রবিবার, মার্চ ২২, ২০২৬.
Home Blog Page 63

রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে ডাকাতি

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে রোগীবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের পিপুলবাড়িয়া মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে অন্তত ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সটি দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লিটন নামে এক স্ট্রোকের রোগীকে নিয়ে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে যাচ্ছিল। পথে ডাকাতেরা পিপুলবাড়িয়া মাঠে থাকা যাত্রীছাউনির সামনে রাস্তার ওপর গাছের গুঁড়ি ফেলে গতিরোধ করে। এরপর পাঁচ-ছয়জনের ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্র হাতে অ্যাম্বুলেন্সটির চালক ও যাত্রীদের জিম্মি করে।

অ্যাম্বুলেন্সের চালক রতন আহমেদ বলেন, ‘রাতে রোগীকে অক্সিজেনসহ কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে রোগী ও তার স্বজনসহ মোট চারজন ছিলেন। পিপুলবাড়িয়া মাঠ এলাকায় ডাকাতেরা গাড়ি আটকে আমার গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেয়। তারা চলে যাওয়ার আগে কাউকে কিছু না বলার জন্য হুমকি দিয়ে যায়।’

রোগীর স্বজন জালাল বলেন, ‘আমরা অ্যাম্বুলেন্স-চালককে কাতলামারী দিয়ে কুষ্টিয়ায় যেতে মানা করেছিলাম, কিন্তু তিনি ওই পথেই গেলেন। পথে ডাকাতেরা আমাদের কাছ থেকে প্রায় ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। রাত ২টার দিকে আমরা রোগীকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করি।’

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ জনিত সমস্যায় লিটন নামে এক রোগী ভর্তি হন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। পথে এমন ডাকাতির ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলাইমান শেখ বলেন, ‘ডাকাতির বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।’

রাস্তার খানাখন্দের পানিতে শিশুদের বই ও টিফিন নষ্ট হয়

0

স্টাফ রিপোর্টার

রাস্তা গুলোর মাপজোক হয়, প্রকল্প তৈরী হয়, টেন্ডার কমিটিতেও ফাইল পাঠানো হয় কিন্তু টেন্ডার আর হয় না। ফলে পৌর এলাকার স্কুলগামী কয়েক হাজার শিশু ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কমেনা। অপরটি দুই কিলোমিটার মাটির রাস্তা কাঁদা পানিতে ডুবে থাকায় দু’শ পরিবারের লোক বর্ষার তিনমাস মসজিদে নামাজে যেতে পারে না। উৎপাদিত কৃষি পন্যও বাজারে নিতে পারে না। একটি রাস্তার ব্রিজ ভেঙ্গে রেখে পালিয়ে গেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। তিন গ্রামের বাসিন্দারদের ৫/৬ কিলোমিটার ঘুরে নিকটবর্তী হাটবাজ ও চিকিৎসার নিতে যেতে হয়।

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা সদরের পৌর এলাকায় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঢাকা রোড থেকে আশার মোড় পর্যন্ত পাকা রাস্তাটি ৭১৫ মিটার দীর্ঘ। মেরামতের অভাবে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে রাস্তাটি। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্ত গুলোতে কমর পর্যন্ত পানি জমে যায়। অথচ এই রাস্তায় রয়েছে সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একাধিক শিশু বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা। এ ছাড়া একটি সরকারী কলেজ ও বালিকা বিদ্যালয়ের কয়েক হাজার সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা বাইপাস সড়ক হিসেবে এটি ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু বৃষ্টির মৌসুমে রাস্তা জুড়ে পানি আর কাদায় একাকার হয়ে যায়। শুষ্ক মৌসুমে একই ভারে ধুলাবালি আর খানাখন্দে শিশুদের চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে থাকে রাস্তাটি।

