করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ জন
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
দেশে এ পর্যন্ত প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ জনে। ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৩ হাজার ৪৬২ জনের দেহে করোনা ভাইরাস রোগের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। অপরদিকে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন ৩৭ জন।
বুধবার করোনা ভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ৪৩৩টি নমুনা পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। এসব পরীক্ষায় নতুন করে ৩ হাজার ৪৬২ জনের দেহে করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ বিদ্যমান। এ অব্দি দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ জন।
বুধবার সকাল ৮টা অব্দি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৫৮২ জনের মৃত্যু হলো। সর্বশেষ মারা যাওয়া ৩৭ জনের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারী। মৃত ব্যাক্তিদের মধ্যে হাসপাতালে ৩৪ জন ও বাড়িতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুন
করোনা টেস্টের নামে স্বামী-স্ত্রীর প্রতারণা
কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিল চীন
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
চীন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রকে নানাভাবে টেক্কা দিতে চাচ্ছে। মহাকাশে সর্বশেষ বেইদু নামের একটি কৃত্রিম উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণ করেছে চীন। এর মাধ্যমেই তাদের দীর্ঘদিনের নেভিগেশন নেটওয়ার্ক তৈরি করার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলো । কৃত্রিম উপগ্রহের বিশেষ নেটওয়ার্ক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম হবে।
বার্তা সংস্থা রয়র্টাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইদু মানে ইংরেজিতে ‘বিগ ডিপার’ বোঝায়। চীনা সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নেটওয়ার্ক তৈরির ধারণা জন্মে ১৯৯০ সালে ।
২০০০ সালে চীন প্রথম বেইদু-১ কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে, এর সক্ষমতা তখন কেবল চীনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমানে বেইদুসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা বিশ্বের ১২০টি দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বেইদু-২ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ২০১২ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের কৃত্রিম উপগ্রহ চালু করে চীন। যা বর্তমানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে পুরোপুরি নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে পারে।
২০১৫ সালে বৈশ্বিক পর্যায়ে সেবা দিতে বেইদু-৩ উৎক্ষেপণ করে চীন।
চলতি বছরের ২৩ জুন মঙ্গলবার চীন যে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে, তা বেইদু-৩এর ৩৫তম স্যাটেলাইট। বিশ্লেষকেরা এখন বেইদু সিস্টেমের কার্যকারিতা ও এর স্থায়িত্ব পর্যবেক্ষণ করবেন।
তবে যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেইদুর সেবা জিপিএস বা গ্যালিলিওর চেয়ে খুব বেশি উন্নত হবে না। তবে প্রতিরক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে বেইদু যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কৃত্রিম উপগ্রহের চেয়ে শক্তিশালী হবে কি না তা বলা মুশকিল।
আরও পড়ুন
বাজেট আলোচনায় গণমাধ্যমের কর ভ্যাট কমানো দরকার মন্তব্য ইনু’র
মেহেরপুরে ইয়াবাসহ কারারক্ষি আটক
মেহেরপুর প্রতিনিধি
মেহেরপুরে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক কারারক্ষি আটক করেছে।
আটককৃত আব্দুল আলীম মেহেরপুর কারাগারে কারারক্ষি হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেহেরপুর জেলা ডিবি পুলিশের ওসি জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটিদল জেলা শহরের খন্দকার পাড়া থেকে তাকে আটক করে।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেহেরপুর পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলী নির্দেশে খন্দকার পাড়ার ইয়াসিন আলীর বাড়ি থেকে ভাড়াটিয়া কারারক্ষি আব্দুল আলীমকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান আব্দুল আলীম এর আগে নড়াইল কারাগারে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে মাদকসহ পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলো।
আরও পড়ুন
কুষ্টিয়ায় পলাতক যুবদল নেতা বিপ্লব আটক
কুষ্টিয়ায় পলাতক যুবদল নেতা বিপ্লব আটক
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
একটি নাশকতা মামলায় আসামী হবার পর থেকে পলাতক ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর থানা যুবদলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব।
কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ মঙ্গলবার পলাতক আসামী বিল্পবকে ওই মামলায় আটক করেছে ।
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার বটতৈল মোড়ে নাশকতার জন্য অবস্থান করা কয়েকজনকে আটক করা করা হয়েছিল। এ সময় অন্য আসামীরা পালিয়ে যায়। কুষ্টিয়া মডেল থানায় সেই দিনই একটি মামলা দায়ের হয়। মামলা নম্বর ছিল-১৪। নাশকতার মামলায় পলাতক আসামীদের কুষ্টিয়া জেলা যুবদল নেতা বিপ্লব ছিল।
মঙ্গলবার কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই মনির উদ্দিন দুপুর আড়াইটার দিকে আইলচারা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা বিপ্লবকে আটক করেছে। এদিকে পুলিশের দাবী করা তবে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এ ঘটনাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
করোনা টেস্টের নামে স্বামী-স্ত্রীর প্রতারণা
“নোবেল ম্যানের নোবেল চুরি”
দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক
বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না বাংলাদেশের গায়ক মঈনুল আহসান নোবেলের। এবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল ভারতীয় সংগীত পরিচালকের গান চুরির। সোশ্যাল মিডিয়ায় গান ‘চুরি’র কথা শেয়ার করে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সংগীত পরিচালক সৈকত চট্টোপাধ্যায়।
চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘বাংলা মিলবে কবে’ নামে একটি গান আপলোড করেন কণ্ঠ শিল্পী নোবেল। এই গান নিয়ে আবার বির্তকের জন্ম দিয়েছেন তিনি। প্রকাশিত গানটির শর্ত দাবি করেছেন ভারতীয় গীতিকার ও সুরকার সৈকত চট্টোপাধ্যায়।
ভারতীয় এই সংগীত পরিচালকের অভিযোগ, তাঁর বারণ অগ্রাহ্য করে কোনও লিখিত চুক্তি ছাড়াই গানটি ইউটিউবে আপলোড করেছেন নোবেল। এই ঘটনা চুরির সমান বলেই অভিযোগ করেন তিনি।
আরো খবর
করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
সোশ্যাল মিডিয়ায় সংগীত পরিচালক লিখেছেন, “নোবেল ম্যানের নোবেল চুরি। স্রষ্টার সার্বিক অনুমতি ছাড়াই একজন শিল্পী স্রষ্টার গান কীভাবে প্রকাশ করতে পারে? হতে পারে প্রাথমিক স্তরে কথা হয়েছিল তাঁর গানটা গাওয়া নিয়ে, যে রকম অনেকের সঙ্গে হয়ে থাকে। না হয় সে কিঞ্চিত অগ্রিমও দিয়েছে। কিন্তু ফাইনালি আমার অফিসিয়ালি বারণ শর্তেও আমার অনুমতি ছাড়াই আমার গান প্রকাশ করা হল। বিনা অনুমতিতে পরের জিনিস নিজের বানিয়ে নেওয়াকে কি বলে যেন? আর গানটার কি দশাই না বানিয়েছে?”
করোনা টেস্টের নামে স্বামী-স্ত্রীর প্রতারণা
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
করোনার নমুনা পরীক্ষার কোন ল্যাব নেই তাদের, নেই নমুনা সংগ্রহের বৈধ অনুমতিপত্র। একটি কম্পিউটারকে সম্বল করে স্বামী-স্ত্রী মিলে বাসায় বসে শুরু করেছেন অভিনব করোনা টেস্ট।
স্বামী-স্ত্রী মিলে অনলাইনে দুটি সাইট খুলে শুরু করেন করোনা টেস্টের অভিনব প্রতারণার ব্যবসা। তাদের টার্গেট ছিল করোনা উপসর্গ রয়েছে এমন রোগীদের। করেনা টেস্টের নামে ভয়াবহ প্রতারণার কথা স্বিকার করে এমন সব তথ্য দিয়েছে তানজিনা পাটোয়ারী ও হুমায়ুন কবির নামের এক দম্পত্তি।
তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন-অর রশিদ বলেন, এই দম্পত্তিসহ আরও ৫-৬ জন মিলে একটি প্রতারণা চক্র তৈরী করে করোনা টেস্টের নামে বেশ কিছুদিন প্রতারণা চালিয়ে আসছে।
সম্প্রতি একজন ভুক্তভোগী তার করোনার সার্টিফিকেট ও সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আচরণে সংশয় প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশকে অনুরোধ করেন। তদন্তে জানা গেছে, তারা করোনা উপসর্গ রোগীদের বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে এবং পরে নমুনা কোথাও ফেলে দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের আদলে হুবহু করোনার সার্টিফিকেট তৈরি করে ইচ্ছামতো ‘পজিটিভ-নেগেটিভ’ বানিয়ে তা রোগীর ই-মেইলে পাঠাতেন। এরই মধ্যে অন্তত ৪২ জনকে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট দেওয়ার তথ্য হুমায়ুন কবির ও তানজিনা পাটোয়ারীর ই-মেইল যাচাই করে পাওয়া গেছে। তারা রিপোর্ট তৈরী করতে জনপ্রতি পাঁচ-আট হাজার টাকা নিতেন।
তিনি আরও বলেন, করোনার সনদ নিয়ে এমন প্রতারণা সত্যি অবিশ্বাস্য। অনলাইনে দুটি সাইট খুলে সেখানে হটলাইন নম্বর দিয়ে গ্রাহক সংগ্রহ করেন তারা। এরপর তাদের স্যাম্পল আনতে যেতেন। তানজিনা পাটোয়ারী পেশায় একজন নার্স। তার স্বামী হুমায়ুন কবির গ্রাফিক্স ডিজাইনার। তারা এক সময় জোবেদা খাতুন সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা প্রজেক্টে চাকরি করতেন।। ১২ এপ্রিল তারা ওই প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরি ছেড়ে নিজেরা অনলাইনে ‘বুকিং বিডি’ ও ‘হেলথ কেয়ার’ নামে দুটি সাইট খোলেন। এরপর ওই সাইট থেকে অনেককে প্রলুব্ধ করে নমুনা সংগ্রহ করে থাকেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে আশকোনার বাসায় অভিযান চালিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ। তাদের বাসায় আটটি পিপিই, নমুনা সংগ্রহের ৫০টি স্টিক ও অনেক হ্যান্ড গ্লাভস পাওয়া যায়। একটি কম্পিউটারও জব্দ করা হয়। সেখানে ৪২ জনকে ভুয়া করোনার রিপোর্ট দেওয়ার তথ্য মিলেছে। সর্বশেষ সোমবারও পাঁচজনের নমুনা সংগ্রহ করেছেন স্বামী-স্ত্রী।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, মূলত অর্থের লোভেই তারা এ ধরনের প্রতারণায় জড়িয়েছেন।
আরও পড়ুন
চুয়াডাঙ্গায় করোনা আক্রান্ত হলেন ডাক্তারসহ আরও ৭ জন
চুয়াডাঙ্গায় করোনা আক্রান্ত হলেন ডাক্তারসহ আরও ৭ জন
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় ডাক্তারসহ নতুন করে আরও ৭ জন প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ অব্দি চুয়াডাঙ্গা জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯৬ জনে।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডাঃ এ.এস.এম.মারুফ হাসান বলেন, মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়ার পিসিআর ল্যাব থেকে এদিন ১৮ জনের ফলাফল এসেছে । এর মধ্যে ৭ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯৬ জনে।
আরও পড়ুন
যশোরের রেড জোনে থাকবে কঠোর লকডাউন
আক্রন্ত ৭ জনে মধ্যে আলমডাঙ্গা উপজেলার ৬ জন ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ১ জন ডাক্তার রয়েছেন । আলমডাঙ্গা উপজেলার ৬ জনের মধ্যে হাড়কান্দি গ্রামের ২ শিশুসহ ৬ জন ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার মুক্তিপাড়ার ১ জন ডাক্তার রয়েছেন ।
যশোরের রেড জোনে থাকবে কঠোর লকডাউন
যশোর প্রতিনিধি
