মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 184

রাষ্ট্রপতির অপসারণ নিয়ে বিএনপি সিদ্ধান্ত জানায়নি: হাসনাত

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিএনপি।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির ৭ নেতার সঙ্গে বৈঠকে করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির কয়েকজন নেতা।

বৈঠক শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গত ২৩ অক্টোবর আমরা জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছিলাম। ফ্যাসিবাদ বিলুপ্তের আরেকটি বাধা হিসেবে আমাদের সামনে এখন এসে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ।

তিনি বলেন, আমাদের নতুন যে রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তা নিয়ে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছি। আজকে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করেছি। সেখানে ৩টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। প্রথমটি হচ্ছে- সেকেন্ড রিপাবলিক কীভাবে গঠন করা যায় এবং ঘোষণা দেব তা নিয়ে আলোচনা করেছি। দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে কীভাবে দ্রæততম সময়ে অপসারণ করা যায় এবং কীভাবে রাজনৈতিক সংকট দূর করা যায়- তা নিয়ে কথা বলেছি। তৃতীয়ত, জাতীয় ঐক্যকে ধরে রেখে কীভাবে সরকার পরিচালনা করা যায় তা নিয়ে কথা বলেছি।

হাসনাত বলেন, বিএনপির আমাদের সব কথা শুনেছে। তারা জানিয়েছেন আমাদের বার্তা নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করবে পরে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে।

জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে রাষ্ট্রপতি অপসারণ ইস্যুতে তারা একমত পোষণ করেছেন বলেও জানান হাসনাত। তিনি বলেন, একই ইস্যুতে আমরা ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারাও নৈতিকতার জায়গা থেকে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ চায়।

আগামীতে এসব বিষয় নিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট ও গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে বলেও জানান হাসনাত আবদুল্লাহ।

বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির সাতজন অংশ নেয়। তবে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ৯ জনের পরিচয় দেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক।

আরও পড়ুন – কুমারখালীতে পদ্মায় ইলিশ ধরায় ৫ জেলেকে জরিমানা

তারা হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখপাত্র উমামা ফাতেমা, সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসুদ, সমন্বয়ক রিফাত রশিদ, জাতীয় নাগরিক কমিটি আহ্বায়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, সদস্য সচিব আকতার হোসেন, সদস্য আরিফুল ইসলাম আদিব।

কুমারখালীতে পদ্মায় ইলিশ ধরায় ৫ জেলেকে জরিমানা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর পদ্মা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে ৫ জেলেকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় তাদের কাছ থেকে প্রায় দুই হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও প্রায় ১২ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড় কালোয়া বাজার এলাকায় মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ অনুযায়ী আদালত পরিচালনা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিরুল আরাফাত এ আদালত পরিচালনা করেন। এসময় উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জব্দকৃত অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এছাড়াও জব্দকৃত মাছ স্থানীয় এতমিখানায় প্রদান করা হয়।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন – উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের কাদের মোল্লার ছেলে আব্দুর রহিম (৩২) ও খোরশেদপুর গ্রামের হাসেফ শেখের ছেলে মো. হাসান (৪৩), খোকসা উপজেলার পূর্ব আমবাড়িয়া এলাকার রহমতের ছেলে মো. লিটন (৩০), পাবনা সদর উপজেলার পীরপুর গ্রামের চাঁদ মোল্লার ছেলে শহিদ মোল্লা (৪৯) ও চর বললামপুর এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে সাহেব আলী (৩৫)।

জ্যেষ্ঠা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এসময় ইলিশ ধরা, আরোহন, পরিবহন ও বিক্রয় নিষেধ। আইন অমান্যকারীকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদন্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার বিধান রয়েছে। এছাড়াও উভয় দন্ডও হতে পারে। এ উপজেলায় পদ্মা নদীর প্রায় আট কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মা ইলিশের প্রজনন রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রতিপালনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন তারা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে ৫ জেলেকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – প্রধান উপদেষ্টার সাথে সেনাপ্রধান সাক্ষাৎ করেছেন

তিনি আরও বলেন, জব্দকৃত প্রায় দুই হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। এবং জব্দকৃত প্রায় ১২ কেজি মাছ এতিমখানায় প্রদান করা হয়েছে। জনস্বার্থে প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রধান উপদেষ্টার সাথে সেনাপ্রধান সাক্ষাৎ করেছেন

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর শেষে গতকাল শুক্রবার দেশে ফেরেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাপ্রধান জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তিরক্ষা মিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাপ্রধানসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, এবং কানাডার উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

গত ১৭ অক্টোবর সেনাবাহিনী প্রধান নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনস বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেয়ান পিয়ারি ল্যাকরোয়িক্স, ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্ট বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অতুল খের, জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত হাইকমিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইলজে ব্রান্ডস খেরিস, আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল, ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্যাল ও পিস বিল্ডিং অ্যাফেয়ার্সের পক্ষে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া এবং প্যাসিফিক বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মেদ খালেদ খিয়ারি এবং ডিরেক্টর অব অফিস ফর পিস কিপিং স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপ জেনারেল জাই মেননের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন।

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুন – বাফুফে সভাপতি নির্বাচিত হলেন তাবিথ আউয়াল

এসব বৈঠকে সেনাপ্রধান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণী/ফোর্স কমান্ড পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে গুরুত্বারোপ করেন।

বাফুফে সভাপতি নির্বাচিত হলেন তাবিথ আউয়াল

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচনে বিপুল ভোটে তাবিথ আউয়াল জয়ী হয়েছেন। ১২৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তাবিথের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি মিজানুর রহমান পেয়েছেন মাত্র ৫ ভোট। সভাপতির ভোটের সংখ্যা জানিয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেজবাহউদ্দিন।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে ভোট প্রদান। ১৩৩ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১২৮ জন ভোটাধিকার প্রদান করেন।

বাফুফের প্রথম সভাপতি ছিলেন এসএ সুলতান। তার পর দ্বিতীয় সভাপতি হন কিংবদন্তি ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিন। টানা ৪ মেয়াদে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার সভাপতি ছিলেন তিনি। তাবিথ বাফুফের তৃতীয় নির্বাচিত সভাপতি। ভোটের হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন তাবিথ।

আরও পড়ুরন – পদ্মা তীরে বিক্রয়কেন্দ্র না থাকায় মাছের ন্যায্য দাম পায় না মৎস্যজীবীরা

এবারের নির্বাচনে সভাপতি, সহ-সভাপতি, সদস্য পদে ভোট হয়েছে। ২০ পদের বিপরীতে প্রার্থী সংখ্যা ৪৫ জন। ১৫ নির্বাহী সদস্যের বিপরীতে প্রার্থী ৩৭ জন, ৪ সহ-সভাপতি পদে ৬ জন ও সভাপতি পদে ২ জন রয়েছেন। আর সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইমরুল হাসান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

পদ্মা তীরে বিক্রয়কেন্দ্র না থাকায় মাছের ন্যায্য দাম পায় না মৎস্যজীবীরা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

খর¯্রােতা পদ্মা নদীর অববাহিকার কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর, মরিচার ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন। এসব গ্রামের প্রায় ৯০০ মৎস্যজীবী পরিবারের জীবিকার একমাত্র উৎস্য নদীর প্রকৃতিক মাছ শিকার। এ ছাড়া বাড়তি আয়ের আশায় নদীপাড়ের সাধারন মানুষ মাছ শিকারকে পেশা হিসেবে গ্রহন করেছেন। প্রতিদিন এসব মাছ বিক্রির জন্য পদ্মা তীরবর্তী অঘোষিত ঘাটসহ এলাকার আশপাশের ছোট বড় হাট বাজারগুলোতে। আর নদীর এসব টাটকা মাছের বেচাকেনা চলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। পদ্মা তীরের ঘাটগুলোতে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাছ বিক্রি হয়। এই হিসাবে বছরে শতকোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়। তবে পদ্মা অববাহিকায় সরকারি ভাবে মাছ বিক্রয়কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি।

এসব হাটে সবচেয়ে বেশি দেখা মেলে চিংড়ি, পিউলি, চ্যালা, ঘাউরা, বাঁশপাতা, বাইম, বেলে, ট্যাংরাসহ নানা পদের মাছ। এগুলো আকারভেদে ১৫০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজিতেও বিক্রি হচ্ছে।

জানা গেছে, পদ্মা তীরবর্তী হওয়া সত্বেও বৃহত্তর এই উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোনো মৎস্য বিক্রয়কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। যার কারণে জেলেরা তাদের মাছের সঠিক দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একইভাবে দ্রæত মাছ বিক্রিতেও পড়ছেন বিড়ম্বনায়। তাই এলাকার জেলেরা দাবি তুলেছেন, দ্রæত এখানে সরকারি উদ্যোগে একটি মৎস্য বিক্রয়কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার। আর এটা সম্ভব হলে শুধু মৎস্যজীবী পরিবারের সমৃদ্ধিই বয়ে আনবে না, স্থানীয় মৎস্য খাতকে সমৃদ্ধ করবে।

মৎস্যজীবী সিদ্দিক ও জামাল জানান, প্রতিদিন পদ্মা নদী থেকে তাঁরা যে পরিমাণ মাছ শিকার করেন, তা বিক্রির জন্য তীরবর্তী ঘাট ও স্থানীয় বাজারের হাটগুলোতেই নিয়ে আসেন। কিছু পরিমাণ পাঠানো হয় কুষ্টিয়া শহরের আড়তেও। এতে প্রতিদিন যা আয় হয়, তা দিয়েই চলে তাদের সংসার।

নাজমুল ও মিন্টু বলেন, আকার ও মাছের ধরনের ওপর নির্ভর করে মাছের দাম নির্ধারণ হয়। আবার ক্রেতার থেকে আমদানি বেশি হলে দাম কমে এসব মাছের।

কথা হয় নদীর পাড়ে মাছ কিনতে আশা তুষার রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, সকালে ঘাটে এসেছি নদীর টাটকা মাছ কিনতে। যদিও এখানে দাম বেশি। তবে একদম ফ্রেশ এসব মাছের স্বাদ বেশি।

এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হোসেন আহমেদ বলেন, প্রতি মৌসুমের মে মাসের শেষ সময় থেকে ডিসেম্বরের পর্যন্ত নদীতে মাছ বেশি পাওয়া যায়। প্রতিদিন কী পরিমাণ মাছ শিকার বা বিক্রি হয়, এর সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও গড়ে অন্তত দেড় হাজার কেজি মাছ বিক্রি হয়। যার থেকে বছরে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকার বেশি আয় হওয়ার কথা।

আরও পড়ুন – কুমারখালীতে রেস্তোরা ও চাউলের দোকানে জরিমানা

মৎস্য কর্মকর্তা আরও জানান, আমরা একাধিকবার প্রস্তাব পাঠিয়েছি, তবে বাস্তবায়ন হয়নি। এখানে একটি মৎস্য বিক্রয়কেন্দ্র তৈরি করা সম্ভব হলে এই খাতের আরও উন্নয়ন সম্ভব।

কুমারখালীতে রেস্তোরা ও চাউলের দোকানে জরিমানা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে রেস্তোরার ফ্রিজে পচা-বাসি খাবার রাখা ও খাবারের রং মিশানো মসলা ব্যবহার করার অপরাধে ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত টাস্কফোর্স। এছাড়াও ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি দাম দেখিয়ে চাল বিক্রির অপরাধে অপর দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন নগর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে সততা হোটেল এ্যান্ড রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক রাজু আহম্মেদকে ২৫ হাজার টাকা, আলিম ট্রেডার্সের মালিক মো. আব্দুল আলিমকে ৫ হাজার টাকা ও ভাই ভাই খাদ্য ভান্ডারের মালিক মো. হাসানকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুষ্টিয়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল। এসময় তাঁকে সহযোগীতা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি পরিদর্শক ফারুক হোসেন, কুষ্টিয়া টাস্কফোর্সের ছাত্র প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমুখ।

আরও পড়ুন – গণঅভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ সদস্যদের তালিকা প্রকাশ

এ তথ্য নিশ্চিত করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচলক সুচন্দন মন্ডল বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ফ্রিজে পচা-বাসি খাবার রাখা ও খাবারের রং মিশানো মসলা ব্যবহার করার অপরাধে অভিজাত রেস্তোরাঁ সততা হোটেল এ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, আলিম ট্রেডার্স ও ভাই ভাই খাদ্য ভান্ডারকে জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

গণঅভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ সদস্যদের তালিকা প্রকাশ

0

Iদ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

জুলাই-আগস্টে নিহত পুলিশ সদস্যদের তালিকা পুনরায় প্রকাশ করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী ছাত্র-জনাতার গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪৪ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের ১৪ জন, সিরাজগঞ্জে ১৪ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এর বাহিরে খুলনা, ঢাকা জেলা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চাঁদপুর, গাজীপুরসহ কয়েকটি জেলায় নিহত হয়েছেন বাকি ১৬ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা লক্ষ্য করেছি যে কিছু নিউজ আউটলেট এবং কিছু ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে হওয়া গণঅভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ সদস্যদের সংখ্যা সম্পর্কে মিথ্যা এবং ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তর এই তালিকা প্রকাশ করেছে। গণঅভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রকৃত তালিকা দেওয়া হলো।

আরও পড়ুন – শেখ হাসিনা থাকছেন নয়াদিল্লির একটি সুরক্ষিত বাংলোতে

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পুলিশ বিভাগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যেসকল অফিসার বা কনস্টেবল প্রতিবাদ বা সহিংসতার ঘটনায় আহত বা নিহত হয় তাদের তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। যদি কেউ দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানে এই তালিকার বাইরেও পুলিশ নিহতের ঘটনা ঘটেছে সেক্ষেত্রে প্রমাণ সরবরাহের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

শেখ হাসিনা থাকছেন নয়াদিল্লির একটি সুরক্ষিত বাংলোতে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওযামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা। তিনি ঠিক কোথায় আছেন, সেই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো তথ্য জানায়নি। এমন অবস্থায় শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, রাজধানী নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া গেট ও খান মার্কেটের কাছেই একটি বাংলোতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। অত্যন্ত সুরক্ষিত সেই বাংলোতে আছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এর আগেরদিন বৃহস্পতিবার ভারতের আরেক গণমাধ্যম দ্য প্রিন্ট জানিয়েছিল, ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির লুটিয়েনস বাংলো জোনের একটি সুরক্ষিত বাড়িতে অবস্থান করছে হাসিনা। নিরাপত্তা প্রটোকল নিয়ে মাঝেমধ্যে লোধি গার্ডেনে হাঁটতে বের হন তিনি। তবে শেখ হাসিনার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার কথা ভেবে উল্লেখিত সেই বাংলোর নির্দিষ্ট ঠিকানা প্রকাশ করেনি ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যম দুটি।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ওই বাংলোতে বেশ কয়েকটি স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছেন। কারণ বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় বিভিন্ন নৃশংসতার পাশাপাশি গণহত্যা সংঘটনের অভিযোগসহ বহু মানুষের মৃৃত্যুর হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ওই কর্মকর্তারা বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে শেখ হাসিনা হিন্দন বিমান ঘাঁটিতে আশ্রয় নেন এবং সেখান থেকে স্থানান্তরিত হওয়ার পর থেকে তিনি দিল্লির লুটিয়েনস বাংলোতে দিল্লিতে বসবাস করছেন। এর আগে গত মাসে ফিনান্সিয়যাল টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, তাকে (হাসিনাকে) লোধি গার্ডেনে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন – সারদায় আরও অর্ধশতাধিক এসআইকে শোকজ

ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আরও বলেছেন, শেখ হাসিনার নতুন এই বাসভবনটি আসলে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালযের অধীন কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স সংস্থা ‘ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি)’ একটি সেফহাউস। তবে হাসিনার জীবনের প্রতি হুমকির কথা উল্লেখ করে তারা এই বাসভবনের সঠিক অবস্থান প্রকাশ না করতে বলেছেন।

সারদায় আরও অর্ধশতাধিক এসআইকে শোকজ

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সারদায় পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণরত আরও অর্ধশতাধিক ক্যাডেট উপপরিদর্শককে (এসআই) শোকজ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ক্লাসে বিশৃঙ্খলা সৃৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার ও বৃহস্পতিবার তাদের শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়। ওই এসআইদের সবাই ৪০তম ক্যাডেট–২০২৩ ব্যাচে প্রশিক্ষণরত।

