শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২৬.
Home Blog Page 105

খোকসায় ভ্রাম্যমান আদালতে দালালসহ দু’জনকে জরিমানা

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল বিরোধী অভিযানে দুই জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রদীপ্ত রায় দীপন এ অভিযান পরিচালনা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সুনিদৃষ্ট অভিযোগের প্রমান মেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রাধুনী খাইরুল ইসলাম (৪৮) কে ৫ হাজার জরিমানা করে আদালত। একই সময় দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য সেলিম হোসেন (২৮) কে পৃথক ভাবে আরও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

সূত্রটি আরও জানায়, অভিযানের সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের সহযোগিতা না পাওয়ায় মোবাইল কোর্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

দীর্ঘদিন ধরে সকাল থেকে গভীর রাত অবদি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ওষুধ কম্পানির প্রতিনিধি, সাইন বোর্ড সর্বস্ব ডায়াগনস্টিক, কথিত ক্লিনিক ও এ্যাম্বুলেন্সের দালালদের দখলে চলে যায়। চরম জনবল সংকট ও স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদাষিনতার সুযোগে দালাল চক্র সরকারী অফিস কক্ষ নিজেদের অফিস বানিয়েছে। সেবা নিতে আসা রোগীরা এই দালালদের খপ্পরে পরছে। এ চক্রের সদস্যদের হাতে সম্ভ্রম হারাতে হয়েছে এক রোগীর সাথে আসা তার স্কুল পড়–য়ার মেয়েকে। প্রতিকার মেলেনি।

আরও পড়ুন – যুবদল নেতার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রচুর মাছ নিধনের অভিযোগ

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা রোগীরা অভিযোগ করে জানান, হাসপাতালের জরুরী বিভাগ সহ আউটডোরে কোন পাশের ডাক্তারের দেখা মেলেনা। প্রায়ই ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের রাউন্ডে ডাক্তার পাওয়া যায় না। জরুরী বিভাগ ওয়ার্ডে ডাক্তার মেলে অনকলে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিসৎসা নিতে আসা বেশীর ভাগ রোগীদের ব্যবস্থা পত্রদিয়ে থাকেন মেডিকেল স্কুল থেকে বিশেষ প্রশিক্ষন পাওয়া উপসহকারী মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) । তবে জরুরী সেবা দিয়ে থাকেন স্থানীয় যুবকরা। যাদের চিকিৎসা শ্বাস্ত্রের কোন জ্ঞানই নেই।

আরও পড়ুন – খোকসায় অবৈধ কারেন্ট জাল বিরোধী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রদীপ্ত রায় দীপন বলেন, মোবাইল কোটের সদস্যরা ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করেন। এ অভিযানকে স্থানীয় সেবা প্রত্যাশিরা স্বাগত জানিয়েছেন।

যুবদল নেতার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রচুর মাছ নিধনের অভিযোগ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক যুবদল নেতার মাছের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে কয়েক লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের আদাবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত যুবদল নেতার নাম বেনজির আহমেদ বাচ্চু। তিনি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক।

ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষী বেনজির আহমেদ বাচ্চু জানান, আমার মালিকানাধীন তিনটি চাষের পুকুরে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে। এতে পুকুরের লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ মারা যায়। তিনি দাবি করেন, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন – খোকসায় অবৈধ কারেন্ট জাল বিরোধী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

তিনি আরও বলেন, “আমার ধারণাও ছিল না এমন ন্যাক্কারজনক কাজ কেউ করতে পারে। এলাকার কারো সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত বিরোধ নেই। এ ঘটনায় আমি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

আরও পড়ুন – প্রতারণার অভিযোগে নারী চিকিৎসককে পুলিশে দিয়েছে জনতা

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হুদা জানান, “খবর পেয়ে তেকালা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

খোকসায় অবৈধ কারেন্ট জাল বিরোধী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসার গড়াই নদীতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা অবৈধ কান্টে জাল ও চায়না দোয়ার পুড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেশমা খাতুন গড়াই নদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল আটকে অভিযান পরিচালনা করেন। আদালতকে সহযোগীতা করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আহসান হাবিব।