উপজেলা সদরে থেকে ৬ কিলোমিটার দূরের হাওড় নদী পারের বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের বহরমপুর গ্রাম। গ্রামের মসজিদ থেকে একতারপুর হাট পর্যন্ত ২ কিলোমিটার মাটির রাস্তা। এ রাস্তার মাঝখানে রহরমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বর্ষায় কাঁদা পানিতে বেশির ভাগ শিশু শিক্ষার্থী স্কুলে যেতে পারেনা। এলাকাসীর অভিযোগ রাস্তাটি পাকা করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার অফিসের লোকেরা কম পক্ষে ৫০ বার মেপেছেন। গ্রামের দুই পাশ দিয়ে পাকা রাস্তা রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সে রাস্তা পর্যন্ত পৌছাতে হলে ছোট খাটো একটি যুদ্ধ করতে হয়। খুব বিপদে না পরলে কেউ ঘর থেকে নামতে চান না। কাঁদা পানি ভয়ে গ্রামের একমাত্র মসজিদে সন্ধ্যা ও রাতের ওয়াক্তেয় নামাজে যেতে পারেন না নামাজিরা। বর্ষায় গ্রামে ছেলে মেয়ের বিয়ে হয় না। অসুস্থ্য ও প্রসুতি নিয়ে পরতে হয় বিপদে। হয়, হাতা সিং (কোলে করে) অথবা রোগীকে বাধ্য হয়ে হাটিয়ে নেওয়া হয়। সম্প্রতি গ্রামবাসীরা চাঁদা তুলে প্রায় ২০ ট্রাক বালি মাটি ফেলে রাস্তা ঠিক করেছেন।

আমবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গোসাডাঙ্গী মোল্লাপাড়া গ্রামটির একমাত্র রাস্তার কালভাটটি ভেঙ্গে গেছে। অপর দিকে সংস্কারের না করায় রাস্তাটিরও বেহাল অবস্থা। যানবাহনতো দূরের কথা পায়ে হেঁটেও চলাচল করা যায় না। গত কয়েক সপ্তাহ আগেও রাস্তাটি মেরামতের জন্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মাপ-জোক করেছে। খোজ নিয়ে জানাগেছে রাস্তা ও কালভাটটি সংস্কারের জন্য এডিবি বা অন্যকোন প্রকল্পে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

জানিপুর ইউনিয়নের দশকাহুনিয়া থেকে বসোয়া পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার গ্রামীন পাকা রাস্তার দুইটি ব্রিজ পুণঃ নির্মানের জন্য ২১-২২ অর্থবছরে টেন্ডার হয়। স্বজল এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেন্ডার বাগিয়ে নেয়। প্রায় প্রায় ১ বছর আগে রবি মেম্বরের বাড়ির পাশের ব্রিজটি ভাঙ্গা হয়। এরপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোক আর আসেনি। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার লোকে। প্রায় ৫/৭ কিলোমিটার ঘুরে নিকটবর্তী একতারপুর হাট ও বিদ্যালয়ে যেতে হয়।

খোকসা জানিপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনির ছাত্রী নওরিন, কথা, কুয়াসা আক্তার, রেহা ওরাও প্রতিবছর শুনে আসছে অল্প দিতে রাস্তা হবে। তারা ৫ বছর পড়ছে কিন্তু রাস্তা আর ভালো হযনি। তাদের ক্লাসের অনেক বন্ধু বান্ধবি রাস্তার গর্তে পরে বই ব্যাগ টিফিনের খাবার নষ্ট করেছে। তারাও রাস্তার কষ্ট থেকে মুক্তি চায়।

বহরম পুরের বৃদ্ধ শুকুর আলী জানান, প্রতি বছরই মেম্বর চেয়ারম্যানরা বলে এই মাপার পর রাস্তার কাজ শুরু হবে। আর হয় না। বাধ্য হয়ে এ বছর গ্রামের ভ্যান চালক থেকে কৃষক, চাকুরে ছেলে মেয়ে ৫০০ থেকে ২ হাজার পর্যন্ত টাকা দিয়ে রাস্তায় ২০ ট্রাক বালু মাটি ফেলেছেন।

দশকাহুনিয়া গ্রামের মিশোন সরকার। পাশের উপজেলা পাংশার কলিমহরের একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র। সে জানায়, ব্রিজটি ভাঙ্গার পর তাকে প্রায় ৬ কিলোমিটার ঘুরে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। তারা দ্রæত ব্রিজটি নির্মানের দাবি করেন।

উপসহকারী প্রকৌশলী ইমরান হোসেন ও আমজাদ হোসেন বলেন, ঢাকা রোড থেকে আশা মোড় পর্যন্ত ৭১৫ মিটার রাস্তাটি এবারেও জিওবি প্রকল্পের জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্য ব্রিজ দুটির ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিল করে নতুন টেন্ডারের দেওয়ার জন্য একাধিক বার চিঠি দেওয়া হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে উপজেলার সদরের স্কুল পাড়ার রাস্তা ও ব্রিজের প্রকল্প অনুমোদন হবে বলে আশা করছেন। বহরমপুর ও গোসাই ডাঙ্গীর রাস্তা সম্পর্কে তাদের জানা নেই।

বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জমির উদ্দিন জানান, বহরমপুরের রাস্তাটির আইডি ছিলো না। গত সরকারের সময়ে আইডি ভুক্ত করা হয়েছে। আগামীতে অর্থ বরাদ্দ আসলে কাজ হবে।

খোকসা সভার প্রশাসক ও উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা রেসমা খাতুনের সাথে কথা বলার জন্য ফোন দেওয়া হয়। তিনি ফোন ধরেন নি।

উপজেলা প্রকৌশলী আসাদ উল্লাহের সাথে কথা বলার জন্য তার মুঠো ফোনে কল করা হয়। কিন্তু তিনি রিসিভ করেন নি।

খোকসায় সুদমুক্ত সমিতি গঠন

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় সুদমুক্ত সমিতি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সমিতির খোকসা কার্যালয়ে পরামর্শ সভা এবং দশ সদস্য বিশিষ্ঠ একটি কমিটি গঠন করা হয়। ভ্রাতৃসমাজ উন্নয়ন সংস্থা’র উদ্যোগে এই সমিতির নামকরন করা হয়েছে “খোকসা ভ্রাতৃসমাজ সামাজিক ব্যবসা সমিতি”।

উক্ত পরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন খোকসা সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রভাষক মোঃ নজরুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, সমাজকে সুদমুক্ত করতে এই সমিতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমরা সবাই মিলে মানুষদের সুদ থেকে মুক্ত করতে চাই। বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষই সুদের সাথে সম্পৃক্ত। তাদের সুদমক্তির এই যাত্রা ইহকালে এবং পরকালেও সুফল বয়ে আনবে।

খোকসা ভ্রাতৃসমাজ সামাজিক ব্যবসা সমিতি’র ডিস্ট্রিক্ট প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর রাজিব হোসেন শাওন বলেন, বর্তমানে পুরো দেশটাই সুদের কবলে নিমজ্জ্বিত। সুদের আশি প্রকার গুনাহের মধ্যে সর্বনি¤œ গুনাহ হলো মায়ের সাথে যেনা করার মত অপরাধ এছাড়াও সুদী কারবারিদের সাথে আল্লাহ এবং রাসুল যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন। তাই আমরা দেশকে সুদমুক্ত করতে চাই। এটা আমাদের ইমানী দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, আমরা খোকসাতে কাজ করছি। খোকসা ছাড়াও কুষ্টিয়া সদর এবং ও রাজবাড়ীতেও আমাদের কার্যক্রম চলমান। ধীরে ধীরে আমরা সারা বাংলাদেশ থেকে সুদ মুক্ত করবো ইনশাল্লাহ।

উক্ত কমিটিতে সভাপতি পদে মোঃ নজরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি পদে রাজিব হোসেন শাওন নাম প্রস্তাবনা করা হলে সবার সম্মতিক্রমে তা অনুমোদন করা হয়।

এছাড়াও উক্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন, মোঃ আসাদুজ্জামান, লিমা পারভিন, ইসরাত জাহান, মোঃ লুৎফর রহমান, মোছাঃ শারমিন খাতুন, মোছাঃ আলেয়া খাতুন, মোঃ জাহিদ হাসান ও শামিম রেজা সবুজ।

উল্লেখ্য, ভ্রাতৃসমাজ উন্নয়ন সংস্থা ইসলামিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সুদমুক্ত করণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। দীর্ঘ তের বছর গবেষনা করে ইসলামিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় খোকসাতে গঠন করা হয়েছে “ খোকসা ভ্রাতৃসমাজ সামাজিক ব্যবসা সমিতি”।

ঢ্যাপ ও শৈশব

0

বিলের পানি কমতে শুরু করলেই শাপলা ফুলের ফল ঢ্যাপ সংগ্রহে মাতে গ্রামের শিশুরা। শুক্রবার স্কুল ছুটি। তাই সুযোগ পেয়েছে শিশুরা। দল বেধে ওরা বাড়ির পাশের বিলে নেমেছিল ঢ্যাপের ফল সংগ্রেহে। ঢ্যাপ নিয়ে দল বেধে শিশুরা বাড়ি ফিরছে। কুষ্টিয়ার খোকসার জানিপুর ইউনিয়নের রহরম পুর থেকে শুক্রবার দুপুরে ছবিটি তোলা।

কিছু মহল এখনো নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে – প্রধান উপদেষ্টা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

