সোমবার, মার্চ ২৩, ২০২৬.
Home Blog Page 66

ইসি কর্মকর্তাদের সাবধান করলেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

তথ্য পাচারের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সাবধান করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কর্মকর্তারা কে কোথায় যান, অফিসের তথ্য কোথায় পাচার করেন তা কমিশনের জানা আছে। ইসির গোপনীয়তা বজায় না রেখে উদ্দেশ্যমূলক কাজে জড়িত হলে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমন সতর্কবার্তা দেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

ইসি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সুন্দর নির্বাচন করা ছাড়া ঘরে ফিরে যেতে পারবেন না। মনে করবেন না, নির্বাচন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের দায়। পক্ষপাতিত্ব করলে নির্বাচন কমিশন কাউকে ছাড় দেবে না বলে হুঁশিয়ার করেন।

ইসি আনোয়ারুল বলেন, আপনারাও যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো কাজে জড়ান, আপনাদেরও ছাড়া হবে না। আমরা জানি কে কোথায় যান, এই অফিসের তথ্য কে কোথায় পাচার করেন। বাংলাদেশটা খুব ছোট। আপনি কোথায় বসছেন, কার সঙ্গে কী পরামর্শ করছেন, কী তথ্য পাচার করছেন আমাদের কাছে কিন্তু আসে।

সিইসি ও চার নির্বাচন কমিশনারের কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, সচিবালয় থেকে মাঠ প্রশাসন, বিচারাঙ্গন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব সুনামের সঙ্গে শেষ করেছেন। সুতরাং নির্বাচন কমিশনাররা মানসিকভাবে দুর্বল; তারা কম বুঝে তাদের অভিজ্ঞতা কম। তাদের নেটওয়ার্ক কম, তারা জগতের খবর রাখে না।

ইসির কাজের তথ্য পাচার হয়ে গেলে তখন খুব বিব্রতবোধ করেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমরা খুব বিব্রতবোধ করি, যখন দেখি যে আমরা একটা কাজ করছি, এটার তথ্য চলে যায়। আমি আবার অনুরোধের সঙ্গে সাবধানও করছি, আজ থেকে শপথ নিন। এই কমিশনের মানমর্যাদা রক্ষার প্রয়োজনে গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে।

তিনি জানান, কমিটমেন্ট হবে সুন্দর সঠিক নির্বাচন। এর কোনও বিকল্প নেই। এত রক্ত, এত প্রাণ গেল, এত বছরের কষ্ট সঠিক নির্বাচন হলে এগুলো হতো না।

ইসির কোনও ভুলত্রুটি হলে চ্যালেঞ্জ করা ও ধরিয়ে দেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের অনুরোধ করে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আপনাদের অনুরোধ করছি— প্রয়োজনে আমাদেরও চ্যালেঞ্জ করবেন, ভুল ধরিয়ে দেবেন। কারণ আপনাদের মধ্যে অনেকেই বাস্তবতা বোঝেন।

এমন এক সময়ে নির্বাচন কমিশন তার কর্মকর্তাদের এমন সতর্কবার্তা দিল, যখন নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। দলটির নেতারা বলছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন দলকানা, একটি পার্টি অফিস এবং তারা একটি দলের পক্ষ হয়ে অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের কাজ করছে।

গত রবিবার ইসির শুনানিতে সিইসি ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সামনে বিএনপি নেতা রুমিন ফারহানা ও এনসিবি নেতা আতাউল্লাহকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সেদিন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচন কমিশনে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এ নির্বাচন কমিশনকে পেশাদারের ভূমিকায় আমরা দেখতে চাই। নির্বাচন কমিশন যেভাবে দলকানা, একটি দলের প্রতি, একটি দলের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে যেভাবে নির্লজ্জের মত কাজ করছে, আমরা যে নির্বাচনমুখী হচ্ছি, সেটির অন্তরায় বলে আমরা মনে করছি।

আরও পড়ুন – খোকসার সন্ত্রাসী কালুকে আটক করেছে পুলিশ

এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন, অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন –  থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত হলেন

খোকসার সন্ত্রাসী কালুকে আটক করেছে পুলিশ

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় বিশেষ অভিযানে জামিনে থাকা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তসহ ১০ মামলার আসামি কথিত সন্ত্রাসী আবুল কালাম ওরফে কালু (৫৫) কে গ্রেফতার করেছে। তিনি একটি রাজনৈতিক দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা।

পুলিশের হোয়াটর্স অ্যাপ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে বেতবড়িয়া ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে আবুল কালাম আজাদ ওরফে কালুকে আটক করা হয়। কালু খোকসা থানায় ২২ জুন দায়ের কৃত ৪ নম্বর মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি। গ্রেফতারকৃত কালুকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কথিত সন্ত্রাসী মোঃ আবুল কালাম ওরফে কালু (৫৫) বনগ্রাম পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে।

আরও পড়ুন – থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত হলেন

থানা পুলিশ জানায়, আটক আবুল কালাম ওরফে কালু পাবনার বেড়া থানার একটি চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। বর্তমানে জামিনে ছিলো। এছাড়া তার বিরুদ্ধে দুইটি বিস্ফোরক আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং মারামারি সহ মোট ১০টি মামলা রয়েছে। সে একটি রাজনৈতিক দলের ইউনিয়ন পর্যােয়ের নেতা ছিলো।

আরও পড়ুন –  ঝিনাইদহে বিএনপির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত হলেন

0

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে ফোনকল রেকর্ডের সূত্র ধরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত। এর আগে কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুন সেনের সঙ্গে একটি ফোনকল রেকর্ড ফাঁস হওয়ার জেরে আদালত তার পদ স্থগিত করেছিলেন। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) পেতোংতার্নকে ক্ষমতা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এখন দেশটির আইনপ্রণেতারা যদি একমতহন তবে নতুন একটি সরকার গঠন করতে পারেন। আর সেটি সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পেতংতার্ন ২০২৪ সালের আগষ্টে ৩৭ বছর বয়সে থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মাত্র এক বছর ক্ষমতায় থাকার পরই ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন তিনি। সদ্য সাবেক এ নারী থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবারের সদস্য।

ফাঁস হওয়া সেই ফোনকলে তাকে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলতে শোনা যায়। ওই সময় তিনি তার নিজ দেশের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে বলেন, তার সেনাদের কারণেই কম্বোডিয়ার এক সেনার প্রাণ গেছে।

গত ১৫ জুনের ওই ফোনকলে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পেতংতার্ন বলেন, ‘কোনো কিছু চাইলে, আমাকে বলবেন। আমি বিষয়টি দেখব।’ তার এই মন্তব্যটি নিয়েই মূলত বেশি সমালোচনা শুরু হয়।

ফোনকলটি ফাঁস হওয়ার সময় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চরম সীমান্ত উত্তেজনা চলছিল। থাইল্যান্ডের মানুষের মধ্যে তখন জাতীয়তাবাদও প্রচন্ডরকমভাবে দেখা যাচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে পেতংতার্ন ও হুনের ফোনকলটি সামনে আসে।

হুন সেনের সঙ্গে পেতংতার্নের ওই ধরনের কথোপথন থাইল্যান্ডের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে পেতোংতার্ন গোপনে থাইল্যান্ডের স্বার্থকে বিসর্জন দিচ্ছেন।

এদিকে, ফোনকলটি প্রকাশের কয়েক সপ্তাহ পর দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষও ছড়িয়ে পড়ে। পাঁচ দিনের ওই সংঘর্ষে অন্তত ৩৮ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই সাধারণ মানুষ। বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন লাখো মানুষ। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ওই সংঘর্ষ থামে।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে বিএনপির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