আরও পড়ুন – প্রতারণার অভিযোগে নারী চিকিৎসককে পুলিশে দিয়েছে জনতা

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন ধরণের কারেন্ট জাল দিয়ে গড়াই নদীতে দেশী প্রজাতের মাছ শিকারের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। নদীতে কয়েক ঘন্টা অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি চায়না দোয়ারিসহ বিভিন্ন ধরনের কারেন্ট জান আটক করা হয়। উদ্ধার করা মালিক বিহীন এ সব জাল নদীর তীরে জনসমুখ্যে পুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। পুড়িয়ে দেওয়া অবৈধ জালের বাজার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন –  কুমারখালীর পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

প্রতারণার অভিযোগে নারী চিকিৎসককে পুলিশে দিয়েছে জনতা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় চিকিৎসক শারমিন সুলতানার বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি দেয়া, ঘর, জমি, ভাতা দেয়াসহ বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে প্রায় অর্ধ শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধর্ণা দেওয়ার পরও পাওনা টাকা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ভুক্তভোগীরা ওই চিকিৎসককে বেধড়ক মারপিট করে পুলিশ হেফাজতে তুলে দিয়েছে।

সোমবার (৫মে) দুপুর একটার দিকে কুষ্টিয়া শহরের লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটেছে। এমবিবিএস ডিগ্রীধারী ওই নারী চিকিৎসক কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। রাত ৮ টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই নারী চিকিৎসক কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভুুক্তভোগীদের একজন মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর এলাকার সুমি খাতুন বলেন, আমি অসুস্থ হয়ে কুষ্টিয়ায় ডাক্তার শারমিন সুলতানার কাছে এসেছিলাম। তার কাছে চিকিৎসা নিয়েছিলাম। বেশ কয়েক বছরের পরিচয়। হঠাৎ করে ৭-৮ মাস আগে সরকারি চাকরি ও ভাতার ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে আমাদের কাছে থেকে টাকা নিয়েছে ডাক্তার শারমিন। তার প্রলোভনে পড়ে আমি, আমার আত্মীয়-স্বজনসহ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন তাকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা দিয়েছি। দীর্ঘদিন সে আমাদের টাকাও ফেরত দেয় না, চাকরিও দেয় না, জমিও দেয় না, ভাতার ব্যবস্থা করেও দেয় না। তাই আজকে আমরা কুষ্টিয়ায় এসেছি। আমরা চিকিৎসক নামক এই প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আমরা আমাদের টাকা ফেরত চাই। আমরা গরীব মানুষ, ধারদেনা করে বিভিন্নভাবে কষ্ট করে টাকা ম্যানেজ করে তাকে দিয়েছি। আমরা আমাদের টাকা ফেরত চাই।

আরেক ভুক্তভোগী চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা সালমা খাতুন বলেন, ডাক্তার শারমিন সুলতানা সরকারি চাকরি, জমি, ঘরবাড়ি ও ভাতার ব্যবস্থা করে দেয়ার প্রলোভন দিয়ে আমাদের ৫০ থেকে ৬০ জনের কাছে থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। আমরা ভুক্তভোগীরা সবাই চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার বাসিন্দা। জমি দেয়ার কথা বলে আমার কাছে থেকে ৩০ হাজার টাকা আত্মসাত করেছে। আর আমার জামায়ের কাছে থেকে চাকরির দেয়ার কথা বলে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা নিয়েছে। আমার কাছে থেকেও টাকা নিয়েছে। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, আমরা আমাদের টাকা ফেরত পেতে চাই।