রমজানের আগে ফেব্রæয়ারির শুরুতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেছেন, কিছু মহল এখনো ভোট পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। অন্তর্বর্তী সরকার নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন নিশ্চিত করতে অটল রয়েছে।

বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মুনির সাতৌরির নেতৃত্বে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্যদের (এমইপি) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে সাধারণ নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের এ অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। বৈঠক শেষে তার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমরা এরই মধ্যে সাধারণ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছি। রমজানের আগেই ফেব্রæয়ারির শুরুর দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘ বিরতির পর কোথাও তিন দশকেরও বেশি সময় পর ছাত্র সংসদ নির্বাচন শুরু হওয়ায় সাধারণ জনগণ, বিশেষত তরুণদের মধ্যে (ভোট নিয়ে) আগ্রহ বাড়ছে।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সাধারণ নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, পরিচ্ছন্ন, স্বচ্ছ ও উৎসবমুখর। যদিও কিছু মহল এখনো ভোট পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন নিশ্চিত করতে অটল।

তিনি বলেন, তরুণ ভোটাররা এবার রেকর্ডসংখ্যায় ভোটকেন্দ্রে যাবেন। কারণ, দীর্ঘ ১৫ বছর পর অনেকেই প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন।

ড. ইউনূস বলেন, ফেব্রæয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য নতুন সূচনা বয়ে আনবে। এটি দেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করবে। জাতির নতুন যাত্রা শুরু হবে।

ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রক্রিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের অব্যাহত সহায়তা ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা আগামী জাতীয় নির্বাচনকে বাংলাদেশের জন্য একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং বর্তমান সরকারের গত ১৪ মাসের ‘অসাধারণ’ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

বৈঠকে একজন ডাচ এমইপি বলেন, বাংলাদেশ হয়তো এমন কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি, যেখানে ঘটনাপ্রবাহ সঠিক পথে এগোচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবিচল সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য বাড়তি অর্থায়নের আহŸান জানান। বিশেষত তিনি স¤প্রতি তহবিল সংকটে বন্ধ হওয়া ক্যাম্পের স্কুলগুলো পুনরায় চালু করতে সহায়তার অনুরোধ জানান।

ড. ইউনূসের বিশেষ দূত লতিফ সিদ্দিকী বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রম সংস্কার উদ্যোগগুলো তুলে ধরে বলেন, এসব পদক্ষেপ বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক আরও মজবুত করতে সহায়ক হবে।

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়লো ৫ বসতঘর

0

কুমারখালী সংবাদ দাতা

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনে ৫ টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বুধবার সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটের সময় উপজেলার নন্দুলালপুর ইউনিয়নের উত্তর ভবানিপুর গ্রামে শাহিন আলমের বাড়িতে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহিন আলমের বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় আশপাশে ঘরগুলোতে আগুন দ্রæত ছড়িয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগী শাহিন আলম বলেন, বৈদ্যুতিক শট সার্কিটের আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঘরে। এরপর প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকান্ডে একটি হিরো হোন্ডা মটরসাইকেল পুড়ে যায়। এ ছাড়া তার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার, শ্রী ইন্দ্র প্রসাদ বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনে ৫ টি বসতঘর পুড়ে যায়।

ঝিনাইদহে মাছ ধরা কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ১৯

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

বৃষ্টির পানিতে ভেসে যাওয়া পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কোদালিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টিতে কোদালিয়া গ্রামের শোয়েব আলীর পুকুর ভেসে যায়। ভেসে যাওয়ার মাছ শিকার করেন স্থানীয় টুকু মুন্সি গ্রæপের লোকজন। এ নিয়ে মঙ্গলবার থেকে পুকুর মালিক শোয়েব ও প্রতিপক্ষ টুকু মুন্সির সমর্থকদের উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বিএনপির নেতার জানাযার নামাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন পুকুরের মালিক শোয়েব। টুকু মুন্সি গ্রæপের লোকজন এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ পওয়া গেছে। ওই ঘটনার জেরে বুধবার দুই গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে উভয়পক্ষের নারী ও পুরুষ সহ অন্তত ১৯ জন আহত হন।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পান নি। তবে গ্রামের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