যশোরের রেড জোনভিত্তিক এলাকাগুলোতে কঠোরভাবে লকডাউন কার্যকরের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে যশোর জেলা সার্কিট হাউজে জেলা করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।
জানা গেছে, যশোরে করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবের কারণে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভার ওয়ার্ড ও ইউনিয়নকে রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউন পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু জনসচেতনতার অভাবে রেডজোন চিহ্নিত এলাকাগুলোকে যথাযথভাবে পালন করা হচ্ছে না লকডাউন। অন্য সময়ের মতো স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার কঠোর লকডাউন কার্যকরের জন্য যেসকল নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি,
সে সব এলাকায় কঠোর লকডাউন কার্যকর করা হবে যে সকল এলাকায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির অবস্থান করবে, দরিদ্রদের সহায়তা করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত বেড ও কেবিনের ব্যবস্থা করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে সভায় আলোচনা করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন বলেন, মনিটরিং টিমটি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি অফিসে বসে দায়িত্ব পালন করবেন। টিমে একজন ম্যাজিস্ট্রেট, একজন চিকিৎসক, একজন পৌরসভার কর্মকর্তাসহ গণমাধ্যম প্রতিনিধিও রয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে করোনা প্রতিরোধ কমিটি কাজ করবে। কয়টা বাড়ি লকডাউন করা হবে, কিভাবে তা চলবে, সেই সিদ্ধান্ত ওই টিমের পক্ষ থেকে নেওয়া হবে। লকডাউন কার্যকর হওয়া এলাকায় বসবাসরত দরিদ্রদের পৌরসভার পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। জেলার অন্যান্য এলাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ সব কাজ করবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন যশোরের পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন, করোনা প্রতিরোধ সংক্রান্ত সেনা তৎপরতায় যশোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লে.কর্নেল নিয়ামুল, যশোর পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ।
আরও পড়ুন
আরও ৪ জেলা রেড জোনের আওতায়
নৌকাডুবির ৪৮ ঘন্টা পর দুই কৃষকের লাশ উদ্ধার
নাটোর প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুর উপজেলায় পদ্মা নদীতে নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার দুপুরে দুই কৃষকের লাশ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। লালপুর ও রাজশাহীর ডুবুরি দল দুই দফায় চেষ্টা করেও নিখোঁজ কৃষকদের সন্ধান করতে পারেনি।
নিহত দুজন হলেন লালপুরের বালিতিতা ইসলামপুর গ্রামের আতব্বর আলীর ছেলে সেলিম হোসেন (২৩) ও ছইমুদ্দিন আলীর ছেলে পুকিন আলী (৩৫)।
এলাকাবাসীরা বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ১০ কিলোমিটার দূরে নিখোঁজ একজনের লাশের সন্ধান পাওয়া যায়। এ পরে বেলা ২টার দিকে নিখোঁজ অপরজনের লাশের সন্ধান মেলে। উদ্ধারের পরেই লাশ নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে এলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সন্ধ্যায় জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হয়।
নৌকাটির মাঝি তৌহিদুর রহমান জানান, রবিবার পদ্মার ওপারের চরে বাদাম তুলতে গিয়েছিলেন নিহত সেলিম হোসেন, পুকিন আলীসহ আরও পাঁচজন। কাজ শেষে তারা নৌকায় করে বাড়ি ফিরছিলেন। মাঝনদী অতিক্রম করার সময় পাশ দিয়ে যাওয়া অপর একটি নৌকার ঢেউয়ে তাঁদের নৌকাটি ডুবে যায়। তিনজন সাঁতরে উপরে উঠতে পারলেও বাঁকি দুজন নিখোঁজ হন। সোমবার সকাল থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত নিখোঁজের স্বজনরা স্রোত উপেক্ষা করে ব্যক্তিগতভাবে নৌকায় করে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান চালাতে থাকেন। অবশেষে তাঁদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা নিখোঁজ কৃষকদের লাশ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।













