করেও সরকার আশ্বস্ত হতে পারছে না। এত সাংবাদিকদেরকে গুম করা হয়েছে, মিথ্যা মামলায় সাংবাদিকদেরকে প্রতিনিয়ত কারাগারে যেতে হচ্ছে। এর মধ্যে আবার নতুন করে গণমাধ্যেমের কন্ঠরোধ করার জন্য যুক্ত হলো জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা।

পুলিশের লাথিতে মুমূর্ষু গর্ভবতী

0
সন্দীপ থানার ফাইল ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে এক পুলিশ সদস্যের লাথির আঘাতে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক গর্ভবতী নারী। আহত গর্ভবতী মহিলার নাম নিপা (৩৫)। তিনি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

আহত নিপা জানান, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটা দিকে চার জন লোক তাদের বাড়িতে এসে জুয়েলকে খুঁজতে থাকে। তিন জন ঘরে ঢুকলে আমি তাদের পরিচয় জানতে চাই। এসআই কাউছার তাকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে জুয়েলের রুমের দিকে আসতেই আমি দরজায় দাঁড়াই। এসআই কাউছার আমাকে হঠাৎ চড় থাপ্পড়সহ মারধর করে মাটিতে ফেলে দিয়ে লাথি মারতে থাকে। আমার হাতে পায়ে লাথির আঘাতে ফুলে গেছে। আমি নিজেকে গর্ভবতী বলে মারতে নিষেধ করি। কাউছার তা শোনেননি। আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে আমার মা জোসনা বেগম (৬০) কে পুলিশ মারধর করে।

এদিকে এসআই কাউছারের লাথির আঘাতে অন্তঃসত্ত্বা নিপার পেট থেকে পানি বের হওয়া শুরু হলে তাকে স্থানীয় সন্দ্বীপ মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়। বুধবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম আনা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ফজলুল করিম জানান, নিপার পেটে আঘাতের কারণে তার পেট থেকে পানি বের হওয়া শুরু হয়। আমরা ধারণা করছি, তার পেটে রক্তক্ষরণ হয়েছে। বাচ্চার অবস্থা খারাপের দিকে যাওয়ার কারণে তাকে চট্টগ্রামে পাঠানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, জুয়েল ও তার আমেরিকা প্রবাসী চাচার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সপ্তাহ খানেক আগে চাচার ঘর নির্মাণের সময় মিস্ত্রিকে মারধরের অভিযোগে চাচী ইসরাত জাহান বাদী হয়ে সন্দ্বীপ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। জুয়েলকে সন্দ্বীপ থানা থেকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই সন্দ্বীপ থানা থেকে এসআই কাউছারকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

সন্দ্বীপ থানার ওসি বশির আহম্মদ খান বলেন, এই ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। কাউছার আমাকে না জানিয়ে আসামি ধরতে গেছে। ঘটনাটি শোনার পরপরই আমি উপরস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলি এবং তাকে ক্লোজড করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনাটি সাজানো বলে দাবি করে এসআই কাউছার বলেন, আমি ওসি স্যারকে জানিয়েই ধরতে গেছিলাম। আমি কোনো মহিলাকে আহত করিনি। এগুলো করে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।

করোনার নমুনা সংগ্রহকারী টেকনোলজিস্টদের চাকরী স্থায়ীকরণের দাবী

0
ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবকেরা নমুনা সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজ করছেন ৯ জন স্বেচ্ছাসেবক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। তবে তারা পান না কোন সরকারী সুযোগ সুবিধা। এমনকি তাদের দেওয়া হয় না কোন সম্মানী বা ভাতা।

স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের দিয়ে ঝুঁকিপুর্ণ কাজ করালেও নিয়োগ দেওয়ার কোন ব্যবস্থাই করছেন না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বেচ্ছাসেবক সাব্বির রহমান সাকি জানান, করোনা শুরুর পর থেকে জেলার সদর হাসপাতালে করোনার নমুনা সংগ্রহের জন্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন রাশেদুল ইসলাম, সাব্বির রহমান, লুনা খাতুন ও হাবিবুর রহমান। এদের মধ্যে হাবিবুর রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

শৈলকুপায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে স্বেচ্ছায় কাজ করছেন শশি ও মেহেরাব হোসন। এছাড়া কালীগঞ্জে আব্দুল আওয়াল, হরিণাকুন্ডুতে তৌহিদ ও কোটচাঁদপুরে সোহেল পারভেজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলেও তাদের নিয়োগ প্রদানের বিষয়টি ঝুলে আছে।

তাদের অভিযোগ, দেশের অন্যান্য স্থানে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বেচ্ছাসেবিদের সরকার থেকে নিয়োগ দেওয়া হলেও, ঝিনাইদহে নিয়োগ না দেওয়ায় হতাশ তারা।

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ হারুন-অর-রশিদ জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ কোন উদ্যোগ নিলে এসব স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যাপারে সুপারিশ করা হবে বলে।

এ ব্যাপারে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা জানান, প্রথম দিকে জরুরী ভিত্তিত্বে আইইডিসিআর তালিকা চেয়েছিল। তখন তারা ঢাকা থেকেই কিছু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্থায়ীকরণ করেছে। তিনি বলেন, এখন যারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে কাজ করছেন পরবর্তীতে নিয়োগ হলে তারাই অগ্রাধিকার পাবেন।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...