মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 206

খোকসায় ড্রেনের পানির তোরে নদীর তীর রক্ষার বাঁধ ধসে পরেছে

0

স্টাফ রিপোর্টার

খোকসা পৌর এলাকার সব কয়টি ওয়ার্ডে বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে। অপরিকল্পিত ড্রেনের পানির চাপে গড়াই নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ধসে পরেছে। ফলে প্রায় ৩০টি পরিবার আবার নদী ভাঙ্গনের হুমকীর মুখে পরেছে। বৃষ্টির পানির সঙ্গে ডোবা নালা থেকে উঠে আসা সাপের উপদ্রপের সাথে বাড়ছে পানি বাহিত রোগ।

গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে উপজেলা সদরের পৌর এলাকার ২, ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা বৃষ্টির পানিতে উপজেলা ভূমি অফিস, উপজেলা নির্বাচন অফিস, যুবউন্নয়ন অফিস, সমাজসেবা অফিস, একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পরেছে। অধিকাংশ বাড়ির উঠানে পানি উঠে পরেছে। বৃষ্টির পানিতে প্রায় অর্ধশত পুকুর ভেসে গেছে। ড্রেন উপচে রাস্তা ঘাট নোংরা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। নিজেদের থাকা খাওয়ার স্থান সমস্যাসহ গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পরেছেন বেশিভাগ পরিবার।

সোমবার সকালে ড্রেনের পানির চাপে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাহ পাড়াই গড়াই নদীর তীর রক্ষার বাঁধের প্রায় ৩০ ফুট নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। আর এতেই নতুন করে নদী ভাঙ্গনের ঝুকিতে পরেছে প্রায় ৩০ পরিবার।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাহ পাড়ায় অপরিকল্পিত ভাবে নির্মান করা ১ হাজার মিটার লম্বা ৫ ফুট গভীর ড্রেনের পানি ১০ ইঞ্চি পাইপ দিয়ে গড়াই নদীতে অপসারণ করছিল পৌর কর্তৃপক্ষ। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির অতিরিক্ত পানির চাপে সোমবার সকালে ড্রেনের সামনে থেকে নদীর তীর রক্ষার বাঁধ ধসে যায়।

সোমবার দুপুরে পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ড়ে সবেজমিন গিয়ে দেখা য়ায়, শাহ পাড়ার শতাধিক পরিবার বৃষ্টির মৌসুমে শুরু থেকে জলাবদ্ধ হয়ে জীবন কাটাচ্ছেন। এখানে পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মান করা ড্রেন রয়েছে। কিন্তু ড্রেনটি ময়লা আবর্জনায় ভরে যাওয়ায় পানি প্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে পরেছে। এক অংশের পানির তোরে বিধবা আয়শা খাতুনের বসত ঘরের একাংশসহ রান্না ঘরের বেশীর ভাগ নদীতে চলে গেছে। ড্রেনের উপর দিয়ে একটু এগোতেই দেখা যায় পৌর সভার টাকায় এক ব্যক্তির পুকুরের উপর সেতু নির্মান করা হয়েছে। আর এই সেত্ইু ঘটিয়েছে যত বিপত্তি। এই পুকুরেই মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশাল দুটি ড্রেনের মুখ। ফলে একদিকে জলাবন্ধতা স্থায়ী হয়েছে। অন্যদিকে আবজনার ভাগারে পরিনত হয়েছে গোটা মহল্লাটি।

নদীর তীর রক্ষার বাঁধ ধসে একমাত্র মাথা গোজার ঘর হারাতে বসা বিধবা আয়শা খাতুন। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, ড্রেন করার সময় নদীতে নামানোর পরিকল্পনা না থাকাটা প্রথম ভুল। দ্বিতীয় ভুল হয়েছে তার ঘরের ভিতর দিয়ে পাইন দিয়ে ড্রেনের পানি নদীতে দেওয়া।

বিধবা আয়শা খাতুন বলেন, তার সব জমিই নদীতে চলে গেছে। ব্যাটারা বাঁধ দেওয়ার পর স্বামীর ভিটাই ঘর তুলে বসবাস করছিলাম। এবার আবার নতুন করে লাগা ভাঙ্গনে তার রান্না করে খাওয়া যায়গা নদীতে চলে গেছে। বসত ঘর ভাঙ্গনের মধ্যে ঝুলে আছে। রাতে কোথায় থাকবেন এ নিয়ে ভাবছেন। তিনি মনে করেন, পৌর সভার কাউন্সিলের ভুলের কারনে তাদের মাথা গোজার শেষ আশ্রয় হারাতে হচ্ছে।

সংবাদ কর্মী মমিন হোসেন ডালিম বলেন, অপরিকল্পিত ড্রেনের জন্য তারা বছরের তিন মাস পানি বন্ধি থাকেন। আগে নদীতে পানি নেমে যেত কিন্তু এখন সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের ভোগান্তির অন্ত নেই।

পৌর সভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সেলিম হুসাইনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

পৌরসভার ৭ নম্বরের হাসেম আলী জানান, পানি বেড় করার জন্য কেউ নিজের জমি কাটতে দেয় না। ফলে ওরা বছরের বেশীর ভাগ সময় পানিবন্দি থাকে।

আরও পড়ুন – পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ

পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ টিপু জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ নির্মানের সময় পাইপ দিয়ে পয়েন্ট তৈরী করে রেখে গিয়েছিল। ড্রেন করার পর পাইপের সাথে সংযোগ দেওয়া হয়েছে মাত্র।

খোকসা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেসমা খাতুন তার নিজের অফিসে পানি অপসারনে পৌরসভা প্রকৌশলীকে তাগিদ দিতে শোনা যায়। এর পরে তিনি পানি বন্দি এলাকা ঘুরে দেখতে বেড়িয়ে যান। পরে তার সরকারি মোবাইল ফোনে কল করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

পানি উন্নয় বোর্ডের কুষ্টিয়া জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে তার স্পষ্ট কোন ধারণা নেই। তবে তার লোকেরা এই প্রতিনিধির সাথে কথা বলবেন বলে জানান।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আজ সোমবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। ৫৭০ সালের ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে মা আমিনার কোল আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। মানবজাতির জন্য রহমত হিসেবে তাঁকে প্রেরণ করা হয়।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে পক্ষকালব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া এদিন সরকারি ছুটি দেওয়া হয়েছে।

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন।

এক সময় গোটা আরব সমাজ অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। তারা মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। এ সময়কে বলা হতো আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগ।

তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তিপূজা করতো। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকূলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতাআলা রাসুলুল্লাহকে (সা.) প্রেরণ করেন এই পৃথিবীতে।

আরও পড়ুন – নতুন করে ডিম ও মুরগির দাম বেঁধে দিলো সরকার

মহানবী (সা.) অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং প্রায়ই তিনি হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। পঁচিশ বছর বয়সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিবি খাদিজা নামের এক ধর্ণাঢ্য নারীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মাত্র ৪০ বছর বয়সে তিনি নব্যুয়ত প্রাপ্ত হন। আল্লাহতাআলার নৈকট্য লাভ করেন।

বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় এ দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করে থাকে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে যথাযথ মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের জন্য সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মহানবী (সা.)-এর ওপর আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিস্তারিত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে উন্নত খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে- ওয়াজ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, সেমিনার, ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, আরবি খুতবা লিখন প্রতিযোগিতা, ক্বিরাত মাহফিল, হামদ-না’ত, স্বরচিত কবিতা পাঠের মাহফিল, ইসলামী ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী, ইসলামী বইমেলা, বিশেষ স্মরণিকা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ।

এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সব বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, ৫৪টি ইসলামিক মিশন ও ৮ টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

নতুন করে ডিম ও মুরগির দাম বেঁধে দিলো সরকার

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

পাইকারি ও ভোক্তা তথা খুচরা পর্যায়ে ডিম, সোনালি মুরগি ও ব্রয়লার মুরগির দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। খুচরা পর্যায়ে ডিম ১১ টাকা ৮৭ পয়সা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ২৬৯ টাকা ৬৪ পয়সা এবং ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭৯ টাকা ৫৯ পয়সা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হকের সই করা চিঠিতে সংশ্লিষ্টদের এ দাম বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে জানানো হয়, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং পোলট্রি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সমন্বয়ে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রæপ গঠিত হয়েছে। গ্রæপের মতামতের ভিত্তিতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ২০২৪ সালের মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) ও ডিমের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করেছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) ও ডিমের দাম নির্ধারণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানায়। এর পরিপ্রেক্ষতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারণ করা যৌক্তিক মূল্য সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন – যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে চিঠিতে চলতি বছর মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) ও ডিমের নির্ধারিত যৌক্তিক মূল্য (উৎপাদক, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে) সঠিকভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