অবশ্য বিষয়টি সামনে আসতেই পেতংতার্ন সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চান। তিনি দাবি করেন, কম্বোডিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনের কৌশল হিসেবে তিনি এভাবে কথা বলেছিলেন।

সূত্র: সিএনএন

আরও পড়ুন – লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৫ জন কারাগারে

ঝিনাইদহে বিএনপির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে বিএনপির আয়োজনে একদিনের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ক্যাম্পে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করেন ঝিনাইদহ ও মাগুরার হাসপাতালের ডা. আসিফ হোসেন, ডা. তারিন শুভ, ডা. প্রশান্ত, ডা. জোহান হোসেন প্রমুখ।

শুক্রবার সকালে শহরের সিটি কলেজ ক্যাম্পাসে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস।

আরও পড়ুন – লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৫ জন কারাগারে

উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, পৌর বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান রিপন, জেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক, পৌর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম মিলন ও ড্যাব নেতা ডা. হাসানুজ্জামান।

আরও পড়ুন – প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেতে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা লাগবে

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৫ জন কারাগারে

0
ছবি সংগৃহীত

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

একই মামলায় যাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাঁরা হলেন মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম, কাজী এ টি এম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খান, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহাম্মদ আলী ও েেমা. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।

শুক্রবার দুপুরের আগেই তাঁদের আদালতে হাজির করে শাহবাগ থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান প্রত্যেককে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে প্রত্যেকের পক্ষে তাঁদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পিপি মো. শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠককে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি করে। ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়ে কিছু লোক সেখানে ‘আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন’ চেষ্টার অভিযোগে বাধা দেয়।

এ সময় লতিফ সিদ্দিকীসহ অন্তত ১৬ জনকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে তাঁদের হেফাজতে নেয় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তাঁদের ডিবি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রাতে শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।

শাহবাগ থানার এসআই মো. আমিরুল ইসলাম মামলাটি করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২৮ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে মামলার বাদী দেখতে পান, বেশ কিছু লোকজন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির অডিটোরিয়ামে কিছু লোককে ঘেরাও করে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বলে ¯েøাগান দিচ্ছে এবং আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বক্তব্য দিচ্ছেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধে গত ৫ আগস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ওই সংগঠনের উদ্দেশ্য জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়া। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২৮ আগস্ট সকাল ১০টায় একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৫ জনকে আদালতে নিয়েছে পুলিশ, কারাগারে রাখার আবেদনলতিফ সিদ্দিকীসহ ১৫ জনকে আদালতে নিয়েছে পুলিশ, কারাগারে রাখার আবেদন করে।

আরও পড়ুন – প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেতে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা লাগবে

উপস্থিত লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, লতিফ সিদ্দিকী মঞ্চ ৭১-এর ব্যানারকে পুঁজি করে প্রকৃতপক্ষে দেশকে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করে অন্তর্র্বতী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও উপস্থিত অন্যদের প্ররোচিত করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্যের জন্য উপস্থিত লোকজন সমবেতদের ঘেরাও করে ‘আওয়ামী ফ্যাসিস্ট’ বলে ¯েøাগান দেয়।

আরও পড়ুন – মঞ্চ ৭১ এর অনুষ্ঠানে উত্তেজনা লতিফ সিদ্দিকী পুলিশ হেফাজতে

প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেতে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা লাগবে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। এতে নিয়োগের যোগ্যতা, কোটা, পদোন্নতিসহ নানান ক্ষেত্রে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন বিধিমালায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রার্থী বা সহকারী শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা বাড়ানো হয়েছে। পদোন্নতি পেতে সহকারী শিক্ষকদের এখন ১২ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা লাগবে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নতুন বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে সই করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা।

এর আগের অর্থাৎ, ২০১৯ সালের নিয়োগ বিধিমালায় প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রার্থী বা সহকারী শিক্ষক হিসেবে ৮ বছর চাকরি করার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হতো।

