মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬.
Home Blog Page 4

ফুটপাত দখল ও ভ্যানের দাপটে পথচারীরা ভোগান্তির শিকার

0

কুমারখালী প্রতিনিধি

কুমারখালীতে পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পৌরবাজারে জনসমাগম বাড়ছে। অথচ বাজারে প্রবেশের প্রধান সড়কটির ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলে চলে যাওয়ায় সাধারন মানষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরবাজারের প্রধান সড়কের বড় অংশ জুড়ে দোকান বসিয়ে রাখা হয়েছে। পথচারীদের হাঁটার জায়গা নেই। এর পরে আবার শত শত পাখিভ্যান, ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা (পান্টি-কুমারখালী রুট), ছোট বড় মালবাহী যান এবং মাটি-বালুবাহী গাড়ির অবাধ চলাচল পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

হলবাজার মোড়, গণমোড়, স্টেশন বাজার ও বাসস্ট্যান্ড শহরের এসব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সড়কের ওপর গড়ে উঠেছে অবৈধ ভ্যানস্ট্যান্ড। সারি সারি পাখিভ্যান দাঁড়িয়ে থাকায় রাস্তার অধিকাংশ জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে। এতে পথচারী ও যানবাহন একে অপরের সঙ্গে প্রতিনিয়ত সংঘাতে জড়াচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভ্যানচালকদের বড় একটি অংশ কোনো নিয়ম মানতে চায় না। পথচারীদের সঙ্গে প্রতিদিনই বাগবিতন্ডা হচ্ছে, কোথাও কোথাও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। বেপরোয়া চলাচলের কারণে শহরের ভেতরে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটলেও কার্যকর কোনো নিয়ন্ত্রণ চোখে পড়ছে না। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো বাজারের প্রধান সড়কে অতিরিক্ত পাখিভ্যানের কারণে জরুরি রোগী, অ্যাম্বুলেন্স কিংবা অগ্নিনির্বাপণ যান দ্রæত চলাচল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন এই অব্যবস্থাপনা কি প্রশাসনের চোখে পড়ে না? নাকি সবকিছু জেনেও নীরবতা পালন করা হচ্ছে? ঈদ সামনে রেখে বাজারে ভিড় আরও বাড়লে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ অরাজকতায় রূপ নেবে।

এ অবস্থায় অবিলম্বে কুমারখালী পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের স্পষ্ট দাবি ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা, নির্দিষ্ট স্থানে ভ্যানস্ট্যান্ড নির্ধারণ, ভারী ও মাটি বালুবাহী যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ অভিযান চালিয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। অন্যথায় রমজান ও ঈদের আনন্দ কুমারখালী পৌরবাসীর কাছে দুর্ভোগেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে ওই যুবকের পরিচয় জানা যায়নি।

বুধবার সকালে উপজেলার বারবাজার এলাকা থেকে আনুমানিক ২০-২১ বছর বয়সী ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সকালে রেল লাইনের পাশের পুকুর পাড়ে এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। রেল পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

যশোর রেল পুলিশের এস আই জৌতিষচন্দ্র বর্মন বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। আমরা ধারণা করছি ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর রিপোর্ট এলে সঠিক কারণ জানা যাবে।

কুমারখালীতে ভোটে হেরে বিএনপির পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া ৪ (খোকসা- কুমারখালী ) আসনে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর কাছে পরাজিত যাওয়ার জন্য দক্ষ পরিচালনার অভাবকে দায়ী করেছেন মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপি ও যুবদলের নেতা – কর্মীরা।

উপজেলা ও পৌর বিএনপি ও যুবদলের ব্যানারে বুধবার দুপুরে কুমারখালী হলবাজার সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে এমন পাল্টা অভিযোগ তোলেন তারা। গত দুই সপ্তাহে কমপক্ষে ৪টি সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির বিভিন্ন অংশ।

বিএনপির একাংশের দাবি, জাসদ ও জাতীয় পাটি থেকে আসা নেতাদের বিরোধের আগুনে বিএনপির দূর্গ পুড়েছে। অন্য একটি অংশের নেতারা বলছেন, গৃহবিবাদ মেটাতে ব্যর্থ হওয়ার কারনে শুধু এ আসন নয় জেলার তিনটি আসনে হারিয়েছে বিএনপি।

কুমারখালী হল বাজারে অনুষ্ঠিত বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল উদ্দিন বাবু প্রমূখ। আর যুবদলের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহবায়ক ওবাইদুল ইসলাম রিপন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক খাইরুল ইসলাম ও ইউনুস আলী প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ লুৎফর রহমান বলেন, ২২ ফেব্রæয়ারী কুমারখালী বাসস্টান্ড এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে খোকসা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলীর আনিত অভিযোগ মিথ্যা, অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। মনোনয়নবঞ্চিতদের কারণে নয়, বরং অদক্ষ, অযোগ্য ও অসাংগঠনিক নেতাকর্মী দ্বারা দক্ষ নির্বাচন পরিচালনার অভাবে গত ১২ ফেব্রæয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী সামান্য ভোটে পরাজিত হয়েছেন।’

নির্বাচনে এক লাখ ৪৮ হাজার ২০১ ভোট পেয়ে জিতেছেন জামায়াতের মো. আফজাল হোসেন। তাঁর নিকটতম প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী এক লাখ ৩৯ হাজার ৬০৩ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী ও কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক।

লুৎফর রহমান বলেন, তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও দল থেকে মেহেদী আহম্মেদ রুমীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে সবাই প্রার্থীর পক্ষে ভোট করেছেন। তবে প্রার্থী দলের সাংগঠনিক নেতাকর্মীদের বাদ রেখে কুমারখালী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আইনজীবী শাতিল মাহমুদ ও সাবেক জ্যেষ্ঠ আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চুর দ্বারা নির্বাচন করেছেন। যারা বিগত ১৭ বছর কোন আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন না। বরং আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে চলেছেন। ফলে বিতর্কিতদের দ্বারা ভোট পরিচালনা করায় সাধারণ ভোটাররা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।’

লিখিত বক্তব্যে উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ আহবায়ক ওবাইদুল ইসলাম রিপন বলেন, ‘২২ ফেব্রæয়ারীতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে যুবদলের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। বরং যুবদলের আহবায়ক জাকারিয়া আনছার মিলনের নেতৃত্বে ভোটের মাঠে সক্রিয় ছিলেন তারা। ভোটের প্রচারণা ছবি ও ভিডিও আছে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক বলেন, ‘অযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা কমিটি প্রার্থীকে ভুল তথ্য দিয়ে ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ের আশ্বাস দিয়েছিলেন। ফলে প্রার্থী দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে বিজয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। সেজন্য ভোটে পরাজয় হয়েছে। এখন তাদের ব্যর্থতা ঢাকতে উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘প্রার্থীসহ একাধিকবার মনোনয়নবঞ্চিতদের সঙ্গে বসা হয়েছিল। বসাবসিতে তারা আশ্বাস দিলেও ভিতরে ভিতরে দাঁড়িপাল্লায় ভোট করেছেন। কতিপয় দলীয় নেতাকর্মীদের বেঈমানির কারণেই ধানের শীষ হেরেছে। বেঈমানদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা কমিটিকে জানানো হয়েছে।’

কুষ্টিয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে পানিতে ডুবে মহাম্মদ আলী (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের কাদেরপুর এলাকায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ জিকে সেচ খাল থেকে তার ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শিশু মহাম্মদ আলী একই এলাকার রহমত আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ওই শিশু তার বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে একপর্যায়ে শিশুটি জিকে খালে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি। বুধবার খুলনা থেকে ডুবুরি দল এসে উদ্ধার তৎপরতা চালানোর সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে খালে ভাসতে দেখে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে স্বজন ও এলাকাবাসি শিশুটির বাড়িতে ভিড় করছেন।