চলতি বছর থেকে আবারও শুরু হচ্ছে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা। আগামী ডিসেম্বরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সরকারি-বেসরকারি সব স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। পাঁচটি বিষয়ে চারটি পত্রে মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে তাদের।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহŸায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার মঙ্গলবার বিকালে গণমাধ্যমকে বলেন, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিতে নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বোর্ডগুলো পক্ষ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের নীতিমালা অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
“বছরে শেষাংশে ডিসেম্বর মাসে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা হবে। তবে এখনও চূড়ান্ত দিন-তারিখ নির্ধারণ হয়নি। আশা করছি দ্রæতই দিন-তারিখ নির্ধারণ হবে।”

যেভাবে হবে পরীক্ষা

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনুমোদিত স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মাধ্যমিক ও নি¤œমাধ্যমিক স্কুলে অধ্যয়নরত অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ভিত্তিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ে বৃত্তি পরীক্ষা হবে।

বাংলা, ইংরেজি, গণিত বিষয়ে আলাদা আলাদ পরীক্ষা হলেও বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা হবে একসঙ্গে।

পরীক্ষার মোট নম্বর ৪০০। বাংলায় ১০০, ইংরেজিতে ১০০, গণিতে ১০০, বিজ্ঞানে ৫০ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

প্রতিটি পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা। এ পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ’ কোটায় শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে।

ফি ৬০০ টাকা
বৃত্তি পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে মোট ৬০০ টাকা। নীতিমালায় পরীক্ষার্থী প্রতি বোর্ড ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০ টাকা আর কেন্দ্র ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা।

প্রশ্ন প্রণয়ন ও ফল প্রক্রিয়া

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড এ পরীক্ষা প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ করে জেলা কমিটির কাছে পাঠাবে। বোর্ড পরীক্ষা শেষে ফল প্রস্তুত করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পাঠাবে।

ঢাকা বোর্ডসহ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ফরম পূরণ করবে। অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডগুলো ফল প্রস্তুত করতে ঢাকা বোর্ডকে সহায়তা করবে।

উপজেলা সদরে পরীক্ষা কেন্দ্র

নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রতিটি উপজেলা সদবে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহারে সুবিধাজনক বিদ্যালয়কে প্রাধান্য দিতে হবে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও কেন্দ্রের অবকাঠামোর সুবিধা বিবেচনায় প্রয়োজনে একাধিক কেন্দ্র স্থাপন করা যাবে।

কুষ্টিয়ায় মতবিনিময় সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব

0

জাতীয়ভাবে পালিত হবে লালন তিরোধান দিবস

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

এবার ফকির লালনের ১৩৫ তম তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠানে প্রাধান্য পাবে লালন সাঁইজি ও সাধু গুরুদের জীবনাচরণ। খাদ্যসেবা থেকে শুরু করে তাদের বসা, হাঁটাচলা; সম্পূর্ণ রিচুয়াল মেনে পালন করা হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের এক মতবিনিময় সভায় এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান।

মহাত্মা লালন সাঁইয়ের ১৩৫তম তিরোধান দিবস পালন উপলক্ষে বুধবার বিকালে কুষ্টিয়ার নব নির্মিত সার্কিট হাউজ অডিটোরিয়ামে অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আল মামুন সাগর, সেক্রেটারি আবু মনি জুবায়েদ রিপন, জামায়াতে ইসলামী কুষ্টিয়া শাখার সেক্রেটারি সুজা উদ্দিন জোয়ারদারসহ বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই অংশীজনদের কাছ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হয়। সেখানে অনেকেই অভিযোগ করেন, লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়িতে প্রবেশে সংকীর্ণ ও ভাঙাচুরা সড়কের বিষয়ে। উঠে আসে ফকির সাধকদের প্রতি নানা অন্যায় অবিচারের কথা। সেইসঙ্গে মাদকের বিস্তার রোধসহ আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে কথা বলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও।

অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ফরহাদ মজহার বলেন, ফকির লালন সাঁইয়ের যে সেবা পদ্ধতি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা সেবা পদ্ধতি। তার সাধনার ধারাটা হলো সেবা পদ্ধতির মধ্যদিয়ে ছড়ায়। সেবা পদ্ধতি একটি নিয়ম, একটি বিধান। এটার একটা আলাদা সৌন্দর্য রয়েছে। সেই সেবায় যে নিম্ন মানের খাবার দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ জন্য আশা করবো এবার সেবাটা একদম লালনের ঘরের রীতিনীতি মেনে পালন করবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সচিব মো. মফিদুর রহমান বলেন, এবার অনুষ্ঠানের সবকিছু লালন সাঁই ও তার ভক্তবৃন্দের জীবনাচার মেনে পালন করা হবে। এবার গ্রামীণ মেলা আয়োজন করা হবে না আমাদের এখন পর্যন্ত এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেই। এটি শত শত বছর ধরে চলে আসছে। মেলা বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি, এটা বন্ধের বিষয়ে আমাদের আপাতত কোনো ভাবনা চিন্তা নেই। তা ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আমরা উদ্বীগ্ন না।

মফিদুর রহমান জানান, এবার লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস জাতীয় ক শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় জাতীয়ভাবে পালন করা হবে। মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে কুষ্টিয়ায় ১৭ অক্টোবর। এখানে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান চলমান থাকবে। অন্যদিকে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর ঢাকায়ও জাতীয়ভাবে অনুষ্ঠান পালন করা হবে।

খোকসায় গণ ধুলায়ের শিকার দুই চোর হাসপাতালে ভর্তি

0

স্টাফ রিপোর্টার

নারী ইউটিইউবারের হাতে এবার আটক দুই চোরকে গণধুলাই দিয়েছে জনতা। আটক দুইজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা সদরের স্কুল পাড়ায় শাহিনের বাড়ির দোতলার একটি ইউনিটের দরজার তালা ভেঙ্গে দুই চোর প্রবেশ করে। এ সময় বাড়ির ভাড়াটিয়া ও ইউটিউইবার মুন্নি আক্তার কনা দরজার তালা ভাঙ্গা শব্দ আঁচ করতে পারেন। তিনি ছুটে এসে বাড়ির মালিক শাহিনের বসবাসের দোতলার ইউনিটের প্রধান দরজার তালা ভাঙ্গা দেখে। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে প্রধান দরজার হ্যাজবোল্টটি আটকে দিয়ে চিৎকার করে। এ সময় স্থানীয়রা ঘরের ভিতর আটকা পড়া চোরদের বেড় করে নিয়ে যায়।

ঘরের ভিতর আটক চোর নূরুজ্জামান (৪৫) ও চুন্নু শেখ (৪৫)। তাদের বাড়ি মাদারিপুরে। পরে বাড়ির মালিক শাহিন খোকসা থানা পুলিশকে খবর দেন। কিছু সময় পর পুলিশের একটি দল ঘটনা স্থল থেকে গণ ধুলাইয়র শিকার ওই দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সন্ধ্যায় এ রিপোট লেখা পর্যন্ত আটক দুই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি ছিলো।

বাড়ির মালিক শাহিন জানান, তাকে ইউটিইউবার কনা’র ফোন পেয়ে তিনি বাড়িতে আসেন। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আটক চুন্নু শেখ জানান, তাদের কাছে তালা ভাঙ্গার যন্ত্র ছাড়া আর কোন অস্ত্র ছিলো না। তারা ঘরে ঢোকার পর স্থানীয়রা তাদের আটক করে। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করেছে।

ঘটনা স্থলে উপস্থিত খোকসা থানা পুলিশের এএসআই শুভ বলেন, স্থানীয় জনতা আটক দুই ব্যক্তিকে গণ পিটুনি দিচ্ছিলো। এ সময় খবর পেয়ে তারা দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা জন্য ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবির হোসেন বলেন, পুলিশের ভর্তি করা দুই ব্যক্তির শারীর অবস্থা ভালো আছে।

খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, আটকরা এখনো হাসপাতালেই ভর্তি আছে। বাড়ির মালিক মাগরিবের নামাজের পর মামলা দিতে থানায় আসবেন।

সর্বশেষ সংবাদ

তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭ জন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে কোমল পানীয় বোতলের ক্যাপ ছুড়ে মারাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ সহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে...

বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে নয়ন শেখ (১৬) নামে এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে। রবিবার বেলা ১২টা দিকে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী...

কুমারখালীতে পেট্রোলের লিটার ২৫০ টাকা, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পাম্প গুলোতে জ্বালানী তেলের কৃত্রিম সংকটের সুযোগে খোলাবাজারে ২০০-২৫০ টাকা লিটার পেট্রোল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ভোক্তাদের এমন মৌখিক অভিযোগে অভিযান...

অনিয়মের অভিযোগে এনসিপির দুই নেতাকে শোকজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা...

কুমারখালীতে ঈদের নামাজের স্থান নির্ধারণ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি সকালে বৃষ্টি থাকায় ঈদের নামাজ কোথায় হবে। মসজিদে না ঈদগাহ মাঠে ? এ নিয়ে স্থানীয় দু'পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ...