কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব তসলিম উদ্দিন নিশাত বলেছেন, জেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠনকে সামনে রেখে একটি চক্র তার চরিত্র হননের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এ লক্ষ্যে ২০১৫ সালের বন্ধু আড্ডার একটি ভিডিও চিত্র ২০২৬ সালে সামনে নিয়ে এসে নোংরা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। যদিও সেই ভিডিওতে অপ্রীতিকর কিছু দেখা যায়নি।
শুক্রবার বিকালে কুষ্টিয়া গ্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন। এ সময় ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিশাত বলেন, একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, সামাজিক অবস্থান ও ব্যক্তিগত সম্মান ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার একটি পুরোনো ভিডিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটি সম্পূর্ণ বিকৃত, এডিটেড এবং বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সেই ভিডিও অতীত ব্যাকগ্রাউন্ড বর্ণনায় ত্যাগী এই ছাত্রদল নেতা বলেন, ঘটনাটি মূলত ২০১৫ সালের। সেদিন আমার এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিন ছিল। প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে কুষ্টিয়া থেকে মোটরসাইকেলে করে মিরপুরে যাওয়ার সময় আমি পুরোপুরি ভিজে যাই। পরে আমার চাচাতো ভাইয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভেজা জামা খুলে শুকাতে দেই এবং বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম। সেখানে আমার বন্ধু তুষারের সাথে একটি মোবাইল ফোন নিয়ে হাস্যরস ও মজার ছলে ধস্তাধস্তির সময় মোবাইলটি নিচে পড়ে যায়। সেই মুহূর্তে উপস্থিত আরেক বন্ধু ভিডিওটি ধারণ করে। এটি সম্পূর্ণ বন্ধু মহলের একটি স্বাভাবিক আড্ডার ঘটনা ছাড়া আর কিছুই নয়।
নিশাত দাবি করেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছি বহুবার। আমার বিরুদ্ধে ৩০টিরও অধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আমাকে ৮ বার কারাবরণ করতে হয়েছে। কিন্তু এত নির্যাতন-হয়রানির পরও আমি আমার রাজনৈতিক আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হইনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শিমুল হোসেন, কুষ্টিয়া পলিট্যাকনিক্যাল ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের আহবায়ক আব্দুল কাদের, সদস্য সচিব মারুফ হোসেন পিয়াস ও রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি রাফিদ সরিফ পাপন প্রমুখ।