মিরপুর থানার (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুমারখালী বাসস্ট্যান্ডে ধুলোয় জনস্বাস্থ্য বিপর্যস্ত

0

বিশেষ প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের ধুলায় নাকাল সাধারণ মানুষ। এটি এখন আর সাময়িক ভোগান্তি নয় এটি এখন পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রূপ নিয়েছে। অথচ প্রশাসনের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।

জানা গেছে, কুষ্টিয়া – রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড মোড়সংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ইট বিছিয়ে তথাকথিত সংস্কার করেছে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপদ বিভাগ।

বাস্তবে ইট-বিছানো এই সড়কই এখন ধুলোর কারখানায় পরিণত হয়েছে। ভারী যানবাহন চলাচল করলে পুরো এলাকা ধুলার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে।

বাসস্ট্যান্ড এলাকার একজন চায়ের দোকানদার বলেন, দিনভর ধুলা উড়ছে। দোকানে বসে ব্যবসা করা অসম্ভব। খাবার-দাবার সব ধুলায় ঢেকে যাচ্ছে। আমরা স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে জীবিকা চালাচ্ছি।

সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট, কাশি, চোখ জ্বালা ও অ্যালার্জির সমস্যা বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা।

একজন যাত্রী বলেন, এ অবস্থা চলছে দীর্ঘদিন যাবৎ। তবুও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চোখে পড়ছে না।

একজন ফল বিক্রেতা আরও কঠোর ভাষায় বলেন, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিনই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চলাচল করেন। তাঁরা কি ধুলা দেখেন না? নাকি সাধারণ মানুষের কষ্টের কোনো মূল্য নেই?

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসস্ট্যান্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ন্যূনতম পরিবেশ সুরক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে। এটি দায়িত্বহীনতা নয় এটি চরম অবহেলা।

এ অবস্থায় অবিলম্বে সড়কটি স্থায়ী পাকাকরণ, ইট তুলে স্থায়ী নির্মাণ, নিয়মিত পানি ছিটানো ও ধুলা নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও পথচারীরা।

জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

এ বছরও রমজানে বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও (২০২৫) সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার একই ছিল।

বুধবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের ফিতরার এ হার নির্ধারণ করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। এতে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।

সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির- যে কোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে পারবেন।

গম ও আটার ক্ষেত্রে এর পরিমাণ এক কেজি ৬৫০ প্রাম (অর্ধ সা’)। খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের (এক সা’) মাধ্যমে সাদকাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করতে হয়।

এসব পণ্যের বাজার মূল্য হিসাব করে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়।

মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক জানান, উন্নতমানের আটা বা গমের ক্ষেত্রে ফিতরা এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’) বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা ধরে)। যবের ক্ষেত্রে (এক সা’) ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা ধরে)।

এছাড়া প্রতি কেজি ৮০০ টাকা ধরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিসমিস বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। খেজুরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০০ টাকা ধরে) ও পনিরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা ধরে) দিয়ে ফিতরা আদায় করতে হবে বলে জানান কমিটির সভাপতি।

ফিতরার পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্য পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলেও জানান আবদুল মালেক।

আব্দুল মালেকের পক্ষে বক্তব্য পাঠ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ।

কোনো ব্যক্তি (ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময়) নেছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমপরিমাণ) মালের মালিক হলে ঈদের দিন সকালে তার ওপর নিজের, নাবালক সন্তানসহ নির্ভরশীলদের সাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব হয়। ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে ফিতরা আদায় করতে হয়।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

পিলখানার ঘটনা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব – প্রধানমন্ত্রী

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা জাতীয় দায়িত্ব। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।

বুধবার সন্ধ্যায় ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাহে রমজানের এই পড়ন্ত বিকালে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের, নব্বইয়ের গণআন্দোলন এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী সব ছাত্র-জনতাকে। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রæয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকান্ডে শাহাদাতবরণকারী ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন বীর শহীদকে। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