প্রতারণার শিকার আরেক জনচুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা এলাকার খাদিজা খাতুন বলেন, জমি দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে ডাক্তার শারমিন। প্রলোভন দিয়ে টাকা নিয়েছে সে। এখন টাকাও ফেরত দেয় না, জমিও দেয় না। আমার মত অনেকের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে এই ডাক্তার। আমরা কুষ্টিয়া এসেছি আমাদের টাকা আদায়ের জন্য। আমরা আমাদের টাকা ফেরত চাই। আমরা এই ডাক্তারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা এলাকার জাহিরা খাতুন বলেন, আমার কেউ নেই। আমি খুব গরিব মানুষ। আমার দুইটা ছাগল ছিল। সেই ছাগল বিক্রি করে শারমিন ডাক্তারকে টাকা দিয়েছি। প্রলোভন দেখিয়ে ঘর দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে। পরে টাকাও দেয় না, ঘরও দেয় না। আমরা ওই ডাক্তারের শাস্তি চাই। আমি গরিব মানুষ। আমার কেউ নাই, আমার টাকা ফেরত চাই।

আরও পড়ুন – কুমারখালীর পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

এবিষয়ে চিকিৎসক শারমিন সুলতানার বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি তাদের কাছ থেকে কোন টাকা নিইনি। তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে। সোমবার (৫মে) দুপুরে আমি একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যায়। এ সময় তারা আমাকে মারধর করে। এবং আমার গহনা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে।

আরও পড়ুন – খোকসায় অবৈধ ড্রেজার ও বালু ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমান

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা চিকিৎসককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুমারখালীর পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা। এছাড়াও নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ ধরার অপরাধে এক জেলেকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার (৫ মে) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ খেয়াঘাট এলাকায় আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার। আদালত পরিচালনায় সহযোগীতা করেন উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ও থানা পুলিশ।

অর্থদন্ডে দন্ডিত জেলের নাম মো. সাব্বির প্রামাণিক। তিনি উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কসবা গ্রামের জেলে কুদ্দুস প্রামাণিকের ছেলে।

জানা গেছে, সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত শিলাইদহ, বেড় কালোয়া ও কোমরকান্দি এলালায় যৌথ অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন ও জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা। অভিযানে প্রায় ১৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এছাড়াও এক জেলেকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – খোকসায় অবৈধ ড্রেজার ও বালু ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমান

শুধু মাছ নয়, অন্যান্য প্রাণিও চায়না দুয়ারি জালে আটকা পড়ে মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালের কারণে জীব ও বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। দেশীয় মাছের প্রজনন নষ্ট হচ্ছে।

আরও পড়ুন – বিএনপির অফিসে অগ্নি সংযোগের মামলায় দুই জন আটক

উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার বলেন, পদ্মায় অভিযান চালিয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা মূল্যের ১৫ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। এছাড়াও এক জেলেকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

খোকসায় অবৈধ ড্রেজার ও বালু ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমান

0
গড়াই নদীর খোকসা কালীবাড়ি এলাকায় নদীর তীর রক্ষার বাঁধের পাশে রাখা ড্রেজার মেশিন

স্টাফ রিপোর্টার

জনতার বাধায় গড়াই নদী থেকে অবৈধ বালি উত্তোলকারী ব্যবসায়ীর ড্রেজার ও নৌকা পিছু হটলো। তবে ব্যবসায়ী ও নৌকার মালিকে গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদলত।

কুষ্টিয়ার খোকসায় গড়াই নদীর পূর্বতীর রক্ষার শতকোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণ করা বাঁধের ৫০ গজ দূর থেকে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নামধারী ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিনের মত সোমবার সকালে জানিপুর গ্রামের নদীর তীর রক্ষা বাঁধের নিচে থেকে এক বালু ব্যবসায়ী ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন শুরু করে। এ সময় উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির এক নেতা ও এলাকাবাসীরা ড্রেজার চালকদের ধাওয়া করে। এর কিছু সময় পর দ্বিতীয় দফায় নদীর একই স্থানে একই মালিকের ড্রেজার মেশিন অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন শুরু করে। এ সময় নদী তীরের বাসিন্দাররা স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোনে অবহিত করে। এক পর্যায়ে বেলা ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালতে ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিম কে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমান করেন।