এদিকে, নতুন বিধিমালার তফসিল-১-এর বিধি-২(গ) অংশে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, প্রধান শিক্ষকের ৮০ শতাংশ পদে পদোন্নতি এবং ২০ শতাংশ পদ পূরণ করা হবে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে। তবে পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্যপদগুলো সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতার অংশে বলা হয়, সহকারী শিক্ষক বা সহকারী শিক্ষক (সঙ্গীত) বা সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) পদে মৌলিক প্রশিক্ষণ ও চাকরি স্থায়ীকরণসহ কমপক্ষে ১২ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হবে।

অন্যদিকে, সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতায় বলা হয়, কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।

এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালার তফসিল-২ এ বর্ণিত নিয়মে তাকে অবশ্যই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

এদিকে, নতুন জারি করা বিধিমালায় বলা হয়েছে, অবিলম্বে এ বিধিমালা কার্যকর হবে। আর ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ কার্যকর হওয়ার পর আগের বিধিমালা, অর্থাৎ ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ রহিত বলে বিবেচিত হবে।

ফলে এ বিধিমালা অনুযায়ী আগামীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকরী শিক্ষকের প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হতে পারে।

আরও পড়ুন – মঞ্চ ৭১ এর অনুষ্ঠানে উত্তেজনা লতিফ সিদ্দিকী পুলিশ হেফাজতে

এছাড়া দেশের প্রায় ৪০ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের বিপুলসংখ্যক শূন্যপদে শিগগির পদোন্নতি ও সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

আরও পড়ুন – সীমান্ত হত্যাঃ বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির

মঞ্চ ৭১ এর অনুষ্ঠানে উত্তেজনা লতিফ সিদ্দিকী পুলিশ হেফাজতে

0
ছবি সংগৃহীত

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ঢাকায় এক আলোচনা অনুষ্ঠানে একদল লোকের হট্টগোল আর উত্তেজনার মধ্যে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ বেশ কয়েকজনকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে তাদেরকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানকার শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শিরোনামে গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করে মঞ্চ ৭১। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল গণফোরামের সাবেক সভাপতি কামাল হোসেনের।

সেখানে ‘জুলাইযোদ্ধা’ পরিচয়ে আল আমিন রাসেলের নেতৃত্বে কয়েকজন গিয়ে উপস্থিত লোকজনদের ঘেরাও করেন। সেগুনবাগিচা ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীদেরও সেখানে দেখা যায়। পরে পুলিশ গিয়ে কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায়।

অনুষ্ঠানে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা বলেন, “আমি এখানে প্রোগ্রামে এসেছি। দল মতের হিসাবে নয়, এখানে সব মুক্তিযোদ্ধাদের ডাকা হয়েছে; তাই এসেছি।

“আমরা প্রোগ্রাম শুরু করেছিলাম। লতিফ সিদ্দিকী সাহেব এসেছেন। কামাল হোসেন সাহেব আসেননি। ২০/২৫ জন ছেলে এসে হট্টগোল করে। আমাদের ঘিরে ফেলে।”

লতিফ সিদ্দিকীকে নিয়ে যাওয়ার সময় শাহবাগ থানার এসআই রাশেদ বলেন, “এখন তো এখান থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। আমরা নিয়ে যাচ্ছি। পরে সিনিয়ররা সিদ্ধান্ত নেবেন।”

শাহবাগ থানার ওসি মো. খালিদ মনসুর বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না, এডিসি স্যার উপস্থিত ছিলেন। আমার জানা মতে, ৬/৭ জনকে ডিবি অফিসে নেওয়া হয়েছে।”

অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে দেখা যায়, মিলনায়তনের একটি টেবিল ভাঙা। কয়েকজন অংশগ্রহণকারী আছেন। বেশ কিছু লোক হৈ-হুল্লোড় করছেন।

জানতে চাইলে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, “লতিফ সিদ্দিকীসহ কয়েকজনকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে; মূলত উনাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন সিনিয়রদের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।”

আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে পান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দ্বায়িত্ব। পরে যুক্তরাষ্ট্রে সফরে গিয়ে ঘরোয়া এক আলোচনায় হজ নিয়ে মন্তব্যের জেরে মন্ত্রিসভা ও দল থেকে বহিষ্কার হন। এরপর সংসদ থেকে পদত্যাগ করে রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৪ আসনে হারলেও ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েই নৌকাকে হারিয়ে দেন তিনি।

আরও পড়ুন – সীমান্ত হত্যাঃ বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি রোধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষার দাবিতে ‘মঞ্চ ৭১’ নামে গত ৫ আগস্ট নতুন প্লাটফর্মে আত্মপ্রকাশ ঘটে। মুক্তিযোদ্ধা, নতুন প্রজন্ম ও ছাত্র-জনতার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত এ প্লাটফর্মের সমন্বয় করছেন গণফোরামের নেতা বীরপ্রতীক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না।

আরও পড়ুন –  এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা

সীমান্ত হত্যাঃ বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফ সদস্যরা কোন পরিস্থিতিতে গুলি ছোড়ার পথ বেছে নিচ্ছে, তার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মহাপরিচালক দালজিৎ সিং চৌধুরী, যার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন বিজিবির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

দালজিৎ সিং বলছেন, সীমান্তে বিএসএফ সদস্যরা ‘অনুপ্রবেশকারীদের ধারালো অস্ত্রের আক্রমণের’ শিকার হচ্ছেন। ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ‘শেষ পদক্ষেপ’ হিসেবে গুলি ছোড়ার মত প্রক্রিয়াকে বেছে নিচ্ছেন তারা।

কিন্তু স¤প্রতি অনেকটা প্রকাশ্য দিবালোকে সীমান্তে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ককে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ। এর ব্যাখ্যা কী হতে পারে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৬তম সীমান্ত সম্মেলনের শেষ দিনে পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে দুই মহাপরিচালক যার যার অবস্থান তুলে ধরেন।

২৫ অগাস্ট শুরু হওয়া চার দিনের এই সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, ভারত কর্তৃক পুশ-ইন, সীমান্তে মাদক-জালমুদ্রাসহ অন্যান্য চোরাচালান বন্ধ এবং দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

শেষ মুহূর্তে আলোচনাটি ‘অনির্ধারিতভাবে অনেকখানি দীর্ঘ হয়’ জানিয়ে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা পর সংবাদ সম্মেলন শুরুর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন বিজিবি মহাপরিচালক।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক দাবি করেন, সীমান্তে ‘পুশইন’ করা হচ্ছে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই। শুধুমাত্র যারা অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছেন, তাদেরই ‘নিয়ম মেনে’ বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত ৫৫০ জনকে বিজিবির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং আরো ২ হাজার ৪০০ ‘কেইস’ যাচাই বাছাইয়ে রয়েছে বলে তথ্য দেন তিনি।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভারতীয় নাগরিককেও বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে শুধু বাংলাভাষী হওয়ার কারণে। কিছু রোহিঙ্গাকেও বাংলাদেশে ‘পুশইন’ করা হয়েছে, এগুলো কতখানি বৈধ জানতে চাইলে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, আইনের মধ্য থেকে ‘যথাযথ চ্যানেলে’ পুশইন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে।

স¤প্রতি একজন ভারতীয় নাগরিকের মেয়েকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার তথা জানানো হলে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, ‘যথাযথ প্রক্রিয়ায়’ জানানো হলে ভারত তাদের গ্রহণ করবে।