তিনি বলেন, আজ ২৫ ফেব্রæয়ারি, জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর দিন। এই দিনটি এলে প্রকৃতি যেন আবার স্মৃতি ও শোকের ভারে নীরব হয়ে যায়, বাতাসে ভেসে আসে সেই বিভীষিকাময় মুহূর্তের আর্তনাদ। আমাদের হৃদয় গভীর বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রæয়ারির এই নির্মম ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে, যার বেদনা সময় পেরিয়ে আজও বহমান।

তারেক রহমান বলেন, ঘটনার দীর্ঘ ১৭ বছর পরে শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাঙ্গণে আজ আমার কণ্ঠ ভারী হয়ে আসছে। আমি কেবল একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে, একজন সহযোদ্ধার সন্তানের মতো আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। ২০০৯ সালের সেই বিভিষীকাময় ঘটনায় ৫৭ জন মেধাবী ও দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ সর্বমোট ৭৪টি প্রাণ ঝরে গিয়েছিল। প্রতিটি নাম একটি পরিবারের আলো নিভে যাওয়ার গল্প, প্রিয়জন হারানোর বেদনাবিধুর অধ্যায়, একটি সন্তানের পিতৃহীন হওয়ার ইতিহাস, একটি স্বপ্নের অসমাপ্ত মহাকাব্য।

তিনি আরও বলেন, দেশে প্রত্যাবর্তনের পরপরই বনানী সামরিক কবরস্থানে গিয়ে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে আমি উপলব্ধি করেছি- গত ১৭ বছরে আপনাদের দুর্বিষহ সংগ্রাম, অপরিসীম ত্যাগ আর দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পাওয়ার নিদারুণ যন্ত্রণা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। ২৫ ও ২৬ ফেব্রæয়ারির ঘটনাকে ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। তাই সেনাবাহিনী ও আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিকে অ¤øান করে রাখতে বর্তমান সরকার কাজ করবে।

তিনি বলেন, আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শিকড় আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে প্রোথিত। ১৯৭১ সালের যেদিন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেদিন সেনাবাহিনীর সঙ্গে তদানীন্তন ইপিআরের সদস্যরা বেতারকেন্দ্রে দায়িত্বে নিয়োজিত থেকে গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে তারা অবিস্মরণীয় অবদান রেখে চলেছেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সুসংহত করতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু করেন।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী থেকে যোগ্য ও মেধাবী অফিসারদের প্রেষণে প্রেরণের সংখ্যা বাড়ানো হয়। ১৯৭৮ সালে এই বাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘটনা হলো সামরিক কায়দায় নতুন করে পুনর্গঠিত হওয়া। পূর্বের উইংসমূহকে পরিবর্তন করে ব্যাটালিয়নে রূপান্তর করা হয়। দুইটি নতুন ব্যাটালিয়ন সংযোজন করে বাহিনীর সংগঠনকে পরিবর্ধিত করা হয়।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর আজ জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে। দেশের প্রশ্নে আমরা সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করবো। আমাদের সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতায় সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ও স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রয়েছে গৌরবোজ্জল ইতিহাস। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আমি মনে করি, পিলখানার এই মর্মান্তিক ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্বকে নস্যাতের একটি অপপ্রয়াস। পিলখানার ঘটনার পরিক্রমায় আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা ফুটে ওঠে। তাই বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে আমাদের সরকার কাজ করবে। একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রæতিও আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি।

বিটিভিকে জনগণের প্রচারমাধ্যমে রূপান্তর করতে চাই: তথ্যমন্ত্রী

0
ছবি সংগৃহীত

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনকে কীভাবে জনগণের প্রচার মাধ্যমে রূপান্তরিত করা যায় সে বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিকল্পনা এবং অগ্রগতি নিয়ে আজকে মতবিনিময় করেছি। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘক্ষণ সময় নিয়ে আমাদের কথা শুনেছেন। বিশেষ করে বিটিভি এবং বাংলাদেশ বেতারকে কীভাবে আমরা জনগণের কাজে লাগাতে পারি সে বিষয়ে তিনি দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য মূল্যবোধ গড়ার কাজে আমাদের সরকারের অধীনস্থ সব প্রচার মাধ্যমকে কীভাবে কাজে লাগাতে পারি এবং একই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াকে কীভাবে কাজে লাগাতে পারি, সে বিষয়ে পরিকল্পনা সাজানোর দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘একটা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কমিউনিকেশন সিস্টেমের মধ্যে সারা পৃথিবী এখন প্রবেশ করেছে। আমরা সেই আলোকে বিটিভিকে জনগণের প্রচার মাধ্যমে রূপান্তরিত করতে চাই। বিমূর্তভাবে এই পর্যন্ত আমাদের লক্ষ্য। এটাকে কীভাবে মূর্তমান করব সে বিষয়ে আমরা হোমওয়ার্ক করব।’

যারা আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলো, তারাই হাট-ঘাট খাবে – স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

‘যারা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে তাড়িয়েছে। তারাই সকল হাট – ঘাট খাবে। সে যে দলেরই হোক।’ এমন বক্তব্য দিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. রিপন হোসেন।

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা-পান্টি সড়কের চৌরঙ্গী বাজারের চৌরাস্তা মোড়ে সোমবার ( ২৩ ফেব্রæয়ারি) রাত ৮ টার দিকে সমর্থিতদের উদ্দেশ্যে এমন বক্তব্য দেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. রিপন হোসেন। এরপর রাতেই খন্ড খন্ড কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বেশ আলোচনা – সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে স্বেচ্ছাসবক দল নেতা রিপনকে বলতে শোন গেছে, ‘রাজপথে আমরা এই হাসিনা ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরানোর জন্য সংসারের সমস্ত কাজ ফেলে রেখে ও জীবনকে বিসর্জন দিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। আজকে যে ছেলে গুলো এখানে উপস্থিত হয়েছে তারাই অনেক দিন, অনেক রাত না খেয়ে পথে প্রান্তরে ঘুরে বেড়িয়েছে। তখন কিন্তু এই সকল ব্যবসায়ীরা কেউ ২০টি টাকা দেন নাই। আর আপনারা সকল সুবিধা ভোগ করার জন্য পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। লজ্জা করার দরকার আপনাদের। আজকে এই আসনে মেহেদী আহম্মেদ রুমীকে ( ধানের শীষের প্রার্থী) আপনারই ফেল করায় ছিলেন।’

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেন বলেছেন, ‘এই বাজার খেকো যেসব দালালেরা আছেন। আপনারা খুব সহজেই এই ছেলেদের অধিকারের জায়গা দখল করবেন না। আর যদি করেন এই ক্ষুধার্ত ছেলেরা আজ যদি বাজার, ঘাট না খেতে পারে। সরকারে লিজ দিবে। এসকল ছাত্ররা বাপের কাছ থেকে ভিক্ষা করে নিয়ে এসে হলেও বাজার লিজ নেবে। কিন্তু যখন আপনি ১০ টাকার জিনিস ৩০ টাকা দিয়ে কিনবেন সেই সামর্থ্য এদের নেই( ছাত্র) এরা খেতেও পারবেনা। কিন্তু এই অধিকার আপনাদের কে দেছে? আপনারা যদি দেশের জন্য কাজ করতেন। আন্দোলন সংগ্রাম করতেন। রাজপথে যেতেন। বুঝতাম, আপনারা পাবেন। আপনাদের বাদ দিয়ে এসকল ছেলেরা খেতে চায়নি। আপনাদের সাথে করে রেখে খুব অল্প ইজারা দিয়ে এরা আপাতত জীবন টা বাঁচাবে।’

উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভিডিওতে রিপনকে আরও বলতে শোনা যায়,’ সরকার, প্রশাসনকে উপেক্ষা করে যেহেতু তোমরা দেশকে স্বাধীন করতে পেরেছ। সেহেতু ওই সকল দালালদের প্রতিহত করে অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।’

বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভিডিওতে ওই নেতাকে আরও বলতে শোনা গেছে, আজকে যেসকল ছাত্র নির্যাতিত। যেসকল আন্দোলোনকারী ভাত পাচ্ছেনা। যে সকল আন্দোলনকারী টাকার অভাবে চলতে পারছেনা। আপনারা অবশ্যই এই সব ছাত্র ও দল প্রেমীদের দেখে রাখবেন।’

স্বেচ্ছাসবক দল নেতা রিপন হোসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বক্তব্যে বলেছেন, ‘ আন্দোলোনের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত ছিলো। তারাই হাট-ঘাট খাবে। সে যে দলেরই হোক। তার অধিকার আছে খাওয়ার। আপনি খাবেন না? কারন আপনি কোনো জায়গা যাননি। কেউ যদি টাকার গরমে বাজার ডেকেও ( ইজারা) আনেন। ওই বাজারে ঢুকলে পিঠের চামড়া তুলে দেয়া হবে। ‘

বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার বিকালে মুঠোফোনে স্বেচ্ছাসবক দল নেতা রিপন হোসেন বলেন, সম্প্রতি চৌরঙ্গী সাপ্তাহিক পেঁয়াজ হাটের ইজারার দরপত্রের আহবান করেছে প্রশাসন। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী টাকার গরমে ৫ লাখ টাকার হাট ১০ লাখ টাকা দিয়ে ইজারা নিতে চাচ্ছে। ফলে ছাত্র, যুবসমাজ ইজারা নিতে পারবেনা। ওই সব ব্যবসায়ীদের সতর্ক করার জন্য ওই বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তবে এখানে অন্যায় কিছু করা হয়নি।’
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আব্দুল হাকিম মাসুদ বলেন, ‘বিএনপি একটি গণতন্ত্রবাদী দল। কেউ যদি টেন্ডারে হাট ঘাটের ইজারা পায়। তাহলে তারা এটা ভোগ করবে। সে যে দলের লোক হোক। এটা তার গণতান্ত্রিক অধিকার। যদিও তার বক্তব্য আমি এখনও শুনিনি। কেউ যদি এমন কোন বক্তব্য দেন। এটা তার একন্তই ব্যক্তিগত কথা। বিএনপি এসব কখনও সমর্থন করেনি। আগামীতেও করবে না।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের কার কোন দপ্তর

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্ব পাওয়া ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আর বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম সম্পাদক ও টেলিভিশন আলোচক জাহেদ উর রহমানকে পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি-সংক্রান্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখাপাত্র মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি রিসার্চ অ্যান্ড মনিটরিং সেলের প্রধান রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রæয়ারি মন্ত্রিসভার বাইরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় ১০ জনকে উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বিএনপি সেদিনই সরকার গঠন করে।

সর্বশেষ সংবাদ

ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাত নেতা আটক

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ‎ঝিনাইদহে তেল পাম্পে ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাত নেতাকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল...

সূর্যমূখি

বাসন্তি আভা সূর্যমূখি প্রকৃতিকে মুখিয়ে তুলেছে। ঝড়ে পড়া বাসন্তি রেণু দক্ষিনা বাতাসকে রাঙিয়ে দিয়েছে। কুষ্টিয়ার খোকসার শিমুলিয়া ই্উনিয়নের একটি রিসোট থেকে ছবিগুলো তোলা।  

বিজিবি’র অভিযানে মাদক সহ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক চারটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা মাদক, অবৈধ ঔষধ ও ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করেছে। সোমাবার (০৯ মার্চ) দুপুরে...

সরকাররি তিন অফিসে একরাতে চুরি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কার্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় একযোগে...

ফসলের উপকারী পতঙ্গের অভাব: কৃত্রিম পরাগায়নের পদ্ধতির পথে হাটছে কৃষক

স্টাফ রিপোর্টার জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ফুল জাতীয় ফসলের পরায়গায়ন উপযোগী পতঙ্গের অভাব দেখা দিয়েছে। ফলে পেঁয়াজের কদম (বীজের ফুল) সহ ফুল জাতীয় ফসলে...