প্রশিক্ষণ মাঠে নাশতা নিয়ে হইচই করার কারণে সম্প্রতি ওই ব্যাচের ৭০৪ প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে ২৫২ জনকে শোকজ করা হয়েছিল। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় চাকরি থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়। এবার প্রশিক্ষণ হলে শৃঙ্খলার সঙ্গে না বসার কারণে অন্তত ৫৯ এসআইকে শোকজ করা হয়েছে বলে পুলিশ একাডেমি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, ২১ অক্টোবর ওই ব্যাচের ১০ এসআইকে দ্বিতীয় দফায় শোকজ করা হয়। এরপর ২৪ অক্টোবর তৃতীয় দফায় আরও ৪৯ জনকে শোকজ করা হয়। তিন দিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষের পক্ষে পুলিশ সুপার (অ্যাডমিন অ্যান্ড লজিস্টিকস) মো. তারেক বিন রশিদ কারণ দর্শানোর নোটিশে স্বাক্ষর করেছেন।

২৪ অক্টোবর প্রশিক্ষণরত এক এসআইকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়েছে, গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চেমনি মেমোরিয়াল হলে আইনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধারার ওপর প্রশিক্ষণরত ক্যাডেট এসআইদের ক্লাস ছিল। প্রশিক্ষণ চলাকালে পরিদর্শক পদমর্যাদার চারজন প্রশিক্ষক দেখতে পান, সিটে বসার সময় ওই এসআই শৃঙ্খলার সঙ্গে না বসে এলোমেলোভাবে বসে হইচই করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছেন। একজন প্রশিক্ষক বারবার শৃঙ্খলার সঙ্গে বসতে বললেও তিনি নির্দেশ অমান্য ও কর্ণপাত না করে বসা নিয়ে হইচই করতে থাকেন।

এর আগে ২১ অক্টোবর ১০ এসআইকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের একটি কপি পাওয়া গেছে। তাতে দেখা গেছে, যেসব অভিযোগে ২৪ অক্টোবর এসআইদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে, একই অভিযোগ ২১ অক্টোবরের চিঠিতেও।

চিঠিতে বলা হয়, ১৬ অক্টোবর ওই একই সময়ে জিমনেসিয়ামে ‘এক্সপেরিয়েন্স শেয়ারিং ইন অর্ডার টু ফেইস পলিটিক্যাল এইমড’ বিষয়ে ক্লাস ছিল। সেদিন বিশেষ অতিথি বক্তা হিসেবে ছিলেন পুলিশ একাডেমির সাবেক অধ্যক্ষ মো. নজিবুর রহমান। সেদিন এই এসআই শৃঙ্খলার সঙ্গে না বসে এলোমেলোভাবে বসেন এবং হইচই করেন। তাকেও তিন দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়।

তবে এ বিষয়ে কোনো কথা বলবেন না বলে জানিয়েছেন পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ ও পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাসুদুর রহমান ভূঞা। তিনি এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের জনসংযোগ শাখায় কথা বলার পরামর্শ দেন।

আরও পড়ুন – খোকসায় বাবার ভ্যান চুরি: তিন শিশুর পড়া লেখা বন্ধের শঙ্কা

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) এনামুল হক সাগর বলেন, এ বিষয়েনি এখনো কিছু জানি না। জানতে পারলে পরবর্তীতে জানানো হবে।

খোকসায় বাবার ভ্যান চুরি: তিন শিশুর পড়া লেখা বন্ধের শঙ্কা

0

স্টাফ রিপোর্টার

জোহরের নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বেড়িয়ে চালক লিটন আলী দেখলেন তার উপার্জনের একমাত্র বাহন পাখি ভ্যানটি চুরি হয়ে গেছে। তিন দিনেও চুরি যাওয়া ভ্যানটি উদ্ধার করতে পারেনি তিনি। ফলে ৬ সদস্যের পরিবার নিয়ে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ভ্যান চালকের তিন শিশু সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

খোকসা উপজেলা সদরের পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কালীবাড়ি পাড়ার বাসিন্দার মৃত আয়ুব আলীর ছেলে লিটন আলী বিশ্বাাস। গত মঙ্গলবার দুপুরে খোকসা বাজার জামে মসজিদের পাশে নিজের পাখি ভ্যানটি তালা দিয়ে রেখে জোহরের নামাজ পড়তে যান। নামাাজ শেষে মসজিদ থেকে বেড়িয়ে দেখেন তার পাখি ভ্যানটি চুরি হয়ে গেছে। চুরি যাওয়া ভ্যানটি উদ্ধারে অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু ভ্যান উদ্ধার করতে পারেনি।

নিজের একচিলতে জমির উপর আধাপাকা তিন কক্ষের একটি ঘর আছে লিটনের। বৃদ্ধা মা কমেলা খাতুন, নিজের স্ত্রী মুসলিমা খাতুন আর তিন সন্তান সন্তানসহ ৬ জনের সংসারের একমাত্র উপার্জনের বাহন ছিল ঋণের টাকা কেনা পাখি ভ্যানটি। ভ্যানটি চুরি যাওার পর বাড়িতে অলস সময় কাটাচ্ছেন তিনি। স্ত্রী ও বৃদ্ধা মা ববিনে সুতা তুলে যা আয় করছেন তাই দিয়ে এক বেলা পর একবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। “মরার উপর খাড়ার ঘা” হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘর তৈরী ও ভ্যান কেনার সময় সমিতি থেকে নেওয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে। সপ্তাহে চারটি সমিতির কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হয় তার।

ভ্যান চালক লিটনের বড় ছেলে ইসমাইল বিশ্বাস দশম শ্রেণি ছাত্র। মেয়ে মিম খাতুন ৮ম ও মাসুরা প্রথম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। শিশুরা মেধাবীও। পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস্য ভ্যানটি চুরি যাওয়ার পর তাদের খাবার ও শিক্ষা দুই অনিশ্চিত হয়ে গেছে।

শুক্রবার দুপুরে ভ্যান চালক লিটনের বাড়িতে সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, আগের রাতের বেঁচে থাকা সামান্য কিছু পান্তা ভাত সকালে সবাই ভাগ করে খেয়েছেন। দুপুরের রান্নার চাউল সদাই কিছুই নেই। টানা বৃষ্টির কারণ আগের রাতে ববিনে সুতা ভরা হয়নি। ফলে আজ মহাজন টাকা দেবে না। ঘরে খাবার কেনার টাকা নেই।

দশম শ্রেণির ছাত্র ইসমাইল বিশ্বাাস জানান, কয়েকদিন পর তার এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরন করতে হবে। ভ্যানটি চুরি হওয়ায় তার হতো এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরণ করা হবে না। ফলে তার ছাত্র জীবনের ইতি টানতে হবে। সে আরও জানায় বাজারের বিভিন্ন দোকানের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে চোরকে চেনার চেষ্টা করেছে। প্রশাসন চাইলে তারদের চুরি যাওয়া ভ্যানটি উদ্ধার করা সম্ভব।

ভ্যান চালকের বৃৃদ্ধা মা কমেলা খাতুন জানান, ছেলে ভ্যান চালায় আর আমরা শ্বাশুরী-বৌ সুতার কাজ করে যা আয় করেন তা দিয়ে কোন রকম দিন চলে। ভ্যানটি চুরি যাওয়ার পর তাদের দিন যাচ্ছে খেয়ে না খেয়ে।

ভ্যান চালক লিটন বিশ্বাস জানান, ভ্যানের চোর সনাক্ত করতে সে বাজারের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভির ফুটেজ দেখেছে। মসজিদের পাশের একাধিক ক্যামেরায় চোরকে ভ্যান নিয়ে পালাতে দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন – আবরার ফাহাদের বাবা-মা ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ প্রশ্নে যা বললেন

তিনি ভ্যান পাওয়ার আশা থানায় অভিযোগ করে ছিলেন। কিন্তু কোন লাভ হনি। এখন একদিকে সংসার চালানো ও শিশুদের লেখাপড়ার খরচ অন্যদিকে সমিতির কিস্তির টাকা পরিশোধ করা নিয়ে চাপেই মধ্যে পরেছেন।

থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মঈনূল ইসলাম বলেন, চোর ধরতে বৃহস্পতিবারও অভিযান চালানো হয়। কিন্তুু ফুটেজের সাথে সন্দেহভাজনের মিল না হওয়ায় কাজ হয়নি। তবে অভিযান অব্যাহত চলছে।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...