শুধুমাত্র ধর্মীয়, বা ভাষাগত কারণেই কি ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন করা হচ্ছে? এ প্রশ্নে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, “সীমান্ত আইন লঙ্ঘনজনিত অপরাধের ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের মধ্যে প্রত্যাবর্তনের (ডিপোর্টেশন) ওয়েল এস্টাবলিস্ট বৈধ চ্যানেল রয়েছে। যার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এদের মধ্যে যদি কেউ ইন্ডিয়ান নাগরিক হয়ে থাকেন, তাহলে তাকে তাৎক্ষণিক গ্রহণ করা হবে।”

সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ ডিজি বলেন, “চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ৩৫ জন বিএসএফ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন অনুপ্রবেশকারীদের ধারালো অস্ত্রের হামলায়। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ সদস্যরা প্রথমে সতর্ক করে, বাধা দেয়। এবং শেষ পদক্ষেপ হিসেবে গুলি ছোড়া হয়।”

তার এমন বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, স¤প্রতি একজন অল্প বয়সী বাংলাদেশি নাগরিককে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ। ওই শিশুটি সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য কতোটুকু ঝুঁকিপূর্ণ ছিলÑ সেই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন বিজিবির ডিজি।

সীমান্তে হত্যা বন্ধের বিষয়ে বৈঠকে বিজিবি ও বিএসএফ কী ধরনের সিদ্ধান্তে উপনীত হল জানতে চাইলে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, এ বিষয়ে এবারের সীমান্ত সম্মেলনে ‘সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে’ আলোচনা হয়েছে।

সীমান্তে প্রাণঘাতি অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাতের বেলা টহল জোরদার করে সীমান্ত হত্যার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সে ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে বৈঠকে।

আরও পড়ুন – এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা

উভয়পক্ষ যৌথভাবে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সামাজিক অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ, সীমান্তের অলঙ্ঘনীয়তা সম্পর্কে প্রেষণা প্রদান এবং অপরাধীদের আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম প্রতিরোধের মাধ্যমে এ ধরনের আক্রমণ, নির্যাতন ও হামলার ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলে আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানান।

আরও পড়ুন – রাস্তায় প্রভাবশালীর দেওয়াল গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা

0

তফসিল ডিসেম্বরে, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির রোডম্যাপ অনুযায়ী চলতি বছরের ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এ রোডম্যাপ ঘোষণ করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চূড়ান্ত করাসহ ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলিকে প্রাধান্য দিয়ে রোডম্যাপ ঘোষণা করে ইসি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী সংসদ নির্বাচন হবে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে এবং তফসিল ঘোষণা হবে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে।

ইসি রোডম্যাপে জানায়, তফসিল ঘোষণার দুই মাস আগে হেলিকপ্টার সহায়তার প্রয়োজন হবে এমন ভোটকেন্দ্র বাছাই করে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র, কক্ষ সংখ্যা, কাছের হেলিপোর্ট, যাত্রা শুরু ও শেষ এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্য জানানোর জন্য জেলা নির্বাচন অফিসার, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন – রাস্তায় প্রভাবশালীর দেওয়াল গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

এছাড়া তফসিল ঘোষণার ১০ দিন আগে কাছের টেইক অব ও ল্যান্ডিং স্টেশন নিদিষ্ট করে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র ও কক্ষ সংখ্যার ভিত্তিতে যাতায়াতের জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্ধারণ করে হেলিকপ্টার সহায়তা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রস্তুত করতে হবে।

আরও পড়ুন –আদালতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান

রাস্তায় প্রভাবশালীর দেওয়াল গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

২৫ পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করতে কুমারখালী বাটিকামারায় সড়ক বিভাগের জমিতে ইটের দেয়াল তোলেন এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা ও তার অনুগতরা। ফলে স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, হাট বাজার গামী ও শ্রমজীবীরা বাড়ি থেকে বেড়োনো নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অবশেষে প্রশাসন সে দেওয়ার গুড়িয়ে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) দুপুর দেড়টার দিকে জনভোগান্তি লাঘবে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার। গুড়িয়ে দেওয়া হয় অবৈধ দেয়ালের আংশিক।