ডিমের মূল্য উৎপাদক পর্যায়ে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ১১ টাকা ১ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া কেজিপ্রতি সোনালি মুরগির দাম উৎপাদক পর্যায়ে ২৬০ টাকা ৭৮ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ২৬৪ টাকা ৫৭ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ২৬৯ টাকা ৬৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে উৎপাদক পর্যায়ে ১৬৮ টাকা ৯১ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ১৭২ টাকা ৬১ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ১৭৯ টাকা ৫৯ পয়সা।

এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সব বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালককে চিঠি দিয়েছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। এছাড়া বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল, বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ, অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশসন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ অ্যাগ্রো ফিড ইনগ্রেডিয়েটস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড টেডিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সংস্কার এবং লুণ্ঠিত সম্পদ ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছেন অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর ) সকালে ঢাকায় সফররত মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ সহযোগিতা চান।

ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে আছেন মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের আন্তর্জাতিক অর্থ বিষয়ক সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যান। তার সঙ্গে আছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু।

অন্তর্র্বতী সরকার চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সংস্কার এবং সবকিছু নতুন করে শুরু করতে’ এবং আর্থিক খাত, বিচার বিভাগ, পুলিশবাহিনী ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সংস্কারে প্রশাসন দ্রতগতিতে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান ড. ইউনূস।

তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের জন্য একটি অত্যন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময় এবং আমাদের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।’

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে অভ্যুত্থানের উল্লেখ করেন যার মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন যুগের সূচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছে প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্র্বতী সরকারের সংস্কার উদ্যোগের রূপরেখা বর্ণনা করেন। ড. ইউনূস বলেন, ‘ভোট জালিয়াতি প্রতিরোধ, বিচার বিভাগ, পুলিশ, বেসামরিক প্রশাসন, দুর্নীতিদমন সংস্থা এবং সংবিধান সংশোধনে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ছয়টি কমিশন গঠন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, তার সরকার স্বৈরাচারী আমলের দুর্নীতিবাজদের লুণ্ঠিত ও পাচারকৃত সম্পদ ফেরত পেতে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ।

দুর্নীতি মোকাবিলায় সরকার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা দুর্নীতির সাগরে ছিলাম।’

সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যানের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধিদল অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে জানায়, ওয়াশিংটন এসব সংস্কার উদ্যোগকে সমর্থন করে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, তারা অন্তর্র্বতী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে আর্থিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার, বিনিয়োগ, শ্রম সমস্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টার নিউইয়র্ক সফর নিয়েও আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন – জামায়াত নেতা হত্যায় কোটচাঁদপুরে আরও একটি মামলা

বৈঠকে আরও ছিলেন সহকারী মার্কিন ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডন লিঞ্চ, ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অঞ্জলি কৌর, মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের পরিচালক জেরোড ম্যাসন।

ড. ইউনূসের সঙ্গে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফী সিদ্দিকী, সিনিয়র সচিব ও এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, পররাষ্ট্রসচিব মো. জসিম উদ্দিন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী।

জামায়াত নেতা হত্যায় কোটচাঁদপুরে আরও একটি মামলা

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের জামায়াত নেতা এনামুল হক হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে কোটচাঁদপুর আমলী আদালতে ঝিনাইদহের চাকরীচ্যুত সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন নিহত’র ভাই বিএম তারিকুজ্জামান। এই নিয়ে সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহের বিভিন্ন আদালতে ৫টি হত্যা মামলা দায়ের হলো। এ মামলায় ঝিনাইদহ-৩ আসনে আ’লীগ দলীয় সাবেক দুই সংসদ সদস্য নবী নেওয়াজ ও শফিকুল আজম খান চঞ্চলসহ ১৪ জন নেতাকর্মী এবং কোটচাঁদপুরের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, এসআই মিজানুর রহমান, এসআই সৈয়দ আলী ও কনস্টেবল সমির কুমারসহ মোট ১৯জনকে আসামী করা হয়েছে।

বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার ভাই কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের অর্থ সম্পাদক এনামুল হককে ২০১৪ সালের পহেলা জানুয়ারী কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদের মধ্য থেকে পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজুল ইসলামের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফিরছিলেন। অপহরণের একদিন পর ২৬ জানুয়ারী কোটচাঁদপুর শহরের নওদাপাড়া গ্রামে এনামুল হকের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। ওই সময় পুলিশ দাবী করে যৌথ বাহিনীর অভিযানে এনামুল নিহত হন।

আরও পড়ুন- দুর্নীতি দমন কমিশন কুষ্টিয়ার উপ পরিচালকের ঢাকায় বদলি

বাদীর অভিযোগটি গ্রহন করে বিজ্ঞ আদালত কোটচাঁদপুর থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ্যাডভোকেট রুস্তম আলী আদালতে বাদীর পক্ষে অভিযোগটি দায়ের করেন।

কোটচাঁদপুর থানার ওসি সৈয়দ আল মামুন জানান, আদালতের আদেশ এখনো থানায় পৌছায়নি। হাতে পেলে নির্দেশনা মোতাবেক মামলা রেকর্ড করা হবে।

দুর্নীতি দমন কমিশন কুষ্টিয়ার উপ পরিচালকের ঢাকায় বদলি

0

কুমারখালী প্রতিনিধি

দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার উপ পরিচালক মো. হাফিজুর রহমানের ঢাকা প্রধান কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।

রবিবার দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার উপ পরিচালকের দায়িত্ব থেকে বিদায় নেন হাফিজুর রহমান। তিনি প্রায় দেড় বছর যাবৎ দুদক কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রবিবার বেলা ১১ টায় দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার সম্মেলন কক্ষে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দুদক সজেকা কুষ্টিয়া ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি।

আরও পড়ুন – গড়াই নদীর রেল সেতুতে ঝুলছিল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ

বক্তব্য রাখেন, বিদায়ী উপ পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, সহকারী পরিচালক নীল কমল পাল, মেহেরপুর জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোশাররফ হোসেন, কুষ্টিয়া জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম কাদেরি শাকিল, কুমারখালী উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আব্দুর রফিক বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক হাবীব চৌহান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, আগামী সপ্তাহে নতুন উপ পরিচালক কুষ্টিয়া কার্যালয়ে যোগদান করবেন বলে দুদক সজেকা সূত্রে জানাগেছে।

গড়াই নদীর রেল সেতুতে ঝুলছিল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক অজ্ঞাত যুবকের (২৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও রেলওয়ে পুলিশ।

রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে কুষ্টিয়া – রাজবাড়ী রেল সড়কস্থ কয়া ইউনিয়নের গড়াই নদীর রেল সেতুর ওপর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ফায়ার সার্ভিস ও রেলওয়ে পুলিশ জানায়, রবিবার সকাল ১১ টার দিকে গড়াই নদীর রেল সেতুতে এক মরদেহ ঝুলতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে রেলওয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। তবে মৃত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানা যায়নি। তাঁর বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর। নিহত যুবকের পরনে কালো ফুলপ্যান্ট ছিল।

আরও পড়ুন – খোকসা পৌর এলাকার ২ হাজার মানুষ পানিবন্দি

কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার মহির উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে গড়াই নদীর রেল সেতু থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পোড়াদহ রেলওয়ে থানার ওসি হারুন অর রশিদ বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতায় মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও মৃত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানা যায়নি। বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর। এটি দুর্ঘটনা, নাকি হত্যা তা ময়নাতদন্ত শেষে জানানো যাবে বলে তিনি জানান।

খোকসা পৌর এলাকার ২ হাজার মানুষ পানিবন্দি

0

স্টাফ রিপোর্টার

খোকসা পৌর এলাকার কয়েকটি ওয়ার্ডের নিন্মাঞ্চল বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে। অনেক বাড়ির রান্না ঘরে পানি ঢুকে পরেছে। সাপের উপদ্রপের সাথে বাড়ছে পানি বাহিত রোগ। এর সাথে যোগ হয়েছে ঘনঘন বিদ্যুত বিভ্রাট।

গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে উপজেলা সদরের পৌর এলাকার ৮, ৫, ৪ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সৃষ্টি হয়েছে জলা মগ্নতা। প্রায় ২ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পরেছেন। অনেকের বাড়ির রান্না ঘর পানিতে ডুবে গেছে। ড্রেন উপচে একাধিক রাস্তা পানিতে নিমর্জিত হয়ে পরেছে। নিজেদের থাকা খাওয়ার স্থান সমস্যাসহ গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পরেছেন বেশিভাগ পরিবার। প্রতিটি বাড়ির উঠানে হাটু সমান পানি। টয়লেটের পানি ঢুকে পরছে থাকার ঘরে। সাথে বেড়েছে সাপের উপদ্রব। বৃষ্টি শুরু সাথে সাথে শুরু হয়েছে বিদ্যুত বিভ্রাট। ১০/১৫ মিনিটের জন্য বিদ্যুত দেওয়া হলেও বন্ধ রাখা হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। তবে পরøী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা দাবি বৃষ্টির সাথে ঝড়ো হাওয়ার কারণে বিদ্যুতের লাইন টিকছে না।

রবিবার বিকালে পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ড়ে সবেজমিন গিয়ে দেখা য়ায়, এখানে শতাধিক পরিবার বৃষ্টির মৌসুমে শুরু থেকে জলাবদ্ধ হয়ে জীবন কাটাচ্ছেন। এখানে পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মান করা ড্রেন রয়েছে। কিন্তু ড্রেনটি ময়লা আবর্জনায় ভরে যাওয়ায় পানি প্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে পরেছে। একাধিক বাড়ির রান্না ঘরে পানি ঢুকে পরেছে। ড্রেনের নোংরা পানি ঢুকে পরছে বসাসের ঘরে।

৮ নম্বর ওয়ার্ডের স্বপ্না খাতুন। দুই সন্তান নিয়ে আধাপাকা বাড়িতে বসবাস করেন। এবারে প্রথম বৃষ্টির রাতেই তার রান্না ঘরে পানি ঢুকে পরেছে। এখন উননের (আখা) ঝিক জেগে আছে। অন্যের বাড়ির প্রসাব পায়খানার পানি তার থাকার ঘরে উঠে যাওয়ার মত হয়ে গেছে। সে সন্তানদের নিয়ে সবসময় নিজের ঘরে বন্দি হয়ে আছেন। প্রতিবেশীর বাড়িতেও একই রকম অবস্থা। পাড়ার কোথাও যাওয়ার উপর নেই। সব খানেই পানি।

 

স্বপ্নার প্রতিবেশী মধ্যবয়সী চারুবালা সাহা, পানি মারিয়ে নিজের বাড়ি ঢুকছিলেন। কিন্তু বাড়ির গেটের মধ্যে জ্যান্ত সাপ দেখে তিনি রাস্তায় ফিরে এসেছেন। জেগে থাকা ড্রেনের উপর দাঁড়িয়ে আছেন।

তিনি বলেন, পানি আর সাপ ব্যাঙ এক সাথেই এসেছে। প্রায় রাস্তার পানির সাথে সাপ ভেসে আসতে দেখেছেন তার মত অনেকেই।

ব্যবসায়ী এনামুল হক বলেন, তার বাড়িটি পাকা। কিন্তু পানিতো পাকা কাচা দেখে ভাসায় না। অপরিকল্পিত ড্রেনের জন্য তারা বছরের তিন মাস পানি বন্ধি থাকে। আগে মাঠে পানিনেমে যেত কিন্তু এখন সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের ভোগান্তির অন্ত নেই।

আরও পড়ুন – জমি নিয়ে বিরোধ: মুখে সুপার গ্লু লাগিয়ে একজনকে হত্যা চেষ্টা

পৌর সভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাসেম আলী জানান, পানি বেড় করার জন্য কেউ নিজের জমি কাটতে দেয় না। ফলে ওরা বছরের বেশীর ভাগ সময় পানিবন্দি থাকে।

খোকসা পল্লী বিদ্যুতের সাব জোনাল অফিসের দায়িত্বে থাকা এজিএম (কম) এমদাদুল হক বলেন, বৃষ্টির সাথে দমকা হাওয়ার কারণে একাধিক স্থানে গাছ পরে বিদ্যুতের তার ছিড়েছে। এ ছাড়া সর্টসাকিট হওয়ায় বিদ্যুতের লাইন টেকানো যাচ্ছে না।

খোকসা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেসমা খাতুনের সাথে কথা বলার জন্য তার সরকারি মোবাইল ফোনে কল করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

একদিনে ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ক্রমেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে তিনজনের মৃতু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে মশাবাহিত রোগটিতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৬ জনে।

এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে ৫৪৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৮৯ জনে।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৪৮ জনের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার ৩৫৯ জন রয়েছেন। এছাড়া ঢাকা বিভাগে ৪৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪ জন, খুলনায় ২০ জন, ময়মনসিংহে ২৪ জন ও বরিশালে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আরও পড়ুন –সংস্কার আন্দোলনে নিহত ৮৭৫, আহত হয়েছে ৩০ হাজার

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১৮ হাজার ৫৮৮ জন। যাদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ নারী।

১ জানুয়ারি থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত ১০৬ জনের মধ্যে ৫২ দশমিক ৮ শতাংশ নারী এবং ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ।

প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গত বছর দেশে তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার ৮ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন তিন লাখ ১৮ হাজার ৭৪৯ জন। গত বছর এক হাজার ৭০৫ জন মশাবাহিত এই রোগে মারা গেছেন, যা দেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

এর আগে ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময় চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

আরও পড়ুন – জমি নিয়ে বিরোধ: মুখে সুপার গ্লু লাগিয়ে একজনকে হত্যা চেষ্টা

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ওই বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা যান।

কুমারখালীতে দিনেদুপুরে অধ্যক্ষের বাড়িতে দুর্র্ধষ চুরি

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দিনে দুপুরে অধ্যক্ষের বাড়িতে দরজার ছিটকানি ও আলমারির তালা ভেঙে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিনদুপুরে কুমারখালী পৌরসভার কুন্ডুপাড়া এলাকার অধ্যক্ষ শিশির কুমার রায়ের বাড়িতে ঘটে এ ঘটনা। তিনি কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি এখনও।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, পাকা বাড়ির বারান্দা ও ঘরের দুইটি দরজার ছিটকানি ভাঙা। দুই কক্ষের দুইটি আলমারির ড্রয়ার ভাঙা। সেগুলো পড়ে আছে বিছানোর ওপর। জামাকাপড়, আসবাবপত্র গুলো অগোছালো।

এসময় অধ্যক্ষ শিশির কুমার রায় বলেন, বাড়িতে স্বামী স্ত্রী দু’জনে থাকি। আমরা সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে এক স্বজনের মরদেহ দেখতে পাশের উপজেলা খোকসাতে গিয়েছিলাম। দুপুর ২ টা ৫ মিনিটের দিকে বাড়ি ফিরে দেখি দুইটা দরজার ছিটকানি ভাঙা। দুই আলমারির ড্রয়ার ভাঙা। ঘর অগোছালো। ড্রয়ারে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার গুলো নেই।’

আরও পড়ুন – জমি নিয়ে বিরোধ: মুখে সুপার গ্লু লাগিয়ে একজনকে হত্যা চেষ্টা

তিনি আরও বলেন, বাড়িতে দুর্র্ধষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এসেছিল। আমি থানায় মামলা করব। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসেব করে পরে জানানো যাবে।

কুমারখালী পৌরসভা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. গোলাম মওলা বলেন, ফাঁড়ি থেকে ঘটনাস্থলের দুরত্ব প্রায় আধা কিলোমিটার। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্ত করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে জানাতে পারবেন বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠেছে...

খোকসায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দিনগত রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে...

বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার বড় দড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান...

ডিসি পদায়ন নিয়ে মন্তব্য করায় এমপি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) বদলী হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের...

পীরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে আগ্রহী নয় পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে আগ্রহী নয় নিহতের পরিবার। পরিবারের তিন ভাই ও তাদের আত্মীয়স্বজন বসে...