কুমারখালীতে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে বিক্ষোভ

0
6

কুমারখালী প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী রেলস্টেশনে ঢাকা-খুলনা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রাবিরতির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টায় বিক্ষোভ শুরু হয়। এক ঘন্টা এ কর্মসূচি চলে।

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, ছাত্র, ব্যবসায়ী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে স্টেশন চত্বরে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
বিক্ষোভকারীরা জানান, ঐতিহাসিক ও ব্যবসায়িকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জনপদ হওয়া সত্তে¡ও দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এই দুই ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় এলাকার যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

আন্দোলনের কিছু সময় পর সকাল পৌনে ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলম, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার এবং থানার ওসি জামাল হোসেনসহ প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

আলোচনায় প্রশাসন জানায়, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রæত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরে তারা আগামী ২৭ জুনের মধ্যে অন্তত একটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন এবং সকাল ১১টার দিকে স্টেশন এলাকা ত্যাগ করেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জিলাল বলেন, বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও ট্রেনের যাত্রাবিরতি কার্যকর হয়নি। এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলন হবে।

বিক্ষোভ সমন্বয়ক কেন্দ্রীয় যুব অধিকার পরিষদের সহসভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করেও কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। এবার ২৭ জুনের মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার বলেন, ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ এই জনপদে ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালুর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ফাইল প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আগামী ২৭ জুনের মধ্যে একটি ট্রেনের যাত্রাবিরতি কার্যকরের সম্ভাবনা রয়েছে।