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়ক ঘেঁষে উপজেলা সদরের বাটিকামাড়ায় শিপলু তেল পাম্প। প্রায় দুই যুগ ঘরে এলাকায় বসবাস করে ২৫টি পরিবার। গড়ে উঠেছে জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দোকানসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। হঠাৎ করেই মঙ্গলবার প্রভাবশালীরা এই মহল্লার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তা ঘিরে ইটের দেওয়াল তোলে। বালি ফেলে বন্ধ করে দেওয়া হয় রাস্তার একাংশ। অনেকটা ঘরবন্ধি হয়ে পরে শিশু ও নারীসহ শতাধিক মানুষ। এক পর্যায়ে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়। এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা হয়। ভেঙ্গে দেওয়া হয় অবৈধ দেওয়াল।

স্থানীয় বাসিন্দার শিপলু পোল্ট্রি ফিড ও ফার্মেসীর মালিক মো. বাবুল হোসেন বলেন, ‘আমার জমির উপর দিয়ে এলাকার মানুষের চলাচলের রাস্তা। দীর্ঘদিন ধরে এই পাড়ার বসবাসকারীরা এই রাস্কায় চলাচল করেন। মানুষের জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দোকানসহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। কিন্তু গত মঙ্গলবার স্থানীয় প্রভাবশালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মামুন বিশ্বাস, রেজাউল, জিয়া উর সহ বেশ কয়েকজন ভূমিখেকো এসে রাস্তা বন্ধ করে প্রাচীর দিয়েছে। বাঁকী জমিতে বালু ফেলে চলাচলে প্রতিবন্ধিকতা সৃষ্টি করেছে। এতে সকলেই চরম ভোগান্তিতে পড়েছি।

এক নারী বলেন, একটাই রাস্তা। সেটিও কয়েকদিন ধরে প্রভাবশালীরা দেওয়াল দিয়ে দখল করে নিয়েছে। বাড়ি থেকে বেড় হওয়ার উপায় নেই। তিনি দ্রæত দেওয়াল ভাঙার দাবি জানান।

তমাল আক্তার পিয়াস বলেন, প্রায় দুই শতকের বেশি জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। আদালত অস্থায়ী আদেশ জারি করেছে। আদালতের আদেশ অমান্য করে প্রভাবশালীরা সেই জমি দখলের পায়তারা করছেন। প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মামুন বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জমি নিয়ে জিয়ার সঙ্গে বিরোধ। সালিসে আমাকে ডেকেছিল। সমাধানের জন্য গিয়েছিলাম। তবে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলেও দাবি করেন।

আরও পড়ুন – আদালতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান

দুপুরে উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেওয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার বলেন, কিছু লোক ২৫টি পরিবার ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চলাচলের পথে প্রতিবন্ধিকতা সৃষ্টি করেছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইটের দেওয়াল গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বালুর স্তুপ অপসারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে বেকারি মালিককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

সর্বশেষ সংবাদ

তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭ জন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে কোমল পানীয় বোতলের ক্যাপ ছুড়ে মারাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ সহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে...

বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে নয়ন শেখ (১৬) নামে এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে। রবিবার বেলা ১২টা দিকে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী...

কুমারখালীতে পেট্রোলের লিটার ২৫০ টাকা, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পাম্প গুলোতে জ্বালানী তেলের কৃত্রিম সংকটের সুযোগে খোলাবাজারে ২০০-২৫০ টাকা লিটার পেট্রোল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ভোক্তাদের এমন মৌখিক অভিযোগে অভিযান...

অনিয়মের অভিযোগে এনসিপির দুই নেতাকে শোকজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা...

কুমারখালীতে ঈদের নামাজের স্থান নির্ধারণ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি সকালে বৃষ্টি থাকায় ঈদের নামাজ কোথায় হবে। মসজিদে না ঈদগাহ মাঠে ? এ নিয়ে স্থানীয় দু'পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ...