বিএনপি মাঠে নেই, শুধু আছে টিভিতে- তথ্যমন্ত্রী
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
দেশের মানুষ দেখছে, মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে থেকে মাঠে না গিয়ে আইসোলেশনে থেকে টিভিতেই বক্তব্য দিচ্ছে বিএনপি। সোমবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।
বিএনপি নেতা রিজভীর সাম্প্রতিক বিভিন্ন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ডঃ হাছান আরও বলেন, ‘আমি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে চাইনা এবং তা উচিতও নয়। দেশের মানুষের চোখ-কান আছে, তারা দেখতে পাচ্ছে, কারা মাঠে আছে, কারা ত্রাণ দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এ অবধি ১ কোটি ২৫ লক্ষের বেশি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ৭ কোটি মানুষ ত্রাণ এবং অন্যান্য সহায়তার আওতায় এসেছে। এগুলো দিবালোকের মতো স্পষ্ট।
আরও পড়ুন- এন্ড্র কিশোর না ফেরার দেশে
নাম উল্লেখ না করে ডঃ হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি নেতৃবৃন্দ ঘরে বসে বসে ভিডিও কনফারেন্স করে দুনিয়ার কথা বলেন, সেটা টেলিভিশনেই দেখা যায়। অপরদিকে আমাদের দলের নেতাকর্মীরা মাঠে কাজ করছে বিধায় অনেক এমপিসহ বহু নেতাকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, অনেক নেতা ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন, তারা সবাই মাঠে ছিল।
বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু
দৌলতপুর প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার দৌলতপুর থানার পার্শবর্তী শিতলাইপাড়া গ্রামের নির্মানাধীন একটি ভবনে বৈদ্যুতিক মটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মান শ্রমিক মুন্নার (২২) মৃত্যু হয়। মৃত্য নির্মান শ্রমিক মুন্না জলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নের বিন্দিপাড়া গ্রামের আজগর আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, সাহাবুল ইসলামের নবনির্মিত একটি ভবনে নির্মান শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিল। নির্মানকাজের একসময় বৈদ্যুতিক মটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হোন তিনি। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মুন্নাকে মৃত ঘোষনা করেন।
এন্ড্রু কিশোর না ফেরার দেশে
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
দেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
শিল্পীর নিজের শহর রাজশাহীতেই একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
সংগীত শিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ এ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন । মৃত্যকালে এন্ড্রুকিশোরের বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।
আরও দেখুন করোনায় থেমে গেল গো খামারিদের স্বপ্ন
দেশের প্রখ্যাত এই শিল্পী দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। একটানা ৯ মাস সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়ে ১১ জুন তিনি একটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরেন। এরপর থেকে রাজশাহীতে বোনের সঙ্গে বসবাস করছিলেন তিনি। শারীরিক অস্থার অবনতি হওয়ায় তিনি বোনের পরিচালিত ক্লিনিকে ভর্তি ছিলেন।
https://www.youtube.com/watch?v=dKwnz39g7Cw
আকাশেই দুই বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে দুই প্লেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট অফ লাডো লেকের ওপর এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এই মারাত্মক দুর্ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কোতেনাই কাউন্টির শেরিফ অফিস দুটি বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষের খবর জানিয়েছে। লেকের জলে প্লেন ডুবে যাওয়ার আগে দু’জনকে প্লেনের ভিতর থেকে উদ্ধার করা গেলেও পরে তারা মারা যান|
আরও দেখুন করোনায় থেমে গেল গো খামারিদের স্বপ্ন
এই ঘটনায় বাকি ৬ জনের দেহ এখন অবধি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে কেউই আর বেঁচে নেই। হিগিনস জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বিমানে মহিলা, শিশু সকলেই রয়েছে। তবে এর চেয়ে বেশি বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। মাঝ আকাশে কীভাবে দুটি বিমান মুখোমুখি সংঘর্ষ কীভাবে হলো, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেবার আলোচনা চলছে-শিক্ষামন্ত্রী
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যেই দেশের অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে শিক্ষাদান শুরু করা হয়েছে। তবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেবার জন্য বেশির ভাগ শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেটের ব্যয় বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্রদান বা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেওয়া যায় কি-না সে বিষয়ে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সাথে আলোচনা চলছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি।
সোমবার আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির আয়োজনে বর্তমান বৈশ্বিক সংকটকালে শিক্ষা বিষয়ে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানে তিনি এ কথা বলেন।
আরও দেখুন করোনায় থেমে গেল গো খামারিদের স্বপ্ন
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিটি সংকটই আমাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দেয়। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাই আমাদের হয়তো কিছুদিনের মধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমে যেতে হতো। করোনা আমাদের এক্ষেত্রে এগিয়ে দিয়েছে। আমরা এখন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমসহ অফিস-আদালতে বিভিন্ন মিটিং এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম অনলাইনে চালিয়ে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, করোনা পরবর্তী সময়ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। শিক্ষার্থীদের স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ সুবিধা দেয়া যায় কি-না তা নিয়ে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা হচ্ছে। দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’
হরিণাকুন্ডুর পায়রাডাঙ্গা গ্রামে ৩ হাজার বিঘা জমি পানির নিচে
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার পায়রাডাঙ্গা গ্রামের ৩ হাজার বিঘা জমি পানির নিচে তরিয়ে আছে।এক সময়ের ধানী জমিতে এখন পানিতে থৈ থৈ করছে।
মুক্তার হোসেন নামের এক ভুক্তভোগী কৃষক বলেন, তার ২৬ কাঠা জমি ছিল। এই জমিই ছিল তার একমাত্র সম্বল। এ জমির ধান দিয়ে চলতো তার সারা বছরের খাবার। কিন্তু এলাকাতে প্রভাবশালীর ক্ষমতার জোরে অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করা হচ্ছে। যার কারনে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে স্বপ্নভঙ্গ হচ্ছে এ এলাকার প্রায় দেড় হাজার কৃষক পরিবারের
অবৈধভাবে পুকুর কাটার ফলে তিন হাজার বিঘা জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক পরিবারগুলো এর প্রতিকার চেয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক এবং হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও তড়িৎ কোন পদক্ষেপ পায়নি তারা।
পায়রাডাঙ্গা গ্রামের আক্তারুজ্জামান বলেন, তাদের গ্রামে ৮/১০ বিল রয়েছে। দুই মৌসুমে এই বিলে বিপুল পরিমাণ ধান উৎপন্ন হতো। কিন্তু পায়রাডাঙ্গা গ্রামের আইয়ূব মন্ডলের ছেলে ডালিম মন্ডল ও জব্বার মন্ডলের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দলু মন্ডল যত্রতত্র পুকুর কটছে। ফলে গোটা বিলে জলাবদ্ধার সৃষ্টি হয়েছে।
গ্রামবাসির ভাষ্যমতে পায়রাডাঙ্গা গ্রামের হাতিশুড়ো, মুচেইখালী, ট্যাবার মাঠ ও সঞ্জেরখালী মাঠ এখন পানির নিচে। সঞ্জেরখালী মাঠে সরকারী জমি ছিল দেড় বিঘা। সেখানে বিল ও খালের সংযোগ স্থানে ছিল একটি ব্রীজ। পুকুর কাটায় ব্রীজের মুখ বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারী রাস্তায় কেও চলাচল করতে পারছে না। সরকারী ভাবে নির্মিত যাত্রী ছাউনিটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
আরও পড়ুন- ফরিদপুরে ছুরিকাঘাতে একযুবককে হত্যা
সরকারী জমি দখল, সরকারী রাস্তা ও ব্রীজ বন্ধ, সরকারী যাত্রী ছাউনি পরিত্যক্ত ও সরকারী খাল নষ্ট করার পরও কেন ঝিনাইদহের প্রশাসন দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করছেন না এ নিয়ে গ্রামবাসি প্রশ্ন তুলেছে। তাদের ভাষ্য বেআইনী ভাবে জমির শ্রেনী পরিবর্ত করে ডালিম ও দলু আইন ভঙ্গ করেছেন। সেই সাথে তারা হাজারো মানুষের পেটে লাথি মারতে বিলের মধ্যে পুকুর কেটে চরম ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। এরপরও যদি তাদের ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগ না হয় তবে পায়ারাডাঙ্গা-ভালকী গ্রামে এই পুকুর কাটা নিয়ে দাঙ্গা ফ্যাসাদ শুরু হতে পারে বলে গ্রামবাসি আশংকা প্রকাশ করছেন।
পুকুর মালিক ডালিম ও দলু বলেন, তারা তাদের জমিতে পুকুর কাটছেন। পুকুর কাটার কারণে কোন কৃষকের ক্ষতি হলে তারা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিবেন।
হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা নাফিজ সুলতানা বলেন, আমি অসুস্থ থাকার কারণে অভিযোগটি পায়নি। তবে জেলা প্রশাসন থেকে আমাকে অবহিত করে ব্যবস্থা গ্রহন করতে বলেছেন। আমি সরেজমিন তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবো। তিনি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তার সাথে যোগাযোগ করারও পরামর্শ দেন।
কুষ্টিয়ায় দু’দলের সংর্ঘষে কৃষক নিহত,পুলিশসহ আহত অর্ধশতাধিক
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুমারখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’দলের সংঘর্ষে এক কৃষক নিহত হয়েছে এবং পুলিশসহ আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক।
সোমবার বেলা ১১ টার দিকে কুমারখালীর পান্টি ইউনিয়নের সান্দিয়ারা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দু’গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছোঁড়ে। রাবার বুলেটের আঘাতে বিল্লাল হোসেন (৪৮) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় ৬ পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৩০ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত বিল্লাল হোসেন সান্দিয়ারা গ্রামের মৃত মোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। ঘটনার পরে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সামিউর রহমান সুমন এবং ডাঁসা গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা দুলাল শেখের শিল্পপতি ছেলে মামুনের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে সোমবার সকালে সান্দিয়ারা বাজারে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুই গ্রুপকেই ছত্রভঙ্গ করতে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের ছোঁড়া রাবার বুলেটে সুমন গ্রুপের বিল্লাল হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় ৬ পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক আহত হয়। আহতদের কয়েক জনকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও দেখুন করোনায় থেমে গেল গো খামারিদের স্বপ্ন
কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মহাশিউল আরেফিন রনি বলেন, নিহতের দেহে রাবার বুলেটের চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৬ জন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার পর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
খোকসায় করোনাকালে ইমাম মুয়াজ্জিনরা পেলেন সরকারী সহায়তা
স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়ার খোকসায় করোনাকালে ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্যদের মধ্যে সরকারী সহায়তার চেক প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্য্যলয়ে ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের ১২ জন সদস্যকে এ চেক প্রদান করা হয়।
আরও দেখুন করোনায় থেমে গেল গো খামারিদের স্বপ্ন
এ চেক প্রদান অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দীন উপস্থিত থেকে ইসলামী ফাউন্ডেশনের এর মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের ১২জন সদস্যের মাঝে পাঁচ হাজার করে টাকা বিতরণ করেন। এ সময় ইসলামী ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার জালাল উদ্দিনসহ উপজেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
জেলেদের জালে আটকা পড়লো প্রায় লাখ টাকার দুই মাছ
রাজবাড়ী প্রতিনিধি
এবার বর্ষা মৌসুমের শুর থেকেই একের পর এক পদ্মায় ধরা পড়ছে বিশাল আকৃতির সব মাছ।
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ে ২৮ কেজি ওজনের একটি কাতল এবং ২০ কেজি ওজনের এক পাঙাশ। এর আগের শেষরাতে ধরা পড়ে ২৮ কেজি ওজনের আরও একটি পাঙাশ মাছ।
সোমবার সকালে ধরা পড়া কাতল ও পাঙাশ মাছ দুটি ৭৬ হাজার ৪শ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। দৌলতদিয়া ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী সাজাহান স¤্রাট দুই জেলের কাছ থেকে মাছ দুটি কিনে গাজীপুরের দুই ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন। আগে ধরা পড়া ২৮ কেজি ওজনের পাঙাশটি ৩৮ হাজার টাকায় কেনেন দৌলতদিয়া ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা।
মাছ ব্যবসায়ী সাজাহান সম্রাট বলেন, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের নিচ এলাকা থেকে শেষরাতে মাছ ধরার সময় রহমান হলদারের জালে ২৮ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়ে। সেই মাছ আড়তে বিক্রি করতে আনলে তিনি ১৫শ টাকা কেজিতে ৪২ হাজার ২শ টাকায় কিনে নেন। এছাড়া শাহিন হলদার নামে আরেক জেলের জালে ধরা পড়া ২০ কেজি ওজনের পাঙাশটি আড়ত থেকে ১২শ টাকা কেজিতে ২৪ হাজার টাকায় কিনে নেন।
আরও দেখুন–করোনায় থেমে গেল গো খামারিদের স্বপ্ন
পরবর্তীতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে গাজীপুরের বড় দুই ব্যবসায়ীর কাছে কাতল ১৮শ টাকা কেজি দরে ৫০ হাজার ৪শ ও পাঙাশটি ১৩শ টাকা কেজিতে ২৬ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।