উপজেরা রাজস্ব অফিসের অফিস সহকারী লোকমান হোসেন জানান, গড়াই নদীর খোকসা অংশের ওসমানপুর, হিজলাবট, বামনপাড়া, মুকশিদপুর, চাঁদট, ও হিজলাবট বালিমহল ইজারা হয়ে থাকে। অজ্ঞাত কারণে এ বছর এসব বালিমহল ইজারা হয়নি।

সূত্রটি আরও জানায়, গড়াই নদী থেকে বালি উত্তোলনের দায়ে সোমবার “বালিমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা ২০১০ এর ১৫/১ ধারা মোতাবেক বালু ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিমকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির নেতা মোস্তাফিজুর মোস্তাক জানান, তারা একটি কবর স্থানের জন্য নদী থেকে সামান্য কিছু বালু তুলেছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল হামিক ড্রেজার মেশিন দিয়ে বাঁধারে বিভিন্ন স্থান থেকে বালি তুলে বিক্রি করছে। সোমবার সকালে তিনি নিজে এলাকাসীদের সাথে হাকিমের ড্রেজার মেশিনের লোকদের ধাওয়া করেন। প্রথমে এক নৌকা বালি নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। বেলা ১০ টার দিকে দ্বিতীয় দফায় বালুকাটার জন্য আবার ড্রেজার নিয়ে আসে। এসময় বাধ্য হয়ে প্রথমে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোন দেওয়া হয়। তবুও বালু কাটা বন্ধ হয়নি। সন্ধ্যায় এ রিপোট লেখা পর্যন্ত ড্রেজার দিয়ে বালু কাটা চলছিল।

বালু ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিম নদী থেকে বালু উত্তোলনের কথা স্বীকার করেন। তবে তাকে গাড়িতে করে নিয়ে গিয়ে জরিমানা করায় তিনি কষ্ট পেয়েছেন।

আরও পড়ুন – বিএনপির অফিসে অগ্নি সংযোগের মামলায় দুই জন আটক

গড়াই নদী থেকে বালি উত্তোলনের বিষয়ে কথা বলার জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুনের সাথে কথা বলার জন্য তার মুঠো ফোনে কল করা হয়। খুদে বার্তা দেওয়া হয় তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

আরও পড়ুন – হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রদীপ্ত রায় দিপনের সাথে কথা বলার জন্য তার সরকারী মুঠো ফোনে কল করা হয় তিনিও ফোন রিসিভ করেনি।তবে রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রদীপ্ত রায় দিপন মোবাইল ফোনে কলব্যাক করে জানান, নদীর তীর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহৎ বাঁধ রয়েছে। অনেক মানুষের বসতী নদী তীরে। রয়েছে বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে বালু তুলবেনা বলে ওই ব্যবসায়ী মুচলেকা দিয়েছেন। তাকে জরিমানও করা হয়েছে।

 

বিএনপির অফিসে অগ্নি সংযোগের মামলায় দুই জন আটক

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসার রাতের আঁধারে ওসমানপুর ইউনিয়ন বিএনপির অফিসে টাঙানো দলীয় প্রধানদের ছবিতে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় দায়েকৃত মামলার দুই আসামিকে পুলিশ আটক করেছে।

আটককৃতরা হলেন এজাহার ভুক্ত আসামি মোঃ রাজু শেখ (৪০) ও মোঃ মাসুদ শেখ (৪৪)। আসামিদের পিতা ওসমানপুর গ্রামের লিয়াকত শেখ।

আরও পড়ুন – হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা

থানা পুলিশের হোয়ার্ট অ্যাপে জানানো হয়, গত ০৩/৫/২৫ তারিখ অনুমান রাত্র ০২.২০ ঘটিকার সময় খোকসা থানাধীন ওসমানপুর বিএনপির পার্টি অফিসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর ছবিতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া, অফিসে থাকা চেয়ার ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ এর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – প্রলোভন দেখিয়ে গর্ভপাতঃ কৃষকদল নেতা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

ওসমানপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কালাম শেখ বাদী হয়ে এজাহারনামীয় ০৯ (নয়) জন ও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। থানা পুলিশ মামলাটি রেকর্ড করেছে। যার নম্বর ২ তারিখ ৪ মে ২০২৫ ইং। এই মামলায় দুই সহদরকে আটক করেছে।

হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় এ হামলা হয়। হামলায় হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়ির একটি কাচ ভেঙে যায়। এতে তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হন।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) তাহেরুল হক চৌহান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ঘটনা জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে মহানগর পুলিশ হাসনাত আবদুল্লাহর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করে। হামলার ঘটনা ঘটার পর হাসনাত আবদুল্লাহকে বহনকারী গাড়িটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। পথে বোর্ডবাজার এলাকায় ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) সামনে পৌঁছালে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাসনাত আবদুল্লাহর নিরাপত্তায় এগিয়ে আসেন। পরে সেখানে তিনি গাড়ি থেকে নামেন এবং ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় গাজীপুর মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা সেখানে যান।

তিনি আরও বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্য জানার পর এ বিষয়ে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর হামলার ঘটনাটি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম নিজের ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দেন।

আরও পড়ুন – প্রলোভন দেখিয়ে গর্ভপাতঃ কৃষকদল নেতা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

সারজিস আলম ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘হাসনাতের গাড়িতে ১০-১২ জন সন্ত্রাসী গাজীপুর এলাকায় হামলা করেছে। গাড়ির কাচ ভেঙে গেছে, হাত রক্তাক্ত হয়েছে। আশপাশে যারা আছেন হাসনাতকে প্রটেক্ট করুন।’ এই পোস্ট দেওয়ার পর গাজীপুর মহানগরীতে তোলপাড় শুরু হয়।

আরও পড়ুন – আসমির হাতুড়ির আঘাতে দুই পুলিশ আহত

মহানগর পুলিশ হাসনাত আবদুল্লাহর অবস্থান শনাক্ত করে তাঁর নিরাপত্তায় এগিয়ে আসে। হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।

প্রলোভন দেখিয়ে গর্ভপাতঃ কৃষকদল নেতা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় কৃষকদল নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীর গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর দায়ের করা মামলাটি আদালতের নির্দেশে থানা নথিভুক্ত করেছে।

থানা পুলিশ সুত্র জানিয়েছে, আদলতের আদেশে ভুক্তভোগী নারীর মামলাটি থানা নথিভুক্ত করেছে। এ ছাড়া শৈলকুপা থানায় ওই নারী পৃথক অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগ তদন্ত করে পুলিশ সত্যতা পেয়েছে। এ খবর নিশ্চত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সম্রাট মন্ডল।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী নারী সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে ওই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন নাজমুল খন্দকার নামের এক যুবক। নাজমুল খন্দকার শৈলকূপা উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব কামরুল ইসলামের ছেলে। ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নাজমুল খন্দকার নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক হতে বাধ্য করে। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি নাজমুলের গোটা পরিবার জানার পরে তারা মেনে নেয়। এরপর ওই নারী নাজমুলের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করেন। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী নারী গর্ভবর্তী হয়ে পড়লে নাজমুল ও তার পরিবার ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তারা কৌশলে ওই নারীকে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকার একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে গর্ভপাত ঘটনায়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চিকিৎসা শেষ হওয়ার আগেই নাজমুল খন্দকার ও তার বাবা-মা ভুক্তভোগী নারীকে হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে নাজমুল খন্দকার ও তার বাবা-মায়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও ওই নারী কোনো সমাধান পাননি। পরে তিনি শৈলকূপা থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানা মামলা গ্রহণ করেনি। তারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ওই নারীকে নানা ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে কৃষকদল নেতার ছেলে নাজমুল খন্দকার বলেন, ওই নারীর অভিযোগ সত্য নয়। সে একজন প্রতারক। তার নামে থানায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা তিনি এখনো জানেন না।

নাজমুলের পিতা শৈলকুপা কৃষক দলের সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগকারী মহিলা সম্পর্কে আমি খুব বেশি কিছু জানি না। তবে সে আমার বাড়িতে আসা যাওয়া করত এটা জানি। গর্ভপাত ও হাসপাতালে ভর্তির বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তিনি নিউজটি এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

আরও পড়ুন – আসমির হাতুড়ির আঘাতে দুই পুলিশ আহত

শৈলকূপা থানার এসআই সম্রাট মন্ডল জানান, ওই নারির অভিযোগ পেয়ে তিনি পারির্পাশ্বিক ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। প্রাথমিক ভাবে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তিনি জানান, এ নিয়ে যদি আদালতের কোন নির্দেশনা আসে তবে সে মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ার মাদক সম্রাজ্ঞী কামিনীকে গ্রেপ্তার করছে সেনাবাহিনী

শৈলকূপা থানার ওসি মাসুম খান শুক্রবার রাতে জানান, এ বিষয়ে শৈলকুপা থানায় আদালতের নির্দেশে মামলা নথিভুক্ত হয়েছে, মামলা নং ০৪/২৫। তিনি জানান, ভুক্তভোগী নারি সম্ভবত খুবই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তাকে প্রলোভনে ফেলে নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ হাতে পেয়েছি। আদালত মামলা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

আসমির হাতুড়ির আঘাতে দুই পুলিশ আহত

0
আহত পুলিশ সদস্য

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় এস আইসহ দুই পুলিশকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে এক আসামী।

শুক্রবার (০২ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পালপাড়া বাজারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

হাতুড়ির আঘাতে আহত এক কনস্টেবলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে আমলা হঠাৎ পাড়া এলাকা থেকে আশিক (২৫) নামের একটি মামলার সন্দেজভাজন আসামীকে আটক করে মটরসাইকেল করে মিরপুর থানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন আমলা পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক(এসআই) মনিরুল ইসলাম ও কনস্টেবল রুস্তম আলী। থানার আগেই পালপাড়া বাজারের কাছে পৌছালে আশিক চিৎকার করে মটরসাইকেল থামাতে বলে। এ সময় চালক এসআই মনিরুল গাড়ি থামানোর সাথে সাথে আসামী কোমড় থেকে হাতুড়ি বের করে তার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথায় থাকা হেলমেট ভেঙে যায়।

এরপর মটরসাইকেলের পেছনে বসা কনস্টেবল রুস্তম আলীর মাথায়ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ার মাদক সম্রাজ্ঞী কামিনীকে গ্রেপ্তার করছে সেনাবাহিনী

এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে কনস্টেবল রুস্তমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন – খোকসায় বিএনপি নেতাদের ছবি পোড়ানোর অভিযোগ

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একটি মামলার সন্দেহভাজন এক আসামীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসার সময় ওই আসামী হামলা করে। এতে এক কনস্টেবল সামান্য আহত হয়েছেন। ওই আসামী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

বন্ধুত্ব রক্ষা

পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার পর ৩০০ শ টাকার পেট্রোল পেয়েছেন। কিন্তু অন্য বন্ধুর মোটরসাইকেলে তেল নাই। গত দুইদিন ঘরে পরে আছে। তাই নিজের...

গভর্নমেন্ট আমাদের, আগের ডিসি গাদ্দারী করেছেন আমরা তাকে বদলি করে দিয়েছি – পরাজিত এমপি...

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তৎকালীন জেলা প্রশাসকের ওপর দোষ চাপালেন কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপির পরাজিত এমপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। সে সঙ্গে শাস্তিস্বরূপ তাকে...

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী বললেন – আমির হামজা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী বলে মন্তব্য করেছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও...

দিন-রাত উড়ছে জাতীয় পতাকা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূর্যদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নিয়ম রয়েছে। তবে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের ৯৩ নম্বর...

কুষ্টিয়ায় ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানী পণ্য জব্দ, আটক দুই

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক ও চোরচালানী পণ্যসহ দুই চোরকারবারীকে আটক করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। শুক্রবার (২৭ মার্চ)...